এই সময়ের শিক্ষা প্রসঙ্গে দু - চার কথা।
বাড়ি থেকে সামান্য দূরে জয়ন্তর দোকান। ফোনের পয়সা ভরা থেকে কপি জেরক্স করা,ল্যামিনেশন করা, ঘড়ি, চশমা, মোবাইল ফোন সারানো, লাইটারের জ্বালানি ভরা থেকে শুরু করে নিত্য প্রয়োজনীয় স্টেশনারি সামগ্রীর বিক্রি বাট্টা হয় সেখানে। আশপাশের এলাকায় সাবেকি বাড়িগুলোকে গুঁড়িয়ে দিয়ে এখন দিন রাত এক করে নতুন নতুন আলিশান সব ফ্ল্যাট বাড়ি উঠছে। নতুন আবাসিকদের কাছে টেনে আনার জন্য জয়ন্ত এখন আইসক্রিম, কোল্ডড্রিংকস, প্যাকেজ দুধ,দই, ঘী এসবও রাখতে শুরু করেছে। বেশ বেড়ে উঠছে তার কারবার। একটা দোকান সম্পর্কে এতো বিস্তারিত জানানোর একটা গূঢ় উদ্দেশ্য অবশ্য আছে। তা ক্রমশ প্রকাশ্য,পরে আলোচনা করবো। এখন বরং মূল প্রসঙ্গে ফিরি।
সেদিন জয়ন্তর দোকানে গিয়েছিলাম ফোনের পয়সা ভরতে। সন্ধের দিকে দোকানে ভিড় বাড়ে। আমাকে অপেক্ষা করতে হবে। এরমধ্যেই এক ভদ্রলোক হন্তদন্ত হয়ে এসে ব্যস্ত কন্ঠে বলে উঠলেন – “কিরে? আমার গুলো হয়েছে?” উত্তরে জয়ন্ত “ হয়েছে” বলে একরাশ কাগজ এনে রাখে। আড়চোখে সেদিকে তাকাতেই মালুম হয় এগুলো সব সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষার MCQ প্রশ্নের সহায়ক প্রশ্নাবলী, একালের পঠনপাঠনের ক্ষেত্রে যার প্রভাব প্রশ্নাতীত। জীবনের খানিকটা পথ ঠেঙিয়ে এসে দিব্যি বুঝতে পারছি যে একালের শিক্ষা মানে হলো গুচ্ছের MCQ এর আশ্চর্য ককটেল। আমরা পঠনপাঠনের ময়দান থেকে গূঢ় ভাবনার দিনকে টা টা বাই বাই করে দিয়েছি বেশ কিছুদিন।
বি. এড. পড়তে গিয়ে শিক্ষার বহু ধরনের সংজ্ঞার সঙ্গে একদা পরিচয় হয়েছিল। সেই অবকাশে জানা হয়েছিল ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে শিক্ষাকে বোঝার ও বোঝানোর প্রয়াসগুলোকে। সব ধারণারই সারকথা হলো একটাই – শিক্ষা হলো আমাদের অন্তর্নিহিত শক্তি বা সম্ভাবনার পরিপূর্ণ বিকাশ। পদ্ধতিগত ফারাক থাকলেও এটিই হলো শিক্ষার মোদ্দা কথা। কাজটা সত্যিই কঠিন তবে তা বলে হাত পা গুটিয়ে বসে থাকাতো আর চলেনা।
ইদানিং অবশ্য ইনক্লুসিভ এডুকেশনের ধারণার কথা চলতি শিক্ষা বাতাবরণে বিশেষ মান্যতা পাচ্ছে। মার্চ এপ্রিল মাসে প্রভাতী সংবাদপত্রের সাথে উপরি পাওনা হিসেবে প্রচুর লিফলেট পাই। এদের সবই হলো চারপাশে গজিয়ে ওঠা কেতাদুরস্ত স্কুলের প্রচারপত্র। সেইসব বিজ্ঞাপনি প্রচার পত্রে নানান স্বপ্নকল্প সুযোগ সুবিধার চিত্রিত বিবরণতো থাকেই, সঙ্গে থাকে সাম্প্রতিক নানান পরীক্ষায় হাই পার্সেন্টেজের নম্বর পাওয়া কৃতীদের ছবিসহ নামধাম। বুঝি নিজেদের কৌলীন্য বোঝাতে এসবকে বিজ্ঞাপিত করার প্রয়োজন আছে, না হলে যে চারে মাছ ভিড়বে না। সবশেষে মোটা মোটা অক্ষরে অবশ্য লেখা থাকে –We believe in Inclusive Education অর্থাৎ সকলের জন্য স্কুলের দরজা খোলা আছে তোমরা এসো। আসন পেতে আছি বসে, সেই তোমাদের লাগি। এই কালে হায়, সেই বেশি পায়, / আছে যার কাড়িকাড়ি।
গোটা দুনিয়ায় এখনও বিপুল সংখ্যক শিশু কিশোরের কাছে স্কুল নামক সামাজিক প্রতিষ্ঠানটি বিলকুল অধরা রয়ে গেছে। যাদের কোনো রকমে একবার টেনেটুনে বিদ্যালয়ের দরজা পর্যন্ত আনা সম্ভব হলো তাদের অনেকেই মাঝপথে চলে যায়, ভবিষ্যৎ এগোবে কি করে? যতোদিন না আমাদের সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক পরিমণ্ডলের পরিবর্তন ঘটছে ততদিন এই ইনক্লুসিভ এডুকেশনের ভাবনার বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। দেশের শিশুদের স্কুলমুখী করতে গিয়ে বারংবার হোঁচট খেতে হয় আমাদের – সয়াবিন না ডিম? এই দ্বন্দ্বের জটে জড়িয়ে পড়ে শিশুর শিক্ষার প্রশ্নটিই গৌণ থেকে গৌণতর হয়ে যায়, একসময় সবটাই আড়ালে চলে যায়। যতক্ষণ পর্যন্ত বিতর্ক জারি থাকে ততক্ষণ ভাবনা, হৈচৈ। তারপর নেমে আসে অখণ্ড নীরবতা। তখন শিক্ষা নিয়ে আলোচনা অর্থহীন বলে মনে হয়। এখন ক্রমে ক্রমে প্রকাশ পাচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা নিয়ে রাষ্ট্রের সীমাহীন অবহেলার কথা – কোথাও গোয়াল ঘরে বসছে স্কুল! নতুন কেনা থালায়, সাজিয়ে আনা ছেলেপিলেদের বসিয়ে আপ্যায়ন করা হচ্ছে আরও কতো কি!
সমান্তরাল রেখার মতো দেশে এখনও শিক্ষার সরকারি ও বেসরকারি – এই দুই ধরনের ধারাই চালু রয়েছে বটে কিন্তু বেসরকারি শিক্ষা খাতটি সামাজিক বদান্যতায় যতই পরিপুষ্ট হচ্ছে ততই ক্ষীণকায় হচ্ছে সরকার পরিপোষিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো। যারা এখনও সরকারি বিদ্যালয়ে ছেলেপিলেদের পাঠাচ্ছেন, তারাও যে মন থেকে ব্যাপারটাকে ভালোবেসে মেনে নিয়ে পাঠাচ্ছেন এমনটা কখনোই নয়। এই দুই ভিন্নধর্মী ব্যবস্থার যাঁতাকলে পড়ে সামাজিক বিচ্ছিন্নতা ও বৈষম্য দুইই বোধহয় বেড়ে চলেছে দ্রুত গতিতে। আমাদের স্কুলগুলো এখন ‘‘কর্পোরেট এক্সপোজার’ পেয়ে গেছে। সুতরাং আর তো চিন্তা নাইরে! নিজেদের সন্তানেরা গলায় টাই ঝুলিয়ে গটগটিয়ে স্কুলে যাচ্ছে - এমন দৃশ্য দেখে কোন্ অভিভাবক বিগলিত হননা বলতে পারেন?
আমাদের আজকের শিক্ষার বিষয়টি কেমন যেন ঘেঁটে গিয়েছে। নড়ে গিয়েছে শিক্ষার দার্শনিক ভিত্তি। শিক্ষার্থীদের পাঠ জীবন, বিশেষত যারা বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করছে, এখন আবর্তিত হচ্ছে জয়েন্ট এন্ট্রান্স ও নীট পরীক্ষার প্রস্তুতিকে কেন্দ্র করে। রাজস্থানের কোটার অনুকরণে দেশের নানা প্রান্তে গজিয়ে উঠেছে অসংখ্য কোচিং সেন্টার। সেখানে বিপুল অর্থের বিনিময়ে চলছে দুই পরীক্ষার জন্য দিনরাত এক করে তালিমের পর্ব। ঘরের চাটিবাটি বাজী রেখে অভিভাবকরা নিজেদের সন্তানদের ভবিষ্যৎকে বন্ধক রাখতে বাধ্য হচ্ছেন ভবিষ্যতে কিছু একটা হয়ে ওঠার আশায়। খুব সম্প্রতি নীট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়া নিয়ে দেশ জুড়ে অসন্তোষের ঝড় উঠেছে। তদন্ত করে দেখা গেল যে যাঁরা পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তৈরি করেছিলেন সেই বিশেষজ্ঞ অধ্যাপকরাই নাকি মোটা টাকার বিনিময়ে সেই প্রশ্নপত্র তুলে দিয়েছিলেন শিক্ষা ব্যবসায়ীদের হাতে। চমৎকার সমাপতন। সামনেই জাতীয় শিক্ষক দিবসের অনুষ্ঠান। এরপরেও এমন দিনের জন্য কোনো আগাম বাণী বর্ষণ করা মানায়?
এইসব কেলেঙ্কারি আর অযোগ্যতার জেরে কেন্দ্রীয়
সরকারের পূর্ববর্তী শিক্ষামন্ত্রী বাধ্য হয়ে পদত্যাগ করলেন বটে কিন্তু তাতে করে শিক্ষা এককদমও এগলো না, বরং বিশ্বাসহীন, বেআব্রু হয়ে গেল গোটা বিষয়টাই। শিক্ষার পাশাপাশি এদেশের স্বাস্থ্য পরিষেবা ব্যবস্থাও অত্যন্ত দুর্বল। গুটিকয়েক ব্র্যান্ডেড বেসরকারি হাসপাতাল গড়ে তুললেই গণস্বাস্থ্যের সমস্যা মিটবে না। তাও এমন এক প্রেক্ষাপটে ছেলে মেয়েকে চিকিৎসক বানানোর বাসনা অভিভাবকদের মধ্যে প্রবল হয়ে উঠেছে।আর তা করতে গিয়ে নিষ্পেষিত হচ্ছে আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের ইহকাল। শিক্ষার সঙ্গে কোনো আনন্দ নেই, নেই কোনো নিজেকে মেলে ধরার অবকাশ। স্বপ্ন এখন পরিবর্তিত হয়েছে আত্মঘাতী মোহে। কি নিদারুণ পরিণতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে দেশের শিক্ষার ভবিষ্যৎ! আমরা নির্বিকার! মোহের বশে নুন আনতে পান্তা ফুরনো পরিবারের সন্তানরা আজকের শিক্ষামেধ যজ্ঞে নিজেদের সন্তানদের আহুতি দিতে পিছপা হচ্ছেন না।
লোকসভার বিরোধী দলনেতার কাছে নিজের পারিবারিক অবস্থার কথা তুলে ধরার সময় জনৈক নীট পরিক্ষার্থীর কথায় উঠে এসেছে কীভাবে জমিজমা বন্ধক দিয়ে তার মা তার পড়াশোনার খরচ জোগাড় করছেন। এই কাহিনি শুধু ওই একটি মাত্র ছাত্র বা ছাত্রীর নয়, এমন বহু শিক্ষার্থীর। এ কোন্ চক্রব্যুহের মধ্যে আমরা ঠেলে দিয়েছি আমাদের এই সময়ের শিক্ষার্থী অভিমুন্যদের। এরা এই ব্যুহে ঢুকে পড়তে পারে অনেক আশা আর স্বপ্ন বুকে নিয়ে কিন্তু এ থেকে বেরিয়ে আসার উপায় এদের জানা নেই। অতয়েব আত্মহনন !
এই দুই পরীক্ষার ফাঁদে আমাদের নবীন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ফেলেছি। বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীদের সামনে কোনো উজ্জ্বল ভবিষ্যতের হাতছানি নেই। আজ যখন আমার একান্ত প্রিয়জনদের কেউ প্রশ্নকরে – “আমাদের সামনে কোন স্বপ্নময় ভবিষ্যৎকে মেলে রেখেছো তোমরা? সামনে কেবল অন্ধকার, হতাশা। একটা ফানেলের মধ্য দিয়ে আমাদের চলতে বাধ্য করছো, যার ঢোকার রাস্তা চওড়া কিন্তু বেরনোর পথ অত্যন্ত সংকীর্ণ।”
জয়ন্তর দোকানে দেখা হওয়া জেরক্স করতে আসা সেই অভিভাবকের কথাতেই ফিরি। ভদ্রলোকের সঙ্গে আবারও সেদিন দেখা, ওই জয়ন্তর দোকানেই। গতবার তাঁর চোখ মুখে যে আত্মগরিমার আভাস দেখেছিলাম সন্তানের নীট পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে, এবার তার পুরোটাই অন্তর্হিত। নীট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র নিয়ে এমন কাণ্ডকারখানা দেখে ভদ্রলোক রীতিমতো বীতশ্রদ্ধ এই সময়ের পঠন পাঠন সম্পর্কে। এই দোকানে যাওয়া আসার সূত্রে যেটুকু পরিচয়। নিজেই এবার আগবাড়িয়ে বলেন – “এসময়ের পড়াশোনার কোনো মাথামুন্ডু আমি বুঝিনা। সারাদিন মেয়েকে দেখি সমস্ত রকমের টেক্সট বই ফেলে রেখে কেবল MCQ প্রশ্নোত্তরের পাতা মুখস্থ করে যাচ্ছে। এই জয়ন্ত জানে মাসপিছু কতোগুলো টাকা এই জেরক্স করতে খরচ হয়! ফিজিক্স পড়ছে MCQ, বায়োলজি পড়ছে MCQ….. আমার দাদা ভয় হয় এরা ভবিষ্যতে স্বাধীনভাবে চিন্তা করতে পারবে তো? সমস্যার সামনে দাঁড়িয়ে অপশন হাতড়ে বেড়াবে না তো?” ভদ্রলোক একেবারে মোক্ষম জায়গাতেই ঢিল ছুঁড়েছেন দেখে আমি চুপ করে থাকি। কখনো কখনো কথা বলার তুলনায় চুপ করে থাকলে ফায়দা বেশি হয়। বুঝতে পারি এখন সেই মাহেন্দ্রক্ষণ।
বাড়ি ফিরে ভদ্রলোকের কথাগুলো নিয়ে নতুন করে ভাবতে বসি। পড়াশোনা থেকে আনন্দ পাওয়ার দিনগুলোকে পেছনে ফেলে এসেছি অনেক কাল আগে। বিষয়ের প্রতি টান বা ভালোবাসা তৈরির পেছনে পড়ুয়াদের থেকেও যাঁরা কালো কালিতে ছাপা অক্ষরগুলোর আড়ালে পরতে পরতে লুকিয়ে থাকা রহস্যকে শিক্ষার্থীদের মন আর মগজে পৌঁছে দেন সেই গুরুমশাইদের ভূমিকা অনন্য। এই দুই ভালোবাসার সম্মিলন ঘটলে গোটা পরিবেশটাই বদলে যায়। এখন শিক্ষার্থীদের প্রকৌশলী হয়ে ওঠার কায়দা রপ্ত করতে হয়। এর সম্পূর্ণ দায় নিশ্চয়ই MCQ জাতীয় প্রশ্নের নয়, তবে এই ধারায় অভ্যস্ত হতে হতে একসময় আগ্রহটাই কেমন মিইয়ে যায়। ডাক্তার অথবা ইঞ্জিনিয়ার বা প্রযুক্তির পাঠে ঠেলে দিয়ে আমরা আমাদের সন্তানদের যন্ত্রমানব করে তুলছি না তো? প্রশ্ন হলো ওরা করবে কি !
আজ শেষ করবো জয়ন্তর দোকানের বিচিত্র আয়োজনের কথা দিয়ে। জয়ন্ত বদলে যাওয়া সময়ের সঙ্গে চলতে চায়, সমসাময়িক হয়ে চলতে ভালোবাসে। তাই এই সময়ের তীব্র প্রতিযোগিতার বাজারেও শুধু টিকে রয়েছে নয় বরং বলা যায় বেশ শ্রীবৃদ্ধি ঘটেছে। আমার কেন জানিনা মনে হয় সময় থাকতে এদেশের সরকারি শিক্ষাব্যবস্থার যুগোপযোগী পরিমার্জন, পরিবর্তন করে উঠতে পারিনি হয়তো চাইনি আমরা। একটি বিকাশমান মনকে ঠিকমতো গড়ে পিঠে নিতে হলে চাই খুব বড়ো মাপের আয়োজন। নুন আনতে পান্তা ফুরনোর সংসারে আয়োজনের আগেই যে বিসর্জনের বাজনা বাজিয়ে দিয়েছি আমরা।
আজ পথে নেমেছে আমাদের নবীন শিক্ষার্থীরা – জেন আলফা। নিজেদের শিক্ষার পরিবেশটাকে একটু সাফসুতরো করাই হলো তাদের প্রাথমিক লক্ষ্য।এক ‘নেই সুবিধার দেশে’ ছেড়ে দিয়েছি আমরা তাদের, বাধ্য করেছি সবকিছুকে মুখ বুজে মেনে নিতে। স্বপ্নের ফেরিওয়ালারা বেহুদা স্বপ্নের ফানুস উড়িয়েই চলেছেন সমানে। প্রযুক্তির বুলি ছুটিয়ে ভাবছে ফারাকটাকে আরও কতোটা বড়ো করা যায়। একবারও ভাবছে না ওই ফাঁকটাই একদিন সবকিছুকে গ্রাস করে নেবে। সময় সংকটের। সমাধান? ……… কন্ঠ রুদ্ধ হয়ে আসে।
২২. ০৮.২০২৬.
পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।