এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  আলোচনা  রাজনীতি

  • সম্পাদকের কাছে আবেদন: গুরুচণ্ডালীকে একটি বৌদ্ধিক পাঠশালা হিসেবে তুলে ধরুন, রাজনৈতিক প্রচারযন্ত্র নয়

    পাঠক
    আলোচনা | রাজনীতি | ০৫ মে ২০২৬ | ২৯৪ বার পঠিত
  • বিগত দেড় দশকে গুরুচন্ডালি এক অনন্য বিবর্তনের ভেতর দিয়ে গেছে—এ কথা অস্বীকার করার উপায় নেই। শুরু থেকেই এই মাধ্যমটি বাংলার রাজনীতির সঙ্গে সংলাপে যুক্ত থাকতে দ্বিধা করেনি, বরং সময়ের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলিকে নিজের ভেতরে ধারণ করেছে। ফলে রাজনৈতিক অভিঘাত স্বাভাবিকভাবেই গুরুচন্ডালির ভাষা, স্বর ও দিশাকে প্রভাবিত করেছে।
     
    তবে ক্রমশ একটি উদ্বেগ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। গুরুচন্ডালি অনেক সময়েই যেন রাজনৈতিক ঘটনাবলীর তাৎক্ষণিক প্রতিফলনের আয়নায় সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ছে। দ্রুত প্রতিক্রিয়ার এই প্রবণতা কখনও কখনও গভীরতা ও দীর্ঘমেয়াদি সাংস্কৃতিক কাজকে আড়াল করে দিচ্ছে। বাঙালি বনাম বিজেপির দ্বন্দ্বের প্রেক্ষিতে গুরুচন্ডালি নিঃসন্দেহে বাংলার পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান নিয়েছে, কিন্তু সেই অবস্থান তৃণমূলকে ‘লেসার ইভিল’ হিসেবে প্রতিষ্ঠা না করেও সম্ভব ছিল। এই সূক্ষ্ম পার্থক্যটি রক্ষা করা জরুরি ছিল, এবং হয়তো সেই জায়গাতেই কিছু বিচ্যুতি ঘটেছে।
     
    এর ফলে মাধ্যমটির ভাবমূর্তি আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে—এমন অনুভব অনেক পুরোনো পাঠকের মধ্যেই তৈরি হয়েছে। তাঁদের একাংশ গুরুচন্ডালি থেকে সরে গিয়েছেন, যা নিঃসন্দেহে উদ্বেগজনক। একটি পাঠকৌম হিসেবে নিজেদের পরিচিতি দেওয়া গুরুচন্ডালির জন্য এই বিচ্ছিন্নতা গুরুত্বসহকারে ভাবার দাবি রাখে।
     
    বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে, যখন বাংলার ক্ষমতার সমীকরণে বড় পরিবর্তন এসেছে, তখন গুরুচন্ডালির সামনে নতুন এক চ্যালেঞ্জ উপস্থিত। এই সময়ে হয়তো আরও প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি, ধীরস্থির, সাংস্কৃতিক সংগ্রামের। সরাসরি রাজনৈতিক ঘটনাবলীর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ার বদলে, গুরুচন্ডালি তার শক্তিকে কাজে লাগাতে পারে একটি গভীর সাংস্কৃতিক ফ্রন্ট গড়ে তোলার মাধ্যমে—যেখানে চিন্তা, বিতর্ক, সাহিত্য, ইতিহাস ও সমাজবোধ মিলেমিশে এক বিকল্প পরিসর তৈরি করবে।
     
    যেহেতু গুরুচন্ডালি নিজেকে একটি পাঠকসমাজ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে, তাই এই প্রশ্নগুলি নিয়ে খোলামেলা আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে। পাঠকদের মতামত, সমালোচনা ও প্রস্তাবনা এই মুহূর্তে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই আলোচনা যেন কেবল ব্যক্তিগত মতামতের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে, সম্পাদকের দফতরে একটি সম্মিলিত আবেদন হিসেবেও প্রতিফলিত হয়—এই প্রত্যাশা রইল।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • r2h | 134.238.***.*** | ০৫ মে ২০২৬ ২০:৩৭747412
  • তৃণমূলকে লেসার ইভিল হিসেবে প্রতিষ্ঠা মনে না করে কীভাবে সম্ভব ছিল বলে মনে হয়? প্রতিষ্ঠা করার তো কিছু নেই, গুরুচণ্ডা৯ এত বড় কিছু না যে কোন একটি দল সম্পর্কে ব্যাপক হারে জনমতকে প্রভাবিত করতে পারে। এবার গুরুচণ্ডা৯তে নানান লোক আছে, নানান রকম ভলান্টিয়ার ইত্যাদি, সে হিসেবে আমিও গুরুচণ্ডা৯র কাজকর্মের সঙ্গে খুবই ঘনিষ্ঠ। তো, আমি তৃণমূলকে নিতান্ত চোর ছ্যাচোর ছাড়া কিছু মনে করিনি কখনো। কিন্তু ধর্মীয় বিদ্বেষের বেসাতির তুলনায় চোর ছ্যাচোর শ্রেয় বলে মনে করেছি- কারন চুরির কিনারা হয়, জাতিগত বিদ্বেষের মূল্য অনেক বেশি ও তা সমাজে এমন করে চারিয়ে যায় যে তার নিরসন হয় না। বড়জোর সাময়িক ধামাচাপা থাকে।

    এবার সে কথা যদি নাও ধরি, ইডি সিবিআই যখন নানাবিধ অপ্রমাণিত মামলায় কিছু ঘাঘু মন্দ লোককে ধরে রেখে দিয়েছে- তখন সেটাকেও অনৈতিক বলেই মনে করেছি, কারন ঐ করে কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলির অ্যাবসোলিউট ক্ষমতাকে মেনে নেওয়া হয়- যার চূড়ান্ত দেখা গেছে এসআইআর-এ। কেন্দ্রীয় এজেন্সি সর্বশক্তিমান না, তাদেরও প্রসেস্র মধ্যে থেকে কাজ করা উচিত - এই নিয়ে জনমত গঠিত হলে হয়তো এটা এত সহজে হতো না। তো তার সঙ্গে তৃণমূলের অপকর্মকে জাস্টিফাই করার সম্পর্ক কিন্তু থাকার কথা না।
    বা ইডি সিবিআই এনআইএ ইত্যাদি - কেষ্ট মণ্ডলের গ্রেপ্তারি ও বিনা বিচারে আটকে রাখা নিয়মবহির্ভূত- এটা বলা মানে কিন্তু এই বলা না যে কেষ্ট মণ্ডলকে আমি ভালো লোক বলে মনে করি। আমি তাকে খারাপ লোক বলেই মনে করি। কিন্তু তাকে ল্যাং মারার জন্য বড় গুন্ডা ডেকে আনবো- এটা গোলমেলে। তথ্য প্রমাণ দিয়ে আইন কানুন মেনে তার জেল হাজত হলে আমি খুশি হতাম। কিন্তু তা তো হয়নি। একই রকম ভাবে পবতে নানান কিছু ভয়ানক অপরাধ হয়েছে, কিন্তু মিডিয়া ইত্যাদি সেগুলিকে যেমন ভাবে দেখিয়েছে, নানান ক্ষেত্রে ধর্মীয় ইত্যাদি রং লাগিয়েছে- তার প্রতিবাদ সর্বসম্মতই হওয়া উচিত ছিল।
    সেসব জিনিস বিরোধীরা কেউ করেনি। এবার তার ফলে যা হয়েছে, কেউ যদি মনে করেন তা ঠিকই হয়েছে, তাহলে কিছু বলার নেই।
     
    তৃণমূলের পতন হয়েছে, হওয়ারই ছিল। সর্বক্ষেত্রে গা জোয়ারি, এমনকি সৃজনমূলক বা সাহিত্যকেও মাখিয়ে লাট করেছে। কোন ভালো বিকল্প হয়নি তা দুঃখের - কিন্তু কেন লোকে বামেদের ভোট দেবে তাও ধাঁধা- বামেরা বড় পুঁজির বন্ধু হলে লোকে কেন দক্ষিন ছেড়ে তাদের বেছে নেবে- এই প্রশ্ন শুনলে লোকে রেগে যায়, কিন্তু আদানের কারখানা চাইলে তো তা বিজেপির (বা কং) হাত ধরে হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি, অভিজ্ঞ ওরা।
     
    • এর ফলে মাধ্যমটির ভাবমূর্তি আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে—এমন অনুভব অনেক পুরোনো পাঠকের মধ্যেই তৈরি হয়েছে। তাঁদের একাংশ গুরুচন্ডালি থেকে সরে গিয়েছেন, যা নিঃসন্দেহে উদ্বেগজনক। একটি পাঠকৌম হিসেবে নিজেদের পরিচিতি দেওয়া গুরুচন্ডালির জন্য এই বিচ্ছিন্নতা গুরুত্বসহকারে ভাবার দাবি রাখে।

    এবার কথা খোলামেলা কথা, মত বিনিময়। সে তো স্বাগত, মূল ধারার বাম ভাষ্য বুবুভাতেও হয়েছে, আর হপা টই খেরো তো হয়েইছে। কিন্তু যাঁরা বেরিয়ে গেছেন তাঁদের অনেকেরই তো সেসবে আগ্রহ নেই, কেউ পাঁচিলে বসে বাদামভাজা পছন্দ করেন, কেউ কুচ্ছো করতে। বেশিরভাগের তো এখনও সেই হলদি নদীর কুমীর ট্রমাই কাটলো না। তো কী আর হবা।
     
    আর যারা বলেন নিরাপত্তা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য নিয়ে অসন্তোষের কারনে বিজেপি জিতেছে- তার সঙ্গে একমত হওয়ার কোন উপায় দেখি না, অন্য রাজ্যগুলির দিকে তাকালে। পবতে তো নাহয় সব ভোগে গেছিল, দিল্লিতে সরকারি স্কুলগুলির উন্নতি হয়েছিল, ত্রিপুরাতে সরকারি শিক্ষাব্যবস্থা বেশ ভালো ছিল - সেসব কোনও কাজে আসেনি। দিল্লিতে কী হয়েছে জানি না, ত্রিপুরার গ্রাম পাহাড়ের সরকারি স্কুলগুলি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, স্কুলছুটদের সংখ্যা লাফিয়ে বাড়ছে। দুর্নীতি বিষয়েও বিজেপি রাজ্যগুলির হাল ভয়াবহ। উত্তর প্রদেশ মধ্য প্রদেশ ইত্যাদিও উদাহরণযোগ্য। আর সত্যি বলতে কী নিরাপত্তা, বাণিজ্যিক লেনদেন (পুঁজির আগমন না), বাইরের পর্যটক আসা, উচ্চশিক্ষা - ইত্যাদি ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় রিপোর্টেই পব এমন কিছু মন্দ জায়গাতেও নেই যদ্দুর মনে পড়ে, লিং দিতে পারবো না যদিও। কিন্তু চতুর্দিকে ভয়াবহ ইমেজ তৈরি হয়েছে গত কিছু বছরে।
    তো সেসব বলা মানে তৃণমূলকে ভালো বলা না, কিন্তু বিজেপি এলে যে রামরাজ্য হবে না- সেই বিশ্বাসের জায়গাটা দশচক্রে লোকে ভুলে গেছে। আর ভুলে যদি না গিয়ে থাকে, তাহলে শুভেন্দু অধিকারীর কথাই লোকে প্রতিষ্ঠা করেছে আরকি- ওসব সেকুলারিজম টিজম চলবে না- হিন্দুস্তান হিন্দুদের দেশ।
    পবর পরিবেশ জনঘনত্ব প্রান্তিক মানুষের এজেন্সি ইত্যাদি বিচার করে গুজরাট রাজস্থান মধ্যপ্রদেশের মত গোটা দশেক গ্রাম থেকে লোককে খেদিয়ে কারখানা বানিয়ে ফেলা পবতে অত সহজ না, তাই খুব কিছু হবে - তা না, সেসবাই জানে। বিজেপি অলরেডি বলতে শুরু করেছে যে ৩৪+১৫ বছরের মাৎসন্যায় ইত্যাদি। টো আবার কত দশকের প্রতীক্ষা, দেখা যাক, সুদিনের সন্ধানে।
  • ;) | 158.69.***.*** | ০৫ মে ২০২৬ ২১:১৫747413
  • //তৃণমূলকে লেসার ইভিল হিসেবে প্রতিষ্ঠা মনে না করে কীভাবে সম্ভব ছিল বলে মনে হয়?//
    বিজেপির সমালোচনা করে। তৃণমূলকে উপেক্ষা করে।সিপিয়েমকে প্রমোট করে। এই যে সিপিয়েম ইলেকটোরাল বন্ডে টাকা খায়নি, এই কথাটা বাংলার জনতার কান কামড়ে বলার দরকার ছিল। কিন্তু বিজেপির তুলনায় তৃণমূল কম টাকা খেয়েছে এই কথার ভিড়ে সেটা হারিয়ে গেছে। তৃণমূল যখন গত পনেরো বছরে বাংলার গ্রামে গ্রামে সিপিএমের সংগঠন ধ্বংস করেছে, গুরু থেকে কটা প্রতিবেদন বেরিয়েছে? কেন প্রতিবাদ হয়নি বাংলার রাজনীতিকে পঙ্গু করে দেওয়ার বিরুদ্ধে? ২০১১ না হোক, ২০১৪ থেকেও সিপিয়েমের গুরুত্ব বোঝার অনেক সময় ছিল। ফেবু সিপিয়েমের বাইরে যে বৃহত্তর সিপিয়েম তার কথা বলছি।
  • dc | 2402:e280:2141:1e8:9cf:ef00:f848:***:*** | ০৫ মে ২০২৬ ২১:৩৭747414
  • পাঠকের আবেদন এর সাথে কিছু জায়গায় একমত, র২্হ এর পোস্ট এর সাথেও কিছু জায়গায় একমত। তবে, "সেই অবস্থান তৃণমূলকে ‘লেসার ইভিল’ হিসেবে প্রতিষ্ঠা না করেও সম্ভব ছিল" - এখানে কিছুটা ধোঁয়াশা আছে।
     
    এমনিতে আমি কোনভাবেই গুরুর সাথে যুক্ত না, কোর কমিটির সাথেও কখনো মোলাকাত হয়নি, তবে এখানে ভাটিয়ালি বা বিভিন্ন টইতে যে আলোচনা হয় সেখানে তো তিনোদের সমর্থন করে খুব বেশী লোককে লিখতে দেখিনি। আর দুয়েকজন মাঝে মাঝে যদি লেখেনও, যেমন দুয়েকদিন আগে মমতার নামে একটা হেজিওগ্রাফি লেখা হয়েছিল, সেখানে তো অনেকেই মমতার করাপশান নিয়ে লিখেছিলেন (যার মধ্যে আমিও ছিলাম)। অবশ্য কারা যেন বারবার এসে বলে যায় চটিচাটা ইত্যাদি, সেটা গুরুর সেই কোর কমিটির বিরুদ্ধে ব্যাক্তিগত খার থেকে কিনা জানিনা।
     
    আর ইন জেনারাল আমার ব্যক্তিগত মত হলো বিজেপির সাথে তুলনা করলে ইন্ডিয়ার অন্য যেকোন পার্টিই লেসার ইভিল। কিন্তু, আবারও, তার মানে এই না যে তিনোদের দুর্নীতি নিয়ে বলা হয়না। তিনোরা আদ্যন্ত করাপ্ট, ওদের বদলে সিপিএম এলে ভালো হতো, কিন্তু সেসব আমার ব্যক্তিগত মত।
  • dc | 2402:e280:2141:1e8:9cf:ef00:f848:***:*** | ০৫ মে ২০২৬ ২১:৪২747415
  • "/তৃণমূলকে লেসার ইভিল হিসেবে প্রতিষ্ঠা মনে না করে কীভাবে সম্ভব ছিল বলে মনে হয়?//
    বিজেপির সমালোচনা করে। তৃণমূলকে উপেক্ষা করে।সিপিয়েমকে প্রমোট করে। এই যে সিপিয়েম ইলেকটোরাল বন্ডে টাকা খায়নি, এই কথাটা বাংলার জনতার কান কামড়ে বলার দরকার ছিল।"
     
    কিন্তু দিদি বা দাদা, সেটা তো সিপিএম এরই বলার কথা! আপনার কি মনে হয় গুরুতে ইলেক্টোরাল বন্ড ইত্যাদি নিয়ে প্রচার করলে ভালো হতো? সেরকম দুয়েকটা লেখা তো বেরিয়েছে, এখানে পড়েছি, কিন্তু সিপিএম যদি জলের মধ্যে সাঁতার কেটে মাছেদের কানকোয় এসব প্রচার না করতে পারে, তাহলে গুরুর পক্ষে কিভাবে সম্ভব সিপিএমকে প্রোমোট করা? মানে পবতে কি গুরুর এতোখানি প্রভাব আছে? (আমার মনে হয়না, তবে সত্যি কিনা জানিনা)
  • dc | 2402:e280:2141:1e8:9cf:ef00:f848:***:*** | ০৫ মে ২০২৬ ২১:৪৬747416
  • ঠিকমতো প্রচার করলে যে মাছেরা দলে দলে এসে টোপ গেলে, তার অনেক প্রমান তো অনেক রাজ্যেই আছে! সিপিএম কেন সেভাবে প্রচার করতে পারেনা? নিজেদের বিশ্বাসযোগ্য অল্টারনেটিভ হিসেবে তুলে ধরতে পারেনা? অন্তত এবার তো ভালো চান্স ছিল!
  • মার্জিন | 103.24.***.*** | ০৫ মে ২০২৬ ২১:৫৩747417
  • গোদি মিডিয়া ছাড়া সিপিয়েমের যে প্রোমোট করার কোন দরকার আছে সেটাই তো সিপিয়েমের নাক উঁচু দেখলে কোনোদিন মনে হয়নি। নিজেরাই মনে করে ভোটের আগে সব আসনে জিতে বসে আছে, প্রোমোশনের আদৌ কী দরকার!!
  • r2h | 165.***.*** | ০৫ মে ২০২৬ ২২:২৬747418
    • dc | ০৫ মে ২০২৬ ২১:৪২
    • ... সেটা তো সিপিএম এরই বলার কথা! আপনার কি মনে হয় গুরুতে ইলেক্টোরাল বন্ড ইত্যাদি নিয়ে প্রচার করলে ভালো হতো? সেরকম দুয়েকটা লেখা তো বেরিয়েছে, এখানে পড়েছি, কিন্তু সিপিএম যদি জলের মধ্যে সাঁতার কেটে মাছেদের কানকোয় এসব প্রচার না করতে পারে, তাহলে গুরুর পক্ষে কিভাবে সম্ভব সিপিএমকে প্রোমোট করা? মানে পবতে কি গুরুর এতোখানি প্রভাব আছে? (আমার মনে হয়না, তবে সত্যি কিনা জানিনা)
     
    হ্যাঁ মানে তাই তো আমিও ভাবছিলাম, সিপিএমের তো নিজের প্রচার নিজে করার কথা, গুরু তার কী করবে? এমনিতেই কলকাতার সিপিয়েমের গুরুকে গঞ্জনা না দিলে দেখি অজীর্ন রোগ হয়ে যায়। আর বাংলা বাজারে গুরুর একটু পরিচিতি হয়েছে বটে কিন্তু তা বলে এতটাও না যে একেবারে জনমত তৈরি করে ফেলবে। সিপিএমের নেতা তাত্ত্বিকরা সব আবাপতে যাবেন, রিপাবলিকের চ্যানেলে যাবেন, গুরুর মত তুশ্চু নেট পত্রিকায় লেখার তাদের সময় রুচি কিছুই হয়নি। তার ওপর আবার বাসী কুমীরের পচা গন্ধ।
     
    কুৎসার তো কিছু কমতি দেখলাম না। সেই দগ্ধর সময়- অয়ন চক্রবর্তী (উনি সিপিএম কিনা জানি না, কবি হিসেবে আমার প্রিয়, গুরু থেকে বইও আছে, জয় গোস্বামী সেই বইয়ের উচ্চ প্রশংসা করেছিলেন) রসিকতা নামালেন - তিনদিনে বই কী করে ছাপা হয় সেই নিয়ে। ওদিকে আসলে বইটা তিনদিনেও না, চব্বিশ ঘন্টার কম সময়ে নেমেছিল।
  • albert banerjee | ০৫ মে ২০২৬ ২৩:০০747419
  • মাথা ঠান্ডা করে ভাবুন। আর বিভিন্ন লেখা পড়ুন। এখানে সব কথা চলে, আমাকেই অনেকে সহ্য করতে পারে না কিন্তু লিখতে বাধা দেয়নি এই খানেই শুরু হয়েছে বাচ্ছাদের জন্য মাথকে সহজ করে গল্পের মতন করে লেখা এবং বেশিভালো পরিমান AI সেখানে ব্যবহার করা হয়েছে।
  • ল্যাও | 103.77.***.*** | ০৬ মে ২০২৬ ১১:৫০747420
  • সিপিএমের পক্ষে নয় সিপিএমের পক্ষেও কথা বলার কথা বলতে চেয়েছেন বলে পড়ে মনে হচ্ছে।এবং সেটা সিপিএমকে সাহায্য করার জন্য নয়, ঠিকই করো সাহায্য বা ক্ষতি করার সক্ষমতা গুরু অর্জন করে নি, বোধহয় গুরুর নিজের নূন্যতম নিরপেক্ষ ভাবমূর্তি নির্মাণ করার জন্যেই। নাহলে যে বৃহৎ উদ্দেশ্যে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়েছে তার প্রাথমিক শর্ত পূরণ হয় না।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লাজুক না হয়ে মতামত দিন