এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • জমা খরচ

    সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়
    ০৮ জুলাই ২০২৬ | ৯৮ বার পঠিত
  • তাহলে সব মিলিয়ে কী দাঁড়াল? তেমন কিছু না, ন্যায়বিচারের পরাকাষ্ঠা চলছে। যখন বিরোধীদের উপর ডিম ছোঁড়া হয়, ইট ছোঁড়া হয়, পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী দাঁড়িয়ে দেখে। ন্যায়বিচার। যখন দিনের আলোয় বিরোধীদের কোমরে দড়ি দিয়ে ঘোরানো হয়, তখন পুলিশ শুধু দর্শক না, পুলিশই সেই কাজ করে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাহারায়। ন্যায়বিচার। এই লেখা যখন লিখছি, ঠিক সেই মুহূর্তে ভিডিওতে দেখছি, কালীঘাটে তৃণমূলের মিছিলের আগে তৃণমূল কর্মীদের ফেলে ঠ্যাঙানো হচ্ছে। পুলিশ দর্শক। ন্যায়বিচার।

    যখন একের পর এক নারীনির্যাতনের ঘটনা সামনে আসে, তখন পুলিশের টিকি দেখা যায়না। এই মুহূর্তে সোদপুরের একটা ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যেখানে প্রকাশ্যে এক নারীকে ছুরি মারা হচ্ছে। পুলিশ কোথায় ঘুমোচ্ছে কেউ জানেনা। বারুইপুরে যখন মেয়েটি খুন হয়ে গিয়েছিল, একদিন পুলিশ কোথায় ছিল কেউ জানেনা। স্থানীয় লোকেরা সিসিটিভি দেখে সম্ভাব্য অপরাধীদের চিহ্নিত করেন, ধরেন, গণবিক্ষোভ শুরু হয়। প্রকাশ্যে এক অভিযুক্তকে দেখা যায় বেশ কিছু নাম ফাঁস করে দিচ্ছেন।

    যেই না এইসব বেফাঁস কথা, তারপরই পুলিশ ন্যায়বিচার দিতে উঠে পড়ে লাগে। দিনের বেলা যারা কোমরে দড়ি দিয়ে ঘোরাতে পারে, তারা ক্রাইম সিনে রাত একটায় নিয়ে যায়, যিনি ফাঁস করে দিচ্ছিলেন, তাঁকে। ক্রাইম সিন রিকনস্ট্রাকশানের কোনো ভিডিও এখনও দেখা যায়নি। যাবেই বা কীকরে, অন্ধকারে তো ভিডিও ওঠেনা। কিন্তু রাত একটায় ক্রাইম সিন রিকনস্ট্রাক্ট করা যায়। তারপর সেই অভিযুক্ত নাকি পুলিশের অস্ত্র কেড়ে পালাতে যায়। তখন গুলি। পৃথিবীর বুকে ন্যায়বিচার নেমে আসে। আর কোনো বেফাঁস কথা, বেফাঁস নাম উঠে আসবেনা।

    ভিডিওতে প্রভাস নিজেকে নির্দোষ বলছিলেন। প্রত‍্যক্ষদর্শী বসেছিলেন। তাঁকে ভয় দেখানো হয়েছে বলছিলেন। কারা ওই জঘন্য কাজ করেছে তাদের নাম বলছিলেন। প্রভাস সত‍্যি বলছিলেন না মিথ‍্যে বলছিলেন, জানার আর কোনো উপায় নেই। আমার ধারণা ছিল প্রভাস রাজসাক্ষী হবেন। হয়তো ভুল ধারণা। তাও জানার কোনো উপায় নেই। কিন্তু যেটা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, সেটা হল, মোট চারটি অস্বাভাবিক মৃত‍্যু ঘটে গেল এই ঘটনায়। একই পুকুর থেকে দুটি লাশ। একটি গণপিটুনি। একটি পুলিশের গুলিতে মৃত। সঙ্গে পুলিশের বিরুদ্ধে আসামীদের ছেড়ে দেবার অভিযোগ। বিজেপি নেতার নাম জড়িয়ে যাওয়া। তিনিও নাকি আটক। সব মিলিয়ে অজস্র প্রশ্নের জন্ম হল শুধু।

    ন্যাবিচারের অবশ্য এখানেই শেষ নয়, এরপর মানবাধিকার কর্মীরা এই তথাকথিত 'এনকাউন্টার'এর বিরুদ্ধে মিছিল করতে গেলে আটকে দেওয়া হয়। নানা জায়গায় আটকানো হচ্ছে। তৃণমূলের মিছিলের উপর ঘটমান হামলা তো এই মুহূর্তেও বোধহয় চলছে। সবই দুর্ধর্ষ চলছে। বাংলার বুকে একদম ইউপি নেমে এসেছে। খালি প্রশ্ন একটাই, এই যে একটা পোড়া পোড়া গন্ধ বেরোচ্ছে, এটাকে আর কী করলে চেপে রাখা যাবে? ন্যায়বিচারের মৃতদেহের উপর পারফিউম ছড়িয়ে কতদিন আর গন্ধ আটকে রাখা যায়? “খরচা” শব্দটা কয়েকদিন ধরেই শুনছি। ময়ূখরঞ্জন ফেসবুক পোস্টে লিখেছিলেন। কাদের স্বার্থে খরচা হল, কাদের স্বার্থে খরচা হয়, প্রশ্ন এইটাই।

    এই প্রশ্নগুলো জরুরি। এবং দাবী খুব পরিষ্কার। কোনো গণবিচার চাইনা। কোনো খাপ পঞ্চায়েত চাইনা। সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে শাস্তি চাই। যারা খুন-ধর্ষণ করেছে এবং যারা বেআইনী হত্যায় জড়িত, সক্কলের।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • দীপ | ০৯ জুলাই ২০২৬ ১৬:০৪741666
  • আলোচনা করলেন প্রাক্তন পুলিশ আধিকারিক কালিদাস ঘোষ মহাশয়।
     
    "প্রথমে ভেবেছিলাম যে, এনকাউন্টার নিয়ে কোন পোষ্ট করবো না, কারণ এতে কারো কারো গোঁসা হতে পারে | কিন্তু পরে দেখলাম মুখ বন্ধ করে রাখা মানে ঘটনাকে সমর্থন করা | তাই আজকের পোষ্টে চেষ্টা করবো একজন অবসরপ্রাপ্ত পুলিস অফিসার হিসাবে ঘটনার বিশ্লেষন করার |
    বারুইপুরে এক ১২ বছরের কিশোরীকে ধর্ষন ও খুনের ঘটনায় পুলিস তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছিল | এই তিনজনের মধ্যে একজন ছিল প্রভাস মন্ডল নামে এক যুবক | প্রভাস মন্ডল আদালতের নির্দেশে পুলিস হেপাজতে ছিল | Crime reconstruction করার জন্যে গত মঙ্গলবার রাত পৌনে একটার সময় পাঁচজন পুলিস অফিসার প্রভাস মন্ডলকে নিয়ে সেই জলাশয়ের কাছে যায় যেখান থেকে কিশোরীর বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধার হয়েছিল | সেখানে পৌছনোর পর প্রভাস মন্ডল হঠাৎই এক পুলিস অফিসারের রিভলবর ছিনতাই করে গুলি চালিয়ে পালাবার চেষ্টা করে | তখন অপর একজন অফিসার দুই রাউন্ড গুলি চালালে প্রভাস গুলিবিদ্ধ হয়ে পড়ে যায় | রাত সাড়ে তিনটার সময় প্রভাসকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষনা করে | এই হচ্ছে সংক্ষেপে ঘটনা |
    ঘটনার বিবরণ পড়ে একজন প্রাক্তন পুলিস অফিসার হিসাবে আমার মনে যে প্রশ্নগুলো উঠেছে সেইগুলো নিচে লেখার চেষ্টা করলাম | প্রথমেই যে কথাটি সবাইকে স্মরন করিয়ে দেবার প্রয়োজন আছে বলে মনে করি তা হলো পুলিস কাউকে গ্রেপ্তার করা মানেই সেই ব্যক্তি অপরাধী হয়ে যায় না | যতক্ষন পর্যন্ত না আদালত কোন অভিযুক্তকে অপরাধী বলে রায় দিচ্ছে ততক্ষণ সে নিরপারাধী |পুলিসের কাজ তদন্ত করা, বিচার করা নয় | সুতরাং প্রভাস মন্ডলকেও এই ক্ষেত্রে অভিযুক্ত ছাড়া আর কিছু বলা যাবে না | ভারতের আইন অনুযায়ী কোন অভিযুক্ত পুলিসের কাছে যতোই স্বীকারোক্তি করুক না কেন আইনে তার কানাকড়িও মূল্য নেই | সুতরাং এই ক্ষেত্রে ধরে নিতে হবে যে প্রভাস মন্ডল একজন অভিযুক্ত ছাড়া আর কিছু নয় | এবার আসি ঘটনার বিশ্লেষণে |
    প্রথমত, যে কোন Crime reconstruction বা অপরাধের পুনর্ঘটনের সময় সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটা ভিডিওগ্রাফি করে রাখতে হয় যা Exhibit বা প্রামন্য নথি হিসাবে কোর্টে পেশ করতে হয় | এই ক্ষেত্রে পুলিসের সাথে ভিডিওগ্রাফি টিম ছিল কি ?
    দ্বিতীয়ত রাতের অন্ধকারে ভিডিওগ্রাফি করা কি সম্ভব ?
    তৃতীয়ত, পুলিস অভিযুক্ত প্রভাস মন্ডলকে নিয়ে রাত পৌনে একটার সময় থানা থেকে ঘটনাস্হলের দিকে যাত্রা করে | রাত সাড়ে তিনটার সময় গুলিবিদ্ধ অবস্হায় প্রভাসকে নিয়ে পুলিস পার্টি হাসপাতালে পৌছায় | এই দুই ঘন্টা পনেরো মিনিট পুলিস যা করেছে তার ভিডিও কী পুলিসের কাছে আছে ?
    চতুর্থত, অপরাধের পুনর্ঘটনের সময় দুইজন স্হানীয় ব্যক্তিকে স্বাক্ষী হিসাবে ঘটনাস্হলে রাখতে হয় | যারা পুলিসের তৈরি করা Crime reconstruction রিপোর্টে সহি করেন এবং কোর্টে শুনানির সময় তাদের স্বাক্ষ্য দিতে হয় | এই ক্ষেত্রে কোন স্হানীয় ব্যক্তিকে স্বাক্ষী হিসাবে রাখা হয় নি কেন ?
    পঞ্চমত, যদি থানা থেকে ঘটনাস্হলে পৌছনো এবং সেখান থেকে হাসপাতালে পৌছনোর জন্যে দেড় ঘন্টা সময় বাদ দিই তাহলে বাকি ৪৫ মিনিট ধরে পুলিস কী করেছিল ? এই ৪৫ নিনিটের ভিডিওগ্রাফি কি পুলিসের কাছে আছে ?
    ষষ্ঠত, অফিসারদের রিভলবর সবসময় একটা কর্ডের (লেন্ ইয়ার্ড) সাহায্যে এমনভাবে কাঁধের সাথে বাঁধা থাকে যেখান থেকে কারো পক্ষে রিভলবর ছিনতাই করা একেবারে অসম্ভব | এই ক্ষেত্রে প্রভাস কী করে রিভলবর ছিনতাই করলো ? তবে কি অফিসার ইচ্ছাকৃত ভাবেই লেন ইয়ার্ড ব্যবহার করে নি ?
    সপ্তমত, ঘটনাস্হল হিসাবে যে জায়গা টাকে চিহ্নিত করা হয়েছে সেটা একটা ঝোপঝাড় বেষ্ঠিত কর্দমাক্ত জায়গা | প্রভাস মন্ডলের মতো একজন মাদকাসক্ত ব্যক্তির পক্ষে ঝোপঝাড় পেরিয়ে কর্দমাক্ত জলা জমির উপর দিয়ে অন্ধকারের মধ্যে ছুটে পালানো সম্ভব ?
    অষ্টমত, বলা হচ্ছে মোট তিন রাউন্ড গুলি চলেছিল | অথচ আশে পাশের কেউ গুলির শব্দ বা পুলিসের উপস্হিতি টের পেল না কেন ?
    নবমত, পুলিসের মতে যেটা সিন্ অফ ক্রাইম বা ঘটনাস্হল সেটা পুলিসের নজরদারিতে রাখা হলো না কেন ?
    দশমত, গ্যাং রেপ্ ও মার্ডারের মতো একটা ঘৃণ্য অপরাধের সাথে যুক্ত অভিযুক্তকে রাতের অন্ধকারে নিয়ে যাওয়া হলো অভিযুক্তের হাতে হ্যান্ডকাফ্ ও মাজায় দড়ি ছাড়া | এই গাফিলতি কি ইচ্ছাকৃত ?
    একাদশতম, সমাজ মাধ্যমে একটা ভিডিও প্রচারিত হয়েছে যেখানে দুইজন অভিযুক্তের মধ্যে বদানুবাদ হতে শোনা গেছে | এই বাদানুবাদের সময় প্রভাস রাজা নামে এক ব্যক্তির নাম বলেছিল | সেই রাজা কি গ্রেপ্তার হয়েছে ?
    দ্বাদশতম, যে প্রভাসকে শান্তনু মন্ডল নামে এক বিজেপি নেতা তার বাড়ি থেকে একা ধরে নিয়ে এল, কোন রকম ভাবে প্রভাস পালাবার চেষ্টা করলো না সেই প্রভাস পুলিসের রিভলবর ছিনতাই করে এক রাউন্ড গুলি চালিয়ে পালানোর চেষ্টা করলো এটা কি বিশ্বাসযোগ্য ?
     
    সর্বশেষে, প্রভাসকে বারবার নিজেকে নির্দোষ বলতে শোনা গেছে, অথচ সে ঘটনার সাথে যুক্তদের পরিচয় জানতো | তাই প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করার জন্যে প্রভাসকে সরিয়ে দেওয়া হলো না তো ?
    এই এনকাউন্টারের মধ্যে যে অনেক ফাঁক ফোঁকর আছে তা সহজেই বুঝতে পারা যায় | পিএম রিপোর্ট সামনে এলে আরো পরিস্কার হবে ব্যাপারটা |
     
    কালিদাস ঘোষ
    জলপাইগুড়ী
    ০৯.০৭.২০২৬
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লাজুক না হয়ে মতামত দিন