এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • বুলবুলভাজা  ধারাবাহিক  উপন্যাস

  • বিশ-একুশ

    ভবঘুরে
    ধারাবাহিক | উপন্যাস | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ৭৩ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • ছবিঃ ঈপ্সিতা পাল ভৌমিক


    ১০


    মামুন নবাব বের হচ্ছে, হঠাৎ শোরগোল। একজন মানুষ সাইকেল থেকে উলটে পড়ে গেছেন। অজ্ঞান। মামুন আর নবাব গিয়ে দেখে নদী লোকটার বুকের ওপর চেপে চাপ দিচ্ছে।
    নবাব মামুনকে ফিসফিস করে বলল, একে বলে সি পি আর। এ জিনিস এই মেয়ে শিখল কোথায়? নবাব কিছুদিন ডাক্তারি শিখেছিলেন। ফুফার কাছে কলকাতায় কম্পাউন্ডারি করেন। ফুফা ছিলেন মেডিকেল কলেজের ডাক্তার। ১৯৬৪-র দাঙ্গার পর ঢাকা চলে যান। আর ফিরবেন না, সঙ্কল্প করেছেন।
    মামুন নবাব দুজনেই চিনলেন। বিশ্বনাথ রায়। মাস্টারমশাই। দলের শিক্ষক সংগঠন এবিটিএ করেন। নবাব নাড়ি দেখলেন। দুর্বল। সঙ্গের ব্যাগে থাকা টেথিস্কোপ স্কুলে বুকে বসালেন। এর মাঝে নদী বলল তাঁর দিদিকে, একটুস নুন চিনি জলে গুলে আন।
    নুন চিনি জল মুখের দাঁত ফাঁক করে মুখ উঁচু করে খাওয়ানোর একটু পর চোখ খুললেন, বিশ্বনাথবাবু। গায়ের জামায় জলে ভিজে। মুখে চোখে জল ছিটানো হয়েছে সাধারণ বিশ্বাস অনুযায়ী।
    বিশ্বনাথবাবুকে তুলে নিয়ে গিয়ে বসানো হল অলকের ঘরে। নবাব খালি মনে মনে ভাবতে লাগলেন, এই মেয়ে ডাক্তারি বিদ্যে জানল কী করে? সুগার ফল করেছে, বুঝেছে ঠিক। এ মেয়েকে যে করে হোক পড়াতে হবে। কিন্তু কীভাবে সম্ভব?
    বিশ্বনাথবাবু একটু ধাতস্থ হলে মামুন বললেন, বিশুদা কোথায় গিয়েছিলেন এমন শরীর খারাপ নিয়ে।
    বিশুবাবু বলতে লজ্জা পাচ্ছিলেন, তিনদিন সেভাবে ঘরে হাঁড়ি চড়ছে না। প্রাথমিক স্কুলে পড়ান। দু মাসের মাইনে বাকি। মাসে ৬৫ টাকা বেতন। তাও দু মাস আসেনি। মানি অর্ডারে করে টাকা আসে। দু মাস আসেনি। বাকিদের জমিজমা আছে। বিশুবাবুর নেই। বাবার টিবি হয়েছিল। যেটুকু জমি ছিল সাঁইদের কাছে বাঁধা পড়েছে। আর ছাড়াতে পারেননি, পারবেন বলে মনেও হয় না। মাইনের টাকা ভরসা। একটু টিউশনি পড়ান। ক্লাস পিছু টাকা ওয়ান এক টাকা টু দু টাকা থ্রি তিন টাকা। ফোর চার টাকা। ফাইভ পর্যন্ত তাঁর কাছে পরে ছেলেমেয়েরা। তারপর বাজারের হাইস্কুলের মাস্টারদের গোয়ালে ঢোকে। সবাই মাইনে দিতে পারে না। কেউ লাউ কুমড়ো দেয়। নভেম্বরে পরীক্ষা হয়ে গেছে। আর কেউ পড়তে আসেনি। কিছুদিন মাঠে মাঠে ধানের শিষ কুড়িয়েছে। পকেটে দুয়েক টাকা জমেছে। এখন মার্বেল গুলি ডাং খেলবে। ফাঁকা ধানের জমিতে লাটাই হাতে ঘুড়ি ওড়াবে। কাঁচের টুকরো টুকরো খুঁজে কুড়িয়ে গুঁড়ো করে সুতোয় আঠা দিয়ে মাঞ্জা দেবে। হাত কাটবে। তবু ঘুড়ি ওড়াবে। বই খাতার মুখ দেখতেই চাইবে না। এক আধজন ছাড়া। বাকিরা আসবে সব ফেব্রুয়ারিতে। মাঘ মাসের জাতের মেলা পার করে। মানে ডিসেম্বর জানুয়ারি পাঠশালা বন্ধ। ততদিন বড়ই কষ্ট। গোটা কুড়ি টাকা জোটে পাঠশালার টিউশনি থেকে। তাও বন্ধ। দুটো মেয়ে ঘরে। অভাব হলেও পড়া বন্ধ করেন। বড় গীতা নাইনে পড়ছে। ছোট সীতা সেভেনে। বামুনের মেয়ে পনেরতেও বিয়ে দেননি বলে কথা শুনতে হয় বউ অনীতাকে। তাও পড়া ছাড়াননি। নিজে এম এ পড়তে পারেননি। মেয়েদের পড়ানোর স্বপ্ন আছে। কী করে হবে জানেন না।

    আজ সকালে বাজারের মিঠাসন পোস্ট অফিসে গিয়েছিলেন। পোস্টমাস্টার জানিয়েছেন, তাঁর আগে ১০-১২জন মাস্টার মশাই আশপাশের গ্রাম থেকে খোঁজ নিতে এসেছিল। কারোর আসেনি। এতা সাব পোস্ট অফিস। মেন এখান থেকে ছয় কিমি দূরে। সুফলের বাকিতে দুটো বিস্কুট আর চা খেয়েছেন। পাশেই রহমানের বেকারি। সেখান থেকে পাঁউরুটিতে ঘি দেওয়ার অপূর্ব ঘ্রাণ আসছিল। তাতে খিদে আরো চাড় দিচ্ছিল। কিন্তু বেকারিতে তো আর ধার করা যায় না। সুফল বহুদিনের চেনা। বাজারে এলে এর দোকানেই একটু চা খান। গল্পগুজব করেন।
    বিশুবাবুকে ধরে অলকের ঘরে বসানো হল। নবাব অলককে জিজ্ঞেস করলেন মুড়ি আছে? অলক হ্যাঁ বললে, একটু চিনি জল মিশিয়ে দাও তো!
    বিশুবাবু হাঁ হাঁ করে ঊঠলেন, না না দরকার নেই।
    অলক রসিক মানুষ মোক্ষম অস্ত্রটি ছাড়লে, বামুন হয়ে কায়েতের হাতের মুড়ি খাবেন না বলুন।
    কী যে বলো, আমরা কমিউনিস্ট পার্টির লোক। নবাব মামুন সবাই পার্টি অফিসে মিটিংয়ের শেষে কাগজে মুড়ি মেখে খাই।
    নবাব ঠাট্টা করলে, জাতের আর রাখলে কমুনিস্টরা। বামুনের পর্যন্ত জাত মেরে দিলে গো!
    মামুনের শালা সদ্য আহসান কিছুদিন হল পাশ করে স্কুলে ঢুকেছে। কলকাতায় হেয়ার স্কুলে কিছুদিন পড়েছে। ইংরেজি খুব ভালো জানে। সার্কেলের স্কুল ইন্সপেক্টরের খুব পছন্দের লোক হয়ে উঠেছে। এলাকার বহু মানি অর্ডার সেই লিখে দেয় স্কুল ইন্সপেক্টরের হয়ে। এবারের টাকা এখনো আসে নি। তাই মানি অর্ডার লেখা হয়নি।
    বিশ্বনাথবাবু মুড়ি জল খেয়ে একটু ধাতস্থ হলে মামুন বল্ল, আপনার সঙ্গে দেখা হয়ে ভালোই হল ২৫ জানুয়ারি কৃষক সভার ডাকে বিডিও অফিস ঘেরাও। সেই পোস্টার দিয়েছেন পাঁচুবাবু। দেখা না হলে তাঁকে যেতে হতো পৌঁছাতে। দেখা হয়ে ভালোই হল।
    বিশুবাবু জানালেন, বিপদতারণ তাঁদের শিক্ষক সংগঠনের তরুণ নেতা। শ্যামলাল স্কুলের বাংলার শিক্ষক তাঁকে এ খবর জানিয়েছে। শিক্ষকরাও কৃষকের পাশে থাকবে। যেমন শিক্ষকদের জমায়েতে পাহারা দেয় কৃষকরা। যাতে আক্রমণ না করতে পারে গুন্ডারা।
    বিশুবাবু ফেরার জন্য সাইকেলে উঠলে, একটু দূরে গিয়ে তাঁকে কাছে ডেকে ২০ টাকার একটা নোট বুক পকেটে গুঁজে দিলেন মামুন।
    কী করছো কী করছো-- বললেন বিশুবাবু।
    মামুন বলল, সময় সুযোগ হলে ফেরৎ দেবেন না হয়। রাখুন না, কাজে লাগবে।

    সাইকেলের প্যাডলে পা দিতে দিতে বিশ্বনাথবাবু অনুভব করলেন, চোখ ঝাপসা হয়ে আসছে।

    ******

    ১১


    ভবিষ্যৎ যেমন অতীতে পাকে, অতীত পচে ভবিষ্যতে-- আনা আখমাতোভা

    বাদশা আর মামুন যখন সুরপুর থেকে ফিরল, তার জন্য এক বিস্ময় অপেক্ষা করছিল।
    এসেছেন এক অতিথি। অতিথি আসা এ-বাড়িতে নতুন কিছু নয়। তবে ইনি এসেছেন এক অদ্ভুত আবদার নিয়ে। মামুনকে কলকাতা যেতে হবে। কলকাতা গিয়ে তাঁর ন্যায্য প্রাপ্য সম্পত্তি বুঝে নিতে হবে।

    কলকাতায় মামুনের বাবা থাকতেন। ইংরেজ কোম্পানির সার্ভেয়ার ছিলেন। দেশের নানা শহরে পোস্টিং পেয়েছেন। কানপুরে দীর্ঘদিন ছিলেন। কিন্তু নাটক করার নেশায় কলকাতা ফেরেন। জড়িয়ে পড়েন স্টার থিয়েটারে। সেখানে 'বঙ্গে বর্গী', 'দেবলা দেবী' সহ নানা নাটকে অভিনয় করেন। নাটকের কারণে নাম বদলাতে হয়। মুসলমানের নিজের নামে অভিনয় মানা। ওস্তাদ আলাউদ্দিন খানের নাম পর্যন্ত পালটে দিয়েছলেন নাট্যাচার্য গিরিশ ঘোষ। মামুনের বাবা আলি আকবর অভিনয় সূত্রে জড়িয়ে পড়েন অভিনেত্রী আশালতা মুখার্জির প্রেমে। একসঙ্গে থাকতে শুরু করেন। চিৎপুরে তিন তলা বাড়ি কেনেন। সেখানেই থাকতেন।
    স্টার থিয়েটারে তাঁকে নিয়ে যান হাতিবাগান মসজিদের ইমাম শওকত আলি। তাঁর পরিবার স্টার থিয়েটারের পাড়াতেই থাকতেন। ওখানে বহু মুসলিম পরিবার থাকতেন। বেশিরভাগ কাগজ তৈরির কাজ করতেন। তাঁদের উঠে যেতে চাপ দেওয়া হচ্ছিল। রাজি ছিলেন না।
    একদিন শীতের রাতে কে বা কারা আগুন দিয়ে দেয়। সব পুড়ে যায়। দু একজন বাচ্চাকেও বাঁচানো যায়নি। লোকজন ছিটকে পড়ে। শওকত আলির ঠাকুরদার অনেক চেনাজানা। তাঁরাই নিয়ে উল্টোডাঙার মুখে মাঠকোবা গ্রামে। সেখানেও মসজিদ আছে। তবু তিনি নিয়ম করে নামাজ পড়াতে আসতেন হাতিবাগান মসজিদে। দুর্মুখের দল বলতো, আসতেন নাটকের টানে। এককালে যাত্রায় অভিনয় করতেন। এখন যাত্রা কমছে, নাটক বাড়ছে। অভিনয় করতে পারছেন না। কিন্তু নাটক দেখার নেশা ছাড়তে পারছেন না।
    তবে তাঁর অভিযোগ ছিল, নাটকের অভিনেতাদের কলজের জোর কম। দীর্ঘ সংলাপ বলার দম নেই এঁদের। তাই ছোট বাক্য বলে!
    আরে বাঙালি তো একটানা কথা বলে। চিবিয়ে চিবিয়ে একটা দুটো বাক্য বলে নাকি।
    তবে গিরিশ ঘোষের নাটক ভালো লাগতো। কিছুটা দেশজ ব্যাপার আছে। শওকত আলি ঠাকুরদার নেশা পেয়েছেন। অভিনয়ও করেছেন যৌবনে। সেই সূত্রেই মামুনের বাপ আলি আকবরের সঙ্গে আলাপ।
    এবং তিনিই নাকি আশালতা ও আলির প্রেমের অনুঘটক।
    মামুনের দাদি অতিথি এলে খুব খুশি হন।
    তাঁর কথা, ঘরে কুটুম আসা মানে আলো আসা।
    পাঁচটা পাঁচ রকমের জ্ঞানের কথা হয়। মন বড় হয়। পরচর্চা পরনিন্দা তিনি একদম সইতে পারেন না।

    কিন্তু শওকত আলি আসায় তিনি খুশি হননি।
    কলকাতা নামেই তাঁর আতঙ্ক। কেন এটা? কাউকে বলতে চান না। কী রহস্য লুকিয়ে আছে!


    ক্রমশঃ
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক।
  • ধারাবাহিক | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ৭৩ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় মতামত দিন