এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • মেলিটা ঠাকুমা; সাথে এক কাপ কফি

    L P Datta লেখকের গ্রাহক হোন
    ২১ আগস্ট ২০২৬ | ১২২ বার পঠিত
  • # কফি-উবাচ

    যাপনের মধ্যে লুকিয়ে থাকে জীবনের শৈলী। সে যাপনকাল সকলের একান্ত নিজস্ব। সকালের প্রথম বানানো কফির সুগন্ধে লেগে থাকে সে শৈলী, চোখ বুজে সেই সুগন্ধকে আমি ধারণ করি আপন অন্তরে, তারপর সেই ধোঁয়া ওঠা পানীয়কে জিভে ছুঁইয়ে মনে মনে ঝালিয়ে ফেলি সেই দিন-যাপনের অবিন্যস্ত কবিতাগুচ্ছ। নিরন্তর দিনচর্যার প্রাত্যহিকতার সূচনায় এই বিলাসিতাটুকু বুঝি সব নারীরই একান্ত নিজস্ব সম্পদ! আমরা ভাবি এই সৌখিনতা বুঝি আমাদের প্রজন্মের নারীদের স্বনির্ভরতার সূচক, অর্জিত প্রাপ্তি; আসলে ভুলে যাই বা ভাবতে পারিনা এই একান্ত যাপনকাল আমাদের পরম্পরায় অর্জিত ধন। আমাদের দিদিমা ঠাকুমারাও কাটিয়েছেন এমনই নিজস্ব-যাপন, তাঁদের একান্ত আপন রান্নাঘরের কোণটিতে। একছড়া গোবর দিয়ে উনুন, উঠান নিকিয়ে, স্নান সেরে শুরু হত তাঁদের কর্মপূজা, সে পূজায় মিশে থাকতো শ্রম, অধ্যবসায় এবং আত্মবিশ্বাস। হাতের পেয়ালায় কালো চা কিংবা এক জামবাটি মুড়ি গলাধঃকরণ করতে করতে তারা ঠিক মনে মনে পরিমাপ করে নিতেন সারাদিন-রাত্রির পঞ্চব্যঞ্জনের প্রকারভেদ। পাটিসাপটায় ঠিক কতখানি চালের গুঁড়ো আর কতটুকু ময়দা-সুজি লাগবে সে অংক কষতে তাদের কাগজ-কলম-পরিমাপ সামগ্রী লাগতো না, ঠিক যেমন লাগতো না পাতুরিতে কতখানি সর্ষেবাটা লাগবে সে আন্দাজ করতে। নিত্যকার অভিজ্ঞতা এবং মগজাস্ত্র এই দিয়েই সামলে নিতেন একান্নবর্তী সংসারের যজ্ঞশালা। একাধারে বেকার, অপরধারে এক্সিকিউটিভ শ্যেফ, স্যু-শ্যেফ, স্যসিয়ের সব দায়িত্বটুকুই একা সামলানো। কফির কাপ হাতে নিয়ে একেকদিন যখন ভাবি ঘর-বসতের এই নিত্যদিনের গণিত কষতে কষতে, হাড়ি-পাতিলে মশলা-আনাজপাতির আল্পনা আঁকতে আঁকতে কত প্রতিভা রান্নাঘরের অন্তরালেই হারিয়ে গেছে, তখন আমাদের ঠাকুমা-দিদিমাদের প্রজন্মের এক বিদেশিনী নারী, মেলিটা ঠাকুমার জীবনকাহিনী আমার মন ভালো করে দেয়।
    ১৯০৮ সালের ড্রেসডেন, মাদাম মেলিটা বেঞ্জের বয়স তখন ৩৪ বছর, এক সন্তানের জননী, সুখী গৃহকোণ। আর পাঁচটা দিনের মতো সেদিনও মেলিটা বেঞ্জ সকালে ঘুম ভেঙে রান্নাঘরে গিয়ে বানিয়ে ফেলেছেন এক কাপ কালো কফি এবং নিত্যদিনের মতো কফির কাপটা হাতে নিয়ে ব্যাজার মুখে ভেবে চলেছেন দিনের শুরু আবার বিস্বাদ তিতকুটে হতে চলেছে। আসলে এ-সেই সময়ের কথা যখন কফি আজকের মতো সুগন্ধিত এবং সুস্বাদু ছিলনা, কারণ সেই সময় পর্যন্ত কফি ফিল্ট্রেশনের কোনপ্রকার ধারণা ছিলনা। কফি বিনস সরাসরি গরম জলে ফোটানো হত এবং ফলস্বরূপ যে নির্যাস জলে মিশ্রিত হতো সেটি একটি তৈলাক্ত,কাদাটে, অতীব তিতকুটে কফিস্যুপ যেখানে সাঁতরে বেড়াচ্ছে অর্ধদ্রাব্য কফিবিনস। আর যাইহোক, এই বাদামী অসমদ্রাব দ্রবণকে আজকের বিলাসিত কফি-পানীয় কোনভাবেই বলা যায়না। কফি পারকোলেটোরের ব্যবহার এই অপরিস্রুত কফিবিনের সমস্যার সমাধানে অপারগ। মেলিটার মতো আরো লক্ষ্য লক্ষ্য সাধারণ মানুষ তাই কফিকে কফিস্যুপ রূপে আস্বাদিত করতেই অভ্যস্ত ছিলেন। অভিজাত, অতীব ধনী সম্প্রদায়ের মানুষজনের জন্য কিছু বিকল্প ব্যবস্থা ছিল। সেক্ষেত্রে সিল্কের ছাকনি ব্যবহৃত হতো যার মধ্য পানীয় বারংবার ছাঁকার ফলে সেটি খুব তাড়াতাড়ি ব্যাকটেরিয়ার আতুড়ঘরে পর্যবসিত হতো এবং স্বাদের বিশেষ কিছু পার্থক্য হতোনা। কফিকে এভাবেই চাখতে চাখতে হয়তো কেটে যেত আরো কয়েক বছর, দশক, কে বলতে পারে হয়তোবা শতকও।
    একেকটা দিন আমাদের কাছে অন্যরকম রূপে আসে, আমরা জানতেও পারিনা। সেদিনটাও মেলিটার জীবনে এমনই একটা দিন ছিল। আর পাঁচজন সাধারণ মানুষের সাথে মেলিটার একটা পার্থক্য ছিল, মেলিটা কেবল সমস্যার উপর মনোনিবেশ করে হাল ছেড়ে বসে থাকতেন না, যেকোন সমস্যা সমাধানের চেষ্টায় রত থাকতেন নিয়ত। ধৈর্য এবং দৃঢ়তা ছিল তার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য এবং সেই কারণেই অন্যকারুর কাছে তিতকুটে কফিপান শুধু নিত্যনৈমিত্তিক এক ত্রুটি রূপে রয়ে যেত, অবচেতনে মেলিটা সেই প্রাত্যহিকতা থেকে বেরোনোর চেষ্টায় সদা রত থাকতেন। ফিরে আসি সেই সকালে, কফির কাপ হাতে নিয়ে মেলিটা নিজের রান্নাঘরে খুঁজে চলেছেন এমন একটা কিছু যা তার পানীয়কে পরিস্রুত করে স্বাদের উন্নতি ঘটাবে। এমনটা তিনি প্রায়শই করে থাকেন এবং ব্যর্থ হন। যাই হোক, সেদিন রান্নাঘরের খাবার টেবিলে ছেলের নোটবুকের পাশে স্কুলের কর্মশিক্ষার কাজে ব্যবহৃত একগোছা ব্লটিং পেপার রাখা ছিল। মেলিটা একখানি ব্লটিং পেপার হাতে তুলে নিলেন, একটি তামার ছিদ্রযুক্ত পাত্রে পেপারটি মুড়ে খাপে খাপে বসালেন, তার নিচে কফিকাপ, পেপারে কফি দিলেন, উপর থেকে গরম জল। পেপার থেকে ছেঁকে যে পরিশোধিত তরলটি নীচে কাপে জমতে থাকলো সেটি স্ফটিক স্বচ্ছ, অদ্রবণীয় কফি বিনস ভাসছে না, নেই কোন তেল চিটচিটে গন্ধ বা স্বাদ। কফির কাপে চুমুক দিয়ে মেলিটার মুখে ফুটে উঠলো সেই অবর্ণণীয় তৃপ্তি যা দীর্ঘদিনের পরিশ্রমের ফসল। বাকিটা ইতিহাস, মেলিটা সেইক্ষণে অনুভব করতে পারেননি ধৈর্য এবং দৃঢ়তাকে অনুপান করে তাঁর রান্নাঘরে সেই মুহুর্তে কফিসেবনে এক যুগান্তকারী বিপ্লব আনলেন। রন্ধন এক শিল্প, রান্নাঘরের কোণে সযতনে এক গৃহকর্ত্রী তার অতি নিজস্ব যে একান্ত-আবাস রচনা করেন তা আসলে জীবনের স্বাদকোরকের প্রতিচ্ছবি। পরিচর্যার ওমে সেই শিল্পে কখন যেন ফুটে ওঠে আত্মবিশ্বাস এবং মেধা, অনেকটা আমাদের শিলবাটার মতো, যতো পিষবে ততোই ফুটে উঠবে মসৃনতা। মেলিটার কাহিনী এখানেই শেষ হয়ে যেতে পারতো। হয়তো মেলিটার এই আবিষ্কার তার পরিবার, বন্ধু, নিকটস্থ প্রতিবেশী পরিমন্ডলেই হারিয়ে যেতো। কিন্তু মেলিটা চেয়েছিলেন তাঁর এই তৃপ্তি ছড়িয়ে পড়ুক আরও বহুসংখ্যক মানুষের মাঝে। বুদ্ধি এবং আত্মবিশ্বাসকে সঙ্গী করে মেলিটা সেই বছর ১৯০৮ সালের ২০শে জুন, ইম্পেরিয়াল পেটেন্ট অফিসে ২২৪৯৬০ ফেনিগসের (ইউরো উদ্ভাবনের আগে জার্মানিতে ব্যবহৃত মুদ্রা; ১০০ ফেনিগস= ০.৫১ ইউরো) জার্মান পেটেন্ট সুরক্ষিত করেন। ছয়মাস পর, ১৫ই ডিসেম্বর, ১৯০৮, M. Bentz Coffee Filter Company স্থাপিত হলো তার নিজ আবাসে, প্রারম্ভিক মূল্ধন টাকার অঙ্কে ৭২ ফেনিগস। স্বামী হুগো ছিলেন ব্যবসায়িক দায়িত্বে, ছেলে পড়ার ঘরে বসে ফিল্টারের মাপে ব্লটিং পেপার কাটতো, মেলিটা দরজায় দরজায় সেই ফিল্টার নিয়ে দরজায় দরজায় তাৎক্ষণিক প্রদর্শনী করে দেখাতেন; দেখো কাপের তলায় কোন অবশিষ্টাংশ নেই, নেই কোন তৈলাক্ত স্বাদ! ১৯১০ সাল, পরবর্তী দুইবছরের মধ্যে সারা জার্মানিতে ছড়িয়ে যায় মেলিটা বেঞ্জ কফি ফিল্টারের খ্যাতি। আগামী দুই বছরে M. Bentz Coffee Filter Company পরিপূর্ণ এক কোম্পানি রূপে আত্মপ্রকাশ করে, এবং ১৯২০ সালের মধ্যে সারা ইউরোপের প্রত্যেক গৃহিণীর রান্নাঘর থেকে পাঁচতারা রেস্তোরাঁর অত্যাধুনিক রন্ধনশালা, সর্বত্র মেলিটা বেঞ্জ কফি ফিল্টারের জয়জয়কার। এই পথচলা যদিও এত সহজ ছিলনা, মাঝে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে স্বামী হুগো এবং পুত্রকে যোগদান করতে হয়, মেলিটা কাডবোর্ডের বাক্স বানিয়ে যুদ্ধক্ষেত্রে রপ্তানি করে সংসার এবং ব্যবসা বাঁচিয়ে রেখেছিলেন। জার্মানি বিভক্তিকরণকালে ড্রেসডেন সোভিয়েত রাশিয়ার দখলে আসে, M. Bentz Coffee Filter Company পাততাড়ি গুটিয়ে পশ্চিম জার্মানিতে স্থানান্তরিত হয়। নতুন করে শুরু, দুই-দুখানি বিশ্বযুদ্ধ, ১৯৫০ সালে মেলিটা বেঞ্জের মৃত্যু সমস্ত ঘাত-প্রতিঘাত সহ্য করে আজও M. Bentz Coffee Filter Company ইউরোপ সহ বিশ্বের ৫০টি দেশে তাদের ব্যবসায়িক সাম্রাজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। সারা বিশ্বের মানুষের কাছে যা এক সাধারণ ব্যবসা, রান্নাঘরকে ভালোবাসা অসংখ্য গৃহবধূর কাছে তা এক পূর্বনারীর যাপিত ইতিহাস, অনুপ্রেরণা। প্রত্যেকবার বারিস্তায় এককাপ কফিতে চুমুক দিয়ে একবার অন্তত মেলিটা বেঞ্জকে মনে করবেন। রন্ধন কেবল শিল্প নয়, বিজ্ঞানও বটে! মেলিটার কোন প্রথাগত পড়াশোনা ছিল না, ছিলনা রসায়ন, কারিগরী বিদ্যা বা ব্যবসায়িক ব্যবস্থাপনা বিদ্যার কোন ডিগ্রী। ছিল ভালোবাসা, নিষ্ঠা এবং ধৈর্য, সেটুকুই তো ভালো রান্নার অনুপান, নতুন কিছু আবিষ্কারের অনুপ্রেরণাও বটে, তাইনা!

     
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ranjan Roy | ২১ আগস্ট ২০২৬ ২৩:৫৭742334
  • Paragraph করে দিন l
    তাহলে বেশি লোক পরবে l
  • L P Datta | ২২ আগস্ট ২০২৬ ০০:১৫742335
  • রঞ্জন বাবু অনেক ধন্যবাদ মতামতের জন্য ! এখানে নতুন, এডিট করা, ছবি দেওয়া বা আপনাকে সরাসরি প্রত্যুত্তর দেওয়ার কারিকুরি এখনো শিখে উঠতে পারছিনা।
  • kk | ২২ আগস্ট ২০২৬ ০১:৪৪742336
  • এল পি দত্ত,
    এখানে সরাসরি উত্তর দেওয়ার সেরকম কোনো উপায় নেই। আপনি যাঁকে লিখতে চান তাঁর নাম অ্যাড্রেস করে লিখলেই হবে। আপনার লেখার বিষয়টা চমৎকার লাগলো। ইন্টারেস্টিং সব তথ্য। এই সাইটে আপনাকে ওয়েলকাম। আস্তে আস্তে সবই শিখে যাবেন। ছবি কেমন করে দিতে হয় তার একটা টিউটোরিয়াল লিংক ছিলো। দাঁড়ান, খুঁজে পেলে তুলে দেবো।
  • L P Datta | ২২ আগস্ট ২০২৬ ১৩:৪৬742344
  • Kk
    অনেক ধন্যবাদ আপনাকে! আমি লিংক দেখে নিচ্ছি।
     
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। চটপট মতামত দিন