বাবার ফোন কল । ভোরে ভোরে। রিংটোনটা সেই পুরানো লোকগান—"আমার ঘর খাঁড়া করবে কে"। বাবা অপেশাদার গায়ক, এইটাই সেট করছে। ভাইব্রেশন । হাতে নিয়া দেখি—বাবার ছবি। হ্যাঁ, এটাও সে ফোরস করে দিছে। "আনসার"।ঠোঁট শুকাইয়া যাওয়া। কল রিসিভ করা। বাবার গলা ভাঙা ভাঙা, পটেশিয়ামের ঘাটতি। "বাবা?""উই... টিউশন ফি। সেমিস্টার ফাইনালের। কাল ডেডলাইন। কলেজ হইতে এসএমএস আসছে না? তুমি পড় না?"আমি পড়ি। কিন্তু দেখি না। অথবা দেখার ভান করি না। ডিজিটাল ব্যাংক অ্যাপ খুলি। বালান্স দেখি—যেমন তেমন। মায়ের সংসার খরচের টাকা। বাবার ওষুধের টাকা। আমার "হলুদ নীলের" ক্যাম্পাসের ফি।বাবার ক্যালকুলেশন শুরু হয়। "দেখ, সেমিস্টার ফি এক লক্ষ বিশ হাজার। ডেভেলপমেন্ট চার্জ আট ... ...
এই দেশে এক জিনিস যেটা দেখলাম সেটা হল হ্যালোইন। এখানে এই জিনিসটা আরও বেশি আনন্দদায়ক এবং ছোট থেকে বড় সবার সহযোগিতা বা উৎসাহ দেখে বেশ লাগে। আমি যেই শহরে থাকি সেটি হল টেক্সাসের “হ্যালোইন ক্যাপিটাল”। গত দুই বছরেই দেখেছি, এই গোটা অক্টোবর মাস জুড়ে নানা ধরনের আমোদযুক্ত খেলা বা উৎসবরূপী সাজগোজে শহর গমগম করতে থাকে। প্রায় প্রতিদিনই কিছু না কিছু লেগেই থাকে। অনেক কিছুর মধ্যেই লুকিয়ে থাকে নিছক আনন্দ। সব বয়সি লোকজন বা সব ধরনের পেশাগত মানুষ এই উৎসবে নিজের উপস্থিতি রাখেন এবং দিব্যি ভালভাবেই রাখেন। এই ধরুন যেমন কিছু দোকানে মাকড়সার জাল লাগানো থাকে যা ভুতুড়ে বাড়ির আদল দেওয়ার ... ...
চোখের পদবি চৌধুরী আর কথার পদবি মুখোপাধ্যায়। ভাবনার পদবি সেনগুপ্ত আর চিন্তার পদবি চট্টোপাধ্যায়। অনুভবের পদবি দত্ত আর জীবনের পদবি শর্তপাধ্যায়। এ কি কথার মতো কথা? নির্ভেজাল গন্ধেরা যখন অদৃশ্য সিঁড়ি দিয়ে উঠতে উঠতে হঠাৎ ক’রেই বাতাসে ঝাঁপ দেয়; সেই মুহূর্তেই রক্তের স্বাদ মায়ের হাতের গরম রুটিতে দুপুরবেলার বিছানা গোছানোয় মন দেয়। এসব বললেও কমই বলা হ’য়ে থাকে। দূরপাড়ায় যে গান বাজতে শোনা যায়, সেখানে আদর্শ বলতে সাময়িক আনন্দ। এও তো তেমনবেশি হল না, সেকারণে পুরনো বালিশেই কাঁচ ভাঙার শব্দ আর রোদ্দুর নিভিয়ে দিয়ে অন্ধকার টাঙিয়ে দেওয়া।পরীক্ষার সঙ্গে আয়নার ঠোঁটের দারুণমিল! সময়কে অনেকে শয়তান বলেছে, যদিও সরাসরি আঙুল তোলার ঝুঁকি ... ...
প্রাচীনকালের সম্রাটরা অনেক সময় রাজ্য বিস্তার বা সীমান্ত সুরক্ষার প্রয়োজনে ঝামেলা পূর্ণ যুদ্ধ এড়িয়ে বৈবাহিক কূটনীতির আশ্রয় নিতেন। রাজার কোন বিবাহযোগ্য পুত্র বা কন্যার সাথে সীমান্তবর্তী ছোট রাজ্যের রাজপুত্র বা রাজকন্যার বিয়ে দেওয়া হতো। এই প্রক্রিয়ায় রাজ্যের সীমানা বেড়ে যেত বা ওই দিকের সীমান্ত সুরক্ষিত থাকতো। চেঙ্গিস খান তার বিশাল সাম্রাজ্য গড়তে যুদ্ধ ছাড়াও বৈবাহিক কূটনীতি খুব ভালোভাবেই ব্যবহার করেছিলেন। ভিয়েতনাম ও আফগানিস্তানে শক্ত শিক্ষা পাওয়ার পরে আমেরিকা সেই পুরনো পদ্ধতিতে ফিরে যেতে চাইছে। সম্প্রতি গ্রিনল্যান্ডের উপর ট্রাম্পের দাবি নিয়ে আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় খুব শোরগোল চলছে। গ্রিনল্যান্ডের প্রাকৃতিক সম্পদ ও ভূ-রাজনৈতিক অবস্থান আমেরিকার জন্য বর্তমানে খুবই লোভনীয়। গ্রিনল্যান্ড দখল করতে ডেনমার্কের সাথে যুদ্ধ করা খুবই ... ...
স্বামী বিবেকানন্দকে আমি কেন এখনও প্রাসঙ্গিক মনে করি: এক মার্কসবাদী পাঠঅয়ন মুখোপাধ্যায়আমি নিজেকে মার্কসবাদী বলেই স্বামী বিবেকানন্দকে প্রথমে কিছুটা দূর থেকেই দেখেছিলাম। আধ্যাত্মিক ভাষা, ধর্মের উল্লেখ, বেদান্তের পরিভাষা—এই সবই আমার অভ্যস্ত প্রশ্নবোধকে স্বাভাবিকভাবেই সতর্ক করে তুলত। ভাববাদ বনাম বস্তুগত দর্শনের সেই চিরচেনা দ্বন্দ্ব, যেন সাপে-নেউলের সম্পর্ক। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বুঝেছি—কোনও ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বকে কেবল তাঁর ব্যবহৃত শব্দের খোলসে বন্দি করলে তাঁর প্রকৃত ভূমিকা ধরা পড়ে না। আজ আমি স্বামী বিবেকানন্দকে পড়ি একজন সামাজিক চিন্তক হিসেবে—যিনি ঔপনিবেশিক ভারতের ভাঙা সমাজ, আত্মবিশ্বাসহীন মানুষ ও গভীর অবক্ষয়ের সংকট তীক্ষ্ণভাবে অনুভব করেছিলেন।আমার কাছে ক্রমে স্পষ্ট হয়েছে, স্বামীজীর চিন্তা কখনও স্থির ছিল না। তিনি অতীতের ... ...
মার্গারেটকে নিয়ে আসবে কে ?চারিদিকে তো ধর্মের ষাঁড়,বাঘের গর্জন শুনি না!তুমিই না হয় আরো একবার এলে... উন-চল্লিশ তো তিরানব্বই হতেই পারতোকেন গেলে এত তাড়াতাড়ি !!আইরিশ শিষ্যা তোমার। সাগর ছেঁচে এনেছিলে মুক্তা-রক্তেই তার বিদ্রোহের বীজ।তুমি তাকে সেবার দীক্ষা দিলে।সে হয়ে উঠলো অগ্নিকন্যা!কিন্তু বিধি বাম ; বিদ্রোহ করলো তার স্বাস্থ্য ;অচিরেই সেও করলো তোমার পথেই গমন!ভারতবর্ষের উৎসন্নে যাওয়া হলো শুরু।তোমার তৈরি মিশন দেয়নি তাকে ঠাঁই!ভারতবর্ষের মুক্তিকামী মানুষের সঙ্গে অগ্নিকন্যার যোগাযোগ সহ্য হলনা ,মিশন-কর্তৃপক্ষ তাঁকে নিষিদ্ধ করলেন ।ব্রিটিশদের দালালি করে আসছিল যারা তাদের সাথেতোমার মিশনের আজ তফাৎ কোথায়?তাদের ভিত্তি স্থাপনের জন্য আজকের মিশন রসদ যোগায়!ফিরে এসো স্বামীজি;তোমার নিবেদিতা কে ফিরিয়ে আনো সঙ্গে।। ... ...
পৃথিবীর সবচেয়ে মূল্যবান অস্ত্র কী? ১৯৯৯ এ একটা বই প্রকাশ করেছিলাম। বইয়ের পরিকল্পনা, লেখা জোগাড়, প্রচ্ছদ --প্রায় সব। সংস্থার অলিখিত নিয়মে নাম ছিল না কোথাও। প্রচ্ছদে ছিল। একটা লেখাও ছিল। সবচেয়ে মূল্যবান অস্ত্র কী? প্র চার! বইটির নাম ছিল তথ্য সাম্রাজ্যবাদ। সম্পাদককে জিজ্ঞাসা করে দেখবো, বইটা আবার বের করা যায় কি না?. বইটিতে আজকে বিখ্যাত শুভময় মৈত্র, স্টেটসম্যান-এর প্রাক্তন মুখ্য সাংবাদিক অচিন্ত্য চক্রবর্তী, তাঁর ছেলে অনিরুদ্ধ চক্রবর্তী (এখন 'নন্দন' সম্পাদক, পরবর্তীকালে গণশক্তি সম্পাদক অভীক দত্ত, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের বর্তমান প্রধান অঞ্জন বেরার লেখা ছিল। অনেকেরই সেই লেখা কোনও বইয়ে প্রথম অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। সেই বইয়ে লেখকরা দেখিয়েছিলেন তথ্য সাম্রাজ্যবাদ কত ভয়ঙ্কর। কত কত মিথ্যা কাহিনি রচিত হয় ... ...
চতুর্থ দৃশ্যনিভাননীর বাড়ি[ নেপথ্যে খুট খাট শব্দ হচ্ছে। কাঠমিস্ত্রি কাজ করছে। দু একটা কথা কানে আসছে। ঠিক করে কাঠটা ধর, ওরে ফেভিকলের টিনটা কোথায় রাখলি, একটা কাজও যদি ঠিক ঠাক হয়, আরে বাবা সানমাইকটা ঠিক মতো লাগা। কাশীনাথ ও নিভাননীও মাঝে মাঝে নির্দেশ দিচ্ছে। এটা কর ওটা কর, এ দিকটা ঠিক হচ্ছে না, ক্যাস বাক্সটা এখানে থাকবে, এখানে কম্পুটার বসবে, আরে দোকানের নামের ব্যানারটা ঠিক ভাবে লাগা ইত্যাদি। পর্দা উঠলে দেখা যায় নিভাননী রেস্টুরেন্ট এর ব্যানার ঝুলছে। ]( হাসতে হাসতে নিভাননী ও কাশীনাথের প্রবেশ )কাশী : (ব্যানারটা দেখিয়ে) দেখ, দেখ ব্যানারটা কি সুন্দর হয়েছে। আর লেখগুলোও কি সুন্দর জ্বলজ্বল করছে। ... ...
তৃতীয় দৃশ্য কাশীনাথের বাড়ি পার্বতীর প্রবেশ পার্বতী : পার্টি তো বেশ বড়লোক মনে হোল। মেন রোডের উপরে দু তলা বাড়ি, বাগান, সামনে গ্যারেজ। কোটি টাকার সম্পত্তি। নিজের চোখে না দেখলে ওর কথায় বিশ্বাস হত না। ওর চয়েস আছে মানতে হবে। কাশীনাথের প্রবেশ কাশী : কেমন দেখলে গিন্নী। এতদিন পরে কেমন মাছ বঁড়শি দিয়ে গেঁথেছি বলো?পার্বতী তোমার এলেম আছে। বলতেই হবে। কাশী : হু হু বাবা। এর নাম কাশীনাথ। এ মক্কেল যে সে এঁদো পকুরে ছিপ ফেলে না। ছিপ ফেললে বড় দিঘিতেই ফেলে। পার্বতী : তা যা ... ...
দ্বিতীয় দৃশ্যনিভাননীর বাড়ি। [ নিভাননী গান গাইছে। ঘরেতে ভ্রমর এলো গুনগুনিয়ে…। চুপি চুপি কাশীনাথের প্রবেশ। দরজায় নক করতে যাবে, এমন সময় পিছু থেকে পার্বতী পাঞ্জাবি ধরে টানে। কাশীনাথ ইশারাই তাকে চুপ করে আড়ালে দাঁড়াতে বলে। পার্বতী উপরে আসতে চায়। কাশীনাথ হাত তুলে তাকে থামায়। পার্বতী রাগে গজগজ করতে করতে নীচে নেমে যায়। কাশীনাথ মন দিয়ে গান শোনে তারপর দরজায় নক করে।] কাশী : নিভাদেবী, ও নিভাদেবী। নিভাননীদেবী বাড়ি আছেন ... ...
কৌন বনেগা ক্রোড়পতি একাঙ্ক নাটক রচনা – সাগরময় মণ্ডল [ লেখকের কথাঃসে দিন হাসপাতালে ডাক্তার দেখাতে গিয়ে রাস্তার মোড়ের কাছে একটা চায়ের দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে আছি। একটা কথা কানে এলো। একজন লোক অন্য একজনকে দেখিয়ে তার বন্ধুকে বলছে যে লোকটাকে দেখ। ও আর ওর বৌ মিলে একটা চায়ের দোকান চালায়। টাকা পয়সা বেশ ভালোই কামায়। তবে ওর প্লাস পয়েন্ট হোল ওর এক প্রেমিকা আছে। সে কোটি টাকার মালিক। টাকার কথা এবং প্রেমের কথা দুটোই ওর বৌ জানে। তাই ওকে মানা করে না। অন্য মহিলার সঙ্গে প্রেম ... ...
কর্ণ এক অস্তিত্বের রথচক্র আলবার্ট সিরাজ ব্যানার্জি (একটি প্রাচীন স্মৃতির ঘূর্ণিপাকে, ধূলিধূসরিত মাঠের প্রান্তে দাঁড়িয়ে, আমি। রথচক্রের শব্দ এখনো কানে, কিন্তু তা দূরাগত পায়ের পাতার শব্দের মতো, কখনো আসে কখনো যায়। আকাশে চিলের ডাক। মনে পড়ে, স্বর্ণকবচের ভার, সেই অভিশাপ, যেন মাথার খুলির ভিতরে শঙ্খের ধ্বনি।)সূর্য। সর্বদা সূর্য। অস্ত যায় না, কখনো অস্ত যায় না, শুধু ঘুরে ফিরে আসে পুবে, পশ্চিমে, আবার পুবে, সময়ের কাঁটার মতো নয়, বরং একই জায়গায় স্থির এক তাপ, এক আলো, যা রেখে যায় ... ...
পর্ব-২আমার নামের অদ্ভুত্ব নিয়ে আমি প্রথম অবহিত হলাম কলেজের প্রথম দিনে। কলেজের প্রথম দিনে যে মেয়েটির সাথে পরিচয় হল তার নাম ঊর্মি। আমার নাম শুনে সে, সুচিত্রা সেনের মত হেসে বললঃ এ মা, তোর নাম ভুরভুরা ? তোকে তো সবাই খেপাবে। আমি বললাম, খেপাবে কেন ? ভুরভুরা তো আমার নাম। আমার স্কুলে, আমাদের পাড়ায় তো কেউ আমায় খেপায় না। ঊর্মিলা বলল, দেখ্ কলেজ তো অনেক বড় জায়গা। তারপর একটু ভেবে আমাকে ব্যাপারটা ভাল করে বোঝানোর জন্য বলল, স্কুল হল গিয়ে গ্রাম, আর কলেজ হল গিয়ে শহর। এখানে সব কিছু আধুনিক। তোর নামটা বড় ... ...
( ৩ ) নন্দনের কাছে পৌঁছে দেখল নানা রঙের গুলাল ফাগ পিচকিরি রঙের মহা হুল্লোড় চলছে। প্রায় পনের ষোল জন বাইশ চব্বিশ বছরের ছেলেমেয়ে হোলির রঙ উৎসবে মাতোয়ারা। দুনিয়া ভুলে মজে আছে রঙের উৎসবে। নানা রঙের আবীর উড়ছে হাওয়ায় চারপাশ রঙীন করে। রামশঙ্কর অভ্যাসবশত: ঝোলার মধ্যে আর একবার হাত দিল। একি ! হাতে পার্সের ছোঁয়াটা পেল না তো .... । রামশঙ্কর একটু ঘাবড়ে যায়। এমন তো হবার কথা নয়। রামশঙ্কর নন্দনের চত্বরে ঢুকে দাঁড়াল। ঝোলার ভেতর হাত ঢুকিয়ে হাতড়াতে ... ...
বাসার দরজা খোলা। লকটা শিকায় আটকে যাওয়ার চেষ্টা করা। ঠেলে দেওয়া। বের হওয়া। করিডোরের ফ্যান অফ থাকা। গুমোট গরম।লিফটে দাঁড়ানো। নিঃশব্দে নামা। চতুর্থ তলা থেকে প্রথম তলায়। মাঝখানে থামা না। লিফটের দেয়ালে স্ক্রিন। চলমান ছবি। একটি নতুন সাবস্ক্রিপশন সার্ভিসের বিজ্ঞাপন। "আপনার জীবনকে সাজান, মাসে মাত্র পাঁচশ টাকায়।" একজন মডেলের মুখ, অতিরিক্ত সাদা করা। হাসি দেখানো। দাঁতের মাড়ি পর্যন্ত দেখা যাওয়া। লিফটের অন্য যাত্রী-বুড়ো কাকু। চোখ স্ক্রিনের দিকে আটকে থাকা। দেখতে থাকা। কিছু না বলা। কিছু না ভাবা। শুধু দেখাই কাজ।রাস্তায় পা রাখা। গরম আস্ফাল্টের গন্ধ। গাড়ির ... ...
( ২ ) রামশঙ্করের মনটা আজ একদম ভাল নেই। বাদামী রঙের ভোলাভালা ভুলোটাকে কে বিষ খাইয়ে মেরে ফেলেছে। সকালবেলায় দেখল সজনেগাছের তলায় মরে পড়ে আছে। যন্ত্রণাকাতর মুখটা অসহায়ভাবে হাঁ করা। গ্যাঁজলা শুকিয়ে আছে চোয়ালের দুপাশে। পা চারটে টানটান হয়ে আছে। প্রাণটা বেরোবার আগে পর্যন্ত কত কষ্ট পেয়েছে ভেবে তার চোখে জল এসে গেল। সে রাস্তার ধারে উবু হয়ে বসে ভুলোর দিকে তাকিয়ে রইল। ..... খুব ন্যাওটা ছিল ..... কামারুল মোল্লার নামে কসম খেয়ে বলল — ভুলো তোকে ... ...
এই লেখাটির আর্টিকল নম্বর হল "21011" ম দিয়ে আর যাই করুন— সিপিএম-এর মধ্যে ‘ম’ রাখবেন না।‘ম’ রামে চলে গেছে। অন্যদিকে তাকালে দেখবেন—‘ম’ নেই মন্দিরে, নেই ধর্মেও। ‘ম’-রা সব মোদীতে, অমিতে, আর সীতারামনে! "মলয়" বাতাস বইছে ভারতবর্ষের রাজনীতিতে।। This poem uses the letter “M” as a metaphor for the migration of morality, media, and power in contemporary India. English Translation— Read carefully:Do anything you like with the letter M— but do not place M inside CPM. M has already migrated to Ram. Look around and you’ll notice ... ...
( ১ ) মসলন্দপুর থেকে ট্রেনে উঠল রামশঙ্কর। দুপুর দেড়টা বাজে। ডাউন ট্রেনে এই সময়ে ভিড় ভাট্টা বিশেষ থাকে না। রামশঙ্কর জানলার ধারেই জায়গা পেয়ে গেল। ট্রেন ছাড়ার পর একটা বিড়ি ধরাল। তার পাশের জায়গাটাও খালি আছে।কেউ এসে বসার আগেই বিড়িটা টেনে ফেলে দিতে হবে। ট্রেনে এখন বিড়ি ফোঁকা বারণ। ধরলে কেস খেতে হবে নিশ্চিত। কামরায় অবশ্য ধরার কেউ নেই। অনেক প্যাসেঞ্জারও অগ্নিশর্মা হয়ে ওঠে কামরায় বসে ধোঁয়া ছাড়লে। জানলা দিয়ে বাইরে ধোঁয়া ছাড়তে লাগল রামশঙ্কর। ট্রেন ছেড়ে দিয়েছে। রামশঙ্কর শেষ টান মেরে বিড়িটা ফেলে দিল। জানলা দিয়ে বাইরে ... ...
ধ্যানমগ্ন বলাকার ন্যায় ওরা অপেক্ষা করে শিকারের আমি ওদের ঘৃনা করি ওরা মুখোশের আড়ালে ভালবাসার অভিনয় করে প্রয়োজন ফুরালেই জীবন থেকে সরে যায় আমি এদের ঘৃনা করি এদের কাছে প্রেম ভালবাসা অতি তুচ্ছ ব্যাপার ওরা অভিনয় করে হৃদয়কে করে ক্ষতবিক্ষত, রক্তাক্ত ওরা বাস্তবে গরীবদের ঘৃনা করে মনে করে সমাজের ফেলে দেওয়া আবর্জনা আমি এদের কাছ থেকে মুক্তি চাই এরা এই দেশের রাজনীতিবিদ, এরা ... ...
বর্তমানে কেন্দ্রীয় সরকারের একটি রিপোর্ট নিয়ে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে, যেখানে দাবি করা হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের প্রায় ৪১.৬% মহিলার বিয়ে ১৮ বছরের আগে হয়েছে। ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে এই তথ্যের প্রকাশ এবং প্রচারের পেছনে যে সুগভীর রাজনৈতিক অভিসন্ধি ও তথ্যের কারচুপি রয়েছে, তা বলাই বাহুল্য। ১. তথ্যের কারচুপি ও সময়ের প্রহসন কেন্দ্রীয় সরকার যে তথ্যের (NFHS-5) দোহাই দিচ্ছে, তা মূলত ২০১৯ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে সংগৃহীত। লকডাউন এফেক্ট: করোনা মহামারীর সময় যখন স্কুল বন্ধ ছিল, তখন সারা ভারতেই বাল্যবিবাহের হার সাময়িকভাবে বেড়েছিল। সেই সময়কার ডেটাকে ২০২৬-এর উন্নয়নের মাপকাঠি হিসেবে ব্যবহার করা স্রেফ রাজনৈতিক প্রতিহিংসা। ভোটের প্রচার: নির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গের মতো ... ...