এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • বুলবুলভাজা  SIR

  • ২০২৬-এর প্রথম দফায় ভোটের হার কি আসলে কম?

    তাতিন বিশ্বাস
    SIR | ২৭ এপ্রিল ২০২৬ | ৫১ বার পঠিত
  • অলংকরণ: রমিত



    বাংলার ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোট এই প্রজাতন্ত্রের স্বাধীনতা-উত্তর সব নজির ভেঙে দিয়েছে। প্রায় প্রতিটি কেন্দ্রে ভোটার তালিকায় থাকা মোট ভোটারদের ৯০%-এর বেশি ভোট দিয়েছেন। এই খতিয়ান পরের পর্বের ভোটকে প্রভাবিত করবে সন্দেহ নেই। এই ভোটকে সরকার-বিরোধী ঝড় অথবা এস আই আর বিরোধী গণভোট ব্যাখ্যা করে রাজনৈতিক দলগুলি প্রচারের অভিমুখ শানিয়ে চলেছেন। খেয়াল করবার যে পশ্চিমবঙ্গে ভোটের হার বহুবছর ধরেই ভারতের অন্যান্য রাজ্যগুলির মধ্যে প্রথমসারিতে। স্মরণযোগ্য কালে এরকম ঘটেনি যে ভোটের হার ৮০%এর কম। তা সত্ত্বেও একটি নির্বাচনে হঠাৎ প্রায় ১০% ভোটের হার বেড়ে যাওয়া আলাদা পর্যালোচনা দাবি করে। সেই নিরিখে, আগের বিধানসভা নির্বাচনের সঙ্গে এইবারের ভোটের পরিমাণ মিলিয়ে দেখা দরকার।

    এইবারের ভোটপর্বে প্রাথমিক শর্ত ছিল এস আই আর বা নিবিড়ভাবে ভোটার তালিকা সংশোধন হওয়া। এর ফলে বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটারের সংখ্যা পালটে গেছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সংখ্যাটি কমেছে যেমন আমরা নিচের টেবিলে দেখতে পাই।



    লক্ষ্যণীয় যে প্রায় সবকটিতেই এস আই আরের ফলে ভোটের সংখ্যা কমেছে, কেবলমাত্র কোতুলপুরে বেড়েছে। ভোটার সংখ্যা বাড়া আমাদের দেশে একদমই অস্বাভাবিক নয়। এখানে জন্মহার বেশি, ১৮ বছর আগে জন্মহার যা ছিল, তা আজকের মৃত্যুহারের থেকে বেশি হলে ভোটারের সংখ্যা বাড়াই স্বাভাবিক। তাহলে এস আই আরের ফলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ভোটার সংখ্যা কমে কেন? প্রথমতঃ মৃত বা স্থানান্তরিত ব্যক্তিদের নাম সচরাচর সময়ে বাদ দেওয়া হয় না। এস আই আরে তাঁদের পাওয়া যায় না বলে নাম কমে। এস আই আরের প্রথম ধাপে এই নামগুলি বাদ গিয়েছে। সেই সংখ্যাটা খুব কম ছিল না- ৬০ লক্ষ। এই ৬০ লক্ষ বাদ নিয়ে বেশি হৈচৈ হয়নি, কারণ এরা লিস্টে থাকলেও সক্রিয় ভোটার হিসেবে বিদ্যমান ছিলেন না। এরপর আসে লজিকাল ডিস্ক্রিপেন্সির অজুহাতে বিচারাধীন নাম, যার মধ্য থেকে ২৭ লক্ষ বাদ পড়েছে। এরা আসলে বিদ্যমান ভোটার, এস আই আরের ফর্ম ফিল আপ করেছিলেন, কিন্তু বিভিন্ন সন্দেহে তাঁদের কমিশন বাদ দিয়েছেন। এই বাদ দেওয়া স্থান ভেদে, ধর্ম পরিচিতি ভেদে আলাদা হারে হয়েছে। যেমন কোনও জেলায় প্রায় দশ লক্ষ লোক বাদ গিয়েছে। ফারাক্কা এমন একটি কেন্দ্র যেখানে এই দ্বিতীয় ধাপের বাদ বেশি, এখানে এস আই আরে ভোটার সংখ্যা ৫ বছর আগের ভোটার সংখ্যা থেকে ৪৫০০০ এর মতন কমে গিয়েছে। উল্টোদিকে গোটা পুরুলিয়া জেলায় ১ লক্ষ ৯০ হাজার নাম প্রথম পর্বে বাদ পড়লেও, লজিকাল ডিস্ক্রিপেন্সিতে মাত্র কয়েক হাজার নাম বাদ যায়।

    এর ফলে, আমরা বুঝতে পারি, এই বছর যেমন কিছু নাম বাদ গিয়েছে যাঁরা ভোটার হিসেবে বিদ্যমান ছিলেন না, কিন্তু তাঁদের নাম লিস্টে ছিল, তেমনি কিছু নাম বাদ গিয়েছে যাঁরা ভোটার হিসেবে আগেরবার বিদ্যমান ছিলেন, এবারও লিস্টে নাম তোলার যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন, নাম ওঠাতে পারলে ভোট দিতেন, কিন্তু এবার তাঁরা এই প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারেননি।

    ধরা যাক একটি কেন্দ্রে এস আই আরের পরে ১০০০ জন ভোটার আছেন এবং ৯৫০ জন ভোট দিয়েছেন। ধরে নিই ঐ কেন্দ্রে মৃত/স্থানান্তরিত বিধায় ৮০ জনের নাম কাটা গেছে। তাহলে এস আই আর না হলে ১০৮০ জন ভোটার হতেন। আরও ধরে নিই ঐ কেন্দ্রে ৩০ জনের নাম কাটা গেছে যাঁরা ওইখানেই থাকেন, নাম থাকলে তাঁরা সকলেই ভোটও দিতেন, কিন্তু লজিকাল ডিস্ক্রিপেন্সি। ফলে এস আই আর না হলে মোট ৯৩০ জন ভোট দিতেন, কিন্তু সেক্ষেত্রে ভোটার তালিকা মোট হত ১১১০ জনের। অর্থাৎ, যে শতকরা হার এইবার আমরা পাচ্ছি ৯৫০ x ১০০/১০০০= ৯৫%, এস আই আর না হলে তা হত ৯৮০x১০০/১১১০=৮৮.২৯%। এই হারটি সম্ভবতঃ গতবারের ভোটের হারের সঙ্গে তুলনীয়। তাও এই তুলনাও নির্ভুল নয়, কারণ লজিকাল ডিস্ক্রিপেন্সিতে দ্বিতীয় পর্বে বাতিলের সকলেই ভোট দিতেন এমন নাও হতে পারে, এবং, ৮০ জন মৃত ভোটারের কারুর নামে ভুয়ো ভোটও পরে থাকতে পারে। যাই হোক, বিভিন্ন উটকো সম্ভাবনা বাদ দিয়ে এইটাই আমাদের সবচেয়ে ভালো হিসেব হতে পারে গত নির্বাচনগুলির সঙ্গে এইটার তুলনার।

    কিন্তু সমস্যা হল যে এলাকা অনুযায়ী বিভিন্ন ধাপে বাদ যাওয়া নামের সংখ্যা খুবই আলাদা, কোথাও একটা সংখ্যা খুব বড়ো, আরেকটা আরেকরকম। আরেকটা সমস্যা হল কেন্দ্রপ্রতি এই সংখ্যা সহজে উপলব্ধ না। তাহলে আমরা কী করতে পারি?

    আমরা খেয়াল করলাম। ২০১৬-র যে ভোটার সে মোটের ওপর এমন জনগোষ্ঠীর থেকে এসেছে যারা ২০১১তেও ওই কেন্দ্রেই ছিলেন। তেমনি ২০২১-এর ভোটার ২০১৬-র ভোটারদের স্থানিক গোষ্ঠী থেকে এসেছেন। সেই সংখ্যায় কিছু যোগ বিয়োগ হয়েছে জন্মহার মৃত্যুহার ও পরিযানের ফলে। কিন্তু সেই যোগ বিয়োগও একটা নিয়ত হারে হওয়ার কথা, যেহেতু বড়ো রকম দাঙ্গা, দুর্ভিক্ষ, যুদ্ধ এই পর্যায়ে ঘটেনি। তাই আমরা ভাবলাম ২০২৬-এর এস আই আর পরবর্তী ভোটার সংখ্যা, যা আগের চারটি নির্বাচনের থেকে অনেকটা আলাদা, তাকে বাদ দিয়ে একটা হিসেব করা যাবে যদি আমরা এই বছরের ভোটদানের সংখ্যাকে আগের ভোটের ভোটার সংখ্যা দিয়ে ভাগ করি। খেয়াল করবার, এই শতাংশ কিন্তু ১০০-র ওপর যেতেই পারে, যদি পরেরবার অনেক নতুন ভোটার ভোট দিতে আসেন, আবার ১০০-র বেশ কিছু নীচে আসতে পারে যদি আগেরবারের ভোটারদের অনেকে মৃত বা স্থানান্তরিত হন, যাঁরা এইবার ভোট দিতে পারছেন না। ফলে এবছরে খুব বেশি পরিমাণে নতুন ভোট পড়লে এই সংখ্যা বাড়বে আর আগেরবারের অনেক ভোটার এবার ভোটে না থাকলে এই সংখ্যা কমবে। আমরা নিশ্চিতভাবে এতে একটি উল্লম্ফন দেখতে পাব, যদি এইবার খুব বেশি ভোটের হার হয়, অন্তত এই শতাংশকে যখন পূর্ববর্তী বছরগুলির সঙ্গে তুলনা করব। আমরা আগের পাঁচটি কেন্দ্রের এই খতিয়ান দেখি। প্রতিটি কেন্দ্রের ক্ষেত্রে ২০২৬-এর ভোটকে ২০২১-এর মোট ভোটার, ২০২১-এর ভোটকে ২০১৬-র মোট ভোটার এবং ২০১৬-র মোট ভোটকে ২০১১র মোট ভোটার দিয়ে ভাগ করে শতাংশ বার করা হল



    আমরা দেখছি প্রায় সমস্ত কেন্দ্রে এই সংখ্যটা ১০০ বা তার সামান্য নীচে এবং বছরপ্রতি কমছে। কমার কারণ অবশ্যই এস আই আর ছাড়া মৃত ও স্থানান্তরিত লোকের নাম বাদ যায় না, এবং সেই নামগুলি ভোটার লিস্টে বছর বছর অনাবশ্যক বেড়েছিল। কিন্তু ফারাক্কায় এই কমাটা অনেকগুণ বেশি। আমরা জানি এস আই আরের দ্বিতীয় পর্বে অত্যন্ত বেশি যে সব কেন্দ্রে নাম বাদ গেছে, তাদের একটি ফারাক্কা। অনুরূপভাবে আমরা সামশেরগঞ্জে এই হার দেখি ৬৫%, রঘুনাথগঞ্জে ৭৬%, লালগোলায় ৭৭%, মোথাবাড়িতে ৮১% ইত্যাদি। যদিও আগের ভোট গুলিতে ঐসব কেন্দ্রে এই হার ৯৫-১০২%এর মধ্যে ছিল। অর্থাৎ, ভোটের হার আগেরবছরগুলির তুলনায় তখনই অনেকটা কমছে যখন কোনও কেন্দ্রে অনেক লোক এস আই আরের দ্বিতীয় পর্বে বাদ পড়ছেন। এ ব্যতীত, মোটের ওপর এই হার অল্পমাত্রায় হ্রাসমান। প্রায় কোনও কেন্দ্রেই দুম করে অনেকটা বেড়ে যায়নি, যার থেকে মনে হতে পারে সেইখানে অতিমাত্রায় ভোট পড়েছে এইবছর। আমরা আরও কয়েকটি কেন্দ্রের হিসেব নিতে পারি



    আমরা দেখছি এই শতাংশটি এই ভোটে প্রায় কোথাওই সেইভাবে বেড়ে যাচ্ছে না। বড়োজোর এক থাকছে বা এক শতাংশ বাড়ছে। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কমছে, কিছু ক্ষেত্রে খুবই কমছে। কমে যাওয়ার সাধারণভাবে কারণ এস আই আরে বিদ্যমান বাসিন্দাদের নাম বাদ যাওয়া, যাদের নাম আগের ভোটে লিস্টে ছিল। খড়গপুর সদরে একটি বিশেষ কমিউনিটির কয়েক হাজার লোকের নাম এস আই আরে বাদ গিয়েছে। আবার আসানসোলের ক্ষেত্রে, সেখানে ঐতিহাসিকভাবেই ভোটের হার কম, তাই এই শতাংশও কম। ফলে, আমরা দেখতে পাচ্ছি গতবারের তুলনায় এইবার বেশি হারে ভোট পড়েছে এরকম বলবার মতন একটিও তথ্যবিন্দু পাওয়া যাচ্ছে না, বরং রায়গঞ্জ বা নারায়ণগড়, কিম্বা ওপরের তালিকায় কুমারগ্রামের হিসাব দেখে সন্দেহ হচ্ছে, ভোটের বাস্তব হার কমই ছিল। আর, এস আই আর জনিত কম ভোট তো আছেই। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, খড়গপুর সদরে ২০২৬-এ, ২০২১০এর তুলনায় প্রায় ১১০০০ ভোট কম পড়েছে। লালগোলাতেও ১১০০০ ভোট কম পড়েছে, আর সামশেরগঞ্জে পড়েছে পায় ৩৩০০০ কম ভোট এবছর।

    ভোটের হারের বৃদ্ধি-হ্রাস বুঝবার এই মাপকটি নেহাৎই আশুনিরীক্ষণের দায়ে ব্যবহার করা হল। যেমনটা বলা হয়েছিল কেন্দ্র প্রতি এস আই আরের দুটি স্টেজের সংখ্যা লবে ও হরে যথাযথভাবে যোগ করতে পারলে, ভোটের হারের সঠিকতর চিত্রটি আসত। কিন্তু, এই শতাংশভিত্তিক মাপকেও আমরা দেখতে পাচ্ছি, যেখানে তার মান পূর্ববর্তী বছরগুলির থেকে বেশ কিছুটা আসছে, তার কারণ ব্যাখ্যা করা যাচ্ছে- এস আই আরের দ্বিতীয় পর্যায় দিয়ে। মোটের ওপর কম মানও ওখানকার ভোটের ধারাবাহিক কম হারের সঙ্গে জড়িয়ে। কিন্তু কোনও কেন্দ্রেই বিশাল উল্লম্ফন দেখা যাচ্ছে না এই মাপকের। ফলে, ভোটের হারের অতিবৃদ্ধির দাবিগুলি ভুয়ো বলেই মনে হয়।


    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক।
  • SIR | ২৭ এপ্রিল ২০২৬ | ৫১ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

SIR
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভেবেচিন্তে প্রতিক্রিয়া দিন