এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  স্কুলের খাতা

  • বিলবোর্ড, টনি ক্লোর এবং এদেশের শিক্ষা।

    Somnath mukhopadhyay লেখকের গ্রাহক হোন
    স্কুলের খাতা | ১৯ মে ২০২৬ | ১৫৮ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • বিলবোর্ড, টনি ক্লোর এবং এদেশের শিক্ষা।

    নাম তাঁর টনি ক্লোর। খুব পরিচিত মানুষ নিশ্চয়ই নয়। খবরটা পড়ার আগে আমি এই নামটি কখনোই শুনিনি। টনি একজন মার্কিন নাগরিক। বর্তমানে ব্যাঙ্গালুরু শহরের এক সংস্থায় প্রযুক্তবিদ হিসেবে কর্মরত। X handle’ এ তাঁর এক সাম্প্রতিক পোস্ট এই মুহূর্তে সামাজিক মাধ্যমে নাকি রীতিমতো ভাইরাল। লোকজন শুধু তা দেখে বা পড়েই থেমে না গিয়ে রীতিমতো চায়ের পেয়ালায় তুফান তুলে টনির বক্তব্যের কাটাছেঁড়া করে চলেছে। সে কথায় আসবো অবশ্যই, তবে তার আগে একটু অন্য দু চার প্রাসঙ্গিক কথা সেরে নিই।

    এপ্রিল মাসের শেষ ভাগ থেকে শুরু করে মে মাসের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত সময়টা হলো ফল পাকার সময়। এই সময় কেবল আম জাম কাঁঠাল লিচু জামরুলের পেকে ওঠার সময় নয় এই সময় নির্বাচনের ফল পাকে, পাশাপাশি পাকে বা প্রকাশ পায় নানাবিধ পরীক্ষার ফলাফল। বেল পাকলে কাকের কিছু যায় আসেনা ঠিক, কিন্তু পরীক্ষার ফলাফল পাকলেই তার ওপর রীতিমতো হামলে পড়ে প্রাইভেট স্কুলগুলোর কর্পোরেট কর্তৃপক্ষ থেকে শুরু বড়ো বড়ো কোচিং সেন্টারগুলোর হর্তাকর্তারা। ছবিসহ শিক্ষার্থীদের নাম ও প্রাপ্ত নম্বর অথবা রাঙ্কিংয়ের কথা জানিয়ে চলতে থাকে অবাধে প্রচার। পাতা ভরা বিজ্ঞাপনে শোভা পায় উজ্জ্বল কৃতী ছাত্রছাত্রীদের মুখগুলো।

    এই ছবিতেই দেখা হয়ে যায় ১০০% নম্বর পাইয়ে ছেলে মেয়েদের সঙ্গে। কেউই কারও থেকে কম নয়। পূর্ণ সংখ্যাকে ছাপিয়ে যায় নিখুঁত ভগ্নাংশের হিসেবগুলো। খানিকটা দেখার পর মাথা ঝিমঝিম করতে থাকে। বহুকাল আগে পাওয়া নিজের মার্কশিটের কথা মনে পড়ে আড়ালে লুকিয়ে ভেজা চোখের জল মুছতে থাকি। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে দ্রুত গতিতে তা টের পাওয়ার জন্য অন্য কোনো সূচকের আর প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না। সংবাদপত্রের বিজ্ঞাপিত মুখগুলোই যেন হয়ে ওঠে প্রগতির সেরা অভিজ্ঞান। প্রাথমিক বিহ্বলতা কাটিয়ে প্রবৃদ্ধ কন্ঠে বিড়বিড় করে বলে উঠি —

    তোমাদের করি আশীর্বাদ।
    পাতায় ফুটিয়া উঠেছে উজ্জ্বল মুখগুলি,
    সাফল্যের এনেছে সংবাদ।
    ইহাদের করি আশীর্বাদ।

    সকাল বেলাতেই টনির নজর আটকে গিয়েছিল খবরের কাগজের ফ্রন্ট পেজে। এদেশে আছে বেশ কিছুদিন হয়েছে বটে, তবে সব আটঘোট এখনও ঠাওর করে উঠতে পারেনি। আজকাল সংবাদপত্রের মূল অংশের আগেই এমন বিজ্ঞাপনের পাতা জুড়ে দেওয়া এক নতুন কায়দা হয়েছে। বেচারা টনি কাগজের এপিঠ ওপিঠ মিলিয়ে চার চারটে পাতা উল্টে ফেলে কিন্তু খবরের দেখা নাই রে খবরের দেখা নাই। খানিকটা বিস্মিত ও হতাশ হয়ে টনি ক্লোর মুখের সারির সামনে ঝুঁকে পড়ে নতশির হয়। এক অপার বিস্ময়ের জগত উদ্ভাসিত হয় সুদূর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে কর্মোপলক্ষে এদেশে আসা টনির কাছে।

    এই বসুন্ধরা সতত‌ই বীরভোগ্যা, যার কাছে সম্পদ বেশি, সেই সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী। এদেশের শিক্ষার্থীদের কাছে নম্বর হলো এক পরম সম্পদ। আর তাই নম্বরের পুঁজি সংগ্রহ করতে সবাই ব্যস্ত। নালন্দা, বিক্রমশীলা, ওদন্তপুরীর দেশে নম্বর হলো নিছকই মার্ক সিটে ছাপানো কতগুলো সংখ্যা নয়, এই নম্বর হলো তাঁর চলনকাঠি। বোর্ডের পরীক্ষার নম্বর পাওয়ার ওপরেই নির্ভর করে তাদের সামাজিক পরিচিতি থেকে শুরু করে নামীদামি কলেজে ভর্তি হওয়ার ছাড়পত্র। নম্বরের জোয়ারে ভাসতে থাকা ছেলেমেয়েদের দেখে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের ওজন বাড়াতে থাকে, ভর্তির কাট অফ মার্কসের পারদ চড়তে থাকে চড়চড়িয়ে, ছাপিয়ে যায় পুরনো সব রেকর্ডকে। শেয়ার বাজারের মতো রীতিমতো চাঙ্গা হয়ে ওঠে নম্বরের বাজার। নম্বর‌ই যে সাফল্যের শেষ কথা ! আর তাই চারদিকে গড়পড়তা ৯০% + নম্বর পাওয়া ছাত্রদের ছড়াছড়ি। কে কাকে দেখবে ? ডেসিমাল ফ্রাকশনের তফাতে ভাঙচুর হতে থাকে কত কতো ছেলেমেয়েদের প্রত্যাশার ইমারত!

    এই বিষয়টাই টনিকে বিস্মিত করেছে দারুনভাবে। টনি অকপটে স্বীকার করে নিয়েছে যে তাঁর পক্ষে কোনোভাবেই ভারতের এমন ভয়ঙ্কর প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশে কোনোভাবেই টিকে থাকা সম্ভব হতো না। তথাকথিত টপাররা যে নম্বর পেয়েছে তা পাওয়া যে কোনোভাবেই সম্ভব হতো না টনি তা নিঃসংকোচে স্বীকার করে নিয়েছে। নিজের কর্মস্থলে যাওয়ার পথে রাস্তার ধারে টাঙানো বড়ো বড়ো হোর্ডিংয়ে টাঙানো সফল ছেলেমেয়েদের ছবি আর প্রাপ্ত নম্বরের তথ্য দেখে টনি ক্লোর পরিস্কার বুঝতে পেরেছে যে ভারতের শিক্ষার্থীদের কতটা তীব্র প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশের মধ্যে নিজেদের মানিয়ে নিতে হয়। ৯৯% নম্বর পাওয়া ছাত্রছাত্রীরা তাঁর কাছে পরম বিস্ময়কর প্রতিভা বলে মনে হয়েছে। ইনস্টাগ্রাম পোস্টে সেই কথাই জানিয়েছেন টনি ক্লোর।

    তাঁর এই রোমহর্ষক অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে টনি ক্লোর হোর্ডিংএর দিকে আঙ্গুল তুলে বলেছেন – “আমি কোনোভাবেই নিজেকে এ দেশের একজন শিক্ষার্থী হিসেবে ভাবতে পারি না। বোর্ডের নম্বরগুলো একবার দেখুন, কি হাড্ডাহাড্ডি লড়াই! তানিষ্কা ৯৯.৩ % নম্বর পেয়েছে। নিজের ভাগে সবটাই টেনে নিয়ে বাড়ির বাকিদের জন্য খুব নগণ্য অংশ ছেড়ে দিয়েছে।’’ টনি ঠাট্টার ছলে বলেন কথাগুলো। নিজেই নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছিনা। রুচির প্রাপ্ত নম্বরের শতাংশ ৯৯। এই দুজনেই তালিকার শীর্ষে রয়েছে। মধু পেয়েছে ৯৮.৩% নম্বর আর মাদাকারির দখলে ৯৭.৫% নম্বর। এ তো সত্যিই আজব অবস্থা - ম্যায় কিসিসে কম নহী। বাপরে! কি কান্ড।

    বিলবোর্ডের সামনে স্থানু হয়ে দাঁড়িয়ে পরা টনির চোখ ছবির ভিড়ে থাকা আরও একজন কৃতী ছাত্রকে খুঁজে বের করে – শঙ্কারিয়া গুরুমাথ। এঁরা সবাই যেন এক একটা রেডিও স্টেশন। ছবিতে মৌন মূক হয়ে থেকেও তাঁরা সমানে নিজের নিজের কৃতিত্বের কথা ঘোষণা করে চলেছে। গুরুমাথ ম্যাথসে ভালো হবে এতো স্বাভাবিক, কিন্তু তা বলে ফিজিক্সের মতো বিষয়ে ৯৮! দারুন ব্যাপার সন্দেহ নেই! – টনি নিজেই নিজের রসিকতা উপভোগ করেন। অনলাইনে একটা ভিডিও আপলোড করে শিরোনামে টনি লিখেছেন – ভারতের এই শিশুরা are too locked in. আমাদের শিক্ষার্থীদের স্বপ্নময় ভবিষ্যৎ, নম্বরের মোহপাশে বাঁধা পড়েছে। এ যেন, ’ দেখোরে নয়ন মেলে, নম্বরের বাহার!’

    টনির ভিডিও সমাজ মাধ্যমে প্রকাশ পেতেই রীতিমতো হৈচৈ ফেলে দিয়েছেন নেট স্যাভি সহ নাগরিকরা। এমন হাতে গরম বিষয় নিয়ে মন্তব্য করার সুযোগ কখনো ছাড়েন তাঁরা? নানান মন্তব্যের জোয়ারে ভেসে গিয়েছে টনির ই-পত্র। টনির উদ্দেশ্যে মন্তব্য করতে গিয়ে একজন লিখেছেন – “টনি, ভারতের পঠনপাঠনের ময়দান কতটা প্রতিযোগিতামূলক তা তুমি কল্পনাও করতে পারবে না। এখানে কোনো পরীক্ষার্থী ৯৯% নম্বর পেয়েও নিশ্চিন্ত হতে পারে না যে তাঁর পছন্দের বিষয় নিয়ে পছন্দের কলেজে ভর্তি হতে পারবে কিনা!”

    আরও একজন জানিয়েছেন – “দুঃখের বিষয় হলো এই যে, এতো পড়াশোনা করে, এতো নম্বরের পুঁজি নিয়েও একটা সম্মানজনক বেতনের চাকরি পাওয়ার ব্যাপারে নিশ্চিত থাকতে পারেন না।” নম্বরের লড়াই শিক্ষাক্ষেত্র থেকে শেষ পর্যন্ত কর্মক্ষেত্রে এসে হানা দেয়। এতো কষ্ট করে পড়ার উদ্দেশ্য‌ই হলো ভালো বেতনের চাকরি পাওয়া। সেখানেও অনিশ্চয়তা!
    আরও একজন লিখেছেন – “এই প্রতিযোগিতার আয়োজনেই শিক্ষার্থীদের সমস্ত শক্তি, উদ্দীপনা ব্যয় হয়ে যাচ্ছে। ফলে নিজেকে মেলে ধরতে পারছে না আমাদের নবীন প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা। প্রত্যেক মানুষের মধ্যেই পূর্ণতা ও অপূর্ণতার আভাস আছে। তাকে এড়িয়ে নম্বরের দৌড়ে আমরা সকলকেই সামিল হতে বাধ্য করছি। এটা ঠিক নয়।”

    গোটা শিক্ষা ব্যবস্থাপনাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে আরও একজন লিখেছেন – “এমন সুতীব্র প্রতিযোগিতায় আমাদের সন্তানদের নামিয়ে দেওয়াটাই এখন এদেশের শিক্ষাব্যবস্থার দস্তুর হয়ে উঠেছে। ব্যক্তি সত্ত্বার অনেকানেক সম্ভাবনাকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়ে আমরা নম্বর পাওয়াকেই ধ্যান জ্ঞান মোক্ষ করে তুলেছি। এটাই এখন মানুষের একমাত্র অর্জনের লক্ষ্যবস্তু। আমাদের শিক্ষা পরিচালকরাও এই খেলার পৃষ্ঠপোষকতায় মেতে রয়েছেন। আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি যে এই তথাকথিত টপারদের অনেকের মধ্যেই কোনো সৃজনশীলতা, জীবনের প্রতি রসবোধ, জীবনের বাস্তব পরিস্থিতিকে সামলে চলার মতো মানসিকতা নেই। অনেক ক্ষেত্রে পাঁচজনের সঙ্গে মিলেমিশে চলতেও পারে না এঁরা। মনুষ্যত্বের অনেক অপূর্ণতা নিয়েই এঁরা সমাজে টিকে থাকতে চায়। আমাদের প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন চাই।”

    এখানেই ইতি টানলাম।

    সোমনাথ মুখোপাধ্যায়
    মে ১৯, ২০২৬
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • স্কুলের খাতা | ১৯ মে ২০২৬ | ১৫৮ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Partha Sarathi Das | 223.*.*.* | ১৯ মে ২০২৬ ২২:৩৬740728
  • আজকের শিক্ষা ব্যবস্থায় নম্বরের দৌড় এতটাই তীব্র হয়ে উঠেছে যে ৯০ আর যথেষ্ট নয়, সবাইকে ১০০–র কাছাকাছি পৌঁছতেই হবে। এই চাপের মধ্যে অনেক ছাত্রছাত্রীর কৌতূহল, সৃজনশীলতা ও নিজস্ব চিন্তাশক্তি হারিয়ে যাচ্ছে। শিক্ষা শুধু নম্বরের হিসাব নয়, মানুষ গড়ার প্রক্রিয়া—সেটাই যেন আমরা ভুলে যাচ্ছি।
  • Somnath mukhopadhyay | ২০ মে ২০২৬ ১২:৪৯740735
  • মতামত জানানোর জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। তিলে তিলে এমন একটা অর্থহীন প্রতিযোগিতায় ঠেলে দেওয়া হচ্ছে গোটা শিক্ষা ব্যবস্থাপনাকে। ব্যাপকভাবে প্রাতিষ্ঠানিক বেসরকারিকরণ ও আনুষঙ্গিক কারণে খরচ বেড়ে চলেছে। তার ওপর কৃতী তৈরির নামে এমন লড়াইয়ের আসর পাতা। টনি ক্লোর নতুন করে আমাদের ভাবতে বলেছে। আমরা কি আদৌ ভাববো ?
  • Ritabrata Gupta | 106.*.*.* | ২০ মে ২০২৬ ১৬:৫০740739
  • কি ভয়ানক প্রতিযোগিতা ! আকাশছোঁয়া নম্বর সবার ! এরা ব্রিলিয়ান্ট সন্দেহ নেই . আমেরিকানদের চোখ গোল হওয়ারই কথা . তবে এই প্রতিযোগিতা কতটা স্বাস্থ্যকর ?
  • আশীষ | 116.*.*.* | ২০ মে ২০২৬ ২০:০০740740
  • বাস্তব সত্য॥
    এখনকার সময়ে ছাত্রাবস্থা থাকলে কলেজে পড়ারই সুযোগ পেতাম না,চাকরী তো দুরের কথা॥
  • sarmistha lahiri | ২৪ মে ২০২৬ ১৭:১৪740822
  • এই ইঁদুর দৌড়ে যারা ইদুর তাদের জন্য র ইলো অনেক প্রণাম। বাপরে বাপ! পুরো ব ই নির্ভুল ভাবে মুখস্থ করা।অসম্ভব ব্যাপার।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঝপাঝপ মতামত দিন