এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • বুলবুলভাজা  ধারাবাহিক  উপন্যাস

  • বিশ-একুশ

    ভবঘুরে
    ধারাবাহিক | উপন্যাস | ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১৪ বার পঠিত
  • ছবিঃ ঈপ্সিতা পাল ভৌমিক


    ১২


    নানা কথা ভিড় করে আসছিল নবিসনের মনে। কিন্তু সে সব ভাবার সময় পরে পাওয়া যাবে ভেবে নিজেকে সামলালেন। তারপর ঠিক করলেন একবার আঁতুরঘরে যাবেন। যাওয়ার আগে খোঁজ নিলেন অতিথির ঘরে হ্যারিকেন পাঠানো হয়েছে কিনা। সবচেয়ে ভালো হ্যারিকেনটি পাঠানোর নির্দেশ দিলেন। ডাকলেন রহিমাকে। রহিমা আজ বিশ বছর আছে এই পরিবারে। দামাদ ছেড়ে কোথায় গেছে কে জানে, কলকাতায় কাজ করতে গিয়েছিল আর ফেরে নি। রহিমার একটা ছেলে হয়েছিল আঁতুরেই মারা গেছে। ভালোই হয়েছে, না হলে বাপের মতোই হতো হয়তো। বউকে কষ্ট দিতো। এ বাড়িতে সে সুখেই আছে খাওয়া পরার অভাব নাই। মামুনের মায়ের ঘরেই ঘুমোয়। এ বাড়িতে কাজের লোক বলে দূর ছাই নাই। খাটেই ঘুমোয়। মামুনের মা তহুরার সঙ্গে।
    রহিমাকে ডেকে জিজ্ঞেস করলেন, সব ঘরে আলো দেখানো হয়েছে?
    হ্যাঁ?
    কুটুমকে কী খেতে দিবি? চা পানি দিয়েছিস?
    চা বিস্কুট দিয়েছিস?
    হ্যাঁ। কলকাতার বিস্কুট দিয়েছিস তো?
    হ্যাঁ।
    নবিসনের বাপের বাড়ির বহু লোক কলকাতায় কাজ করে। তাঁদের মধ্যে বেশ কিছুজন কাজ করে গ্রেট ইস্টার্ন হোটেলে। বেকারির ম্যানেজার তাঁর চাচাতো ভাই। নবিসনের দেশ এখান থেকে ১২ মাইল দূরে। ১২ মাইলে কত তফাৎ। ওখানে ফি বছর বান হয়। এখানে সেই বিশ সালে একবার হয়েছিল। তবু উসারা ডোবেনি। কলকাতা থেকে কেউ এলেই এখানে দুদিনের জন্য বেড়াতে আসে। নবিসনের অতিথিপরায়ণতার কথা সবাই জানে। নিজে খুব কম খান। কিন্তু অন্যকে খাইয়ে সুখ পান। তাঁর স্পষ্ট নির্দেশ শত্রু মিত্র যেই হোক কেউ যেন কিছু না খেয়ে না যায়। কদিনের দুনিয়া। কী নিয়ে এসেছেন আরে কী নিয়ে যাবেন?
    তিনি বলে রেখেছেন মামুনের বউকে, বাড়িতে কেউ এলে যা থাকবে তাই দেবে। যদি খাবার না থাকে নিজের খাবার দেবে। দরকারে দুধভাত দেবে। এমনকী রান্না করেও দেবে, কিন্তু ভিখারি হোক আর সন্ন্যাসী হোক বা ভিনদেশি, শুকনো মুখে কেউ যেন না ফেরে। ফলে ঘরে রাবণের চিতার মতো একটা উনুন জ্বলতেই থাকে।
    রহিমাকে বললেন, আলির বন্ধুর জন্য পরোটা বানা। ঘরে ছোলার হালুয়া আছে তার সঙ্গে ডিম নিংড়ি করে দে আর চিনির সিরা বানা। আর রহমতকে বল একটা মোরগ ধরে জবাই করতে।
    মামুন কি ফিরেছে?
    হ্যাঁ।
    ওর বন্ধু এসেছে তো?
    হ্যাঁ, নবাব।
    ওহ তাহলে বেশি করে বানা। এখুনি তো আরো কজন হাজির হবে!
    আর পরোটার ময়দা মেখে বেলে আমাকে ডাকবি, মামুনের আবার আমার হাতের পরোটা ছাড়া পছন্দ হয় না।
    গাওয়া ঘি বার করবি বেশি করে। গাওয়া ঘিতে ভাজবো সব কটা।

    রহিমার তখনও গোয়ালঘর, মাঠকোঠা ঘরে আলো দেখান বাকি। প্রতিদিন সন্ধ্যায় ঘরে ঘরে আলো দেখানো এ রীতি গ্রামের সব মানুষের। চক্কোত্তি বাড়ির বড় বউয়ের শাঁখ বাজলেই হিন্দু মুসলমান সবাই বুঝে যায় ঘরে আলো দেখানোর সময় হয়েছে। চক্কোতি বাড়ির বড় বউ বড় নিষ্ঠাবতী। গ্রামে ঘড়ি আর কটা? এ গ্রামে মসজিদ নাই মন্দিরও তেমন নাই। শিবের মন্দির একটা আছে। তবে চৈত মাসে সেখানে বড় ধুম। গাজন হবে। বাকিসময় হিন্দু মুসলমান সব ছেলে ছোকরার আড্ডা। চার পাড়া মিলে গোটা তিনেক পীরতলা আছে। আগে অনেকেই যেত। এখন যাঁদের বাড়ির কাছে তাঁরা এবং আর কেউ বিশেষ ব্যাপার থাকলে মাটির দীপ জ্বালায়, ধুপ ধুনো দেয়। হিন্দু মুসলমান সবাই কম বেশি পীরকে মানে। তবে ইদানীং পশ্চিমপাড়ার পীরের প্রভাব খুব বেড়েছে। সেখানে লোকে বেশি মানত করে মঙ্গল শনিবারে।
    নবিসনের নামা রোজা করার সময় বেশি মেলে না। তাঁর কথা, ইমান ঠিক থাকলেই হলো। মনে মনে লোকের মেরে খাবার ধান্দা আর মুখে আল্লা রসুল ঠাকুরের নাম, ওতে কোনো লাভ নেই। যিনি আল্লা তিনিই হরি। তাঁর কাছে মানুষের সবাই আসল।
    কলকাতা থেকে আলির বন্ধু শওকত আসায় নবিসন মনে মনে বিচলিত। কিন্তু মুখে তার ছাপ পড়তে দিলেন না। বাড়িতে নতুন সন্তান এসেছে। সেদিন অতিথি আসা শুভ লক্ষণ। তবে কলকাতা তো! একটু কিন্তু কিন্তু ভাব। সেই ভাব দমন করে রহমতকে বললেন, মামুন বোধহয় খানকায় বসে আড্ডা দিচ্ছে, ওকে একটু দাক।
    মামুন তখন জমিয়ে বসে একটা বিড়ি ধরানোর ফাঁক খুঁজছিল। শওকত আলিকে প্রথম দেখছে, তবু বড়র সামনে তো আর বিড়ি খাওয়া যায় না। রহমত এসে ডাক দিতেই হাজির হল দাদাইর সামনে।
    ডাকছিলে?
    শওকত আলি তোমার বাপের বন্ধু। বহুদিন পর এসেছে। কিছু কথা বলতে চাইলে বলবে, আজ বিশ্রাম নিন। কাল সকালে দাদির সামনে কথা হবে।
    নবিসনের সামনে কোনো বেচাল কথা কেউ বলতে সাহস করবে না, এ ভরসা আছে নিজের।

    ******

    ১৩


    মামুনের সঙ্গে কথা শেষ করে আঁতুরঘরে গেলেন নবিসন। মামুনের বউ ছেলেকে দুধ খাওয়াচ্ছিল। উঠে বসতে গেল। মানা করলেন। দাইকে জিজ্ঞেস করলেন, সব ঠিক আছে?
    নিজের চোকেই দেকো বুন। মায়ের মতো ফরসা রঙ আর বাপের মতো নাক চোখ।
    এত ছোটতে সবকিছু বোঝা কঠিন। দাইরা খুশি করতে অনেক কিছু বলে, সব ধরতে নেই। সন্তান সন্তান। সে ছেলেই হোক আর মেয়ে। মামুনের বড় প্রথম সন্তান মেয়ে সালে। তারপর ছেলে স্বপন। দুটোই বড় বুদ্ধিমান। এবং তার ন্যাওটা। পায়ে পায়ে ঘোরে। আল বাপের রাগি মেজাজ দেখে একটু মন খারাপ করে আছে। তারপর মামুনের বউ কিছু কিনতে মুদির দোকানে চাল পাঠানোয় রাগে মামুন বারবার পাঠিয়েছে ছেলে মেয়েদের কাদায়। মামুনের শ্বশুর মানুষ ভালো। আগে কলকাতায় কাজ করতেন। এখন বাড়িতে বসা। বাপের বারিতে অভাব দেখলে কোন মেয়ে ঠক থাকতে পারে। তাই হয়তো মেয়েকে দিয়ে কিছু কিনে পাঠাতে চেয়েছিল। মামুনের পাঠানোয় আপত্তি নেই। কিন্তু দোকানে চাল বেচে কেন, মুখে বললেই পারতো।
    মেয়েদের অনেক সমস্যা, ছেলেরা ওসব বুঝবে না। বাপের বাড়ির দুঃখের কথা স্বামীকেও বলা যায় না।
    নবিসন স্কুলে ফোর পর্যন্ত গেছেন। কিন্তু বাড়িতে স্বামীর কাছে পড়েছেন। বাড়িতে খবরের কাগজ আসত। পড়েছেন অরুণা আসফ আলির কথা, সরলা দেবীর কথা। তাঁদের সঙ্গে কদিন গ্রামের স্কুলে পড়তে এসেছিল চন্দননগরের বাড়িতে থাকা গ্রামের বোসবাড়ির ছেলে রাসু, রাসবিহারী। দেশ ছেড়ে জাপান পালিয়ে নেতাজির হাতে নিজের গড়া সৈন্যদল তুলে দিয়েছিল রাসু। স্কুলে নবিসনের হাতে বানানো আমের ছেঁচকি খেতে পছন্দ করতো। ছোঁয়াছুঁয়ি জাতপাত মানতো না। রাসবিহারী প্রথমদিন স্কুলে গিয়ে দেখে সবাই মিলে স্কুলের টিফিনে ঝালঝাপটা খেলছে। আর তাদের নেতা হচ্ছে একটা মেয়ে। ছেলেদের মতোই গাছে চড়তে ওস্তাদ নবিসনকে দেখে রাসু নিজে আলাপ করেছিল। রাসু তো শহরে মানুষ, ঝালঝাপ্টা খেলা দেখে সে খুব মজা পায়। আর একটা মেয়ে সবার থেকে দড়ো, এবং নবিসন ছিল দলের সর্দার। এইটা তাকে খুব অবাক করেছিল। বাড়ির লোকে বলতো, গেছো মেয়ে। রাসুকে দেশ ছেড়ে চলে যেতে হয়েছে শুনে খুব কষ্ট পেয়েছিলেন নবিসন।
    নবিসন যদি শহরে জন্মাতেন, তাহলে আরো পড়তেন, দেশের কাজে লাগতেন প্রীতিলতা বীণা দাসদের মতো। আক্ষেপ আছে মনে। মামুন তাই পার্টি করায় রাগ করেন না নবিসন।

    কেমন আছিস রে? কোনো অসুবিধা নাই তো?
    না, অস্ফুট স্বরে জানাল মামুনের বউ।
    কিছু খেতে ইচ্ছে করছে? আলাদা কিছু?
    না। আচ্ছা মন খারাপ করিস না। মামুনের মেজাজ এই গরম এই ঠাণ্ডা। আমার নাতি ভালোবাসে তোকে। ভালবাসার লোকের কথায় কিছু মনে করতে নেই।
    মামুনের বউ জবাব দিল না। মেয়েটি হাল্কা জেদি। টের পেয়েছেন নবিসন।
    দাইকে বললেন, তুমি কদিন থেকে যাও। ঝাল খাইয়ে নাড়ি শুকিয়ে তারপর যাবে।
    একটু থেমে বললেন, চিন্তা করো না কাল সকালেই তোমার তোমার বাড়িতে টাকা পয়সা চাল ডাল সিধে সব পোঁছে দিয়ে আসবে রহমত নয় কালু সাঁওতাল।
    নবিসন বেরিয়ে গেল দাই ভাবছিল নিজের কথা। হাজার খানেক সন্তান বিইয়েছে তার হাতে। নিজে মা হতে পারেনি। মাঝরাতে লোক ডাকতে আসতো।

    শ্বশুরবাড়িতে সবাই ঘুমোলে তবে বরের কাছে আসতে পারবে।
    বর ছটফট করতো।
    শাশুড়ির সামনে দিয়ে আসা কঠিন। নানা কাজ চাপিয়ে দিতেন।

    শাশুড়ি মরার আগে ডেকে বলেছিলেন, ক্ষমা করিস মা। তুই মা হলে আমি নাতি নাতনি পেতাম।
    কিন্তু সবাই না খেয়ে মরতাম রে মা।

    তোর বর, আমার ছেলে, আলসে কোনো কাজ পারে না।
    তোর শ্বশুর পঙ্গু। আমি মুড়ি ভেজে ঘর মুছে ক টাকা পেতাম বল?


    ক্রমশঃ
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক।
  • ধারাবাহিক | ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১৪ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যুদ্ধ চেয়ে প্রতিক্রিয়া দিন