এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  সমোস্কিতি

  • "জনরোষ" চলছেই

    সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়
    সমোস্কিতি | ১০ আগস্ট ২০২৬ | ১৩৮ বার পঠিত
  • নৈহাটির পুলিশি হেফাজতে মৃত্যুর আগে দুটো ভিডিও দেখে চমকে গেলাম। প্রথমটা বিধায়ক সুদীপ্ত দাসের। একদম অন ক্যামেরা বললেন, "এদের থার্ড ডিগ্রি দেওয়া উচিত। এদেরকে মিষ্টি মুখে হবেনা, পুলিশ যে পদ্ধতিতে উদ্ধার করা উচিত, এদেরকে পিটিয়ে সেগুলো উদ্ধার করা উচিত।" উনি কোনো এক গোপন অস্ত্রভান্ডার উদ্ধার প্রসঙ্গে বলছিলেন। ওঁর অভিযোগ অনুযায়ী তৃণমূলের গোপন অস্ত্রভান্ডার আছে, সেখানে বোমা-বারুদ, ইত্যাদি আছে। সেগুলো পুলিশ ঠিকঠাক উদ্ধার করতে পারছেনা। তাই একদম এই পদ্ধতি অনুসরণ করা উচিত। শুনলে মনে হতে পারে, জমিদারবাবু লেঠেলদের নির্দেশ দিচ্ছেন। কিন্তু ইনি জমিদার না, বিধায়ক, শোনা যাচ্ছে 'জনাদেশ'এ জিতেছেন।

    দ্বিতীয় ভিডিওটা সিপিএমের দাপুটে শ্রমিক নেত্রী গার্গী চট্টোপাধ্যায়ের। নৈহাটির প্রাক্তন বিধায়ক সনৎ দে আর বিরজু কেওট যখন গ্রেপ্তার হলেন, তিনিও অন ক্যামেরা বললেন, "সনৎ দেকে গ্রেপ্তার করে ওই অশোক চ্যাটার্জির মতো এক-দুদিনের মধ্যে ছেড়ে দিলে হবেনা। ভালো তৃণমূল হবার প্রক্রিয়া বা বিজেপি হবার প্রক্রিয়া রাখলে চলবে না। একে গ্রেপ্তার করে তদন্ত করতে হবে।" উনি সনৎ দের প্রবল দুর্নীতি নিয়ে অভিযোগ করছিলেন, তারপর অভিযোগ করলেন, এসবের কিংপিন পার্থ ভৌমিককেও গ্রেপ্তার করতে হবে। "পার্থ ভৌমিক কী করে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মিটিং করেন? কীভাবে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে মিটিং করেন?" না চিনলে শুনে মনে হত, কোনো আদি-বিজেপির কথা শুনছি। সব্বাইকে কেন ধরে জেলে পোরা হবেনা, কেন ছেড়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মিটিং করবেন কেউ কেউ, এই নিয়ে খুব বিক্ষুব্ধ।

    কিন্তু মনে হবার কথা বাদ দিন। এই দুজনের বক্তব্যের মূল পয়েন্ট একটাই। এঁদের অনেক অভিযোগ আছে তৃণমূলের স্থানীয় নেতাদের নিয়ে। গুন্ডামি থেকে দুর্নীতি পর্যন্ত। সে থাকতেই পারে। সম্পূর্ণ সত্যিও হতেই পারে। তাতে কোনো সমস্যা নেই। সমস্যা হল, এঁদের বাতলে দেওয়া সমাধানের পদ্ধতিতে। আমরা সাধারণভাবে জানি, আগে তদন্ত, তারপর গ্রেপ্তার, তারপর আদালত। কিন্তু সেসব না, একজন বললেন, আগে ধরে থার্ড-ডিগ্রি দিতে হবে। আরেকজন বললেন, গ্রেপ্তার করে তারপর তদন্ত করতে হবে।

    একদম স্পষ্ট করে বলা যাক, এ জিনিস কোনো সভ্য দেশে চলেনা। আগে জেলে পুরে দিলাম, তারপর পিটিয়ে দেখি কিছু উদ্ধার করতে পারি কিনা, এটা সভ্য সমাজের সম্পূর্ণ উল্টোদিকে। রাজনৈতিক নেতা ছাড়ুন, এমনকি চার্লস শোভরাজের ক্ষেত্রেও এটা প্রয়োগ করলে, সেটাকে ফ্যাসিবাদী কায়দা বলা হবে। উভয়েই এই কায়দাটার চাষবাস করছেন। বিজেপির গণতন্ত্র-টন্ত্র জানার কথাই নয়, এইজন্যই তাদের ফ্যাসিবাদী বলা হয়, কিন্তু সিপিএমের নেত্রীর কাছে, বিশেষ করে যিনি কদিন আগেই হকার-উচ্ছেদ-বিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন, তাঁর কাছে সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত। ওঁর হয়তো জানা নেই, এগুলোকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলা হয়। এবং বিগত ৫০ বছরে পশ্চিমবঙ্গে এই পদ্ধতি নীতিগতভাবে বর্জন করা হয়েছে। ৭৭ সালে ওঁর দল যখন ক্ষমতায় এসেছিল, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নেওয়া হবেনা ঘোষণা করেছিল। ১১ সালে তৃণমূল যখন ক্ষমতায় আসে, তখন তাদেরও নীতি ছিল বদলা নয়, বদল চাই। হ্যাঁ, এসব থেকে বিচ্যুতি কি হয়নি? হয়েছে, রাজনৈতিক হিংসাও হয়েছে, পুলিশি অপব্যবহারও হয়েছে। কিন্তু যেটা হয়নি, সেটা হল, বুক বাজিয়ে শাসক রাজনৈতিক নেতৃত্বের পক্ষ থেকে জাস্টিফিকেশন দেওয়া। আর এক্ষেত্রে তো জাস্টিফিকেশন দিচ্ছেন, তাও না। বুক বাজিয়ে দাবী করছেন, যে, এইগুলো করতে হবে। আগে থার্ড ডিগ্রি, আগে গ্রেপ্তার, তারপর তদন্ত। বিজেপির এসব করার তবু একটা কারণ বুঝি। ওঁদের কীকরে প্রশাসন চালাতে হয় জানা নেই, গণতন্ত্র বিষয়ে কোনো ধারণা নেই, কীকরে যেন একটা জিতে গেছেন, এখন খানিকটা দিল্লির দিকে তাকিয়ে আছেন, খানিকটা হাবুডুবু খেয়ে যা পারেন করছেন। কিন্তু সিপিএম? তাদের স্বার্থ কী? লাহেক আলিকে যেকোনো একটা অজুহাতে ধরলে খারাপ, হালিশহরে বুলডোজার চালালে খারাপ, আর তদন্ত না করেই হেফাজতে মৃত্যু দারুণ ভালো? বিজেপি সরকারের এই ফ্যাসিবাদি কাজকর্মের পক্ষে দাঁড়িয়ে যাচ্ছেন, সভ্য সমাজে দাঁড়িয়ে বলতে পারবেন তো?

    তো, সে যাই হোক, এই ধরণের দাবী-দওয়ার ফল যা হবার তাইই হয়েছে। পুলিশি হেফাজতে একটি রাজনৈতিক মৃত্যু। তারপর যা ঘটল সে আরও ন্যক্করজনক। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ঘটনাস্থলে গেলেন, তাঁর উপর আক্রমণ হল। মিডিয়ায় প্রথমে ব্ল্যাকআউট হল, তারপর 'জনরোষ' বলে চালানো হল। এবং এই পুরোটার নিন্দে করতে দেখলাম স্রেফ দুইজনকে। একজন বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য। দ্ব্যর্থহীন ভাষায় নিন্দে করলেন। দ্বিতীয়জন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। অন ক্যামেরা বললেন, "প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কাদা ছোড়া হয়েছে, চটি ছোড়া হয়েছে, চোর চোর স্লোগান দেওয়া হয়েছে। হ্যাঁ, মমতা ব্যানার্জি অনেক দোষ করেছেন, ১৫ বছর ধরে অত্যাচার হয়েছে, মহিলাদের সম্মান করেননি, চুরি হয়েছে, আমি সব মানছি। কিন্তু তার মানে এই নয় যে আপনি তাঁকে কাদা ছুড়বেন, চোর চোর বলবেন, জুতোর মালা পরাবেন! হোয়াট ইজ দিস?"

    কিন্তু এগুলো আদৌ তাঁদের দলের অবস্থান বলে মনে হয়না। কারণ, শমীক ভট্টাচার্য বললেন, এ সব তৃণমূলের সংস্কৃতি। মনে হল তৃণমূল গিয়ে নিজের নেত্রীর গাড়িতে ইট মারছিল। আর খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নানা কথার মধ্যে এটাও বললেন, “এত চুরি করেছেন, চোর চোর তো শুনতেই হবে। একটা স্টেট হাসপাতালের ভিতরে মেরেছিলেন তিলোত্তমাকে, প্রমাণ লোপাট করতে গিয়েছিলেন, ১০ লক্ষ টাকা দিয়ে কিনতে গিয়েছিলেন, আপনার গাড়িতে কাদা মাখাবে না কি ফুল ছুড়বে?”

    তিলোত্তমার কথাটা এখানে খুব ভেবেচিন্তে তোলা। এই নিয়ে উনি লম্বা বক্তব্যও দিয়েছেন। সরকার ডবল-ইঞ্জিন, সিবিআই কেন্দ্রীয়, রত্না দেবনাথ বিধায়ক, তবুও মাঝে মাঝেই তিলোত্তমার বিচার হল না বলে নানা কথা শোনা যায়। কদিন আগেই শুনলাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো আবেশ বন্দ্যোপাধ্যায় হচ্ছেন মূল চক্রী, একবার উড়ো ফরেনসিক কর্মচারীর চিঠি এল, এসব না করে 'বিচার' দিতে কে আটকাচ্ছে কে জানে। কিন্তু সেসব অন্য প্রসঙ্গ, পরে লেখা যাবে। যা নিয়ে লিখছি, সেই বিষয়ে কথা খুব পরিষ্কার। আপাতত "জনরোষ" চলবে, যখন যেমন সুবিধে। তৃণমূলকে মিটিং মিছিল কিসুই করতে দেওয়া হবেনা। কখনও এনকাউন্টার কখনও হেফাজতে হত্যা হবে। সবই গণতন্ত্রকে চুলোয় দিয়ে। এবং সবচেয়ে বড়ে ব্যাপার হল, নেতারা বুক বাজিয়ে বলবেন, এসব ঠিকই হয়েছে। এর পরিণতি ভালো হওয়া সম্ভব নয়, সে সবাই জানে, ওঁরাও জানেন। এই সরকারের যা গতিপ্রকৃতি তাতে সাধারণ অবস্থায় পাঁচ বছর টেকা অসম্ভব। দিল্লিতে প্রাণমন বেঁধে রেখেছেন, দেখা যাক, তারা কতদিন রক্ষা করে। বা করতে পারে।


    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • সমোস্কিতি | ১০ আগস্ট ২০২৬ | ১৩৮ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • দীপ | ১০ আগস্ট ২০২৬ ১৮:৪৮742186
  • পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু চূড়ান্ত অন্যায়, কঠোর শাস্তি প্রয়োজন!
    তবে,
    আনিস খানকে বাড়ির ছাদ থেকে ফেলে খুন করা হয়েছিলো।
    দাড়িভিটে গুলি চলে, দুইজন ছাত্র মারা যায়!
    আর জি করে অভয়আকএ মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়, তারপর তাঁর মৃতদেহ অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে নির্মল ঘোষ ও তার চ্যালারা দাহ করে।
     
    তখন অবশ্য কারো গণতন্ত্র নিয়ে প্রশ্ন ওঠেনি!
  • দীপ | ১০ আগস্ট ২০২৬ ১৮:৪৯742187
  • অভয়াকে
  • প্রশ্ন  | ১০ আগস্ট ২০২৬ ১৯:৩৮742190
  • -- তখন অবশ্য কারো গণতন্ত্র নিয়ে প্রশ্ন ওঠেনি!
     
    এখানেও ওঠেনি? একটা লেখার সিরিজই তো হয়েছিল এই লেখকের।
  • আরে ভাই | ১০ আগস্ট ২০২৬ ১৯:৪৮742191
  • এই মিথ্যেচোদা চাড্ডিটা অত খুজতে টুজতে পারে না। হোয়াটসাপে যা পায় বাপশার বাধ্য পোষ্য হয়ে পেস্ট করে দেয়।
  • অরিন | ১১ আগস্ট ২০২৬ ০২:০০742193
  • যা হচ্ছে ভয়ঙ্কর ব‍্যাপার ঘটছে, তাকে কোন অবস্থাতেই গণতান্ত্রিক বলা চলে না। স্বয়ং মুখ‍্যমন্ত্রী যেখানে বিপক্ষ রাজনৈতিক নেত্রীর অপমানকে খনা মঞ্চে দাঁড়িয়ে সমর্থন করছেন এবং এই ঘৃণ‍্য কাজটির কোন জায়গা থেকে জোরালো প্রতিবাদ আসছে না (আপনার বা সমমর্মী আর্টিকেল নেখকদের বাদ দিলে), বাংলার রাজনীতি যে কোন পাঁকে পৌঁছেছে বোঝা যায়। আজ না হয় কাল, দিল্লি ভাঙবে, কিন্তু শুভেন্দু ‍্অজয় বিস্তরা সাংঘাতিক লেভেলের বজ্জাত, এদের হাত থেকে উদ্ধার পাওয়া সহজ নয়।
  • অরিন | ১১ আগস্ট ২০২৬ ০২:০১742194
  • খনা না, খোলা পড়তে হবে
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আলোচনা করতে মতামত দিন