গোটা দুনিয়ায় এখনও বিপুল সংখ্যক শিশু কিশোরের কাছে স্কুল নামক সামাজিক প্রতিষ্ঠানটি বিলকুল অধরা রয়ে গেছে। যাদের কোনো রকমে একবার টেনেটুনে বিদ্যালয়ের দরজা পর্যন্ত আনা সম্ভব হলো তাদের অনেকেই মাঝপথে চলে যায়, ভবিষ্যৎ এগোবে কি করে? যতোদিন না আমাদের সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক পরিমণ্ডলের পরিবর্তন ঘটছে ততদিন এই ইনক্লুসিভ এডুকেশনের ভাবনার বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। ... ...
আসলে এই চলচ্চিত্রের মাধ্যমে পরিচালক,প্রযোজক, শিল্পী কলাকুশলীরা একটা গভীর সত্যকে তুলে ধরেছেন আমাদের সকলের কাছে – মানুষের লোভ আজ আমাদের মনুষ্যত্বকে ছাপিয়ে যাচ্ছে অবলীলাক্রমে। এই চলচ্চিত্র আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে কীভাবে অনিয়ন্ত্রিত লোভ আর মুনাফা অর্জনের তাগিদ তিল তিল করে মানুষের মানবিক সম্পর্কের সূক্ষ্ম দিকগুলোকে নষ্ট করে ফেলেছে, কীভাবে আমরা সমস্ত নীতি নৈতিকতা আর মানুষী অনুভূতিগুলোকে হেলায় দূরে সরিয়ে রেখে ব্যক্তিগত স্বার্থকে প্রাধান্য দিচ্ছি। ... ...
আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় পুঁজির বিনিয়োগ বাড়ছে। সরকার হাত তুলে দিয়েছে, আর সেই ফাঁক দিয়ে অবাধে ঢুকছে অসরকারি মূলধন। এর কারণে আমাদের দুখিনী সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে নব্য পঠনপাঠন ব্যবস্থার ব্যবধান বাড়ছে, বাড়ছে এক দুর্লঙ্ঘ্য ব্যবধান। ফারাক আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে শিক্ষার উপকরণ হিসেবে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির যথেচ্ছ ব্যবহার। আমাদের এই সময়ের শিক্ষা নিয়ে কিছু কথা পড়ুন ও পড়ান। মতামত দিন। ... ...
সামসুর ভাইয়ের সঙ্গে আমার পরিচয় ফেলে আসা মহামারীর সময় থেকে। সামসুর ভাই আমাদের প্রতিদিনের সব্জির জোগানদার। প্রতিদিন সাতসকালে ভ্যান রিক্সায় টাটকা সব্জির পশরা সাজিয়ে সে এসে হাজির হয় আমার বাড়িতে। কেনা কাটার ফাঁকে ফাঁকে তার সঙ্গে গপ্পো চলে মাঝে মাঝে। এই অমূল্য কথোপকথনের সূত্র ধরেই আমার জানা হয়ে যায় এই সময়ের কৃষির টুকিটাকি নানান খবর। সে তার অভিজ্ঞতার ঝুলি মেলে ধরে আমার সামনে। আমি তা থেকে বিবিধ রতন সংগ্রহ করে নিই। কৃষি নিয়ে আমার কেতাবি জ্ঞানের ওপর সামসুর ভাইয়ের হাতেকলমে শেখা অভিজ্ঞতার পলি এসে জমা হয়। এই প্রবন্ধে তারই আলোচনা। ... ...
....আমাদের কারো মুখে কোনো কথা নেই। অপলক দৃষ্টিতে ঘাড় উঁচিয়ে সুদূর জ্যোতিষ্কলোকের সাথে সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করে চলেছি আমরা। এতোদিন বইয়ের পড়ায় মন আটকে ছিল আমাদের। রাতের এই ক্লাসের হাতধরে আমরা পৌঁছে গেলাম সুদূর জ্যোতিষ্কলোকের আঙিনায়। তারকা লেখনি পাঠ আমাদের কাছে এক নতুন অজানা জগতের দুয়ার খুলে দিল। রাত আকাশ পাঠে আগ্রহী হতে এই লেখাটি পড়তেই হবে। ... ...
কিন্তু অনুযোগ আছে অনেকের। হঠাৎ করে বদলে যাওয়া সামাজিক অর্থনৈতিক পটভূমিতে দিশেহারা হয়ে পড়েছে অনেক অনেক মানুষ। গ্রামের খোলশ ছেড়ে শহরের মলাটে সবকিছুকে মুড়ে নিতে গিয়ে আজ বিসর্জনের বাজনা বেজেছে তাদের ঘরে। এসব কথা বিনোদ ডাক্তারের মনে তুফান তোলে কিন্তু তিনি জানেন একে রোখা যাবেনা। শহুরে হাওয়ায় হয়তো উপড়ে যাবে এত দিনের শেকড়ের সব বাঁধন। বড় একা মনে হয় নিজেকে। এক বদলে যাওয়া গ্রাম আর মানুষের কথা। ... ...
জলবায়ুর পরিবর্তন আজ আর গল্পকথা নয়, নিদারুণ সত্য, নির্মম বাস্তবতা। বাতাবরণের এমন বদলের হাত ধরেই বদল আসছে আমাদের এতোদিনের চেনা রুটিনে। পাল্টে যাচ্ছে সব, বলা ভালো পাল্টাতে বাধ্য হচ্ছি আমরা। এই আকস্মিক পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে গিয়ে গভীর সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে আমাদের শিশুদের।তারাই আমাদের ভবিষ্যৎ। অথচ কি অনিশ্চয়তায় ভরা তাদের মহার্ঘ্য শৈশবকাল। এই অনিশ্চিয়তার কারণ ও প্রভাব নিয়েই এই নিবন্ধ। পড়ে মতামত জানান। আমি মন্থনে বিশ্বাস করি। ... ...
এই আলোচনায় রয়েছে স্মৃতিচারণ, রয়েছে বিজ্ঞান আর রয়েছে নির্ভেজাল আড্ডার ছলে গপ্পো। সেই অর্থে এটি একের মধ্যে তিনের মেজাজ। এই নিবন্ধটি গুরুর অন্যতম বরিষ্ঠ ব্যক্তিত্ব শ্রী রঞ্জন রায় মহাশয়কে উৎসর্গ করা হলো ... ...
এক অসহনীয় তাপীয় অবস্থার মধ্যে দিন কাটছে এই মুহূর্তে। খাতায় কলমে বর্ষা প্রবেশ করলেও এখনও পূর্ণ স্বস্তি মেলেনি। যে সকল মানুষকে এই সময়ে ঘরের বাইরে বেরিয়ে কাজ করতে হয়, তাঁদের অবস্থা অবর্ণনীয়। এমনি একদল মানুষ দেশের একদম পশ্চিমের রন্ অঞ্চলে রোদের তাপ শরীরে মেখে আমাদের প্রতিদিনের খাবারকে একটু স্বাদু করে তোলার জন্য অমানুষিক পরিশ্রম করে চলেছেন। শুধু, একমুঠো নুনের জন্য নিবন্ধটি তাঁদের লড়াইয়ের কথা বলে। লেখাটি পড়ে মতামত জানান। ... ...
আজ ৫ জুন ২০২৬। আজ বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে এই নিবন্ধটি প্রকাশ করা হলো। বিশ্বের আবহাওয়া মণ্ডলের ভারসাম্যের পরিবর্তন আমাদের অস্তিত্বের সংকটকে আরো ঘনীভূত করছে। আমাদের জীবন যাপনের ছন্দে পরিবেশানুগ ভাবনার সংযোজন আজ খুব জরুরি হয়ে পড়েছে। লেখাটা পড়ে আপনাদের মতামত জানাতে দ্বিধা করবেন না। পারস্পরিক মতামতের মন্থনের মধ্যেই নিহিত রয়েছে আগামী পৃথিবীর স্বপ্নগুলো। ভালো থাকবেন। ... ...