এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  গপ্পো

  • অক্সিমিয়া (গল্প) – যদি এমন হত!

    রানা সরকার লেখকের গ্রাহক হোন
    গপ্পো | ২৫ মে ২০২৬ | ১৩ বার পঠিত
  • দেশের নাম অক্সিমিয়া। স্বাধীনতার ৭৫ বছর পেরিয়ে এসেছে সে। এই দেশে এক সময় এতো গাছ, বন-জঙ্গল, অরণ্যানী, জলাশয়, পাহাড় ছিল যে বিদেশ থেকে বহু মানুষজন এই দেশে ঘুরতে আসতেন শুধুমাত্র বুক ভরে ক’টা দিন অক্সিজেন নেওয়ার জন্য; নিঃশ্বাস নিয়ে তরতাজা হওয়ার জন্য।

    সেইসব পর্যটকদের জিজ্ঞাসা করা জানা গেছিল যে তাঁদের দেশের শাসক আর পুঁজিপতিদের করাল গ্রাসে পড়ে উন্নয়নের নামে তাঁরা হারিয়েছেন তাঁদের অতুলনীয় প্রাকৃতিক সম্পদ। অরণ্য-জলাভূমি-পাহাড়। ফলে পর্যটকেরা অক্সিমিয়াতে এসেছেন বাকি বছরের জন্য ফুসফুসে অক্সিজেন ভরে নিয়ে দেশে ফিরে যেতে। এই বাবদ অবশ্য ট্যাক্স দিতে হত অক্সিমিয়ার শাসকদের।

    এইভাবে কেটে গেল বেশ কিছু বছর। তারপর অক্সিমিয়াতে এল নতুন শাসক দল। তারাও কাটিয়ে ফেলল বারো-তেরো বছর।

    এখন অক্সিমিয়ার নতুন শাসকদল আর কিছু বিরোধী দলের লোকজন মিলে গত দশ-পনের বছরের বেশি সময় ধরে সরকারি কলকারখানা আর নানান সরকারি প্রতিষ্ঠান বেচে দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অক্সিমিয়ার পাহাড়, জলাভূমি আর দেশের সমস্ত ক্ষুদ্র-বৃহৎ অরণ্য বেচে দিচ্ছেন সেই পর্যটকদের দেশের পুঁজিপতি আর অক্সিমিয়ার পুঁজিপতিদের কাছে। আর সেই পুঁজিপতিদের গোষ্ঠী সেই সম্পদ আবার বেচে দিচ্ছেন অ্যামেরিকার কাছে। কারণ শোনা যাচ্ছে, শাসকেরা অ্যামেরিকার পাতা ফাঁদে পড়ে গেছেন।

    ফলে একদিকে অক্সিমিয়ার অর্থনীতি ধ্বংস করা, লক্ষ লক্ষ মানুষের কাজ হারানো, অকথ্য অমানবিক পরিবেশে শ্রমিকদের নিংড়ে নেওয়া, এস.ই.জেড., কৃষক ও বাকি নাগরিকদের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি আর ধর্মের নাম করে করে মানুষকে বোকা বানানো, দেশের টাকা লুট করে করে বিদেশে পাচার – এইসব তো ছিলই, তার ওপর নির্বিচারে পরিবেশ ধ্বংসের ফলে সেই অক্সিমিয়া দেশে জন্মাতে শুরু করল ক্লীব সব সন্তান। ক্লীব আর বিকলাঙ্গ!

    এঁদের কারুর মাথার রোগ, কেউ আবার বোধ বুদ্ধিহীন, কারুর দৃষ্টিশক্তি ক্ষীণ বা জন্মান্ধ, কারুর ব্যালান্স নেই, শরীরের হাড় মজবুত নয়; রিকেট, অটো ইমিউন সব ডিজিজ, ফুসফুস আর রক্তের ক্যান্সার – কী নেই সেখানে।

    যেভাবে একসময় নির্বিচারে জলাভূমির পর জলাভূমি বুজিয়ে ফেলা হয়েছিল, যেভাবে মিথ্যা উন্নয়নের দোহাই দিয়ে পাহাড়ের পর পাহাড় কেটে ফেলা হয়েছিল; ধ্বংস করে ফেলা হয়েছিল অরণ্যের পর অরণ্য। পাহাড়, অরণ্য আর জলাভূমির কোনও কাকুতিমিনতি শোনা হয় নি, ঠিক সেভাবেই অক্সিমিয়া দেশের মানুষজন এক অদ্ভুত রোগে পোকার মতো মরতে থাকল। শোনা যাচ্ছিল যে আরও নতুন নতুন রোগ নাকি আসবে।

    সঙ্গে কখনও অতিবৃষ্টি, কখনও অনাবৃষ্টি, দুর্ভিক্ষ, বজ্রপাত, নতুন নতুন রোগের প্রাদুর্ভাব, ভূমিকম্প, সুনামি – যেন দেশটা সেই আগেকার সুজলাং সুফলাং মলয়জ শীতলাম শস্য শ্যামলাং আর নেই, হয়ে গেছে জলজ্যান্ত আস্ত একটা নরক।

    তবে এইসব নিয়ে স্বাধীনতার পর থেকে আজ এই ৭৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে যারা আন্দোলন করে ছিলেন, মানুষকে বুঝিয়েছিলেন, তাঁদের অনেকেই হারিয়ে গেছেন; অনেককে মিথ্যা কেসে ফাঁসিয়ে বন্দী বা হাপিস করে দেওয়া হয়েছে, আর বাকিরা হয় নিজেদের মধ্যে কামড়াকামড়ি করে নতুবা অভিমান আর অপমানে অপমানে জর্জরিত হয়ে উৎসাহই হারিয়ে ফেলেছেন। এই অভিমান সেইসব স্বার্থান্বেষী নাগরিকদের প্রতি যারা দেশের এই তীব্র সংকটেও আমি আমি আমার আমার করে ঘরের মধ্যে চুপ করে বসে থেকে মজা দেখছিলেন; এখনও দেখছেন।

    গোবরও যে একদিন ঘুঁটে হয়ে পুড়বে, এটা মনে হয় সেইসব ঘরে বসে থাকা লোকজন ভুলেই গেছেন!

    অপরদিকে বাকি আর যত নাগরিক কোনোভাবে অর্ধাহারে অর্ধসুস্থ হয়ে ধুঁকতে ধুঁকতে বেঁচেছিলেন, তাঁরা তাঁরা সমস্ত কাজ ফেলে রেখে দিয়ে বাচ্চাকাচ্চা সমেত দেশের রাজ্যের রাস্তায় রাস্তায় এক এক করে শুয়ে পড়লেন। তাঁরাও মরে যেতে চান। এই দূর্নীতিগ্রস্ত, চরম অমানবিক শাসকের রাজত্বে তাঁরা আর বেঁচে থাকতেই চান না; হ্যাঁ, তাঁরাও মরে গিয়ে এই দূর্বিসহ যন্ত্রণার হাত থেকে বেঁচে যেতে চান।

    এদিকে এই ঘটনায় বিপাকে পড়ে গেলেন শাসকদল। কারণ দেশে কোনও সুস্থ নাগরিকরা না থাকলে কারাই বা কাজ করবে? কাদেরই বা তাহলে শোষণ করবেন? আর শোষণ না করলে সম্পদের পাহাড়ই বা বানাবেন কী করে? কারণ একজন মানুষকে দিয়ে মাসে ১০০% পরিমাণের কাজ করিয়ে তাকে যদি ২০%-২৫% টাকা মাইনে দেওয়া যায়, তাহলে বাকি ৭৫% পুরো পকেটে।

    যন্ত্র দিয়ে কাজ করানো যায় বটে, তবে সেটা চালাতে গেলে বা মেইন্টেনেন্স করতে গেলেও তো মানুষ লাগবে। হ্যাঁ, চর্চা চলছিল যে কীভাবে দেশের লোকসংখ্যা কমানো যায়। এই এতো লোকসংখ্যা নিয়ে আর পারা যাচ্ছে না। আজ থেকে মাত্র ৫০ বছর আগে ছিল আজকের জনসংখ্যার অর্ধেক। ভাবা যায়! মাত্র ৫০ বছরে ডবল হয়ে গেছে!

    ফলে পেটোয়া বিজ্ঞানীদের এনে কাজে লাগানো হল। আনা হল অ্যামেরিকান পরিবেশ বিজ্ঞানীদের। তারা সমস্ত কিছু ঘুরে দেখে আর পর্যবেক্ষণ আর পরীক্ষা করে জানালেন যে অবিলম্বে মিলিটারী তৎপরতায় বহু বহু গাছ লাগাতে হবে আর অনেক অনেক জলাশয় খুঁড়তে হবে। আর নতুন কিছু রোগ ছড়িয়ে মানুষ কমাতে হবে।

    কিন্তু জলাশয় খোঁড়ার কাজ শুরু হলেও দেখা গেল যে ক’জন গাছ দেশ জুড়ে বেঁচে আছেন তাঁদের মধ্যে একটা অদ্ভূত রোগ দেখা দিয়েছে।

    তাঁরা বন্ধ্যা হয়ে গেছেন।

    হ্যাঁ, তাঁরা বন্ধ্যা হয়ে গেছেন।

    আর যত নতুন গাছ লাগানো হচ্ছে তাঁরাও বেঁচে থাকছেন না। এইভাবে চললে আগামীদিনে দেশে একটাও যে গাছ অবশিষ্ট থাকবে না সেটা ভালো মতোই মালুম হল শাসক দলের। বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা করে দেখলেন যে দেশের মাটি-বাতাস-জল দূষণে দূষণে বিষাক্ত হয়ে গেছে। এই মাটিকে আগে বিষ মুক্ত করতে হবে। গাছ লাগাতে হবে। আর তবেই দেশের জল আর বাতাস দূষণ মুক্ত হবে।

    ওদিকে রাস্তায় অবরোধ করা সেই লোকজনও অল্প অল্প করে মরতে শুরু করে দিয়েছেন। দেশের সংকট গভীর থেকে গভীরতর হচ্ছে।

    সেই সময় অক্সিমিয়ার শাসক দলের একজন মন্ত্রী রাতের বেলায় এক প্রাচীন বট গাছের কাছে চুপিচুপি গেলেন। যদি কিছু উপায় জানা যায় যাতে এই সংকট যায় কেটে।

    দিনের বেলায় অবশ্য অক্সিমিয়াতে বেরনো যাচ্ছিল না; বেরোলেই চামড়ার ক্যান্সার হচ্ছিল। তা মন্ত্রী গিয়ে সেই বটবৃক্ষের কাছে হাতজোড় করে জানতে চাইলেন, হে মহাদ্রুম, এই সংকট থেকে মুক্তির উপায় কী?

    সেই বিরাট বটবৃক্ষ শাসক দলের সেই মন্ত্রীকে হেসে জবাব দিলেন, খুবই সহজ ব্যাপার।
     
    - বলুন মহাবৃক্ষ; মহীরুহ। বলুন; কৃপা করে…
     
    - দেশের ও রাজ্যের যত লোক, বংশ, গোষ্ঠীরা স্বাধীনতার পর থেকে এই দেশ আর দেশের সমস্ত রাজ্য শাসন করার সময় নির্বিচারে পরিবেশ ধ্বংস করেছে, করে করে মুনাফা লুটেছে, তাদের সব্বাইকে গাছ হয়ে যেতে হবে। হ্যাঁ, গাছ হয়ে যেতে হবে।

    - গাছ! ইয়ে মানে, তারা কি মারা যাবে?
     
    - গাছেরা কি মৃত? কি? তাদের অনুভূতি নেই? আশা আকাঙ্ক্ষা নেই? স্মৃতি নেই? সব আছে; সব। আর গাছ হলেই তবে সেটা বোঝা যাবে।

    - না মানে…! যেখানে আপনারা নতুন গাছের জন্মই দিতে পারছেন না, সেখানে ওরা গাছ হয়ে…, দেশের অন্য নাগরিক, যারা রাস্তায় রয়েছে, তাদের দিয়ে হবে না?
     
    - নাহ্‌। তারা তো পাপ করে নি। তাঁদের মনে কোনও বিষ ছিল না। ঐ সমস্ত পরিবেশ ধ্বংসকারী মানবতার শত্রু পরিবারেরা স্বাধীনতার পর থেকে অক্সিমিয়ার ভূ-প্রকৃতিকে যেভাবে দিনের পর দিন বিষাক্ত করেছে, শোষণ করেছে, কেবলমাত্র তাদের সবার শরীর আর মনের ভিতর জমে থাকা সেই বিষ গাছ হওয়ার পর শেকড়ের মাধ্যমে মাটিতে মিশলেই মাটি শুদ্ধ হবে; পবিত্র হবে। বিষে বিষে বিষক্ষয়। আর তখন সেই শুদ্ধ আর পবিত্র মাটিতেই আবার জন্ম নিতে পারবে নতুন নতুন চারাগাছ; নতুন…নতুন চারাগাছ বুঝলেন?

    এই শুনে ঐ মন্ত্রী কিছুক্ষণ হতভম্ব আর ইতস্তত করে জানতে চাইলেন, কিন্তু স্বাধীনতার পর থেকে উন্নয়নের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে কেন্দ্রে আর রাজ্যে যারা যারা পরিবেশ ধ্বংস করেছিলেন, মানে তাদের বংশধরেরা তারা তারা গাছ হয়ে গেলে তাদের অর্জিত সম্পদের কী হবে হে মহাদ্রুম?

    - অর্জিত? নাকি শোষিত? সেইসব সম্পদের পাহাড়গুলো তখন পরিণত হবে প্রাকৃতিক পাহাড়ে। হ্যাঁ। আর সেই সব পাহাড় দিয়েই বাকি বেঁচে থাকা নাগরিকেরা দেশের আর দশের মঙ্গল করবেন।

    - আর কি কোনও উপায় নেই?

    - নাহ্‌।

    - তবে শোন, গোলমাল করতে যাস না। তাঁরা কিন্তু আসছে। আমি ওদের পায়ের আওয়াজ শুনতে পাচ্ছি।
     
    - কারা!
     
    - তুষের আগুণ ধিকিধিকি জ্বলছে।
     
    ফিরে গিয়ে সেই রাতেই মন্ত্রী শাসক দল, আরও অন্যান্য রাজনৈতিক দল যারা যারা একসময় শাসক ছিলেন আর মিথ্যা উন্নয়নের বুলি কপচে কপচে নির্বিচারে পরিবেশ ধ্বংস করেছিলেন তাদের আর পুঁজিপতিদের, সব কথা এক এক করে জানালেন।

    এরপর একমাস গেল কেটে। স্বাধীনতার পর পরিবেশ ধ্বংসকারী ওরা সবাই জোট বেঁধে সিদ্ধান্ত নিলেন। সিদ্ধান্ত হল – যে ক’টা গাছ বেঁচে আছে তাদেরকেও কেটে ফেলা হবে। হ্যাঁ। ওগুলোকেও আর বাঁচিয়ে রাখা হবে না। ওদের এতো বড় আস্পর্ধা? আমাদেরকেই গাছ হতে বলছে? দেখাচ্ছি মজা। ফুঁ, আমাদের কিছুই হবে না কারণ যন্ত্র অক্সিজেন উৎপাদন করবে; যন্ত্র।

    কিন্তু দিনের বেলা এই কাজ করা যাবে না; রাতে করতে হবে। কিন্তু এই খবর গাছ আর রাস্তায় থাকা মানুষজনদের অজানা রইলো না। তাঁরা গান ধরলেন – বাদুড় বলে ওরে ও ভাই শজারু / আজকে রাতে দেখবে একটা মজারু। / আজকে হেথায় চামচিকে আর পেঁচারা / আসবে সবাই মরবে ইঁদুর বেচারা। / কাঁপবে ভয়ে ব্যাঙগুলো আর ব্যাঙাচি / ঘামতে ঘামতে ফুটবে তাদের ঘামাচি…। হা! হা! হা!

    শাসক দল তো অবাক। ব্যাপার কী? এতো সাহস ওদের এলো কী করে? দিনের বেলায় পাঠানো হল খোঁচর। তারাও কোনও খবর আনতে পারল না। তবুও প্ল্যান মাফিক রাতের দিকে বেরিয়ে পড়ল ঘাতক বাহিনী।

    কিন্তু একী! দেশের সারা রাস্তা জুড়ে থিকথিক করছে ওরা কারা? কারা ওরা?

    নাইট ভিশন ক্যামেরা দিয়ে ঘাতক বাহিনী দেখল যে দেশের সমস্ত রাস্তায় আরশোলারা অস্ত্র হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। ফুঁসছে। ঘাতক বাহিনীর কিছু ভয় পেয়ে গেল। বাকি কিছু এগোলো। শাসক দল বলল, আক্রমণ।

    ফলে ভয়ঙ্কর যুদ্ধ হল। আর দশ দিন ধরে চলা সেই যুদ্ধে হেরে গেল শাসক দল আর তার ঘাতক বাহিনী। ওদের অনেকেকে কচুকাটা করা হল। বাকিরা পালিয়ে গেল বিদেশে। আরশোলা বাহিনীরও অনেকে মারা পড়লেন। শহীদ হলেন।

    তারপর বাকি আরশোলা বাহিনী অক্সিমিয়ায় গঠন করল গণতন্ত্র। তাঁরা তাদের সঞ্চয় করে রাখা খাবার এনে দিল সেই সব মুমুর্ষু মানুষদের। বন্ধুভাবাপন্ন প্রতিবেশী দেশ থেকে নিয়ে এলো আরও খাবার।

    নিজেদের ডিমগুলোকে আহুতি দিতে বছর বছর ধরে দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে মাটিকে মুক্ত করল দূষণ থেকে; বিষ থেকে। আবার গাছ জন্মালো। আবার বৃষ্টি হল। ফসল ফলল। গান গেয়ে উঠল অক্সিমিয়ার আকাশ বাতাস অরণ্য পাহাড় আর মানুষজনেরা। আবার জন্মাতে থাকল হৃষ্ট পুষ্ট সন্তানেরা।

    তারপর আবার সেই আরশোলারা যেমন হঠাৎ করে এসেছিলেন, তেমনি হঠাৎ করে চলে গেলেন পাতালে।

    তবে কথা দিয়ে গেলেন, সংকটে পড়লে আবার তাঁরা আসবেন।
     

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • গপ্পো | ২৫ মে ২০২৬ | ১৩ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা খুশি মতামত দিন