এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  গপ্পো

  • সা - রে - গা - মা-- পা- ধা -নি ( সপ্তম সুর )

    Somnath mukhopadhyay লেখকের গ্রাহক হোন
    গপ্পো | ০২ জুন ২০২৬ | ১৫৪ বার পঠিত
  • নি…..( সপ্তম সুর )

    নিরুপমা গাছের নিচে বসে সারাদিনের কারবারের হিসেব নিকেষ করছিল, আর দরদর করে ঘামছিল। এখনো তিন তিনটে বাড়ি থেকে টাকা আদায় বাকি। পাড়ার এ মাথা থেকে ও মাথা ঘুরে ঘুরে মাছ বিক্রি করা কি সহজ কথা! বাড়ি থেকে না বেরিয়েই বা করার কি আছে? নিজের পেটের পাশাপাশি আরও তিনটি পেটের অন্নের সংস্থান করতে গিয়ে একেবারে হিমসিম অবস্থা। টাকা গুণতে গুণতে বোতলের ছিপি খুলে দু ঢোঁক জল গলায় ঢেলে নেয় সে। জলতো নয়, যেন গলানো সীসা। নিরুপমা একবার ভেবেছিল বান্টির দোকান থেকে একটা অরেঞ্জ আইসক্রিম কিনে নেবে। তা সেই মুখপোড়া বেলা বারোটা বাজতে না বাজতেই দোকান বন্ধ করে কোথায় ভেগেছে। আজ আর আইসক্রিম চুষতে চুষতে তাগাদা করা হলোনা। জমানো বরফের আইসক্রিম খুব ভালো লাগে নিরুর। ইচ্ছেটা আপাতত তোলা রইলো।

    মাছ বেচার পর এই এ দোর,সে দোর ঘুরে ঘুরে টাকা আদায় করাটা এক ঝকমারি। তবে সবাই যে পরে টাকা দেয় তেমন অবশ্য নয়। অনেক সময় খুচরো টাকার অভাবে নগদা নগদি পয়সা নেওয়া হয়ে ওঠেনা। আড়াইশো বা তিনশো গ্রাম তেলাপিয়া মাছ কিনে যদি কেউ পাঁচশো টাকার নোট সামনে মেলে ধরে, তাহলে যে বড্ড মুশকিলে পড়তে হয়।”ও মাসি, খুচরো দাও। সাতসকালে অত বড়ো নোটের ভাঙানি কী করে দিই বলো দিকিন?”-- এ কথা বললেই ফিরতি জবাব শুনতে হবে, “ আমরাই বা খুচরো টাকা পাই কী করে বলতো নিরু ? তুই বরং ফেরার পথে টাকাটা নিয়ে যাস্। ” মাছ কাটতে কাটতে নিরুপমা জবাব দেয় – তাই বরং নে যাব। পঞ্চাশটা টাকার জন্য আবার তাকে আসতে হবে এটাই চাপের।

    টাকা গোণা শেষ হতে না হতেই শঙ্করী এসে হাজির। শঙ্করী এ পাড়ায় ফুল বিক্রি করে। নিরুকে ওভাবে ব্যস্ত দেখে সে রসিকতা করে বলে – “ও নিরুদি,বলি খাজানার খোঁজ পেয়েছো নাকি! তোমাকে দূর থেকে দেখে আমার তেমনটাই মনে হলো”। নিরুই বা ছাড়বে কেন? - “খাজানা! বলে খাজানা! যা দিনকাল পড়েছে তাতে আসলটুকু তুলতেই জীবন জেরবার, তারপর তো উপরি লাভের আশা। বাজার মন্দা। এতো খাটাখাটনি করে দিনের শেষে যদি পাঁচশোটা টাকা ঘরে না আসে, তাহলে সংসারটা চলে কি করে বলতো?” -- ব্যাজার মুখে উত্তর দিল নিরুপমা। “আজকাল মানুষের হয়েছে এক কায়দা। সোমবার বাবা শিবের দিন, মঙ্গলবার জয় মঙ্গল ব্রত, বুধবার শুঁড় বাগানো গজানন, বেস্পতিবার মা লক্ষ্মী, শুক্রবার মা সন্তোষী আর বজরঙ্গী বাবা, শনিবার………! মাছটা তাহলে বেচবো কবে বলতে পারিস্ শঙ্করী? দেশে এখন বক ধাম্মিকের ঢল নেমেছে। ” -- এবার নিরুর গলায় আক্ষেপ ঝরে পড়ে। ব্যবসা গুটিয়ে গেলে কার‌ মন আর ভালো থাকে? একথা শুনে শঙ্করী হাসতে হাসতে জবাব দেয় – “কথায় বলেনা,কার‌ও পোষ মাস তো কার‌ও সব্বোনাশ ! তুমি বলছো তোমার মাছ বিক্রি কম হচ্ছে, আর এদিকে মাছের খরচ কমিয়ে ফুলমালায় দেদার খরচ করছে সবাই। আমিও ম‌ওকা বুঝে দা‌ও মারছি। এখন এই ফেলাট বাড়ির বৌদিদের সঙ্গে কারবার করে মজা আছে। এরা কেউ দরদামের ধার ধারে না। টুকটুকি ফুলটুসি সব। গোড়ায় আমি দাম একটু বাড়িয়েই বলি, তারপর ডিসকাউন্ট দেবার নাম করে কিছুটা ছাড় দিই। ব্যস, তাতেই সবাই খুশি। ভাবে খুব বড়ো দাঁও মেরেছে। তোমার কাছে এসব গোপন কথা বলতে তো কোনো আপত্তি নেই নিরুদি! গেল বেস্পতিবার আমি শুধু গোড়ের মালা বেচেছি হাজার টাকার ওপরে। খরচাপাতি বাদ দিয়ে পাঁচশো টাকা নীট লাভ শুধু ঐ মালাতেই। সব‌ই ওপর‌ওয়ালার কিরপা আর তোমাদের পাঁচজনের ভালোবাসা।” – গদগদ স্বরে শঙ্করী হাসতে হাসতে জবাব দেয়।

    আজ কতদিন পর এমন মনখুলে কথা বলছে দুজনে। ওদের এই ছুটে চলা জীবনের মাঝে এই টুকুই যেন পরম পাওয়া। নিরুপমা আগে এ পাড়ায় আসতো সোয়ামি বাসুদেবের সাইকেলের পিছনে বসে। বাসুদেব বাড়িতে বাড়িতে মাছ বিক্রি করতো, আর নিরুপমার কাজ ছিল সেই মাছ পরিপাটি করে কেটেকুটে দেওয়া। এতে বাড়তি কোনো পয়সা দিতে হতো না। ওটা ছিল গ্রাহকদের জন্য বিশেষ পরিষেবা। লোকজন খুশি হতো। বাসুদেব নিরুপমাকে বলতো – “বুঝলে নিরু, এই জুড়িদারির জন্য‌ই বাসুদেবের মাছের এতো কদর। আমি না থাকলেও তোমার কোনো অসুবিধা হবেনা।” কাছে থাকলে নিরু ব্যস্ত হয়ে বাসুদেবের মুখটা চেপে ধরে বলতো – “অমন কথা মুখে আনতে নাই।” বাসুদেব কিছু বলতো না কেবল মুচকি হাসতো। নিরুপমাকে সে যে বড্ডো ভালোবাসে।

    সুখতো আর লম্বা সফরে গরীবের ঘরে আসেনা, কিছুদিন পরেই তাকে সরিয়ে দুখু এসে হাজির হয় গুটিগুটি পায়ে। নিরুপমার জীবনেও ঠিক তেমনটাই ঘটলো। রাত তিনটের সময় সেদিন বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল বাসুদেব,আড়তে যাবে বলে। সাইকেলের হাতলে ঝোলানো থাকে বড়ো বড়ো ব্যাগ। মাছ কিনে বাড়ি ফিরে আবার বেরোতে হয় তা বিক্রির জন্য। বাড়ি থেকে বেরিয়ে সদর রাস্তায় উঠতে না উঠতেই এক ঘাতক লরি এসে পিষে দিয়ে যায় বাসুদেবকে। লোকজন ধরাধরি করে নিয়ে গিয়েছিল সদর হাসপাতালে। তবে ততক্ষণে সব শেষ। নিরুপমা পড়লো অকুলপাথারে।
    সেই থেকেই কাঁখেতে ঝুড়ি ভরা মাছ নিয়ে পাড়ায় পাড়ায় ঘুরে ঘুরে মাছ বিক্রি করে নিরুপমা। পুরুষ দাপিত মৎসপুরীতে নিরুপমা হলো একমাত্র মহিলা।

    “তোর্ সোয়ামি, এখন ভালো আছে? যতদিন মাথার ওপর ওই মানুষটা আছে ততদিন‌ই মাইয়া মাইনষের দাপট। মাথার ওপর ছাদ না থাকলে সবাই আমরা বেঘর হ‌ই। তুইও তো ল‌ড়াই করে টিকা আছিস।”–নিরুর গলায় সমব্যথীর সুর। “ ভালো আর বলি কি করে? এখনো বিছানায় শুয়ে থাকে। আমি হাত ধরে একটু হাঁটানোর চেষ্টা করি। ডাক্তার বলছে সময় লাগবো। ওষুধের যা দাম! নিয়মিত খাওয়াইতে পারিনা। আমার একার উপরেই তো প্রায় সংসারটার ভার। তাও বড়ো ছেলেটা সকালে গিয়ে বাজার থেকে ফুলমালা সব কিনা আনে। আমিও যাই, না হলে সব বুইঝা সুইঝা আনতে পারে না। আমার‌ও শরীল আর দেয়না গো দিদি। এই মাথা থিকা ঐ মাথা সাইকেল ঠেলে হেঁটে হেঁটে ঘোরা কি আর সহজ কাজ? ছেলেটা আর একটু সেয়ানা হলে ওই হয়তো এই কারবার সামলাইতে পারবে। ” – শঙ্করী নিজের কথা খুলে বলে।

    গাছের ছায়ায় বসে দুই ভাগ্য বিড়ম্বিত নারী তাঁদের মনের সুখ দুখের কথা ভাগ করে নেয়। গল্পের মাঝখানে আসরে ঢুকে পড়ে বিনোদ আইসক্রিম‌ওয়ালা। বিনোদ ওদের দুজনকে বিলক্ষণ চেনে। এক‌ই পথের পথিক যে ওরা। বিনোদ হাসতে হাসতে বলে –” কি গো গঙ্গা যমুনা দিদি! তুম দোনো ইহাপে বৈঠি হো! ক্যায়সি হো? কাজ কাম ঠিকঠাক চলছে? “ “দে দেখি, দুইটা আইসক্রিম। গলাটা শুকিয়ে গেছে। ভালো সময়েই ভগবান তোরে পাঠিয়েছে।”– শঙ্করী বলে। এমন সময় নিরুপমার থলির মধ্যে থাকা আদ্যিকালের মুঠো ফোনটা বেজে ওঠে। “ হ্যালু! কে বলছো? ও পিয়া বৌদি? আমি আসছি এখনি। একটু অপেক্ষা কর।”-- আইসক্রিম চুষতে চুষতে হনহন করে নিরুপমা হাঁটতে শুরু করে। তাগিদ আর তাগাদা মিলেমিশে বেলা শেষের সুর হয়ে যেন কানে বাজতে থাকে। নিরুপমা ঝুড়ি কাঁখে তুলে পথ চলার গতি বাড়িয়ে দিলো। এখনো যে তাকে চড়া রোদ মাথায় নিয়ে অনেকটা পথ পাড়ি দিতে হবে।

    সোমনাথ মুখোপাধ্যায়
    জুন ১. ২০০৬
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • গপ্পো | ০২ জুন ২০২৬ | ১৫৪ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    উনুন - upal mukhopadhyay
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • সৌমেন রায় | 2409:*:*:*:*:*:*:* | ০২ জুন ২০২৬ ০৯:৫৪740963
  • কঠিন লড়াই সব।তবু কি করে যেন ওরা হাসির মন্ত্র খুঁজে পায়। যেটা অনেক কিছু পাওয়া অনেক লোকই খুঁজে পায়না।
  • Somnath mukhopadhyay | ০২ জুন ২০২৬ ১১:৫৪740965
  • এদের মনমহলের অন্দরে আমরা সচরাচর উঁকি দিয়ে দেখি না। একবার দেখলেই সব সামনে ভেসে উঠবে। ভালো থাকবেন।
  • Barnali Banerjee | 117.*.*.* | ০২ জুন ২০২৬ ১৪:২৩740968
  • Khub valo lalo.
  • শর্মিষ্ঠা লাহিড়ী। | 2405:*:*:*:*:*:*:* | ০২ জুন ২০২৬ ১৭:১৬740970
  • লেখাটা পড়তে পড়তে পুরো মানুষ গুলো যেন জ্যান্ত একটা দৃশ্যপট তুলে ধরলো চোখের সামনে। প্রতিদিন এই মানুষ গুলোর সংগ্ৰাম যেন এক গল্পগাথা।মনটা একটা দুঃখবোধে ভারী হয়ে ওঠে।
  • শর্মিষ্ঠা লাহিড়ী। | 2405:*:*:*:*:*:*:* | ০২ জুন ২০২৬ ১৭:২৭740971
  • এ শহরের সকল ধানুয়ার বেঁচে থাকার লড়াই কে কুর্ণিশ জানাই।লেখক অতি সুন্দর ভাবে এই লড়াই কে আমাদের সামনে উপস্থাপিত করেছেন।
  • Somnath mukhopadhyay | ০৩ জুন ২০২৬ ১৬:২১740989
  • ধন্যবাদ জানাই বর্ণালী ও শর্মিষ্ঠা দেবীকে আপনাদের ভালো লাগার কথা জানানোর জন্য। পাঠক পাঠিকাদের প্রতিক্রিয়া জানতে পারাটা খুব জরুরি। ধানুয়া, নিরুপমা, শঙ্করী -এরা আমাদের খুব পরিচিত। এদের কাছে আমি ঋণী। ভালো থাকবেন সবসময়।
  • ritabrata gupta | 106.*.*.* | ০৪ জুন ২০২৬ ১৭:১৭741007
  • অসাধারণ লেখা ! আপনার লেখায় চরিত্রগুলি সম্পূর্ণ বাস্তবরূপে ফুটে ওঠে . চোখের সামনে ভেসে উঠলো ছোটবেলার খুচরো বিক্রেতা মাসিরা ! অনবদ্য এবং আমাদের বাস্তব জগতের সাথে যুক্ত রাখতে সাহায্যকারী . আরো দিন এমন লেখা !
  • Somnath mukhopadhyay | ০৪ জুন ২০২৬ ১৮:২৩741009
  • এই সিরিজের বাকি আখ্যানগুলো নজরে আনার অনুরোধ রইলো। এঁদের সাথেই আমার নিত্যদিনের ওঠাবসা। লেখাগুলো ছড়িয়ে পড়ুক। ভালো থাকবেন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। মন শক্ত করে মতামত দিন