পশ্চিমবঙ্গের একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সম্প্রতি একটি বক্তৃতায় বলেছেন — "Aryan Invasion Theory is a myth. কিছু মানুষ আমাদের পরাধীন করে শিখিয়ে দিয়ে গেছে, তোমরা সভ্য ছিলে না, বাইরে থেকে আর্যরা এসে তোমাদের শিক্ষিত করে চলে গেছে। কিন্তু আজ রাখিগড়ি সভ্যতার পর প্রমাণ হয়ে গেছে যে, Aryan Invasion Theory is a myth।" এর ঠিক পরেই Inscript একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে নিজেদের পোর্টালে, যেটা এই বক্তব্যটিকে মোটামুটি সমর্থন করে লেখা। প্রতিবেদনের শেষে লেখা, "শমীক ভট্টাচার্যের মতো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা মূলত এই বিজ্ঞানসম্মত সত্যটিকেই তাঁদের বক্তৃতায় তুলে ধরছেন — ভারতীয় সভ্যতার প্রাচীনত্ব, মৌলিকত্ব এবং গৌরবকে প্রমাণ করার জন্য।" এবং, "রাখিগড়ি আমাদের শিখিয়েছে, ভারতের ইতিহাস ধার করা কোনো ইতিহাস নয়; মাটির গভীরে লুকিয়ে থাকা আমাদের ইতিহাসটি অত্যন্ত শক্ত এবং সম্পূর্ণ নিজস্ব।"
কিন্তু বক্তব্যটি কি সত্যিই বিজ্ঞানসম্মত? রাখিগড়ির ডি-এন-এ এভিডেন্স কী ঠিক এইটাই বলে? অন্য কোথাও আর কী প্রমাণ আছে? ঐ ভাষণটি যেহেতু ছাত্রদের উদ্দেশ্যেই দেওয়া তাই বিজ্ঞান ঠিক কী বলে সেটা জানার প্রয়োজন আছে বৈকি। সেই আলোচনায় যাওয়ার আগে, প্রথমে একটু ছোটো করে বলে নিই, যে ডি-এন-এ ঠিক কীভাবে বিবর্তনের ইতিহাস বলে। আমি খুব সরল-তরল করে বলছি তাই কিছু 'রিগর' বাদ যাবে, পাঠক সেইটুকু ক্ষমা করে দেবেন আশা করি।
মোটামুটি ক্লাস নাইন-টেনের (নাকি আরও আগের?) জীবনবিজ্ঞানের বই থেকেই জানি যে ডিএনএ বাবা-মা থেকে সন্তানে যায়, এবং প্রতি প্রজন্মে ছোট ছোট পরিবর্তন (পোষাকী ভাষায় মিউটেশন) জমতে থাকে। ডি-এন-এ'কে যদি কল্পনা করা যায় একটা লম্বা অক্ষরের মালা হিসেবে, তবে মিউটেশন হল সেই মালার কোনো জায়গায় একটি অক্ষর হঠাৎ বদলে অন্য একটি হয়ে যাওয়া, এর মধ্যে কোনো মিউটেশন ভালো, কোনোটা খারাপ, আবার কোনোটা কিছুই বদলায় না।
সুদূর অতীতে, অর্থাৎ, যাকে আমরা প্রাগিতিহাস বলি, যখন মানুষ শিকার করে বাঁচত, হান্টার-গ্যাদারার ছিলাম আমরা, তখন একটা দল ক্রমশঃ বড় হয়ে গেলে, স্বাভাবিকভাবেই সেখানে ন্যাচারাল রিসোর্সের অভাব হবে, খাবারের জোগানে টান পড়বে। তখন, স্রেফ বাঁচার তাগিদেই তার একটা অংশ ভেঙে নতুন জায়গায় চলে যেত, অন্য একটি ভৌগোলিক অঞ্চলে, নতুন কলোনি তৈরি হতো সেখানে। সেই নতুন, ব্রেক-অ্যাওয়ে দলের সাথে পুরনো দলের আর যোগাযোগ থাকত না একসময়ে। এইভাবে আলাদা হয়ে যাওয়া দলগুলো নিজেদের মতো করে বিবর্তিত হতে থাকলে, এবং, দুটো জনগোষ্ঠী দীর্ঘদিন আলাদা থাকলে তাদের ডিএনএ, এই জমতে থাকা মিউটেশনের কারণেই, বিভিন্ন অংশে সূক্ষ্মভাবেই আলাদা হয়ে যায়। কিন্তু যারা একই পূর্বপুরুষ থেকে এসেছে তারা অন্যদের তুলনায় জিনগতভাবে কাছাকাছিই থাকে। আবার একাধিক জনগোষ্ঠী 'মিশলে', অর্থাৎ অ্যাডমিক্সচার হলে, সেই মিশ্রণের ছাপ থেকে যায় ডি-এন-এ'র মধ্যে, এবং বিজ্ঞানীরা সেই ছাপ পড়ে বলতে পারেন কে কার সাথে মিশেছে এবং, দীর্ঘ ইতিহাসের যাত্রাপথে তার সময়সূচি বা টাইমলাইন কেমন হতে পারে। এই পদ্ধতিতেই বহু দশক ধরে পপুলেশন জেনেটিসিস্ট-রা ভারতের শতাধিক জনগোষ্ঠীর ডিএনএ বিশ্লেষণ করেছেন। এঁদের মধ্যে অন্যতম ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউট ও ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োমেডিক্যাল জিনোমিক্সের বিজ্ঞানী পার্থপ্রতিম মজুমদার এবং তাঁর সহকর্মীরা। নিচের তথ্যসূত্রের তালিকায় ওদের দীর্ঘ কাজের মধ্যে থেকেই বাছাই করে কয়েকটি আলোচনা ও গবেষণাপত্রের হালহদিশ দেওয়া হল – ১, ২, ৩, ও ৫ নং সূত্র দেখুন।
প্রসঙ্গত, পপুলেশন জেনেটিক্স ছাড়াও সংস্কৃত ও ইন্দো-ইউরোপিয়ান ভাষাপরিবারের মিল থেকে যে লিঙ্গুইস্টিক এভিডেন্স পাওয়া যায়, সেই আলোচনা এই লেখার পরিসরে রাখছি না।
তো তাদের গবেষণা কী বলছে? ভারতে আধুনিক মানুষ প্রথম এসেছিল অন্তত ৫০,০০০ বছর আগে, আফ্রিকা থেকে। সাঁওতাল, গন্ড, ইরুলা, আন্দামানিজরা সেই আদি মানুষদের সবচেয়ে প্রত্যক্ষ বংশধর (ঠিক করে লিখতে গেলে, এই জনগোষ্ঠীগুলির মধ্যে প্রাচীন দক্ষিণ এশীয় ancestry-এর তুলনামূলকভাবে বেশি ছাপ দেখা যায়)। পরে আরও মাইগ্রেশন হয়েছে। বসু, সরকার-রায় ও মজুমদার (PNAS, ২০১৬) দেখিয়েছেন যে ভারতের মেইনল্যান্ডের মানুষদের জিনোমে অন্তত চারটি আলাদা অ্যান্সেস্ট্রাল কম্পোনেন্ট আছে — Ancestral North Indian (ANI), Ancestral South Indian (ASI), Ancestral Austro-Asiatic (AAA), এবং Ancestral Tibeto-Burman (ATB)। এই ANI কম্পোনেন্টের শিকড় সেন্ট্রাল এশিয়ায়। সেন্ট্রাল এশিয়া থেকে মাইগ্রেশনের প্রমাণ নিয়ে অধ্যাপক মজুমদার (Current Science, ২০১৮) স্পষ্ট লিখেছেন, “Genetic evidence is unequivocal that there was significant migration from central Asia into India."


অর্থাৎ, সেন্ট্রাল এশিয়া থেকে ভারতে উল্লেখযোগ্য মাইগ্রেশন হয়েছে — এটা জিনগত প্রমাণে নিঃসন্দেহ। এছাড়াও বসু এট অল (২০১৬) হ্যাপলোটাইপ ব্লকের দৈর্ঘ্য বিশ্লেষণ করে দেখিয়েছেন যে স্ট্রিক্ট এন্ডোগ্যামি (অর্থাৎ নিজ নিজ জাতি বা গোষ্ঠীর মধ্যে বিবাহ) তীব্র আকার ধারণ করেছে মাত্র ১,৫০০ বছর আগে, গুপ্ত সাম্রাজ্যের সময়ে। এটাও উল্লেখযোগ্য কারণ এর থেকে সিদ্ধান্তে পৌঁছনো যেতে পারে যে জাতপাত একটি অপেক্ষাকৃত সাম্প্রতিক সামাজিক প্রক্রিয়া, সম্ভবত রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় চাপানো হয়েছিল।
এবার দেখা যাক রাখিগড়ি কী বলছে। ২০১৯ সালে শিণ্ডে, রাই, রাইখ এট অল (Cell) রাখিগড়ির একটি কঙ্কালের অ্যান্সিয়েন্ট ডিএনএ বা aDNA বিশ্লেষণ করে দেখালেন:
"The population has no detectable ancestry from Steppe pastoralists or from Anatolian and Iranian farmers, suggesting farming in South Asia arose from local foragers rather than from large-scale migration from the West."
অর্থাৎ, সিন্ধু সভ্যতা অথবা ইণ্ডাস ভ্যালি সিভিলাইজেশনের মানুষরা সেন্ট্রাল এশিয়া থেকে আসেননি, তাঁরা ছিলেন উপমহাদেশের নিজস্ব মানুষ। এটা সন্দেহাতীতভাবেই গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার।
এখানে স্ট্যাটিস্টিক্সের ছাত্র হিসেবে একটা কথা বলা দরকার। শিন্ডে এট অল-দের পেপারে n = 1, অর্থাৎ, একটিই কঙ্কালের aDNA, এর কারণ, আমাদের দেশের গরম আর্দ্র আবহাওয়ায় প্রাগৈতিহাসিক ডিএনএ সংরক্ষিত থাকা দুষ্কর - প্রায় অসম্ভব। রাখিগড়ির ৬১টি কঙ্কাল পরীক্ষা করে মাত্র একটি কঙ্কাল থেকে ব্যবহারযোগ্য aDNA পাওয়া গেছিল। Inscript-এর প্রতিবেদন এইটুকু ঠিক-ই লিখেছে, যদিও তারপর সিদ্ধান্তের জায়গায় এসে সেটা থেকে কিছুটা হলেও স্ববিরোধ করে ফেলেছেন, অন্তত আমার তাই মনে হয়েছে পড়ে। প্রতিবেদনে লেখা আছে: "যদিও বিজ্ঞানীরা মনে করেন যে একটিমাত্র নমুনার উপর ভিত্তি করে পুরো সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন এবং স্তেপ অঞ্চলের মানুষের আগমন হয়তো হরপ্পা সভ্যতার পতনের পর ঘটেছিল।"
ঐ "যদিও"টা দরকারি। কারণ রাখিগড়ির ওই মানুষটির ডিএনএ-তে স্তেপের ছাপ নেই, কিন্তু আজকের অনেক ভারতীয় জনগোষ্ঠীর ডিএনএ-তে ১০% থেকে ২০% পর্যন্ত স্তেপের চিহ্ন। এই জিনগত সাদৃশ্য তবে কোথা থেকে এল? নরসিমহান এট অল (Science, ২০১৯) ৫২৩টি প্রাচীন কঙ্কাল বিশ্লেষণ করে দেখিয়েছেন:
"Steppe ancestry then integrated further south in the first half of the second millennium BCE, contributing up to 30% of the ancestry of modern groups in South Asia."
অর্থাৎ, স্তেপের মানুষরা সিন্ধু সভ্যতা তৈরি করেননি, কিন্তু সেই সভ্যতার পতনের পরে এসে এখানকার মানুষদের সাথে মিশে গেছেন। রাখিগড়ির ফলাফল এই মডেলের সাথে মিলে যায়, এই দুয়ের মধ্যে বৈপরীত্য নেই।
তাহলে ভুল কোথায়?এইখানেই সত্য আর অর্ধসত্যর মধ্যে সূক্ষ্ম তফাত। একটু ভালো করে বুঝতে হবে।
প্রথমত, "Aryan Invasion”-এর ধারণা সত্যিই মিথ, এবং রাখিগড়ির আগেই প্রত্নতাত্ত্বিকরা এটা বাতিল করেছেন। এই অব্দি ঠিক আছে।
কিন্তু "Invasion" আর "Migration" এক কথা নয়। ধীরে ধীরে একদল মানুষ আসতে পারে, মিশতে পারে, ভাষা ও সংস্কৃতি ছড়িয়ে দিতে পারে, সেই প্রক্রিয়াকে ‘ইনভেশন’ বলে না। রাখিগড়ির পেপারের কো-অথর নিরাজ রাই (৮) বলেছিলেনঃ
"There is a difference between migration and movement. There was certainly some mixing and assimilation, but we can't call that an invasion."
রাখিগড়ি ইনভেশন থিওরি খণ্ডন করে, ঠিক-ই, মাইগ্রেশন থিওরি নয়। না বুঝে এই দুটোকে এক করে ফেলাটাই শমীকবাবুর, এবং Inscript প্রতিবেদনের মূল সমস্যা। এখানে অধ্যাপক মজুমদারের একটা সতর্কবার্তা মনে রাখা দরকার। তিনি লিখেছেন:
"Such empirical data do not 'prove' anything; such data can only support a model or a hypothesis more strongly than competing ones."
অর্থাৎ, এই ধরণের ব্যাখ্যায় আমরা এইটুকু বলতে পারি যে এখনো অব্দি যা পাওয়া গেছে তাতে তথ্য-উপাত্ত একটা মডেলকে অন্যটার চেয়ে বেশি সমর্থন করে মাত্র। "প্রমাণ হয়ে গেছে" বলার সময় এইটে মনে রাখা দরকার। তিনি আরও বলেছেন: "Overall, therefore, undoubtedly there are uncertainties in population genetic inferences. This is true of all empirical sciences. At least there are well-defined frameworks and methodologies of inference in population genetics, which is possibly the most quantitative of all biological sciences." -- অর্থাৎ, অনিশ্চয়তা আছে, বিজ্ঞানের যেসব শাখা পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার উপির দাঁড়িয়ে তাতে থাকবেই। তবু, তার মধ্যেও, নির্দিষ্ট কাঠামো আছে - সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর রাস্তাটিও পাকা, আর পপুলেশন জেনেটিক্স একটি এমন শাখা যেখানে এই পদ্ধতি ও যুক্তিক্রম স্পষ্ট।
আমরা তবে কোথা হতে এসেছি? এর উত্তর এক বাক্যে সম্ভব না। ঐ কারেন্ট সায়েন্সের আর্টিকল থেকেই আরেকটি লাইন কোট না করে পারছি না, "In view of the process of evolution of populations, diversity within an ancestral population and other considerations, there is really no ‘true’ ancestor; not even conceptually."। তবুও, সহজে বলতে গেলে, আজকের ভারতীয়রা (এবং, বাঙালিরাও) একাধিক অ্যান্সেস্ট্রাল পপুলেশনের মিশ্রণ: ৫০,০০০ বছরের পুরনো আদি দক্ষিণ এশীয় মানুষ, ইণ্ডাস ভ্যালির মানুষ, এবং হ্যাঁ, সেন্ট্রাল এশিয়া থেকে আসা মানুষও।
আর শেষে যেটা বলা দরকারি, সেটা এই যে, এনশিয়েন্ট ডি-এন-এ এভিডেন্স বা পপুলেশন জেনেটিক্স প্রায় কোথাও বিশুদ্ধতার গল্প বলেনি, বলেও না, বরং বৈচিত্র্যের গল্প বলে। এই বৈচিত্র্যই ভারতীয় সভ্যতার ইতিহাসে গর্বের জায়গা। শুধু তাই নয়, পপুলেশন ডাইভার্সিটি আছে বলেই বেঁচেবর্তে আছি - "বিশুদ্ধ" হলে ফৌত হয়ে যেতাম কী না সে গ্যারান্টি নাই। আর, হ্যাঁ, ইতিহাস সবসময়ই রাজনৈতিক হাতিয়ার - সন্দেহ নেই। কিন্তু সেই প্রক্রিয়ায় বিজ্ঞানকে ব্যবহার করতে গেলে অন্তত বৈজ্ঞানিক তথ্যের সঠিক প্রয়োগ ও বিশ্লেষণ জরুরি।
তথ্যসূত্র
১) Roychoudhury, S., Roy, S., Dey, B., et al. (2000). Fundamental genomic unity of ethnic India is revealed by analysis of mitochondrial DNA.
Current Science, 79(9), 1182–1192.
https://www.jstor.org/stable/pdf/24105269.pdf২) Majumder, P. P. (2010). The human genetic history of South Asia.
Current Biology, 20(4), R184–R187.
https://www.sciencedirect.com/science/article/pii/S0960982209020685৩) Basu, A., Sarkar-Roy, N., and Majumder, P. P. (2016). Genomic reconstruction of the history of extant populations of India reveals five distinct ancestral components and a complex structure.
PNAS, 113(6), 1594–1599.
https://www.pnas.org/doi/10.1073/pnas.1513197113৪) Reich, D., Thangaraj, K., Patterson, N., Price, A. L., and Singh, L. (2009). Reconstructing Indian population history.
Nature, 461, 489–495.
https://www.nature.com/articles/nature08365৫) Majumder, P. P. (2018). Understanding the Aryan debate: population genetic concepts and frameworks.
Current Science, 114(5), 971–975.
https://www.currentscience.ac.in/Volumes/114/05/0971.pdf৬) Shinde, V., Narasimhan, V. M., Rohland, N., Patterson, N., Rai, N., Reich, D., et al. (2019). An ancient Harappan genome lacks ancestry from Steppe pastoralists or Iranian farmers.
Cell, 179(3), 729–735.
https://www.sciencedirect.com/science/article/pii/S0092867419309675৭) Narasimhan, V. M., Patterson, N., Moorjani, P., Reich, D., et al. (2019). The formation of human populations in South and Central Asia.
Science, 365(6457), eaat7487.
https://www.science.org/doi/10.1126/science.aat7487৮) 2500 BC Rakhigarhi skeletons have no traces of ‘Aryan gene’, finds DNA study
https://theprint.in/india/aryan-invasion-theory-gets-a-setback-from-dna-study-of-2500-bc-rakhigarhi-skeletons/287454/
পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।