এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • কালবেলার রৌদ্রছায়া - ৮

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ৩৫ বার পঠিত | রেটিং ৩ (১ জন)
  • | | | | | | |
    ( ৮ )

    অনিন্দ্যবাবু শোয়ার ঘরে গেলেন এবং চুপচাপ শুয়ে পড়লেন। সহধর্মিণী শিঞ্জিনী একটা পেপার ব্যাক সংষ্করণের ইংরিজী থ্রিলার নভেলেট পড়ছিলেন। তার পড়ার নেশা এখনও বজায় আছে। তবে শিঞ্জিনী বাংলা বই পড়েন না বললেই হয়। আসলে একটু অন্যধরণের সামাজিক কাঠামোয় লালিত হওয়ার ফলে বাংলা লেখা পড়ার অভ্যাস তেমন গড়ে ওঠেনি। জন্ম হয়েছিল শিলং-এ, পরে তারা থেকেছেন পুনেতে।
    কলকাতায় যখন এসেছেন তখন তার বয়স সাতাশ। তার এক বছর পরে অনিন্দ্যবাবুর সঙ্গে তার বিয়ে হয়।
    খাটের একপাশে বসে থ্রিলার পড়তে পড়তে শিঞ্জিনী বললেন, ' ঘুম পেয়ে গেছে ? আরও তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়তে পারতে। এতক্ষণ জেগে থাকার দরকার কী ? বয়সটা তো আর কমছে না... '
    অনিন্দ্যবাবু ওদিকে পাশ ফিরে শুলেন। চোখ বুজে অর্ধোস্ফুট স্বরে বললেন, ' হুঁ ... রাইট রাইট.... '
    শিঞ্জিনী বললেন, ' সময় পেলে এই বইটা প'ড়... ভাল লাগবে। ড্যারেল এডরিচের লেখা। ব্রিটিশ রাইটার... '
    অনিন্দ্যবাবু কোন আগ্রহ দেখালেন না। বললেন, ' ওসব বাজারি থ্রিলারে আমার কোন ইন্ট্রেস্ট নেই।
    ভাল লাগে না... '
    --- ' না না... ইটস নট লাইক দ্যাট। পড়ে দেখ। ইটস আউটরাইটলি ইউনিক... '
    এসব কথা অনিন্দ্যবাবুর ভাল লাগছিল না। ওই রবীন্দ্রনাথবাবু তার মনে একটা ভার চাপিয়ে দিয়ে গেছে। ব্যাপারটা যদি সত্যি হয় তার করনীয় কি সে ব্যাপারে একটা সিদ্ধান্ত নেওয়া দরকার। ভাবছিলেন, ছেলেকে ডেকে সরাসরি কথা বলবেন। কিন্তু তার ভীষণ অস্বস্তি হতে লাগল এ ব্যাপারে কথা বলার জন্য ছেলের মুখোমুখি হতে। শিঞ্জিনীর সঙ্গে এ ব্যাপারে পরামর্শ করা যেতে পারত। কিন্তু তার কাছ থেকে কোন নির্দিষ্ট সমাধান সূত্র পাওয়া যাবে বলে আশা করেন না অনিন্দ্যবাবু, বরং নানা অপ্রাসঙ্গিক এবং অসঙ্গত কথা বলে ব্যাপারটা আরও ঘোরাল করে তুলতে পারে শিঞ্জিনী এবং সে যে নিশ্চিতভাবেই অনুমিতের পক্ষ অবলম্বন করবে তাতে কোন সন্দেহ নেই অনিন্দ্যবাবুর। সুতরাং ...
    অনিন্দ্যবাবুর স্ত্রী হঠাৎ বলে উঠলেন, ' রিয়েলি ইউনিক ! সাম ফাদার হ্যাজ সামহাউ গট দা ক্লু যে তার ছেলে একটা মেয়েকে রেগুলারলি টরমেন্ট করতে করতে ভার্চুয়ালি ইনার্ভেট করে ফেলে হুইচ আলটিমেটলি লেড হার টু কমিট সুইসাইড।
    তারপরই শুরু হচ্ছে আসল স্টোরি। বাবা তার ছেলের এত বড় ক্রাইম মেনে নিতে পারেনি। বিবেকের দংশন তাকে প্রতিজ্ঞা করায় যে, ছেলের এই জঘন্য অপরাধের শাস্তি নিজেই দেবেন। তার জানা ছিল আইনি রাস্তা নিয়ে কোন লাভ হবে না। প্যালপেবল এভিডেন্সের অভাবে সে সহজেই ছাড় পেয়ে যাবে অ্যান্ড দা সন ওয়াজ টু ডজি এ ফেলো।
    অনিন্দ্যবাবুর নিদ্রালু ভাব আচমকা কেটে গেল। তিনি শিঞ্জিনীর দিকে পাশ ফিরলেন। তার মুখের দিকে তাকিয়ে রইলেন। বললেন, ' ওয়েল... ইয়েস... দেন ? '
    শিঞ্জিনী বলে যাচ্ছেন, ' তারপর নানা স্টেপ পেরিয়ে কিভাবে সে শেষ পর্যন্ত ছেলেকে অ্যাপ্রোপ্রিয়েটলি পানিশ করল সেই নিয়ে পুরো স্টোরিটা... '
    অনিন্দ্য বসু উঠে বসলেন।
    --- ' কিভাবে কিভাবে ? '
    --- ' সেটা আমি বলব না। যদি তুমি বইটা পড়... আগে জেনে গেলে ইন্ট্রেস্ট নষ্ট হয়ে যাবে। তুমি পড়ে নিও ... '
    --- ' ইয়েস, আই মাস্ট ... দেখি বইটা... '
    শিঞ্জিনী একটু অবাক হয়ে গেলেন অনিন্দ্যবাবুর এত আগ্রহ দেখে।
    --- ' হমম্... এই নাও ... '
    অনিন্দ্যবাবু বইটা নিয়ে বললেন, ' ঠিক আছে, পড়ব। তবে থ্রিলার হিসেবে নয়... '
    --- ' তবে ? '
    --- ' অ্যাজ এ পাথফাইন্ডার '
    --- ' পাথফাইন্ডার ! '
    --- ' হ্যাঁ, ওই আর কি... ইন্ট্রেস্টিং মনে হচ্ছে... '
    অনিন্দ্যবাবু বললেন। বলব বলব করেও এর বেশি বলা হয়ে উঠল না।

    পরদিন সকালে ড্রয়িংরুমে বসে একটানা প্রায় দেড়ঘন্টা পড়ে বইটা পড়ে শেষ করলেন। সামনের নীচু টেবিলে বাংলা ইংরিজী মিলিয়ে পাঁচটা খবরের কাগজ পড়ে আছে।
    গল্পের পটভূমি স্কটল্যান্ড। এ দেশের 'হেজিমনি' নিয়ন্ত্রিত বিচারব্যবস্থার সঙ্গে আকাশ পাতাল কাঠামোগত তফাৎ। তবু কাহিনীটা থেকে জজসাহেব বোধহয় একটা অনুসরণযোগ্য নির্দেশিকা পেলেন। গল্পের পথভ্রষ্ট যুবক স্টুয়ার্টের সঙ্গে অনুমিতের অনেক মিল পাওয়া গেল। আর তার বাবার চরিত্রটা তার সঙ্গে অন্তত মানসিক টানাপোড়েনের দিক থেকে অনেকটা মেলে। তিনি ভাবতে লাগলেন তিনি কি ওই বাবার কাজের ধরণটাই গ্রহণ করবেন। পারবেন তিনি ?

    মিনিট পাঁচেক পরে ডানপাশ থেকে পায়ের শব্দ পাওয়া গেল। অনুমিত আসছে। দরজার ঠিক সামনে এসে পড়ল অনুমিত। ভাবার সময় নেই।
    স্টুয়ার্টের বাবার নেওয়া 'ফার্স্ট স্টেপ '....
    অনিন্দ্যবাবু বললেন, ' মিতুল শোন... '
    মিতুল, মানে অনুমিত দাঁড়িয়ে গেল। ' হ্যাঁ, বল... '
    অনুমিত ঘরে ঢুকে এল।
    অনিন্দ্যবাবু অনুমিতের কোন অনুমতির তোয়াক্কা না করেই নির্দেশ জারি করলেন, ' এখন বেরিও না। তোমাকে নিয়ে একটু বেরব... '
    আচমকা এরকম একটা আদেশ শুনে অনুমিত অবাক হয়ে বাবার দিকে তাকিয়ে রইল।
    --- ' কোথায় ? ', অনুমিত হাতের ঘড়িতে সময় দেখল। তার বোধহয় দেরি হয়ে যাচ্ছে।
    --- ' একটা সি এ ফার্মে যাব তোমাকে নিয়ে। আমার এক বন্ধুর ফার্ম। সাড়ে বারোটায় টাইম দেওয়া আছে... '
    --- ' কেন ? '
    --- ' একটা অ্যাপ্রেনটিসশিপ পাওয়ার চান্স আছে। তোমার তো কমার্স ছিল। তোমার পক্ষে কনভিনিয়েন্ট হবে... '
    --- ' ও... আজ তো আমার একটা আর্জেন্ট অ্যাপয়েন্টমেন্ট আছে। এই উইকটা আমি একটু বিজি থাকব ... অন্য ডেট ফিক্স কর না... '
    --- ' অ্যাপয়েন্টমেন্ট ! কোথায় ? '
    --- ' ও আছে... একটা বিজনেস লঞ্চ করার ব্যাপারে কথাবার্তা চলছে... '
    --- ' তুমি আর বিজনেস ! কোন আইডিয়া আছে তোমার ? '
    --- ' কাজ স্টার্ট হলেই আইডিয়া গ্রো করে যাবে। তাছাড়া আমি তো একা নই। আরও দুজন পার্টনার আছে। তুমি আমাকে খুব আন্ডারএস্টিমেট করছ বাবা... '
    অনিন্দ্যবাবু এ কথার উত্তর কোন উত্তর দিলেন না। বললেন, ' তোমার আজকের অ্যাপয়েন্টমেন্টটা তুমি ক্যানসেল কর। আজকে তুমি আমার সঙ্গেই যাবে... '
    --- ' তুমি এসব কি বলছ... এটা করা যায় নাকি? ওরা ওয়েট করে থাকবে আমার জন্য। আর তাছাড়া টু বি অনেস্ট, তুমি যে জবের কথা বলছ তাতে আমার কোন ন্যাক নেই। যাতে ন্যাক নেই তাতে কোন প্রসপেক্টও নেই... '
    --- ' বাঃ, অনেক কিছু বুঝে ফেলেছ দেখছি। দেখে খুশি হলাম। আচ্ছা তোমাদের মিটিংটা কোথায় কখন হবে ? মানে, ক'টা থেকে ক'টা ? '
    --- ' ওই তো এক পার্টনারের বাড়িতে... সাড়ে এগারোটায় আমাদের মিট করার কথা.... '
    --- ' পার্টনারের বাড়িতে ? সেটা কোন জায়গায় ?'
    --- ' ওই তো কসবার কাছে... '
    --- ' না না... এক্জ্যাক্ট লোকেশানটা বল... '
    --- ' আমিও ঠিক জানি না। জি পি এস দেখে যেতে হবে... '
    --- ' ওয়েল ওয়েল... নো প্রবলেম। লোকেশানটা দেখি... '
    --- ' কেন ? '
    --- মিটিং শেষ হবার পর আমি ওখান থেকে তোমাকে পিক আপ করব। তারপর তোমাকে নিয়ে মিস্টার বোসের অফিসে যাব। তাকে রিকোয়েস্ট করছি আমাদের অ্যাপয়েন্টমেন্টের টাইমটা সন্ধে সাতটা নাগাদ করতে। হোপফুলি উনি রাজি হয়ে যাবেন। রাত নটা পর্যন্ত উনি চেম্বারে থাকেন... '
    বাবার নাছোড়বান্দা ভাব দেখে অনুমিতের মনে একটা সন্দেহ দানা বাঁধল। ভাবল, ব্যাপারটা কী? তার বাবা তো এরকম করে না। চারিদিকে শত্রুর তো অভাব নেই। তার কেমন গা ছমছম করে উঠল। অপরাধবোধ মনের জমিতে কাঁটা ছড়িয়ে রাখে। যখন তখন ফুটতে থাকে মনে কেউ নাড়াচাড়া দিলেই।
    তার স্বর যেন একটু ঝিমিয়ে পড়ল। বলল, ' তুমি এত প্রেস করছ কেন বুঝতে পারছি না। বললাম তো... আমি অন্য একটা অ্যাসাইনমেন্ট নিয়ে প্রিঅকুপায়েড আছি... '
    --- ' ঠিক আছে, মেনে নিলাম। আমি তোমার অ্যাসাইনমেন্ট শেষ হলেই তোমাকে পিক আপ করব বললাম তো ... '
    অনুমিত এতক্ষণ দাঁড়িয়ে ছিল। এবার বসে পড়ল। মাথা নীচু করে কয়েক সেকেন্ড কী ভেবে নিল। তারপর বলল, ' ওক্কে... তুমি যখন এত ইনসিস্ট করছ, আমার অ্যাপয়েন্টমেন্টটা আমি ক্যানসেল করে দিচ্ছি। চল কোথায় যাবে .... '
    --- ' ঠিক আছে, লাঞ্চ করে বেরব। দুটো নাগাদ গেলে চলবে। এখন ভিতরে যাও... '
    অনুমিত ভিতরে যাওয়ার পরে মিনিট তিনেকের মধ্যে গৌরীশঙ্কর চক্রবর্তী এসে হাজির হলেন।
    --- ' হ্যাঁ, তুমি এসে গেছ ভালই হয়েছে... এই যে... এই অ্যাড্রেসটা নাও। ওখানে গিয়ে আশেপাশে খোঁজ নেবে রবীন্দ্রনাথ দত্ত বলে কেউ এ বাড়িতে থাকে কিনা, তার কোন মেয়ে আছে কিনা এবং সে কোন কলেজে পড়ে। ইনফর্মেশানগুলো পেয়ে গেলে আমাকে ফোন করবে। তারপর তোমার ছুটি। এখনই গেলে ভাল হয়। ও হ্যাঁ, চা খাবে নাকি ? '
    --- ' তা একটু হলে হয়... ' গৌরীবাবু বললেন।

    ( ক্রমশ )

    ****************************
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
    | | | | | | |
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ক্যাবাত বা দুচ্ছাই মতামত দিন