এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • খাঁচার তোতারা

    সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়
    ২২ আগস্ট ২০২৬ | ১৫৩ বার পঠিত
  • ভোটের আগে ভদ্দরলোকদের মুখে দুটো-তিনটে কথা প্রায়ই শোনা যেত। ১। এর চেয়ে কত খারাপ আর হবে? ২। ভাতা তো ট্যাক্সের টাকাতেই দেয়, ভিক্ষা দেয় নাকি? কেউ কেউ এখান থেকে 'ভাতা হল ভিক্ষা'য় চলে যেতেন। কেউ কেউ 'আগে রাম পরে বাম' এ। তার সঙ্গে হই হই করে ডিম্মিডিয়ায় চলত বিশেষজ্ঞদের চিৎকার। দিল্লিতে মিটিং করে বিরোধীরা ঠিক করতেন বিজেপিই হল মূল শত্রু, বাংলায় এসে আবার সব পক্ষই এক হয়ে যেতেন, যে, বিজেপিই হল 'লেসার ইভিল'। মুখে বলতেন না, কিন্তু ব্যাপারটা তাইই ছিল। প্রায়ই শুনতাম তৃণমূল আর বিজেপি একই। এমনকি সীতারাম ইয়েচুরি অবধি বলেছিলেন, বা চাপের চোটে বলতে বাধ্য হয়েছিলেন, যে, তৃণমূলকে না সরালে বিজেপিকে সরানো সম্ভব না।

    না, তৃণমূলকে একটুও ডিফেন্ড করা হচ্ছেনা। দুর্নীতি-তোলাবাজি তো হয়েইছে, এবং যে পার্টির অধিকাংশ বিধায়ক-সাংসদ দল হারতেই উল্টোদিকে বাপ-বাপ বলে ঝাঁপ মারেন, তাদের জন্য কোনো নিন্দাই যথেষ্ট না। এঁরা দু-নৌকোয় নির্ঘাত দীর্ঘদিন ধরে পা রেখে চলছিলেন, এমনই হাল, যে, দলের নেতৃত্ব হয় টের পাননি, নয় টের পেয়েও কিছু করেননি। এটাও একটা পাপ। কিন্তু জায়মান ফ্যাসিবাদকে তোল্লাই দেওয়া খুব সম্ভবত আরও বড় পাপ। অবস্থা এমন জায়গায় গিয়েছিল, যে, ডিম্মিডিয়ার ডাহা গুলবাজি নিয়ে লিখলে প্রগতিশীল ভদ্রলোকরাই সবার আগে ঝাঁপিয়ে পড়তেন। আরজিকরই ধরুন, মমতার সরকারের সিভিক পুলিশ সরকারি হাসপাতালে ঢুকে সরকারি চিকিৎসককে মেরে ফেলল। এর চেয়ে ভয়ানক জিনিস হওয়া কঠিন। কিন্তু এইটুকু নিন্দেয় হবেনা, বলতে হবে, 'আমি সোমা বলছি'র মতো করে। দেড়শো-গ্রাম থেকে ভাঙা পেলভিক, প্রমাণ লোপাট থেকে পর্নোচক্র অবধি। নইলেই আপনি চটিচাটা। মানে যে, 'গণেশের দুধ খাওয়া' কিংবা 'রিয়া কালাযাদু জানে' এসবের সমমাত্রায় গুজব তৈরি হলেও তা নিয়ে বলা যাবেনা, কারণ সেটা বিজেপির বিরুদ্ধে চলে যাবে।

    রত্না দেবনাথের উদ্ভট দাবীদাওয়া শুনে এখন এঁদের কেউ-কেউ হয়তো খানিকটা বুঝছেন। একবার বলছেন আবেশ বন্দ্যোপাধ্যায় দায়ী, একবার উড়ো চিঠি দেখাচ্ছেন। কিন্তু এই পাগলামিরও একটা পদ্ধতি আছে। আর 'এর চেয়ে কত খারাপ হবে', এবং 'ভাতা তো ট্যাক্সের টাকাতেই দেয়', ওয়ালারা তো দেখতেই পাচ্ছেন, যে, ট্যাক্স এখনও দিচ্ছেন, কিন্তু ভাতা যে কোথায়, কে জানে। এতেও অবশ্য সকলের চৈতন্য হবে বলা যাচ্ছেনা। চোরের বদলে ডাকাতের হয়ে যারা সওয়াল করছিলেন, বাড়িতে ডাকাত পড়লেও, তাঁরা নির্ঘাত পাশ ফিরে শুয়েই থাকবেন। এখনও দেখবেন, কেউ কেউ পাশ কাটাতে, 'সরকার বদলাল কিন্তু কিছুই বদলাল না' বলে যাচ্ছেন ডিম্মিডিয়ার সুরে। বদলেছে দাদা ও দিদিরা। চোরের বদলে লুটেরা এসেছে। এবং একটা জিনিসও বিলক্ষণ জেনে রাখুন, ওই সব আগে রাম পরে বাম নয়, এই চাকা যদি আবার উল্টোদিকে ঘোরে, তো বঙ্গীয় ভদ্রলোকরা নন, আমরা যারা যাদবপুর নিয়ে মুখর তারা নই, ওই অন্নপূর্ণা নিয়ে যাঁরা বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন, তাঁদের জন্য ঘুরবে। ডিম্মিডিয়া আর বাঙালি ভদ্দরলোক, উভয়ই এখন খাঁচায় পোরা তোতাপাখি।

    ওদিকে আনন্দবাজার পত্রিকা গতকাল যাদবপুর নিয়ে প্রথম পাতায় হেডলাইন করেছে, "গেরুয়া গুন্ডামি"। ঠিক করেছে। যদিও আমি বাংলা চ্যানেল দেখিনা, বাংলা খবরের কাগজ পড়িনা। না পড়েও দুনিয়ার কোনো খবর জানতে অসুবিধে হচ্ছেনা, বরং বিষ থেকে মুক্ত আছি। তাহলে এটা জানলাম কীকরে? কারণ সমাজমাধ্যম খুলে প্রথমেই নজরে এল তথাকথিত হিন্দুত্ববাদীদের হাহাকার। তথাগত রায় লিখেছেন, "আনন্দবাজার আনন্দে লুঙ্গি তুলে হয়ে গেরুয়া গুন্ডামি বলে লাফাচ্ছে"। এই ভাষায় আশ্চর্য হবার কিছু নেই। কিন্তু আশ্চর্য হলাম, কিছু পরিচিত বাম-লিবারালও সত্যি সত্যিই উদ্বাহু হয়ে নেচে প্রথম পাতার ছবি তুলে শেয়ার করে চলেছেন। যাঁরা মজা পেয়ে করেছেন, তাঁদের কথা বলছিনা, বাকিদের ভাবখানা এরকম, যে, "দেকেচো খবরের কাগজ একটা খবর ছেপেছে"। সংখ্যাটা আগের থেকে অনেক কম, কিন্তু আনন্দের আতিশয্যটা অনেক বেশি। আগে শুধু রেফার করতেন, এখন কেউ অভিনন্দন জানাচ্ছেন, কেউ সেলাম।

    কেন করছেন বুঝিনি। এ তো ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিজম নয়, যে গোপন কিছু খুঁড়ে বার করা হয়েছে। জানা খবর প্রথম পাতায় ছাপা হয়েছে। খবরের কাগজ খবর ছাপবেনা তো কি পথের পাঁচালি ছাপবে? তবে একটা জিনিস বুঝেছি, এতে আনন্দবাজারের আনন্দ পাবার কিছু নেই। বছর বছর যে ছেলে অঙ্কে তেরো পাচ্ছিল, একবার নিরানব্বই পেয়ে গেলে এইরকম অভিনন্দন দেখা যায়। এ উচ্ছ্বাস আসলে ১৬০জনের মধ্যে ১৫৭ নম্বর ছাত্র হঠাৎ, একটা প্রশ্নে ফুল-মার্কস পেয়ে যাবার উচ্ছ্বাস। অচেনার আনন্দ। কিংবা দেজাভু। সে ঠিকই আছে, কিন্তু সমস্যা হল যাঁরা উচ্ছ্বসিত তাঁরা এতটা তলিয়ে ভেবে তারপর লাফাচ্ছেন বলে মনে হয়না। তাঁদের টোনটা হল, দেকেচো, আনন্দবাজারও কেমন আমার কথা বলেছে। ভাবটা চিরশিশুর। "মা, আকাশের রঙ নীল না?" যতক্ষণ না মা বলছে নীল, ততক্ষণ শান্তি নেই। পরিষ্কার জানি যাদবপুরে কী হয়েছে, কিন্তু যতক্ষণ না আনন্দবাজার বলে দিচ্ছে গেরুয়া গুন্ডামি, ততক্ষণ ঠিক ভ্যালিডেশন পাওয়া যাচ্ছেনা।

    আনন্দবাজার এবার থেকে ফুল-মার্কস পাক, আশীর্বাদ করি, সব পরীক্ষাতেই ফার্স্ট হোক, ১৫৭ থেকে ভারতকে ১ নম্বরে পৌঁছে দিক। ৩৪ লক্ষ লোককে বাদ দিয়ে কীভাবে 'জনাদেশ' তৈরি হল, অন্নপূর্ণা নিয়ে ঠিক কী চলছে, এইসব নিয়ে অনুসন্ধানী অন্তর্তদন্ত বার করুক। কিন্তু এই চিরশিশুদের নিয়ে আমি একটু চিন্তিত। এঁদের ছেলেমেয়েরা মিডিয়াকে তুড়ি মেরে এত বড় আন্দোলন-টন করে ফেলল, আর এঁরা এখনও ভ্যালিডেশন খুঁজে চলেছেন। ক্ষ্যাপা খুঁজে ফেরে পরশপাথর। আশ্চর্যের কিছু নেই, আমাদের প্রজন্মের এত লোকে বাবা রামদেবের ভক্ত হয়, গণেশকে দুধ খাওয়ায়, উনিজির পিছনে লাইন দেয়, সন্ধ্যে থেকেই ডিম্মিডিয়া খুলে বসে সত্যের সন্ধান করে। সে করতে থাকুন, কিন্তু ঈশ্বর না করুন, বিজ্ঞাপন বা অন্যকিছুর চক্করে আনন্দবাজারের লাইন যদি আবার বদলে যায়, গেরুয়ার বদলে লাল কিংবা নীল সন্ত্রাস লিখে ফেলে, তখন কী করবেন? আপনিও লাল কিংবা নীল সন্ত্রাস খুঁজে পাবেন, না তখন গোদি-মিডিয়া গোদি-মিডিয়া বলে চিৎকার করবেন?


    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • | ২২ আগস্ট ২০২৬ ১২:১৪742341
  • এইবার আসবে সৃষ্টিখেউড়া এট আলরা সৈকতকে গালি দিতে। নিরাপদ টার্গেট দেখে গালিগালাজের সুবিধা অনেক।
     
    যাকগে লোকের আবাপর হেডিং দেখে উলুতপ্লুত হবার কারণ যেটা মনে হয় বাংলা সংবাদপত্রগুলো লাগাতার এমন অন্ধভক্তের ভূমিকা পালন করে চলেছে যে এক আধটা ওকে ওকে টাইপের খবর বা হেডলাইন দেখেও লোকে 'অহো কি সাহস' বলে গদগদ হয়ে পড়ছে।
  • কৌতূহলী | ২২ আগস্ট ২০২৬ ১৩:০৮742343
  • একদম। সত্যি কথা, রাজনৈতিক সমালোচনা এক জিনিস, আর এখানে বাম প্রগতিশীলরা শুধু মমতা নিন্দার আড়ালে যেভাবে বিজেপির পক্ষে কনসেন্ট ম্যানুফ্যাকচার করেছে যেটার জন্য কোন নিন্দাই যথেষ্ট নয়। এই নোংরামি শুরু হয়েছিল ২০১৯ এর পর থেকে। তারপর চরমে উঠল নো ভোট টু বিজেপিকে ম্যালাইন করে। হ্যাঁ, নো ভোট টু বিজেপির রাজনৈতিক সমালোচনা কেউ করতেই পারে, তাতে আপত্তির কিছু নেই। কিন্তু এই বাম প্রগতিশীলরা নো ভোট টু বিজেপিকে নিয়ে জা শুরু করেছিল, তা হল নিকৃষ্টমানের কলতলার খেউর। তারপর তো আর জি কর আছেই। মোট কথা, এখানের শিরদাঁড়াবান বাঙালি চেয়েছিল যে কোন মূল্যে বিজেপিকে আনতে। মমতাকে সরানোটা একটা এক্সকিউজ ছিল, এর বেশি কিছু না। প্রান্তিক মানুষদের দোষ দিই না, যারা সরাসরি তৃণমূলের হাতে আক্রান্ত, তাদেরও জাজ করার অধিকার নেই, কিন্তু এর বাইরের শিরদাঁড়ার ফেরিওয়ালাদের আজকের দিনের জন্য যথেষ্ট দায় আছে। দাবানল লেগে গেলে আগের অবস্থায় ফেরার সম্ভাবনা নেই, তেমন বিজেপি একবার এসে গেলে সরানো অত সহজ নয়। গুজরাট মধ্যপ্রদেশ দেখেও না বুঝলে কিছু করার নেই,।
  • অরিন | ২২ আগস্ট ২০২৬ ১৪:২৬742345
  • গত ১২ বছর ধরে ভারতে যা চলছে এবং হিন্দু জাতীয়তাবাদীদের কদর্য আচার আচরণ দেখেও যারা শুধু তৃণমূল বিরোধিতার নাম করে খাল কেটে কুমীর ডেকে এনেছে, এই শ্রেণীর মানুষের কাছে যে ব‍্যবহারেপ কথা আপনি সৈকতবাবু দুঃখ করে লিখেছেন, তার বেশী কি কিছু আশা কর যায়? এরাই একসময় "পরিষেবা বেসরকারী হলা ভালা হবা" বলে ইংরেজী হরফে বাংলা লিখতেন।
     
    কাজেই আনন্দবাজার কি বলল নিয়ে আর ভেবে কি হবে, ওরা এখন alternative media, অনেকের কাছেই অপ্রাসঙ্গিক, এখন বাজারের প্রয়োজনে হয়ত দেখা যাবে হাওয়া বুঝে ফিট করার চেষ্টা করবে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। দ্বিধা না করে প্রতিক্রিয়া দিন