এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • কালবেলার রৌদ্রছায়া  - ১৫ 

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ০১ এপ্রিল ২০২৬ | ১৫০ বার পঠিত
  • | | | | | | | | | ১০ | ১১ | ১২ | ১৩ | ১৪ | ১৫ | ১৬ | ১৭ | ১৮ | ১৯ | ২০ | ২১ | ২২ | ২৩
    ( ১৫ )

    দেবাশিস সীতেশ মাইতির বাড়ি গেল রবিবার দিন। সীতেশবাবুর বয়স এখন সাতাশি বছর। এখনও কিন্তু দিব্যি আছেন। অত বয়েস হয়েছে বোঝার উপায় নেই। মস্তিষ্কও একেবারে ঠিকঠাক কাজ করছে। কথাবার্তায় কোন অসংলগ্নতা নেই। একসময়ে পুরোদস্তুর কংগ্রেসি ছিলেন। এখন রাজনীতির সঙ্গে একেবারেই কোন সংস্রব নেই।

    দেবাশিসের অবশ্য সীতেশবাবুর রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে কোন মাথাব্যথা নেই। উনি তার বাবার মাস্টারমশাই ছিলেন গ্রামের হাইস্কুলে। তখন থেকেই তাকে চেনেন সীতেশবাবু। মাঝেমাঝে তাদের বাড়িতেও যেতেন। তখন তিনি রাজনীতি করেন, কিন্তু কখনও রাজনীতির কথা বলতেন না।

    ইতিহাস, ভূগোল, সাহিত্যের কথা বলতেন। যেগুলো কিছুই ঠিক বুঝতে পারত না দেবাশিস। কিন্তু মাস্টারমশাই বাড়িতে এলে খুব ভাল লাগত তার। সীতেশবাবু স্যার শুধু তাদের বাড়ি নয়, আরও অনেকের বাড়িতে যেতেন। বাড়ির ছেলেমেয়েদের পড়া দেখিয়ে দিতেন।

    মাইতিবাবু স্যার বাড়ির পাশের দিকে ছোট জায়গাটায় খুরপি দিয়ে মাটি ওপর নীচ করছিলেন ক'টা গোলাপ চারার পরিচর্যার জন্য। দেবাশিসকে দেখে বললেন, ' আরে... দেবাশিস এস এস ... অনেক দিন পর... '
    উঠে দাঁড়িয়ে ধুতিতে লেগে থাকা মাটি ঝাড়তে লাগলেন।
    দেবাশিস বলল, ' অনেক সমস্যা আছে স্যার। সময় পাইনা... '
    --- ' ও... তা বটে। সমস্যা ছাড়া কি আর জীবন হয় ? সমস্যা জীবনের জামাকাপড় ... '
    --- ' হ্যাঁ, মানে... টাকা পয়সার খুব সমস্যা হচ্ছিল। এখন অবশ্য খানিকটা সামলেছি.... '
    --- ' কাজ পেয়েছ কিছু ? চল রোয়াকে চল... '
    দুজন রোয়াকে গিয়ে দুটো কাঠের চেয়ারে বসল।
    --- ' ওই একটা যাহোক কিছু ... খানিকটা সুবিধা হয়েছে এটা ঠিক। ওই সুভাষ গিরিবাবুর ছেলে নিয়ে গেল... '
    --- ' হ্যাঁ হ্যাঁ বিজয়... চিনি। দুর্দান্ত ছেলে। আমাদের সঙ্গে মতাদর্শে না মিলতে পারে, কিন্তু ভালকে ভাল বলতেই হবে। তা, ওই কি কাজের সন্ধান দিল ? '
    --- ' হ্যাঁ... '
    --- ' অ... তা বেশ। ওদের পার্টিতে জয়েন করতে বলেছে নাকি ? '
    --- ' না, সেরকম কোন ব্যাপার নেই। ওরা কিছু বলেনি, কিন্তু আমার খুব ভাল লাগে। আমি মাঝে মাঝে যাই ওখানে... '
    --- ' কোথায় ? '
    --- ' ওই জঙ্গলের দিকটায়... '
    সীতেশবাবু চশমাটা খুলে কাঁচ মুছলেন। তারপর আবার চোখে পরলেন।
    --- ' সে ঠিক আছে। কিন্তু একটু বুঝে সুঝে চল
    .... এখন তো সময় ভাল না। জঙ্গলের দিকের ওরা একসময়ে এখনকার এদের সঙ্গে ছিল... '
    --- ' কাদের সঙ্গে ছিল স্যার ? '
    --- ' বেশি বলব না... বুঝে নাও... '
    দেবাশিস সীতেশবাবুর কথাটার বিরুদ্ধে গেল না। কথাও বাড়াতেও চাইল না।
    সংক্ষেপে বলল, ' শুনেছি স্যার... '
    --- ' কাজে কাজেই .... এখন যারা পাওয়ারে আছে, নানা ফ্রন্টের মদতে তারা কিন্তু খুব পাওয়ারফুল এখন ... '
    --- ' কিন্তু স্যার, জঙ্গলের ওরা তো ছিল মাওবাদি না কী বলে .... আর বিজয়দারা তো... '
    --- ' সব জানি। আমি বিজয়দের কথা বলছি না ... এখন যারা পাওয়ারে আছে তাদের সহ্যশক্তি খুব কম... আর নানা গোত্রের শক্তি এদের শক্তি যোগাচ্ছে। কাজেই... কী বলছি বুঝতে পারছ তো ? '
    --- ' বুঝেছি স্যার। কিন্তু ভয়ে চুপ করে থাকলে তো এরা আরও চেপে ধরবে। একটা স্কুলের দারোয়ানের চাকরির জন্য দশ লাখ চাইছে। কী বলব... '
    --- ' তোমার কাছে চেয়েছে ?
    --- ' হ্যাঁ তো ... ওই দালালটা... প্রশান্ত... '
    --- ' সে কে ? '
    --- ' ও আপনি চিনবেন না। পার্টির দালাল... প্রশান্ত দাস... '
    --- ' হায় ভগবান ... ', সীতেশবাবু মাথা নীচু করে কী ভাবতে লাগলেন।
    একটু পরে বললেন, ' মুড়ি খাবা নাকি ? ফার্স্ট ক্লাস আখের গুড় আছে... '
    --- ' তা... হলে হয়... '
    সীতেশবাবু গলা তুলে বললেন, ' একবাটি মুড়ি গুড় দিও গো ... '
    কাকে বললেন কে জানে। তার স্ত্রীকে খুব সম্ভবত। মিনিট পাঁচেক পরে গুড় মুড়ি এল। দেবাশিস দেরি না করে খেতে আরম্ভ করল। আলো ঝিমিয়ে পড়েছে। বিকেল গিয়ে সন্ধে আসব আসব করছে। পশ্চিমের আকাশ ঝিকিয়ে কনে দেখা আলো এসে বসেছে সামনের দুটো নারকেল গাছের মাথায়। নিস্তব্ধতা ভেঙে ক'টা কাক খামোখা ডাকাডাকি করে নিজেদের মধ্যে কাকে কী জানান দিচ্ছে এই ধূসর বেলায়। কোলাহলহীন ম্লান বিকেলবেলা। একটা রিক্শা যাচ্ছে সামনের ভাঙাচোরা রাস্তা দিয়ে খটর খটর করতে করতে।
    রিক্শাটা বাড়ির সামনাসামনি দাঁড়িয়ে গেল। এদিকে ঘাড় ঘুরিয়ে বলল, ' মাস্টারমশাই... বেরোবেন নাকি ? '
    --- ' না... আজ আর বেরব না। কাল সকালে আসিস... একটু কোর্টের দিকে যাব... '
    --- ' কিন্তু ও পাড়ায় তো খুব ঝামেলা হচ্ছে... '
    দেবাশিস মুড়ি চিবোন থামিয়ে বলল, ' কেন, কী কেস ? '
    --- ' মিশিরডাঙার মাঠে গত সপ্তাহে একটা ঠিকাদার খুন হয়েছিল না মিশিরডাঙার মাঠে... তার বদলা আর একটা মার্ডার হয়েছে এই খানিক আগে... শেতলা মন্দিরের পিছনে... মেলা পুলিশে ভর্তি ওখানটায়... দেখে এলাম সে পাশ দিয়ে আসার সময়... '
    সীতেশবাবু আঁতকে উঠে বললেন, ' অ্যাঁ, সেকি ! কী হচ্ছে এসব ... '
    দেবাশিস আবার গুড় মুড়ি মুখে পুরল। পরমানন্দে চিবোতে চিবোতে বলল, ' কিচ্ছু চিন্তা করবেন না স্যার। সিন্ডিকেট বনাম সিন্ডিকেট। দুটোই একই পার্টির। সব সামলে নেবে। পুলিশকে
    সব বলা আছে। কিচ্ছু চিন্তা করবেন নয়। দুটো গ্রুপই ইলেকশানের সময় হেব্বি সার্ভিস দেয়... একেবারে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে। এদের ছাড়া ধসে যাবে পাওয়ারের ভিত ... হ্যাঃ হ্যাঃ... '
    রিক্শাওয়ালা তারকনাথও বত্রিশ পাটি বার করে বলল, ' হ্যাঃ হ্যাঃ হ্যাঃ.... এরকমই চলবে মাস্টারমশাই... কী আর করা যাবে, কোথায় আর যাব... থাকতে তো হবে এদেরই সঙ্গে ... আচ্ছা
    চললাম... কাল খোঁজ নেব ... চিন্তা করবেন না... '
    তারকনাথ প্যাডেল মারতে লাগল ধীর গতিতে।
    দেবাশিস আধ ঘটি জল খেল।
    --- ' দেখলেন তো স্যার, তারকও সব জানে... '
    --- ' তাই তো দেখছি। সবাই সব জানে। সবাই পন্ডিত, তবু সব মেনে নেয়... '
    --- ' উপায় নেই স্যার। ক্ষমতায় ক্ষমতা আনে... '
    --- ' হমম্... যেমন টাকায় টাকা আনে। তারপর টাকায় ক্ষমতা আনে, আবার ক্ষমতায় টাকা আনে... '
    দেবাশিস বলল, ' টাকা ছাড়া তো লোক ভাড়া করা যায় না। পয়সা ছাড়া তো কাজ হয় না। মানে টাকায় লোক আনে আবার লোকে টাকা আনে... '
    --- ' বাঃ রে, ঘোরাল কথা খুব সহজ করে বললি তো... তোর হবে। এখন যে ক্ষমতায় আসবে সেই এই ফর্মূলায় চলবে। এ ব্যাপারে ডান বামের তফাৎ কিছু নেই। ক্ষমতায় এসেই টাকা তোলায় মন দাও। তার কিছু ছিটে ফোঁটা ছিটিয়ে দিও গরীব গুর্বোদের শান্তির জলের মতো। তাতেই ওরা বর্তে যাবে। ব্যস... তারপর আর চিন্তা কী ? ওরা তোমার ক্রীতদাস হয়ে থাকবে.... '
    --- ' মানে, ওদের থেকে লুট করা টাকা ওদেরই... আর কি ... ঠিক আছে স্যার আমি এখন উঠি... অনেক কাজ আছে... আর একদিন আসব... '
    --- ' ঠিক আছে, এস আবার। কথা বলার মতো তো তেমন লোক পাই না আজকাল... '

    ভোটের দিন এগিয়ে আসছে। এখন আর আগের মতো কেউ মন খুলে কথা বলে না। কেউ কাউকে মন থেকে বিশ্বাস করে না। কাল শনিবার। তাড়াতাড়ি কাজে যেতে হবে। ঠিক করেছে রবিবার সকালে বিজয়ের ওখানে যাবে।

    আজ রবিবার। এখন সকাল এগারোটা বাজে। সুভাষ গিরির বাড়ি গিয়ে দেখল সুভাষবাবু বাড়ির উঠোনে দাঁড়িয়ে আছেন। বোধহয় কারও জন্য অপেক্ষা করছেন। দেবাশিসকে দেখে হাসলেন। দেবাশিস বলল, ' বিজয়দা নেই ? '
    সুভাষবাবু বললেন, ' বাজারের দিকে গেল তো একটু আগে। বস না, একটু পরেই এসে যাবে... তোমার কী খবর বল... একটু সুবিধে হয়েছে ? '
    --- ' তা একটু হয়েছে মনে হয়। মাস গেলে টাকাটা হাতে পেলে বোঝা যাবে। এখনও তো একমাস হয়নি... '
    --- ' দেখ, আমি কমিউনিস্ট হলেও অদৃষ্টে বিশ্বাস করি। বলছি যে, চেষ্টা করে হয়ত নিজের অদৃষ্ট পরিবর্তন করা যায় না কিন্তু জীবন নৌকার হালটা পাকড়ে রাখতে হয় সবসময়ে। হাল থেকে হাত সরিয়ে নিতে নেই। কখনও ঢিলে দিতে নেই। তাতে আর যাই হোক নৌকাটা উল্টে গিয়ে জোয়ারের জল তোমাকে ভাসিয়ে নিয়ে যেতে পারবে না... '
    কথাগুলো ঠিক মাথায় ঢুকল না দেবাশিসের। ঢোকার কথাও নয়, কতই বা বয়স তার। এসব গূঢ় তত্ত্ব বোঝার বয়স তার হয়নি এখনও।
    যাই হোক, সে মাথা নেড়ে বলল, ' তা ঠিক... '
    সুভাষবাবু বললেন, ' আচ্ছা, তুমি রকে উঠে বস... আমি একটু পিছন থেকে আসছি ... '
    দেবাশিস ঘাড় নেড়ে রকের দিকে গেল। সুভাষবাবু পিছনদিকে যাবার জন্য পা বাড়ালেন। নিশ্চয়ই ওখানে একফালি জমিতে লাগানো ঝিঙে আর পটল চারার দেখভাল করতে গেলেন। রোজ সকালে বিকেলে দুবার ক'রে ওগুলো না দেখলে তার মনে স্বস্তি আসে না।
    মিনিট পনের বসার পর বিজয়ের দেখা মিলল।
    --- ' ও... কতক্ষণ ? যাক ভালই হল, আজ একটা মিটিং আছে। মিশিরডাঙার মাঠে... '
    --- ' কিসের মিটিং দাদা ? '
    --- ' পার্টির। ভোটের প্রচার মিটিং ... যেখানে ওই ঠিকাদার অখিল খুন হয়েছে, ওর পাশেই। আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রতিবাদটাও হয়ে যাবে একই মঞ্চ থেকে।
    দেবাশিস চুপ করে রইল।
    --- ' আসছ তো ? ' বিজয় বলে।
    --- ' না... মানে, আজকের দিনটা বাদ দিন দাদা... ' বিজয় আমতা আমতা করতে থাকে।
    --- ' কেন... আজকে কোন কাজ আছে ? '
    --- ' হ্যাঁ, মানে... একটা জায়গায় যাবার ছিল ফ্যামিলি নিয়ে ... একটাই তো ছুটির দিন,... '
    বিজয় এক কথায় মেনে নিল দেবাশিসের কথা।
    --- ' ও আচ্ছা... ঠিক আছে। ঠিকই তো... একটাই তো ছুটির দিন... ঘুরে এস... '
    বিজয় বুঝতে পারল, দেবাশিস তাকে এড়িয়ে গেল। নেশা বোধহয় কাটতে চলেছে। কিন্তু এত তাড়াতাড়ি ! এটা বোধহয় সম্ভব না।
    আর দেবাশিস ভাবল, ' ভাবের ঘোরে বাড়াবাড়ি করা ঠিক না। প্রশান্ত দাসদেরও তো হাতে রাখতে হবে। এ চাকরি আর কদ্দিন থাকবে। কখন কে কাজে লাগে কে বলতে পারে। সময়টা যে খুব খারাপ ... চারদিকে ঘন ধোঁয়াশা '

    ( ক্রমশ )
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
    | | | | | | | | | ১০ | ১১ | ১২ | ১৩ | ১৪ | ১৫ | ১৬ | ১৭ | ১৮ | ১৯ | ২০ | ২১ | ২২ | ২৩
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভালবেসে মতামত দিন