এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  নাটক

  • মার্জার মুষিক সংবাদ 

    Somnath mukhopadhyay লেখকের গ্রাহক হোন
    নাটক | ২৯ মার্চ ২০২৬ | ২৬৮ বার পঠিত


  • মার্জার মুষিক সংবাদ।

    [ সভা বসেছে, মার্জিত মার্জার পরিবারের সদস্যদের ঘরোয়া সভা। এই মুহূর্তে মার্জাররা ভালো নেই, বিশেষ করে শহুরে মার্জাররা। সামাজিক কাঠামোর পরিবর্তন তাদের জীবনকে কীভাবে প্রভাবিত করছে সেই সব বিষয়ই উঠে আসছিল ম্যাডাম মার্জারিনীর ভাষণে। দিব্যি চলছিল সভা,গোল বাঁধলো মার্জার সভায় হাজির এক অনাহুত আগন্তুককে ঘিরে। এই নাটক তাকে নিয়েই। বিশ্ব নাট্য দিবসকে উপলক্ষ্য করে এই সামান্য নাট্য প্রয়াস। ]


    ম্যাডাম মার্জারিনী -- আমার প্রিয় মার্জার বন্ধুগণ। আজকের এই বিশেষ সভায় আপনাদের সকলকে মার্জিত মার্জার পরিবারের পক্ষ থেকে আন্তরিক সম্ভাষণ জানাই। আমাদের আজকের এই সভাতে আপনাদের সঙ্গে কিছু খোলামেলা বিষয় নিয়ে মত বিনিময় করতে চাই। সেই কারণেই এই মহতী সভার আয়োজন। আপনারা সকলেই অবগত আছেন যে এই মুহূর্তে মার্জার পরিবারের সদস্যরা কেউই ভালো নেই। আমাদের সামনে যে সব সমস্যা ইদানিং মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে সেই বিষয়েই আলোচনা করবো আজকের এই সান্ধ্য সভায়।

    একথা ভুললে চলবে না যে এই বাংলাদেশে এক সময় গৃহস্থের ঘরে ঘরে মার্জারদের বড়ো আদরের আসন পাতা ছিল। আমাদের মার্জার পরিবারের শ্রীবৃদ্ধি সম্ভব হয়েছিল এইসব গৃহস্থ জনের আন্তরিক পৃষ্ঠপোষকতায়। বাড়ির বয়স্কা মহিলারা আমাদের জন্য পরম যত্নে দুধ ভাতের সংস্থান করতেন। বাজার থেকে ফেরার পথে কর্তামশাইরা আলাদা করে আমাদের জন্য নানারকমের মাছ কিনে আনতেন। সেই মাছ কেটে ধুয়ে বাড়ির গিন্নিরা আমাদের মাছ খাবার ব্যবস্থা করতেন। মা ষষ্ঠীর বাহন রূপে আমাদের একটা আলাদা কদর বরাবরই ছিল এই মৎস্যপ্রিয় বঙ্গবাসীর ঘরে ঘরে। মধ্যাহ্নভোজের পর পল্লির অলিতে গলিতে শোনা যেত মহিলাবৃন্দের সমবেত আবাহন।

    আয় আয় তুতু
    আয়রে আয় পুষি,
    তোদের তরে মাছ রেখেছি,
    খানা হেথায় আসি।

    এই আন্তরিক আবাহনকে উপেক্ষা করে থাকা আমাদের মতো আম মার্জারদের পক্ষে কখনোই কোনো অবস্থাতেই সম্ভব
    ছিলো না। আর আমরা তা কখনোই করিনি। আহ্বান শুনতে পেলেই আমরা আমাদের অতি পরিচিত গণ সঙ্গীত গাইতে গাইতে লেজ তুলে অকুস্থলে হাজির হতাম। যথাসম্ভব তৃপ্তি সহকারে সেই সব খাবার উদরস্থ করে আবার গিয়ে নিদ্রায় মগ্ন হতাম। তখন কিন্তু কখনোই ভাবিনি যে আমাদের এই সুখের দিন চিরকাল থাকবে না। একদিন এই দিনের পরিবর্তন হবে।

    আসলে এই আরামের জীবনে আমরা সবাই একটু একটু করে আসক্ত হয়ে উঠলাম। পাড়াতে পাড়াতে আমাদের প্রতিযোগী হিসেবে কেউ ছিলোনা এমনটা তো নয়। বাঘা,ভুতো,কেলো,ভুলো এরাও ছিল বহাল তবিয়তে। আমাদের সঙ্গে এলাকার দখল নিয়ে তাদের সঙ্গে বিবাদ বিসম্বাদ যে একেবারেই ছিলোনা তাও নয়। সকলের আদর যত্নের কারণে আমাদের মধ্যে এক ধরনের অহমিকা জন্ম নিচ্ছিল, আমরা তা টের পেয়েও চোখ বুজে, লেজ গুটিয়ে চুপচাপ ছিলাম। পাশাপাশি কেলো,ভুতোদের দলে বেশ কিছু প্রতিক্রিয়াশীল সারমেয়‌ও ছিল, বিশেষ করে সেই সব বদখত চেহারার সারমেয়রা যারা আমাদের দেখলেই তেড়ে আসতো। প্রাণ বাঁচানোর জন্য আমাদের তখন নেজ গুটিয়ে ভেগে পড়া ছাড়া গত্যন্তর ছিলোনা। তাড়া খেয়ে পালাতে গিয়ে মার্জার কুলের কতো সদস্য,সদস্যার পা ভেঙেছে, শরীরে আঘাত লেগেছে তার হিসাব কে রাখে? বিচার চাইতে গিয়েও হতাশ হতে হয়েছে। আমরা ভেবেছিলাম সবাই মিলে যখন আমাদের এতো খাতির করে তখন আর আমাদের চিন্তা কি!

    একাধিকবার আমরা এসবের বিহিত চেয়ে স্বয়ং ষষ্ঠী মায়ের কাছে ডেপুটেশন দিয়েছি, কিন্তু অবস্থার খুব একটা পরিবর্তন হয়নি। আসলে সারমেয়দের প্রভু হলেন রুদ্রতেজা মহাকাল – কাল ভৈরব। আমাদের হয়ে সালিশি করতে এনার সামনে যাওয়ার সাহস মা ষষ্ঠীর নেই। তাই আমরা, সারমেয়কুলের অত্যাচার সহ্য করে কোনো রকমে টিকে আছি। কি! ঠিক কথা বলেছি তো ?

    ( ভাষণ শুনতে জড়ো হ‌ওয়া মার্জাররা সমবেত কণ্ঠে জবাব দেয়…)

    সমবেত কণ্ঠে -- ম্যাও ম্যাও ম্যাও। মিয়াঁও মিয়াঁও মিয়াঁও।

    (এমন সময় সভাস্থলে উপস্থিত মার্জারদের মধ্যে সামান্য চঞ্চলতা দেখা যায়। সবাই ব্যস্ত হয়ে পড়ে কিছু একটা ধরবার জন্য। খানিকটা সময় পরে ভিড়ের মধ্য থেকে এক হুমদো চেহারার হুলো এক ছোট্ট মুষিককে ঘাড় ধরে মঞ্চের ওপর এনে হাজির করে। প্রাণভয়ে ভীত সন্ত্রস্ত মুষিকের তখন যেমন তেমন অবস্থা। )

    মার্জার হুলো --: এই যে এক অনুপ্রবেশকারীর দেখা মিলেছে। ম্যাডাম মার্জারিনী! আপনি অনুমতি দিলে আমি এখনি এই অর্বাচীন অনুপ্রবেশকারী মুষিকটিকে উচিত শিক্ষা দিতে পারি। তাকে আমাদের এলাকার সীমানা ছাড়িয়ে দূরে চালান করে দিতে পারি। কি দুঃসাহস! ব্যাটা আমাদের সভাস্থলে এসে হাজির হয়েছে!

    ম্যাডাম মার্জারিনী -- : না, না! অমন কাজ করবেন না, মার্জার হুলো। শাস্ত্রে বলে দূত অবধ্য। আগে ও কী বলে তা শুনে নিই। আর আমাদের সকলের লোলুপ দৃষ্টি এড়িয়ে ও যাবে কোথায়? বলো,মুষিক বলো। তোমার বক্তব্য শুনি। আমি তোমাকে অভয় দিচ্ছি।

    মুষিক -- : ( ভয়ার্ত কন্ঠে। ) আর একটু এদিক ওদিক হলেই আজ আমার ভবলীলা সাঙ্গ হয়ে যেত। বাপরে বাপ! নেহাত মহাত্মা মুষিকবাহনের কৃপা,তাই এ যাত্রায় কোনো রকমে আপাতত বেঁচে গেছি! কি সব চেহারা তোমাদের! বলি,এমন মাগ্গি গণ্ডার কালে তোমাদের গায়ে গতরে এতো মাস লাগে কী করে? আমরা তো সেই ছয় ছোট্ট‌ই রয়ে গেলাম। তবে হ্যাঁ! গায়ে গতরে না বাড়লেও আমার নেজখানি কেমন পুরুষ্টু হয়েছে বলো ! সব‌ই বাবা গজাননের কিরপা।

    মার্জার হুলো --: ( কিঞ্চিত ধমকের সুরে ) সেই তখন থেকে নাগাড়ে ভাট বকছিস্। আমাদের শরীল নিয়ে কথা বলার হিম্মত হয় কী করে? আমাদের কি তোর মতো হাড় হাভাতে ঠাউরেছিস নাকি?নেহাত ম্যাডাম বারণ করেছে, নাহলে…. নাহলে তোকে কখন ভোগে চড়াতাম…

    মুষিক --( হাততালি দিয়ে নাচতে শুরু করে ) বেরিয়ে পড়েছে, ওহো ! বেরিয়ে পড়েছে। ঝুলির ভেতর থেকে আসল বিড়াল আজ বেরিয়ে পড়েছে। আসলে তোমরা হলে হিপোক্রেট। এতোক্ষণ ধরে ইনিয়ে বিনিয়ে নিজেদের দুখ্যুর কথা কেমন গলা ফাটিয়ে বলছিলে – সারমেয়রা কেমন করে দাঁত খিঁচিয়ে তেড়ে আসে তা দেখাচ্ছিলে রং ঢং চড়িয়ে।তা এখন যে তেড়ে উঠলে আমাকে দেখে, সেই বেলা কী হলো। কথায় আছেনা, নিজের বেলায় আটিসুটি আর পরের বেলা দাঁত কপাটি। তোমরাও হলে তাই। এতোই যখন বরফট্টাই করছো তখন যাওনা কেন সারমেয়কুলের সঙ্গে পাঙ্গা নিতে। সেই বেলায় সব ঘরে ঢুকে খালি মিউ মিউ মিউজিক বাজানো!

    মনে রেখো, সমস্যা শুধু তোমাদের একার নয়, নিজেদের টিকিয়ে রাখার লড়াই আজ সবার ঘরে ঘরে। ষষ্ঠী ঠাকুরণের বাহন বলে তোমাদের নিয়ে এখনও কিছু আদিখ্যেতা আছে লোকজনের মধ্যে, আমাদের ক্ষেত্রে সেই সবের বালাই নেই। একবার ঘরের মধ্যে ঘুরঘুর করতে দেখেছে কি মেরে একেবারে পাট না করে নিস্তার নেই। আর আমাদের খাবার দাবারেও যে টান পড়েছে। গেরামের গেরস্থরাও এখন অনেক বেশি সজাগ। আমি এক চাষি মানুষের বাড়িতে ঘাঁটি গেড়ে আছি। ঐ একঘেয়ে সব্জি ছাড়াতো আর তেমন কিছুই পেরায় জোটেনা। তার ওপর কোথা থেকে একজোড়া মার্জার এনে বাড়িতে ঠাঁই দিয়েছে চাষির পুতের বৌ, বলে - ঘরে বিলাই থাকলে নাকি মা ষষ্ঠীর কিরপা হয়, ঘরে নতুন মনিষ্যি আসে। বোঝ কাণ্ড! আরে বাপু,
    আমি যে বিনায়ক বিঘ্নেশের অনুচর, তেনারে সবার আগে স্মরণ না করে যে কুটোটি নড়াবার জো নেই,সে কথা খেয়াল আছে? গেলো বচ্ছর ফলিডল দেয়া আলু খেয়ে পগার পাড়ে পাড়ি দিয়েছিলাম আর কি! শেষমেশ কোথা থেকে বাবার ঘটের জল গলায় ঢেলে কোনোরকমে পেরানডারে ফিরে পেয়েছি। আজ আমাদের নিজেদের ব্যক্তিগত সমস্যাগুলোকে পাশে সরিয়ে রেখে একটা যৌথ মঞ্চে সবাইকে একত্রিত হতে হবে।

    মার্জার হুলো --: এতোক্ষণে ঐ নেংটির মুখ থেকে একটা কাজের কথা শুনলাম।

    ম্যাডাম মার্জারিনী -- আমিও এমনটাই মনে মনে ভাবছিলাম। আসলে আমরা তো মানুষের আশ্রয়ে থাকি তাই মানুষদের সমাজের যে কোনো পরিবর্তন আমাদের অস্তিত্বের সংকটকে আরও অনেক বাড়িয়ে দেয়। আগের সেই শহুরে পাড়ার চেহারা চরিত্র সব বিলকুল বদলে গেছে। মানুষ এখন সাবেকি বাড়িঘর ছেড়ে আকাশছোঁয়া বাক্স ঝাড়ু বাড়ির বাসিন্দা। পাশাপাশি থাকা এমন কয়েকটি এক‌ই চেহারার বাড়ি নিয়ে তৈরি হয়েছে টাওয়ার কলোনির নয়া বসতি। যন্ত্র আর মাইনে করা কর্মচারীদের কড়া নজরদারিতে থাকা এইসব টাওয়ার কলোনির ভেতরে ঢোকাই হলো রীতিমতো কসরৎ। একবার ধরতে পারলে করপোরেশনের গাড়িতে ঠাঁই নিতে হবে। ওসব ঝুঁকিতে কাজ নেই। এখানে সব কিছু সাজানো গোছানো। ভালোবাসার ঠাঁই যেন কম। এখানকার বাবু বিবিরা সব পুতুলের মতো চেহারার গোলগাল মার্জার পোষে। আমাদের মতো খাঁটি বাঘের মাসির দেখা সেখানে পাওয়া ভার। এই বদলটাই নাকি একালের দস্তুর। তাই আমাদের কপাল পুড়েছে। অথচ আমরা মাটির কাছাকাছি থাকতেই অভ্যস্ত। অত উঁচুতে আমাদের ঠিক মানায় না।

    মুষিক -- একদম ঠিক কথা বলেছো ম্যাডাম মার্জারিনী। আজ কিছুদিন হলো বিস্তর পথ ঠেঙিয়ে এই শহরে এসে হাজির হয়েছি। চেহারা ছোট বলে আমাদের খানিকটা সুবিধা আছে বটে তবে তাতে সব কিছু পছন্দ মতো পাওয়া যায় না। দুদিন ধরে কিছুই খাওয়া হয়নি। তোমাদের জমায়েত দেখে ভাবলাম যদি কিছু জুটে যায় কপালে। এখন তো দেখছি তোমরাও এই এক‌ই সংকটে রয়েছো। অস্তিত্বের সংকট। যতোদিন না এই সমস্যার মেঘ কেটে যায় ততোদিন বরং তোমরা আমাদের সঙ্গে পারস্পরিক অনাক্রমণের চুক্তিতে রাজি হয়ে যাও। সবাই হয়তো এই সম্পর্কের কথা শুনে হাসবে। ব্যঙ্গ করে নানান কথা বলবে তাকে গায়ে না মেখে আমরা আজ এক শান্তির সুবাতাস ব‌ইয়ে দিই আমাদের মধ্যে। অনেক লড়াই দেখেছি। আজ না হয় শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তোলার জন্য নয়া লড়াইয়ের পথ হাঁটি আমরা। এতো দিনের শত্রুতা আজ নতুন বন্ধুত্বের বন্ধনে বাঁধা পড়ুক। তোমরা সবাই রাজি তো!

    ম্যাডাম মার্জারিনী --: এই প্রস্তাবে তোমরা সবাই রাজি তো ?

    ( সমবেত স্বরে উপস্থিত মার্জাররা বলে ওঠে — ম্যাও, ম্যাও, ম্যাও। মিয়াঁও মিয়াঁও মিয়াঁও।




    ** টালিগঞ্জের স্বপ্ন মৈত্রী নাট্যদলকে এই নাটিকাটি উৎসর্গ করলাম।
    শ্রদ্ধেয় স্বপন চক্রবর্ত্তী ( বড়দা) ' র কাছে কৃতজ্ঞতার শেষ নেই। তিনিই নিয়ত আমাকে উৎসাহিত করেন নাটক নিয়ে খুনসুটি করতে।

    বিশ্ব নাট্য দিবসের শুভেচ্ছা সবাইকে।




     
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • নাটক | ২৯ মার্চ ২০২৬ | ২৬৮ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • সৌমেন রায় | 2409:*:*:*:*:*:*:* | ৩০ মার্চ ২০২৬ ০৮:২৩739544
  • সহজ ও সুন্দর। সহস্র জটিলতার মধ্যে সহজ করে ভাবতে পারা মোটেও সোজা নয়।
  • Somnath mukhopadhyay | ৩০ মার্চ ২০২৬ ১২:০৪739551
  • সৌমেন আপনাকে ধন্যবাদ জানাই মতামত জানানোর জন্য। যে সময়ের মধ্য দিয়ে আমরা চলেছি তা সবার জন্যই অত্যন্ত জটিল। তার ভেতর কঠিন করে সবকিছুকে ভাবলে জটিলতা আরও বেড়ে যাবে। তাইইইইই......
  • সন্দীপন চক্রবর্তী | 163.*.*.* | ৩০ মার্চ ২০২৬ ১২:১০739552
  • খুব সুন্দর এটি, খুব মন দিয়ে পড়লাম আর সত্যি ভালো লাগলো♥️ আপনার লেখা, আগামী দিনে আরও লেখা এর অপেক্ষা তে রইলাম♥️
  • Somnath mukhopadhyay | ৩০ মার্চ ২০২৬ ২১:৫৬739572
  • সন্দীপন ধন্যবাদ। কেন ভালো লাগলো বা কোথায় খামতি নজরে এলো সে কথা জানতে পারলে আরও ভালো লাগতো।
  • শর্মিষ্ঠা লাহিড়ী | 2405:*:*:*:*:*:*:* | ৩১ মার্চ ২০২৬ ১৪:৫২739588
  • মার্জার কুলের সমস্যা বর্ননা র মধ্যদিয়ে সমাজের আরো অনেক প্রজাতির কথা ই সুন্দর ভাবে তুলে ধরা হয়েছে। খুব ই আকর্ষণীয় এবং মনোগ্ৰাহী একটি লেখা। পরিবেশিত হলে আরো ভালো লাগবে।লেখক কে এই সুন্দর লেখাটির জন্য অনেক ধন্যবাদ।
  • পৌলমী | 2405:*:*:*:*:*:*:* | ৩১ মার্চ ২০২৬ ২২:০৭739601
  • গোটা নাটিকাটির মধ্যে এক ধরনের স্যাটায়ার মিশে আছে। নাটককার পারিপার্শ্বিক অবস্থার অনেকগুলো বিষয় তুলে ধরেছেন অত্যন্ত পরিমিত শব্দের মধ্য দিয়ে। ধন্যবাদ লেখককে। এমন লেখা পাঠকের ভাবনাকে উস্কে দেয়।
  • Somnath mukhopadhyay | ৩১ মার্চ ২০২৬ ২৩:৪১739603
  • শর্মিষ্ঠা ও পৌলমী, আপনাদের দুজনকেই অনেক ধন্যবাদ জানাই মতামত জানানোর জন্য। এইটি একটি স্যাটায়ার হয়ে উঠেছে কিনা তা বলাটা মুশকিল, তবে সামাজিক পরিস্থিতির প্রতিফলন নিশ্চয়ই ঘটেছে। নাটকটা মঞ্চস্থ করা সম্ভব হলে বোধহয় সবটা প্রকাশ পাবে। অপেক্ষায় র‌ইলাম।
  • Rajib Das | 202.*.*.* | ০১ এপ্রিল ২০২৬ ১১:৫৪739616
  • ভালো. এরকম আরো পাব ফিউচার e এই অপেক্ষায় রইলাম
  • Somnath mukhopadhyay | ০৭ এপ্রিল ২০২৬ ১৯:৫৩739752
  • ভবিষ্যতে কী দিতে পারবো তা বলা বেশ কঠিন। বর্তমানে যতটুকু পারছি তা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হবে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লড়াকু মতামত দিন