এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  গপ্পো

  • সা রে গা মা পা ধা নি (চতুর্থ সুর)

    Somnath mukhopadhyay লেখকের গ্রাহক হোন
    গপ্পো | ২১ এপ্রিল ২০২৬ | ২০ বার পঠিত
  • মা …..( চতুর্থ সুর )

    মাকসুদ চড়া রোদ থেকে রিক্সাটাকে বাঁচাতে গাছের নিচে এনে রাখে। দুদিন ঝড় বৃষ্টি হ‌ওয়াতে রোদের তাপের তেজ বেশ খানিকটা কমে গিয়েছিল, আজ আবার খুব তেজাল হয়ে উঠেছে। এখন তো সবে চোত মাসের মাঝামাঝি, এরপর বোশেখ আর জৈষ্ঠ্য মাসের দাপট অপেক্ষা করে আছে।না জানি আরও কতো দুর্ভোগ অপেক্ষা করে রয়েছে তাদের কপালে?

    গেল মাসে একবার দেশ থেকে ঘুরে এসেছে। নয়নতারা ফোন করে জানিয়েছিল যে ভোটের খাতায় নাম তোলা নিয়ে গোটা এলাকা জুড়ে মহা শোরগোল শুরু হয়েছে। মহিদুল বলেছে– ভাবী, ভাইজানরে বলো একবার এসে সবকিছু ঠিকঠাক বুঝে নিয়ে যেতে। এখনও তো নাম লিস্টে আছে দেখেছি। কখন বাতিল হবে কে জানে?

    ফোন পাবার দুদিন পর মাকসুদ আর খুব বেশি দিন অপেক্ষা করেনি। এখানেও রিক্সা স্ট্যান্ডে এইসব নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। এই কাগজ সেই কাগজ জোগাড় করতে করতে লোকজন একেবারে হয়রান। মাকসুদরা কয়েক পুরুষ ধরে এই দেশের মাটি আগলে রয়েছে। তারপর‌ও এই ঝঞ্ঝাটের কোনো অর্থ খুঁজে পায়না। বড়ো নানীর কাছে শুনেছে যে তাদের সুদূর অতীতের এক পুর্বপুরুষ নাকি নবাবদের হুকাবরদারের কাজ করতো। নবাব‌ই নাকি তাঁর সব খাস কর্মচারীদের জন্য জমি জায়গার বিলি বন্দোবস্ত করে গিয়েছিলেন। সেই দানপত্র নাকি এখনও পারিবারিক সিন্দুকে রাখা রয়েছে মহা যত্নে। শত হলেও এটার সঙ্গে পারিবারিক পরম্পরার নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। এসব কথা কার্তিকের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছিল মাকসুদ। অবশ্য অনেকদিন আগের কথা এগুলো। তখনকার স্ট্যান্ডের অবস্থা অবশ্য আজকের তুলনায় অনেক অন্যরকম ছিল। অনেক খোলামেলা, অনেক অনাবিল।

    পেয়ারা বাগানের মোড়ের এই রিক্সা স্ট্যান্ডে মাকসুদ গাড়ি চালাচ্ছে আজ প্রায় দশ বছর। তার আগে অবশ্য ছিল রাস্তার ওপারের মদনি নগরে। সবাই সতর্ক করে দিয়ে বলেছিল ওই পারে লোকজন নিজেদের স্বগোত্রীয় না হলে নাকি ঠাঁই দেয়না, ভাগিয়ে দেয়। এমন সমস্যায় মাকসুদকে অবশ্য কখন‌ও পড়তে হয়নি। পেয়ারা বাগানের এই স্ট্যান্ডে সবাই আছে মিলেমিশে। এলাকার মানুষজনের সঙ্গে এই কয়েক বছরে একটা আত্মীয়তার সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। পেছনে ফেলে আসা দশ বছরে মাকসুদ অনেক বদল দেখেছে এই এলাকার - যখন এক দেশ‌ওয়ালি চাচার হাত ধরে এখানে এসেছিল তখন সে নিজে ছিল বছর পঁচিশের এক তরতাজা তরুণ,আজ পরিণত এক যুবক। মাকসুদের ইচ্ছে ছিল শহরে থেকে কিছু বাড়তি রোজগার করে দেশে ফিরে যাবে। পাকাপাকি ভাবে সেই ফিরে যাওয়া আর হয়নি। প্রথমবার আসার সময় নয়নতারা মাকসুদকে জড়িয়ে ধরে বলেছিল – আমারেও তোমার সঙ্গে নিয়া চলো। আমি কোনোদিন শহর দেখি নাই। অনেক বুঝিয়ে সুঝিয়ে নয়নতারাকে আটকে ছিল মাকসুদ। পরে অবশ্য বেশ কয়েকবার শহর ঘুরে গিয়েছে নয়নতারা। তার শহর ভালো লাগেনি, সবটাই নাকি মেকি,দম
    আটকানো। নয়নতারা ফিরে যেতে স্বস্তি বোধ করেছে মাকসুদ। তার ফিরে যাবার উপায় নেই, না হলে এতোদিনে ঠিক ফিরে যেতো।

    স্ট্যান্ডে এসে দাঁড়িয়েছে সেই সকাল সাতটায়। সকালের এই সময়টাতে ভালো ভাড়া হয়।বাবুরা সব বাজারে যাবেন। আজকাল নাকি মানুষের হাতে সময় কম।অল্প সময়ে অনেক কাজ সারতে হবে।তাই বাড়ি থেকে পথে নেমেই সবাই রিক্সার খোঁজ করে। এই সময়ে পটাপট কয়েকটি ট্রিপ মারতে পারলেই পকেটে বেশ খানিকটা পয়সা ঢুকে যায়। সকালে নাকি প্যাসেঞ্জারদের মন অনেক দরাজ থাকে! কে জানে?
    – মাকসুদ, চল বাবা। একটু কাজ আছে। আমাকে আবার ফিরিয়ে নিয়ে আসবি। একটু অপেক্ষা করবি আশেপাশে।
    – আরে ! মাস্টারমশাই, আপনি? দাঁড়ান, সিটটা একটু ঝেড়ে দিই। কাঁধে রাখা গামছাটা দিয়ে রিক্সার সিটটা ভালো করে মুছে দেয় মাকসুদ। তারপর প্যাডেলে চাপ দেয়।

    মাস্টারমশাইকে ভারি পছন্দ মাকসুদের। যখনই কোথাও যাবার প্রয়োজন হয় তখনই মাকসুদের ডাক পড়ে। মাকসুদ জানে ভালো মানুষের সাহচর্য মানুষকে ভালো ভাবতে, ভালো করতে শেখায়। স্কুল থেকে অবসর নেবার পরেও তাঁর মানুষ গড়ার কাজ শেষ হয়নি। সমানে শিখিয়ে চলেছেন। মাকসুদ মাঝে মাঝে ভাবে মেয়েটাকে যদি মাস্টারমশাইয়ের কাছে এনে রাখা যেত, তাহলে মেয়েটার ভবিষ্যৎ হয়তো আরও ভালো হতে পারে। মাকসুদ একমনে প্যাডেল ঘুরিয়ে চলে।

    মাকসুদ মনে মনে ভাবে, দুনিয়ার সমস্ত মানুষ যদি এই মাস্টারমশাইয়ের মতো হতো তাহলে হয়তো পৃথিবীর চেহারাটাই অন্য রকম হতে পারতো। কিন্তু তা বোধহয় কখনোই হবার নয়।

    স্ট্যান্ডের চেহারা দ্রুত বদলে যাচ্ছে। চেনা চেহারার তিন চাকার রিক্সাগুলোর বদলে স্ট্যান্ডে মটোর লাগানো ভ্যান রিক্সার দাপট বাড়ছে। মাকসুদ জানে এই ধারাও স্থায়ী হবেনা। অনেকেই পরামর্শ দিয়েছে – মাকসুদ, এই সুযোগে পুরনো রিক্সাটা বদলে একটা মটোর লাগানো ভ্যান রিক্সা নিয়ে নে। মাকসুদ তার উত্তরে বলেছে – এতোদিনের সঙ্গীটারে ছাড়ি কোন্ বুদ্ধিতে। এই তিন চাকার রিক্সা চালায়েই তো বিশটা বছর নিজের পরিবারটারে লালন পালন করেছি। আজ এডারে ছাড়তি পারবোনা। মাকসুদ জানে এই সময়ের পৃথিবীতে নিজের সিদ্ধান্তকে আঁকড়ে ধরে টিকে থাকা মোটেই সহজ নয়। তবুও যতদিন লড়াই করা সম্ভব ততদিন নিজের মতো করেই বাঁচতে চায় মকসুদ। সে বুঝতে পারে নিজের সঙ্গেই এখন লড়তে হবে। এ লড়াই যে বড়ো কঠিন।

    নিজের এক চিলতে ঘরে বিছানায় শুয়ে শুয়ে এমন‌ই সাতপাঁচ ভাবছিল মাকসুদ। মটোর লাগানো ভ্যান রিক্সাগুলোও উঠে যেতে শুরু করেছে। বেশ কয়েকটা দুর্ঘটনা ঘটেছে ওই ভ্যানের কারণে। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে যে এই বিপজ্জনক গাড়িতে যাত্রী বহন করা যাবেনা। সদর রাস্তায় এই গাড়ি ধরা পড়লে তা বাজেয়াপ্ত করা হবে। এমন সব পরিস্থিতির কথা ভেবে মাকসুদ আর পরিবর্তনের কথা চিন্তা থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রেখেছে। দেশ থেকে নয়নতারা ফোন করেছিল। দেশে এখন ভোট নিয়ে রীতিমতো সরগরম অবস্থা। কি এক ‘ষাঁড়’ এসে বহু মানুষের নাম কেটে দিয়েছে। এখানে বসেই মাকসুদ অনেক খবর পায়। উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠা কেমন অসহায় করে তোলে তাকে।

    পেয়ারাবাগানের এতোদিনের রিক্সা স্ট্যান্ডের চেহারার অনেক বদল হয়েছে। নামে রিক্সা স্ট্যান্ড হলেও এখন সেখানে সার দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে রঙ্গিন চেহারার সব টোটো রিক্সা। ব্যাটারিতে চলা এই তিন চাকার রিক্সাগুলোর দাপটে মাকসুদ,নিতাই, গোবিন্দরা আজ রীতিমতো কোণঠাসা অবস্থা। লোকজন এখন আর রিক্সার দিকে তাকিয়ে দেখেনা।

    আজ খুব সকালেই স্ট্যান্ডে এসে হাজির হয়েছে মাকসুদ। এই সময় বাজারে যাওয়ার প্যাসেঞ্জার পাওয়া যায়। সে রকম কয়েকটা ট্রিপ মিলে যায় পরপর। এই সময়টাই রোজগারের সময়। এক ফাঁকে আটুলের দোকান থেকে এক ভাঁড় গরম চা আর দুটো বেকারির বিস্কুট খেয়ে নেয়। যে হারে গরম বাড়ছে তাতে বেলা পর্যন্ত খোলা আকাশের নিচে থাকা যায়না। অথচ এই গরমের মধ্যেই স্ট্যান্ডে ভোট বাবুদের ঘন ঘন পা পড়ছে।

    এখন নানা রকম প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট ভিক্ষা করছে ভোট বাবুরা। শঙ্কর পাল ইদানিং জার্সি বদল করেছে। রোজ‌ই স্ট্যান্ডে এসে বড়ো বড়ো লেকচার দিচ্ছে। লোকটাকে একদম পছন্দ করে না মাকসুদ। কথাবার্তা মোটেই সুবিধার নয়। সবসময় ট্যারা ট্যারা কথা বলতে ভালো বাসে। মাকসুদ শঙ্করকে এড়িয়েই চলে। মিছিলে যেতে হবে বলে স্ট্যান্ডের সবাইকে হুকুম জারি করেছে। মাকসুদ অবশ্য তখন প্যাসেঞ্জার নিয়ে স্টেশনের দিকে গিয়েছিল।

    আজ আর বাইরে থাকা যাচ্ছেনা। মাকসুদ আজ আর দুপুরে বাড়ি যায়নি। তার ঘরটা ভীষণ গরম। এ্যাসবেসটাসের চাল দেওয়া ওই ঘুপচি ঘরে দম আটকে আসে। তার থেকে খোলা জায়গায় থাকা ভালো। মিউনিসিপ্যালিটির টাইম কলের জলে ভালো করে শরীর ভিজিয়ে নিয়েছে মাকসুদ। সঙ্গে থাকা ছাতু জলে মেখে খেয়ে নিয়েছে সে। রোদ চড়া হতেই স্ট্যান্ড বিলকুল শুনসান হয়ে গেছে। মটাই দাদাদের বাড়ির সামনের ছায়ায় রিক্সাটা রেখে সিটের ওপরেই শরীর এলিয়ে দেয় মাকসুদ।

    একটু তন্দ্রার ঘোর লেগেছে চোখে। প্রায় তিনটে বাজে। হঠাৎ কানে আসে নরম গলায় কেউ যেন তার নাম ধরে ডাকছে। হুড়মুড় করে জেগে উঠে চোখ মেলতেই দেখে সামনে দাঁড়িয়ে আছে শম্পা,শঙ্কর দার মেয়ে।
    – কী হয়েছে রে মা, কোনো সমস্যা?
    – বাবার শরীর হঠাৎ খারাপ হয়েছে। খাওয়াদাওয়ার পরেই…
    – তুই মা রিক্সায় বোস। আমি থাকতে শঙ্কর দার কোনো বিপদ হবে না। আমি ওনাকে ডাক্তারবাবুর ওখানে নিয়ে যাবো। চিন্তা করোনা।

    এরপরের ঘটনা সহজেই অনুমেয়। অসুস্থ শঙ্কর পালকে লিংক রিক্সায় বসিয়ে সোজা ভৌমিক ডাক্তারের চেম্বারে পৌঁছে যায়। জীবনে কোনোদিন এতো জোরে রিক্সা চালায়নি মাকসুদ। তার প্রতি শঙ্করের করা সমস্ত তির্যক মন্তব্যের কথা ভুলে গিয়ে মাকসুদ এক বিপন্ন মানুষের জীবন বাঁচাতে এগিয়ে এসেছে। শম্পার বিপন্নতার মধ্যে মাকসুদ যেন নিজের মেয়ে ইয়াসমিনকে খুঁজে পায়। মেয়ে সমস্যায় পড়লে কোনো বাবা কি আর চুপ করে বসে থাকতে পারে?
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • গপ্পো | ২১ এপ্রিল ২০২৬ | ২০ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। কল্পনাতীত মতামত দিন