

ছবি: রমিত
আগাছাভর্তি বাগান
সাদা কাগজেই অস্থিরতা বেশি টেম্পোরাল স্ট্রাকচার ম্যাটেরিয়ালিটি
আগাছাভর্তি বাগানে তার শরীর উড়তে থাকে উড়তেই থাকে
সে দেখতে পায় না
পলিনেশিয়ান রাজা যা লেখার সমুদ্রে লিখে রেখেছেন
তার কুমারী মেয়েরা
গভীর পাহাড়ের আর্দ্রতায় মৃত্যুর জৈবিক অভিপ্রায়ে আহ্লাদিত
মনে রেখো এটা ঘটবে
কামারশালা বন্ধ হবার আগে
এখন শীতকাল
মানুষ আর শেয়াল গাজর খেয়ে চোখের তেজ বাড়াবে
গৃহপালিত দুটো বালিশ
দুটোই অচেনা
ভূলোকপ্রহেলিকায় কোনদিন শান্তি ছিল না
চায়ের দোকানদারের হাতে লন্ঠন
বিড়ালপোষা আলোয় তোমার প্রতিটা ফোঁটা মেটাফিজিক্যাল সৌরবিশ্ব
যেমন পুরনো কোন জামা থেকে ছিঁড়ে পড়া
বাদামী বোতাম
চোরের মতো ঘুরে বেড়ানো ছায়াদের
এখন তিক্ততা পেয়েছে
সুতোর রাত প্রজাপতির ডানায়
কাতালোনিয়ায়
শৈশব
দূরের রাস্তার আর্কিটেকচার
ধ্রুবকল্যাণ
আলোটা নিভিয়ে দাও। কৃষিক্ষেতে আলো খুব দরকার।
আমরা দাঁড়াবো একবীজপত্রী উদ্ভিদের কাছে গিয়ে।
বামে ধানকল, মিদ্যের পুকুর। বাতাস আসছে --
প্রিমিটিভিজম আর গুড়ো গুড়ো জাফরান।
আগুন নিশ্চয় কেউ লাগিয়েছে।
আকাশে জাপানি ছাপচিত্র এখন পৌত্তলিকতা।
জলের আলোয় খেজুর গাছের কাঁটাভর্তি মাথা।
আজ দেখবো না, আগে হাতিয়ে নিই সরকারি খাদ্যগুদামের চাবি।
বলছি আমার রেশনকার্ড দরকার নেই।
প্রাচীন কাজাখ লোকগাথা
মা বেরুলো ও-পাড়াতে দুধের ঘটি হাতে
বাপ গিয়েছে ক্ষেতে
ভাই গিয়েছে নদীতে মাছ ধরতে
ঘরে আমি একা রয়েছি
ঘর ঝাঁট দি'
কুটনো কাটি
দোরে দাঁড়াই
আসবে যেন কেউ
ডালিম গাছে দোয়েল
গরুর গাড়ি মোড় পেরোলো খড়ের বোঝা নিয়ে
বাড়িতে কেউ নেই
অতিথি কেউ এসেই যদি পড়ে
কে দেখবে
আমি ছাড়া ঘরেতে কেউ নেই
পনেরোতে পা দিয়েছি
এসব আমায় সামলে নিতে হবে
kk | ১২ অক্টোবর ২০২৬ ২২:৫৮743219