সরগমের সাতসুরের কথা মাথায় রেখে সাতটি গল্পের ডালি। ... ...
বিশ্ব নাট্য দিবসকে সামনে রেখে এই নাটকটি লেখা। এখানেও মূল চরিত্ররা না মানুষী। ঈশপের গল্পের চরিত্ররা ছিল না মানুষ। তারাই গল্পের জাল বিছিয়ে দিয়ে আমাদের কৈশোরক মন জমিনের দখল নিয়েছিল। আমাদের পঞ্চতন্ত্রের কাহিনিতেও না মানুষীদের দাপাদাপি। গুরুর পাতায় লেখা আমার সাম্প্রতিক দুটি নাটিকাতেও সারমেয় আর উল্লুকদের কথোপকথন রয়েছে। দুই জাতশত্রু মার্জার এবং মুষিক এই নাটকের মুখ্য চরিত্র , ঠিক যেন টম অ্যান্ড জেরি । মতামত জানান। ওদের উৎসাহ দিন। ... ...
থোকায় থোকায় জ্বলতে থাকা জোনাই বা জোনাকির দেখা পাওয়া সত্যিই এক বিরল অভিজ্ঞতা। শহর প্রান্তিক এলাকার আবাসিক হবার কারণে এখনও এইসব প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপার আনন্দ লাভের সুযোগ ঘটে যায়। এখনও মাঝে মাঝেই নিশুতি রাতের আঁধার চিরে আমার মশারির ওপর নেমে আসে এই আলোকবর্তিকাবাহী পতঙ্গেরা । তখন এক আশ্চর্য তৃপ্তি ও আনন্দের স্রোত বয়ে যায় শরীরে ও মনে। আপনাদের অভিজ্ঞতা শোনার জন্য কান পেতে রইলাম। ... ...
দারিদ্র্য দহন ও দূষণ পরস্পর পরস্পরের সঙ্গে আন্তর্সম্পর্কিত। ভোগবাদী সমাজে দারিদ্র্যের হার বাড়ছে দ্রুত গতিতে। এই অসমতার বিষয়টি অনপনেয়। খেটে খাওয়া মানুষের কাছে কোনো রকমে সংসার প্রতিপালন করাটাই এখন কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে উঠেছে। এই অবস্থায় পরিবেশের শুদ্ধতার বিষয়টি একটি নির্মম পরিহাস। বিশ্ব উষ্ণায়ন, জলবায়ুর পরিবর্তন এইসব মানুষের জীবনের ওপর গভীর ছাপ ফেলছে। সব নিয়মকে সরিয়ে এইসব মানুষেরা বাধ্য হচ্ছে এক বিষময় পরিস্থিতিকে বরণ করে নিতে। এই নিবন্ধটি সেই বিষয়ে কিঞ্চিত আলোকপাতের প্রচেষ্টা মাত্র। ... ...
আমাকে যদি জিজ্ঞেস করা হয় যে লেখালেখির জন্য আপনার সবচেয়ে প্রিয় বিষয় কী? আমি একবাক্যে স্বীকার করে নেব মানুষ হলো আমার সবথেকে প্রিয়। মানুষের মনোজমিন ঠিকঠাক আবাদ করলে সত্যিই সোনা ফলবে। এমনই কিছু মানুষের কথা নিয়েই আমার এবারের লেখালেখি । ... ...
হায়দ্রাবাদ নিয়ে ধারাবাহিক লেখার আজই অন্তিম পর্ব। এতটা পথ অতিক্রম করতে পারবো বলে শুরুতে কখনও মনে হয়নি। তবে ধীরে ধীরে ডানা মেলে উড়ানের পর্ব শুরু করতেই ডানায় ভর করে অনেকটা পথ পাড়ি দিয়ে এলাম। লেখাটা লিখতে পেরে বেশ ভালো লেগেছে। এখন পাঠকদের নেক নজর পড়লে তবেই স্বস্তি পাবো। মনে রাখবেন এখানে হায়দ্রাবাদ একটি প্রতীক। তার আয়নায় অন্যদের দেখার আয়োজন। ... ...
হায়দ্রাবাদ নিয়ে তৃতীয় পর্ব লিখতে বসে বেশ উত্তেজনা বোধ করছি । হায়দ্রাবাদের নগর পরিসর যত বাড়ছে ততই বাড়ছে তার পরিবেশের অবনমনের আশঙ্কা। এই মুহূর্তে এই বিষয়ে হায়দ্রাবাদের আম আদমি খুব একটা চিন্তিত বলে মনে হয়নি। সবটাই তাঁদের কাছে খুব স্বাভাবিক ব্যাপার বলেই মনে হচ্ছে। কিন্তু এই অবস্থা খুব বেশিদিন স্থায়ী হবেনা। তখনই শুরু হবে আসল লড়াই। ... ...
ইচ্ছে ছিলো জমিয়ে একটা ভ্রমণ কাহিনি লিখবো কিন্তু কলম চলল একেবারে উল্টো পথে। পরিবেশ নিয়ে লেখালেখির একটা মজা যেমন আছে, তেমনি আছে যন্ত্রণা। এই মুহূর্তে সেই মনখারাপি বিষয়গুলো আমাকে ছুঁয়ে যাচ্ছে শুধু নয়, এক গভীর শূন্যতার অনুভূতি মনটাকে বিদ্ধ করছে তীক্ষ্ণ শরের মতো। শহরের এই ইতিকথা সব শহরের ক্ষেত্রেই সমান ভাবে প্রযোজ্য, সমান প্রাসঙ্গিক। পড়ুন, মতামত দিন মনখুলে। ... ...
হায়দ্রাবাদের কথা নিয়ে আরও একবার হাজির হলাম। আমার মনে হয়েছে যে হায়দ্রাবাদের সমস্যা নিছকই সেই নগরীর সমস্যা নয়, দেশের যেকোনো প্রান্তে থাকা উদীয়মান নগরীর সমস্যা। ঝা চকচকে নগরীর আড়ালে লুকিয়ে আছে অনেক অনেক কান্না, অনেক অন্ধকার, অনেক অনেক হারানোর আকুল আর্তি। এই পর্বের লেখাটিও এক আত্মার অনুসন্ধান -- নগরীর অন্দরমহলের কথা। ... ...
কথায় বলে ঢেঁকি স্বর্গে গেলেও নাকি ধান ভাঙে, আমারও বুঝিবা তেমনই দশা। বেড়াতে গিয়ে লোকজন কী করে? খায় দায় স্ফূর্তি করে। এভাবেই দিন কয়েক কাটাবো বলেই সপরিবারে গিয়েছিলাম সাবেক নিজামের খাসমহলে। সেখানে গিয়ে তার হৃদয়ের চাপা বিপর্যয়ের কথা নিয়েই ভাবতে শুরু করে দিলাম। এই লেখা তারই ফল। লেখাটি আমার প্রিয় ছাত্র পরাশর পালও তাঁর সহধর্মিণী অর্পিতাকে উৎসর্গ করলাম। পড়ে মতামত দিন হাতখুলে। ... ...