এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • কালবেলার রৌদ্রছায়া - ৩৩

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৮ আগস্ট ২০২৬ | ১৪০ বার পঠিত
  • ( ৩৩ ) 

    মন্ডলপাড়ার তিন রাস্তার মোড়ে সেদিন কাজ থেকে ফেরার পথে সন্ধেবেলায়  বিজয়ের দেখা পেয়ে গেল সাবিত্রী।  ওখানে চায়ের দোকানের 
    বেঞ্চে বসে চা খাচ্ছিল সাবিত্রী।  দেখতে পেল সামনে দিয়ে বিজয় যাচ্ছে।  প্রিয়াঙ্কা তাকে  বলেছিল বিজয়বাবুর সঙ্গে একবার পরিচয় করতে।  সাবিত্রী ঠিক বুঝতে পারল না উনি তার কী উপকার করতে পারবেন।  ওনারা তো এখন ক্ষমতার ধারে কাছে নেই।  তবে অনেকের মুখে  সাবিত্রী শুনেছে সুভাষ গিরির ছেলে তার বাবার মতোই হয়েছে।  
    সাবিত্রী বেঞ্চ থেকে উঠে দাঁড়িয়ে বলল, ' একটু শুনবেন দাদাভাই ...  এই যে এই যে...  পিছনে...  ' 

    সাবিত্রীর কাছে তার ব্যক্তিগত জীবনের সমস্যার কথা শুনে বিজয় বলল, ' হ্যাঁ বুঝেছি... ঘরে ঘরে একই সমস্যা।  এ ব্যাপারে আমাকে কী করতে বলেন ?  '  
    ---- ' তা ঠিক।  আপনি আর কী করবেন।  প্রিয়াঙ্কা বৌদি বলল আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করতে তাই ...  সত্যিই তো আপনি আর কী করবেন।  কে আর কী করতে পারে।   সাবিত্রী বেশ অস্বস্তিতে পড়ে গেল। 
    ----- ' না না শুনুন...  আমি ঠিক বোঝাতে পারিনি।  
    আসলে আপনারা তো সরকারি কর্মচারী...  সরকারি সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করতে হবে আপাতত।  দাবি না মিটলে পরে আন্দোলনের  রাস্তায় গেলে তখন দেখা যাবে...  আমাদের ইউনিট তো আছে আপনাদের ওখানে... '
    এর উত্তরে সাবিত্রী  খানিকটা মেজাজ হারিয়ে ফেলল। বলল, ' আরে ছাড়েন তো এ আবার সরকারি বেসরকারি !  না ঘরকা না ঘাটকা...'
    বিজয় কোন দায়বদ্ধতার মধ্যে গেল না।  কাউকে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে তো কোন লাভ নেই।  
    সে ঠান্ডা মাথায় বলল, ' আশা করি আপনাদের ব্যাপারটা একটা জায়গায় পৌঁছবে।  শেষ পর্যন্ত 
    কিছু না হলে তখন পার্টি নিশ্চয়ই চিন্তাভাবনা করবে। দেখুন কী হয়...  '
    বিজয়ের এসব কথায় সাবিত্রী যে খুব আশান্বিত হল তা নয়, সে আসলে একটা বিকল্প রোজগারের সন্ধান চাইছিল।  সে অনেকের মুখে শুনেছে বিজয়ের সৎ জেদি এবং পরোপকারি মনোভাবের  কথা। তবে সাবিত্রী  এদের পার্টিকে তেমন ভরসা  করে না।  সাবিত্রী  অবশ্য ডানপন্থী বামপন্থী কোন পার্টিকেই বিশ্বাস করে না।  বয়েস তো কম হল না,  এসব পার্টি টার্টি অনেক দেখেছে সে। তার মতে সব শালা ভাঁওতাবাজ।  শুধু ঘোরাল কথা আর  ধান্দাবাজি।  কিন্তু  নানা জনের থেকে শোনা বয়ানের হিসেবমতো বিজয়কে তার একজন  ব্যতিক্রমী পার্টির লোক বলে ধারণা হয়েছে।   
    সাবিত্রী বলল, ' যাক,  আপনার সঙ্গে আলাপ হল।  ভালই হল।  একই জায়গায় থাকি।  পরিচয় আগেই হওয়া উচিৎ  ছিল।  যাক,  হয়নি কী আর করা যাবে... এখন তো হল...  ' 
    ----- ' ঠিক ঠিক,  এটাই আসল কথা...  এখন তো হল।  আশা করব এখন থেকে বারবার দেখা হতে থাকবে।  মানুষের সঙ্গে মানুষের ঘন ঘন দেখা হওয়াটা দরকারি ব্যাপার।  তবেই তো তারা মনের কথা লেনদেন করতে পারবে।  সবার মনের কথা জমাট বেঁধে একটা লড়াইয়ের রাস্তা তৈরি হতে পারে ...  '
    কথাগুলো সাবিত্রীর ভিতরে গিয়ে বসল। একটা উষ্ণ আবেগ ছড়িয়ে গেল  মনের তলায় তলায়। 
    সে বলল, ' হ্যাঁ তা ঠিক ...  মাঝে মাঝে দেখা সাক্ষাতটা খুব দরকার।  মনের কথা বলার জন্য ক'টা লোক খুব দরকার....  '
    ----- ' আপনি আসুন না একদিন সময় করে...  '
    ----- ' কোথায় ?  ' 
    ----- ' আমাদের বাড়িতেই আসুন না।  বাবার সঙ্গেও দেখা হবে।  সুভাষ গিরির নাম শুনেছেন তো ?  ' 
    ----- ' আরে হ্যাঁ  হ্যাঁ...  আমি তো এখানকারই মেয়ে রে বাবা,  ওনাকে চিনব না...  '
    ------ ' হ্যাঁ সেটাই। আসুন তাহলে একদিন।  কথা হবে।  আপনার কলিগরাও যদি কেউ আসতে চায় আসতে পারে।  ঠিক আছে, আসি এখন...  '
    বিজয় চলে গেল।  চায়ের গ্লাসটা সাবিত্রীর হাতেই ধরা ছিল এতক্ষণ।  গ্লাসটা দোকানের নীচের দিকে রেখে দিল।  ভাবল, বিজয় গিরি দুনম্বরী লোক এটা আজ পর্যন্ত কাউকে বলতে শোনেনি।  ওনার বাবাও তাই।  পার্টি ভাল মন্দ যাই হোক না কেন।  
    সাবিত্রী ভাবল এদের দ্বারা আর কি উঠে আসা  সম্ভব।  ক্ষমতায় না থাকলে আর কিভাবে মানুষের 
    উপকার করবে। কারো উপকার করতে গেলেও  ক্ষমতা অর্জন করতে হয়।  অবশ্য খারাপ লোক ক্ষমতা পেলে কী হয় তা তো কারো দেখতে বাকি নেই।  সাবিত্রী চায়ের দাম মিটিয়ে বাড়ির দিকে হাঁটা দিল।  হাঁটতে হাঁটতে ভাবল,  কে আর কারো কতটুকু উপকার করতে পারে।  যে যার নসীব নিয়ে জন্মায়,  যে যাই বলুক, নসীব আপনা আপনা।  তবে কোন কোন লোকের সঙ্গে কথা   বললে বুকে বেশ একটা জোর পাওয়া যায় সেটা অনুভব করল সাবিত্রী।  

    বেলা এগারোটা বাজে।  অতীশ সরকার পঞ্চান্ন নম্বর বাড়িতে গিয়ে কড়া নাড়ল, না মানে কলিং বেল টিপল। সাড়া পাওয়া গেল না।  আরও একবার ঘন্টা বাজাবার পর একজন চাপদাড়িওয়ালা লাল ধুতি আর স্যান্ডো গেঞ্জি পরা ফর্সা মোটা মতো ভুৃড়িওয়ালা লোক দরজা খুলে তার দিকে তাকিয়ে রইল।  কপালে একটা বড় রক্তচন্দনের ফোঁটা।  মনে হয় পুজো করছিল।  
    অতীশ বলল, ' তাপসরঞ্জনবাবু ইয়ে....  
    লোকটি মাথা সামান্য উপর নীচ করে মৃদুস্বরে বলল, ' হুঁ ...  ' 
    অতীশ বলল, ' ও। ইয়ে...  মানে তারক  গোস্বামীবাবু...  '
    কথা শেষ হবার আগেই লোকটি বলল, ' হ্যাঁ বুঝেছি...  ভেতরে আসুন...  ' 
    বাড়িটা দোতলা।  তাপসরঞ্জন ভিতরে ঢুকে একতলার একটা ঘরে বসলেন।  কিছুটা অগোছাল ধরণের ঘর। ঘরের দেয়ালের তিনদিকের রঙ চটা দেয়ালে বেশ কিছু ঠাকুর দেবতার ছবি। ঘরে একটা পুরনো সোফা আর বেশ দামী কাঠের তিনটে গদিসাঁটা চেয়ার রয়েছে।  সবকটাতেই ধুলো পড়েছে।  দরজায় ঝোলানো একটা ছোট তোয়ালে ধরনের ন্যাকড়া দিয়ে সোফার একটা পাশ ঝেড়ে দিয়ে বলল, ' বসুন...'। 
    অতীশ বসে পড়ল।  তাপসরঞ্জন মৈত্র নিজে একটা চেয়ারে বসলেন।  সামনের দেয়ালে টানানো কোন এক দেবীর দিকে মুখ তুলে চোখ বুজে বুকের কাছে ডানহাতটা এনে আঙুল নাড়িয়ে জপের মতো কিছু একটা করে বিড়বিড় করে কিছু মন্ত্রোচ্চারণ করলেন।  মা মা ... মা গো মা ...  বলে হঠাৎ ডেকে উঠলেন।  কয়েক সেকেন্ডের ব্যাপার অবশ্য।  তারপর চোখ খুলে অতীশের দিকে তাকিয়ে বললেন, ' হ্যাঁ বলুন ...  ' 
    অতীশ তার ওই অভিনব পরিকল্পনাটা কিভাবে উপস্থাপন করবে ভেবে পাচ্ছিল না। 
    তাপস মৈত্র মশাই অভিজ্ঞ মানুষ।  তিনি অতীশের মতো আনাড়ি লোকের অস্বস্তি বুঝতে পেরে নিজেই হাল ধরলেন।  তিনি অতীশের হাবভাব দেখে বুঝতে পারলেন এ ঠিক লাইনের পাবলিক না।   
    বললেন, ' আপনি তারকদার ক্যানডিডেট।  আপনাকে ফালতু কথা বলব না।  জায়গা রেডি আছে।  মন্দিরের পাশের দিকে একটু বাগানও আছে।  একদম সাইজের জমি।  শুধু মন্দিরের 
    স্ট্রাকচারটা একটু সংস্কার করে নিতে হবে।   অনেকদিন হাত পড়েনি তো।  ঠিক মতো জমাতে  পারলে আাপনার প্রফিট ভাল থাকবে শিয়োর। অ্যাসাইনমেন্টটা নিলে আপনি আত্মানন্দ সরস্বতী  মহামিলন মঠের ফ্র্যানচাইজি হতে পারেন।    অসুবিধা হবে না।  সবরকম সাহায্য পাবেন বিজনেস ডেভেলপমেন্টের।  শুধু থার্টি পারসেন্ট দিতে হবে ওদের মূল কেন্দ্রে,  মানে হেড অফিসে।  এ লাইনে প্রফিট ভাল আছে এখন। প্রথম দিকে দু একটা মিরাকল স্টান্ট  একটু জমিয়ে দিতে পারলে ভাল লোক টানতে পারবেন....  অসুবিধা হবে না। তারপর ডিভোটিরাই আপনাকে টেনে নিয়ে যাবে...  মানে আপনার মঠকে টেনে নিয়ে যাবে...  মূলকেন্দ্রের অ্যাসিস্ট্যান্স পাবেন...  গাইড করে দেবে প্রপারলি...  '  
    তাপসরঞ্জনের কথাগুলো সবই ধোঁয়াশা মনে হতে লাগল অতীশের কাছে।  সে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে রইল মৈত্র মশায়ের মুখের দিকে।  
    ----- ' না মানে...  আমি বলছিলাম যে ...  '
    মৈত্র মশাই  কথা শেষ করতে দিলেন না।  
    ----- ' বুঝতে পেরেছি...  ইনিশিয়াল ডিপোজিটের কথা বলছেন তো ?  চিন্তা করবেন না।  তারকদা যখন পাঠিয়েছেন আমি ওটা দশ লাখের মধ্যে করিয়ে দেব। বললে বিশ্বাস করবেন না,  আমার পয়েন্ট ফাইভ পারসেন্টের বেশি থাকে না।  নেহাত কাজটা ভালবাসি তাই করি।  নইলে আমার কী।  
    আমার মাথার ওপর জগজ্জননী আছেন,  তিনি সব বিচার করবেন ...  ' 
    অতীশ ভাবল,  তা বিচার করুন জগজ্জননী  কিন্তু তার তো এসব দশ লাখ বিশ লাখের গল্প কিছুই মাথায় ঢুকছে না।  বুদ্ধিসুদ্ধি সব  গুলিয়ে যাচ্ছে।    সে কোনরকমে নাক গলিয়ে দিল তাপসরঞ্জনের কথার তোড়ের মধ্যে,   ' না স্যার,   আমার কথাটা একটু শুনুন।  আমি বলছিলাম যে...    
    ----- ' হ্যাঁ বলুন ...  '
    ----- ' আমি চাইছিলাম নিজে করতে...  '
    ----- ' নিজে মানে ?  '
    ---- ' মানে কোন প্রতিষ্ঠানের আন্ডারে না ...  ' 
    ----- ' ও  আচ্ছা। নিজের বাড়িতেই  করবেন ? '
    ----- ' না না...  সেটা কী করে হবে,  সে কী সম্ভব নাকি ?  জায়গাই বা কোথায় ?  '
    ----- ' তাহলে ?  '
    ----- ' যদি একটা জায়গা দেখে দেন তাহলে আমি 
    চেষ্টা করে দেখতে পারি...  '
    ---- ' বুঝতে পেরেছি। ব্যক্তিগত উদ্যোগ,  আপাতত ট্রাস্টের ঝামেলা বাদ দিয়ে আর কী।  কিন্তু সেটা করতে গেলে তো একটা বড় খুঁটি ধরতে হবে।  সেখানেও এমনি এমনি তো কিছু হবে না।  ইনভেস্টমেন্ট আছে। এখানে ডায়রেক্ট মঠের আন্ডারে। গন্ডগোল কম ছিল।  ঝক্কি ওরা সামলাত।  যাক, সে কথা না  হয় বাদ দিলাম।  বলছি যে আপনার কি কেউ আছে ? ' 
    ----- ' ঠিক বুঝলাম না।  কেউ আছে মানে ?  ' 
    ----- ' পলিটিকাল কানেকশান ছাড়া তো আপনি 
    কাজটা নিয়ে এগোতে পারবেন না।  কাজেই বুঝতে পারছেন...  ইনিশিয়াল ইনভেস্টমেন্টটাও ধরতে হবে। কেন  তারকদা কিছু বলেনি ? '
    ----- ' হ্যাঁ...  মানে ন্না...  ঠিক এরকম তো কিছু...  '
    ----- ' বুঝেছি ...  তারকদা জানে কেসটা ঘুরে তার কাছেই যাবে।  এরকমই চলছে।  তারকদার সঙ্গে কি আপনার ডায়রেক্ট কানেকশান আছে ? '
    ----- ' না তা নেই।  আমার এক বন্ধুর থ্রু দিয়ে... '
    ---- ' অ, তাই বলুন।   সেই জন্যেই...  আমি স্পষ্ট 
    কথা বলি বলে অনেকে আমাকে পছন্দ করে না।  
    সনাতনীদের মধ্যেও আমি মুখ খুলি।  কে কী  করবে আমার ?  আমার জগজ্জননী মায়ের কোলে বসে আছি আমি... মা মা...  '  
    তাপসরঞ্জন খানিকক্ষণ চোখ বুজে  রইলেন।  অতীশ উসখুস করতে লাগল। মনে হতে লাগল  ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি। জগজ্জননী তার মতো ছা পোষা লোকের জন্য নয় এটাও বুঝতে পারল।  
    মৈত্রমশাই চোখ খুললেন।  অতীশ বলল, ' ঠিক আছে স্যার।  আমি আজ আসি।  একটু  চিন্তাভাবনা করে দেখি।  তারপর নয়...  '
    মৈত্রমশাই বললেন, ' ঠিক আছে  ঠিক আছে...  ভেবে ঠিক করুন।  হুট করে কোন কাজে হাত দেওয়া ঠিক না। আপনাকে দেখে ভালমানুষ মনে হচ্ছে,  তাই এসব বললাম।  সবাইকে সব কিছু বলি না  বুঝলেন তো...  '    
    ----- ' না...  ভেবেছিলাম  এখন তো জমানা বদলে গেছে।  একটু সুবিধে হয়ত পাব...  '
    তাপস মৈত্রর ঠোঁটের কোনে একটা বাঁকা হাসি ফুটে উঠল।   
    ----- ' জমানা বদলে গেছে।  আপনারা বদলেছেন কি ?  ভেবে দেখবেন...  ' 

      ( ক্রমশ )  

    ********************
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় মতামত দিন।