এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  আলোচনা  দর্শন

  • রটন্তী কুমার এবং ভারতীয় ও পাশ্চাত্য দর্শনে প্রমাণ:পর্ব ৩ 

    রানা সরকার লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | দর্শন | ১৯ এপ্রিল ২০২৬ | ৭৩ বার পঠিত
  • | |
    আমরা টিভিতে একটা বিজ্ঞাপণ দেখেছিলাম। ‘সানডে হো ইয়া মান্ডে রোজ খাইয়ে আন্ডে’।

    ২০১৪-এর পর দেখলাম – ‘সানডে হো ইয়া মান্ডে রোজ খাইয়ে প্রোপ্যাগান্ডে!!’

    প্রোপ্যাগান্ডা অর্থ হল এমন অনেক পক্ষপাতমূলক তথ্য জনসাধারণের মধ্যে প্রচার করা, যা রাজনৈতিক বা বিশেষ কোনও উদ্দেশ্যের জন্য করা হয়, যেখানে মানুষের মতামত ও আচরণকে প্রভাবিত করতে, আংশিক সত্য বা সম্পূর্ণ মিথ্যা তথ্য হিসেবে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

    জুমলা। মিথ্যা প্রতিশ্রুতি।

    দীপ মুখোপাধ্যায়ের একটা ছড়ার কথা মনে পড়ছে-

    হ্যান করেঙ্গা ত্যান করেঙ্গা আসলে ঘোড়ার ডিম করেঙ্গা....

    আর এই প্রোপ্যাগান্ডা খেয়ে খেয়ে পেট মোটা করে যারা যারা সেই রাজনৈতিক দলকে ভোট দিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে অনেকেই কিন্তু হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন যে ঠিক কী ভুল তাঁরা করেছিলেন।

    আমার মনেও প্রশ্ন জেগেছিল যে এইভাবে অনেক জনসাধারণ সেই রাজনৈতিক দলের প্রোপ্যাগান্ডা খেলেন কীভাবে? এখনও অনেকে কিন্তু খাচ্ছেন।

    তাঁদের নিশ্চয়ই চেতনার অভাব ছিল আর আছে।

    একটা উদাহরণ দিলেই বোঝা যাবে, ধরুন ফেসবুকে আপনি দীপ্সিতা জয়ীর কোনও পোষ্টকে লাইক করলেন, বা কুণাল ঘোষের বা রাঘব চাড্ডার কোনও পোষ্ট শেয়ার করলেন। তাহলে চেতনাহীন মানুষ ধরে নেবেন যে ও, তাহলে আপনি বামফ্রন্টের লোক। বা তৃণ্মূলের লোক বা আপের লোক বা সমর্থক।

    কিন্তু তারা এটা ভাবলেন না যে আপনি দীপ্সিতা জয়ী, কুণাল ঘোষ বা রাঘব চাড্ডার সেই সেই বক্তব্য সমর্থন করছেন। তাঁদের অন্য বক্তব্য বা পোষ্ট আপনি পছন্দ বা সমর্থন নাই করতে পারেন।

    আসলে চেতনাহীন মানুষ বক্তব্যটাকে দেখে না, লেখাও পড়ে না; দেখে যে বক্তব্য করছে বা পোষ্ট করছে তাকে। হায় রে!

    আবার ধরুন, ক, খ, গ, ঘ – এই চারজন মানুষ। ক একজনের সঙ্গে মেশে যিনি ফিজিক্সের প্রোফেসর কিন্তু তৃনমূলের প্রার্থী, খ একজন লোকের সঙ্গে মেশে যিনি ইতিহাস পড়ান কিন্তু বামফ্রন্টের প্রার্থী, গ একজনের সঙ্গে মেশে যিনি নকশাল আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন কিন্তু ইংরেজি সাহিত্য নিয়ে ব্যাপক পড়াশোনা আছে আর ঘ একজনের সঙ্গে মেশে যিনি কংগ্রেস প্রার্থী বা বিজেপি করেন, কিন্তু দারুণ আইনের লোক।

    এখন এই চেতনাহীন মানুষেরা ক, খ, গ, আর ঘ এর সম্পর্কে ঠিক কী ভাববে? ভাববে যে ক হল তৃনমূল, খ হল বামফ্রন্ট, গ হল নকশাল আর ঘ হয় কংগ্রেস নয়তো বিজেপি। তাই না?

    ওরা ভাব্বেই না যে ক, খ, গ, ঘ এর যথাক্রমে ফিজিক্স, ইতিহাস, ইংরেজি সাহিত্য বা আইন নিয়ে তাঁদের সঙ্গে আলোচনা করতে তাঁদের কাছে যান। কি? ভুল লিখলাম?

    কিন্তু ক, খ, গ, ঘ – এরা যদি কোনও ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ারের সঙ্গে মেলামেশা করে, তাহলে কিন্তু বলেন না যে ওরা ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার হয়ে গেছেন। তাই না?

    কেন? কেন তারা তলিয়ে দেখবেন না? কারণ প্রথমত, তাঁদের সেই চেতনা নেই আর চেতনা না থাকবার ফলেই প্রোপ্যাগান্ডা খেয়ে ফেলার সবচেয়ে বেশি প্রবণতা তাঁদের আছে।

    আর দ্বিতীয়ত, আমাদের দেশে কোনও রাজনৈতিক দলের নেতা হতে গেলে কোনও শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগে না। তবে বামেদের মধ্যে শিক্ষিতদের প্রার্থী করবার একটা প্রবণতা দেখা যায় অন্য বাকি দলের তুলনায়।

    আর এর জন্য দায়ী, Indian People’s representative act, 1951.


    তাহলে এই যারা যারা প্রোপ্যাগান্ডা খেলেন তাঁদের কে কি ‘প্রোপ্যাগান্ডু’ বলা যায়? আপনারাই ঠিক করুন।

    আগেকার দিনে সমাজে শিক্ষিত মানুষের একটা সম্মান ছিল। তাঁদের টাকা হয়তো ছিল না। কিন্তু ১৯৯০ পরবর্তী সময় থেকে ধীরে ধীরে সেই সম্মান অবলুপ্ত হতে শুরু করল।

    আজকে সমাজে যার ক্ষমতা আছে, যার টাকা আছে সেইই হল শিক্ষিত! আসল শিক্ষিত মানুষের কোনও সম্মান নেই, যদি সেই শিক্ষিত মানুষের টাকা, ক্ষমতা বা প্রতিপত্তি না থাকে তাহলে তো আরও নেই।

    দুঃখের বিষয় পশ্চিমবাংলা কিন্তু ছিল অন্যরকম। কারণ শিক্ষা আন্দোলন থেকে শুরু করে রেনেসাঁস (যতটুকুই হোক), সমগ্র অবিভক্ত বা পরে বিভক্ত ভারতের নাগরিকদের মধ্যে সবচেয়ে শিক্ষিত মানুষজন ছিলেন এই বাংলায়। ধর্ম আন্দোলন হয়েছিল এই বাংলায়। প্রগতির কথা বলতেন এই বাংলার শিক্ষিত জনগণ।

    ধর্মের থেকে, জাতপাতের থেকে, টাকার থেকে শিক্ষাকেই এই বাংলার মানুষ মর্যাদা দিয়েছিলেন সবচেয়ে বেশি।

    আর আজ?

    ধর্ম ধর্ম করে কেমন মেতে উঠেছেন? ভাবা যায় না। আমি এখানে কিন্তু সব ধর্মের কথাই বলছি। বিশেষ করে বলছি ফাশিস্তদের কথা।

    কাগজে পড়লাম, পশ্চিমবাংলার প্রথম দফা নির্বাচনে ১৫২ কেন্দ্রে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা প্রার্থীদের মধ্যে ১৪ জন নিরক্ষর। নাম সই পর্যন্ত করতে পারেন না।

    ২৯ জন সই টুকু করতে পারেন।

    পঞ্চম শ্রেণি পাশ করেছেন ৩২ জন।

    অষ্টম শ্রেণি পাশ করেছেন ১৮০ জন।

    ক্লাস টেন পাশ করেছেন ২৪৬ জন।

    এই নির্বাচনে ৭০টিরও বেশি দলের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ১৪৭৫ জন প্রার্থী যাদের তেমন একটা পড়াশোনাই নেই!

    ৩৬১ জন স্নাতক।

    আর এদেরকে কারা ভোট দেবেন? এঁদের থেকেও শিক্ষিতরা।

    বাঃ রে পশ্চিম বাংলা! বাঃ! হাততালি!

    অপরদিকে, স্নাতকোত্তর ২২৫ জন আর ডক্টরেট ২০ জন।

    ওয়েস্ট বেঙ্গল ইলেকশন ওয়াচের রাজ্য সংযোজক জানিয়েছেন, আসলে আমরা চাই প্রার্থীদের হলফনামার সংক্ষিপ্ত বিবরণ ভোট কেন্দ্রের বাইরে ডিসপ্লে বোর্ডে প্রদর্শন বাধ্যতামূলক হোক যেখানে লেখা থাকবে প্রার্থীর অপরাধমূলক রেকর্ড, সম্পদ, দায়বদ্ধতা ও শিক্ষাগত যোগ্যতা।

    আইনে আরেকটা পরিবর্তন করলে ভালো হয়।

    প্রত্যেকটি বিধানসভা ও লোকসভায় যাঁরা যাঁরা সবচেয়ে বেশি ভোট পাবেন তাঁরা তাঁরা ৫ বছরের জায়গায় ৩.৫ বছর বিধায়ক বা সাংসদ হিসেবে কাজ করতে পারবেন আর বাকি ১.৫ বছর বিধায়ক বা সাংসদ হিসেবে কাজ করবেন দ্বিতীয় স্থানাধিকারিরা।

    অবাক লাগছে?

    এতে প্রথম স্থানাধিকারির ওপর জনসাধারণের জন্য কাজ করার একটা চাপ যেমন থাকবে আর দ্বিতীয় স্থানাধিকারিও সুযোগ পাবেন।

    চাইছি যে এই নিয়ে আলোচনা হোক। আপনারাও লিখুন।

    আর দলবদলুদের অন্তত ১০ বছর অন্য কোনও দলের প্রার্থী হয়ে দাঁড়াতে দেওয়া যাবে না; তারা সংগঠনে থাকবেন। আর নির্বাচিত হলে তাঁদের বিধায়ক বা সাংসদ পদ অবিলম্বে বাতিল করা হবে আর নতুন করে সেই সেই সেই আসনে নির্বাচন ডাকা হবে।

    কীভাবে একদল মানুষের ভোট তথা সেন্টিমেন্ট নিয়ে এই দলবদলুরা ছিনিমিনি খেলে, তাই না?

    কিন্তু এইসব লিখছি কাদের জন্য?



    যাই হোক, প্রসঙ্গে ফিরে আসি।

    একটা সময় ছিল মানুষ মানুষের মুখের কথা বিশ্বাস করতো। আর এখন? লিখিত পড়িত হয়ে গেলেও দেখা যাচ্ছে ব্যাপারটা ভুয়ো।

    যদিও নোটারী করতে গেলে তাকে ইদানীং একটা আইনের বাঁধনে বাঁধা হচ্ছে।

    তাহলে আমরা কী করবো?

    কেউ কান দিয়ে দেখবেন না। চোখ দিয়ে দেখবার চেষ্টা করুন। কেউ যখন আপনাকে কোনও ইনফর্মেশন দেবেন, সেটাকে যাচাই করে নিতে না পারলে বিশ্বাসও করবেন না, আবার অবিশ্বাসও করবেন না।

    ইনফর্মেশনটাকে একটা স্টেটমেন্ট হিসেবে দেখবেন। আর যে ইনফর্মেশন নিজেরা কখনো যাচাই করতে পারবেন না, সেই ইনফর্মেশন প্লিজ ছড়াবেন না। মনে রেখে দেবেন, লিখে রেখে দেবেন কিন্তু ছড়াবেন না।

    কারণ এইভাবেই কিন্তু ফেক নিউজ ছড়িয়ে দিয়ে কালপ্রিটরা সমাজের ক্ষতি করছে। ফেক নিউজ ধরবার অনেক সাইট আছে। বিশেসজ্ঞদের কাছে জেনে নিন। দেখছেন তো AI দিয়ে কীসব বানিয়ে বানিয়ে সোশ্যাল সাইটে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। তাহলে?

    যদিও সার্কামস্ট্যান্সিয়াল এভিডেন্স বলে একটা ব্যাপার আছে, কিন্তু সেটা বোঝাবার ক্ষমতা সাধারণ বুদ্ধির মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়। কেবলমাত্র বিশেষজ্ঞরাই সেটা বুঝতে পারেন। আর হ্যাঁ, আপনারা সজাগ সতর্ক থাকবেন বইকি, সঙ্গে খবরও রাখবেন, পারলে তারিখ দিয়ে দিয়ে লিখে রাখবেন।

    কিন্তু কানে কিছু শুনেই সেটা যাচাই না করে একদম বিশ্বাস করবেন না, আবার অবিশ্বাসও করবেন না।

    ইনফর্মেরশনটি মনে মনে রেখে দেবেন বা লিখে রেখে দেবেন। তারপর সেই ইনফর্মেরশনের স্বপক্ষে আরও কিছু খবর বা যুক্তি পেলে সেটাকে বিশ্বাস করতে চেষ্টা করবেন, আর বিপক্ষে কিছু পেলে অবিশ্বাস করতে চেষ্টা করবেন।

    ভাবছেন, যদি এর মধ্যে ইনফর্মেশন অনুযায়ী কিছু ঘটে যায়। অর্থাৎ ব্যাপারটা যদি ইমার্জেন্সি হয়, তাহলে?

    তখন হয় সেটাকে যাচাই করবার আপ্রাণ চেষ্টা করবেন বা কোনও বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেবেন।

    যেমন, শরীর খারাপ হলে আমরা ডাক্তারের (বিশেষজ্ঞ) কাছে যাই। টেস্ট (যাচাই) করাই।

    আপনারা জানেন যে, প্রতিটি বিষয়, ঘটনা, বস্তু, কথা – যাচাই করবার নিশ্চয়ই কিছু নিয়ম আছে। সেই নিয়ম আপনাকে শিখতে হবে। সেই নিয়ম এবং তার বাস্তব অভিজ্ঞতা আর অতীতে ঘটে যাওয়া ঘটনা – এইসমস্ত কিছু মিলিয়ে আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সেইজন্য ‘শেখা’ বলে একটা ব্যাপার আছে। শিক্ষা আর দীক্ষা। আগে পড়ে ও শিখে তারপর সেই সম্পর্কে একটা ধারণা তৈরি করে তারপর হাতেকলমে শেখা।

    কখনো যদি আপনারা কোনও IAS পাশ করা মানুষদের সঙ্গে আলাপ করবার সুযোগ পান, তাহলে একবার তাঁদেরকে জিজ্ঞাসা করবেন যে ঠিক কী কী ট্রেনিং তাঁদের দেওয়া হয়।

    কিন্তু নেহাৎ কৌতূহল থেকে যাচাই করবার জন্য (বিজ্ঞানী, গোয়েন্দা, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, উকিল, আই এ এস, চার্টার অ্যাকাউন্ট্যান্ট, এম বি এ, দার্শনিক, লেখক লেখিকা, গবেষক প্রমূখ তাদের স্ব স্ব ক্ষেত্র ছাড়া) সাধারণ মানুষের বিরত থাকা উচিৎ। তাতে নিজের মনের শান্তি বিঘ্নিত হবে না। সঙ্গে সঙ্গে সমাজ সংসারেরও শান্তি বজায় থাকবে।

    ভারতীয় দর্শনে ভুয়োদর্শী বলে একটা কথা আছে।

    ভুয়োদর্শন কাকে বলে?

    কোনও ব্যাক্তি বিষয় বা ক্ষেত্রে দীর্ঘকাল ধরে প্রচুর কাজ, পর্যবেক্ষণ বা গবেষণার মাধ্যমে অর্জিত প্রগাঢ় জ্ঞান, বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং কার্যকর অভিজ্ঞতার বিপুল সমন্বয়কে বোঝায়।

    সেইজন্য সমাজে ভুয়োদর্শী বা সত্যিকারের অভিজ্ঞ বয়স্ক মানুষদের কথা শোনবার একটা চল আছে। আবার সে বইগুলো আমরা পড়ি, সেটা যে ধরণের বা বিষয়েরই হোক, সেখানেও কিন্তু সেইসব স্ব স্ব ক্ষেত্রে বিখ্যাত মানুষদের অর্জিত অভিজ্ঞতার ভাণ্ডার রাখা আছে।

    ইতিহাস, অতীতের নানান ঘটনা, আবিষ্কার, ভ্রমণ, এক্সপ্লোরেশন, বিজ্ঞান – এইসবই কিন্তু মানুষের অর্জন। আর সেসব কিন্তু একদিনে হয় নি।

    তাই যেমন ঘুরে ঘুরে দেখতেও হবে, তেমনি প্রয়োজন মতো বইও পড়তে হবে।

    সব কিছু, সে পরিবার সংসার সমাজ থেকে রাষ্ট্র, মহাদেশ – সমস্ত খবর কি যাচাই করা সম্ভব?

    না।

    তাই মানুষ বহু খবর এড়িয়ে যান। তবে এলাকায় কোথায় কী হল, সেই মুখরোচক খবর হাওয়ায় ভেসে তিল থেকে তাল, তাল থেকে তালশাঁস, তালশাঁস থেকে বেতালশাঁস থেকে বেতাল থেকে বৈতালিক –এই আকারে ফুলে ফেঁপে উঠতে থাকে এই রটন্তী কুমার আর কুমারীদের জন্য।

    সেখানেও একই কথা। যাচাই না করে কিছু বিশ্বাস করবেন না, আবার অবিশ্বাসও করবেন না। বিজ্ঞান কিন্তু বহুবার যাচাই না করে কিছু বলে না।

    কিন্তু প্রশ্ন হল, আমরা বেশিরভাগ মানুষ বিশ্বাস করতে উন্মুখ হই কেন?

    (ক্রমশ)

    (পরের পর্ব অনিয়মিত হবে। আগেই মার্জনা চেয়ে নিচ্ছি)
     
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
    | |
  • আলোচনা | ১৯ এপ্রিল ২০২৬ | ৭৩ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খারাপ-ভাল প্রতিক্রিয়া দিন