এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  সমোস্কিতি

  • বুলডোজার ও সাঁজোয়া ভ্যানের দাপাদাপি সত্ত্বেও প্রথম দফায় কার্যত সমান-সমান যুযুধান দুই পক্ষ

    তন্ময় সিংহ
    সমোস্কিতি | ২৪ এপ্রিল ২০২৬ | ২৭ বার পঠিত | রেটিং ৪ (১ জন)


  • গতকাল প্রথম দফার নির্বাচনে সারা ভারতের নির্বাচনী ইতিহাসে পশ্চিমবঙ্গ সবচেয়ে ভোটের যে রেকর্ড যে সৃষ্টি করেছে, তার জন্য অন্যতম একটি কারণ হলো এই বুলডোজার এবং সাঁজোয়া ভ্যানের দাপাদাপি রাজপথে মানুষকে অনেকটা ইমার্জেন্সির কথা মনে করিয়েছে। চিরকালীন স্বাধীনতায় অভ্যস্ত বাঙালি জাতি গতকালের ভোট এস আই এর পরবর্তীতে তার মধ্যে সৃষ্টি হওয়া ভীতির পাশাপাশি এই অতি সক্রিয়তার বিরুদ্ধেও দিয়েছে বলে ধারণা সরকার পক্ষের। আসলে নির্বাচন কমিশনের বদান্যতায় যে নির্বাচন সূচী পশ্চিমবঙ্গের ঘোষণা হয়েছিল তার মূল লক্ষ্য ছিল একটাই, ২০১৯ সালে বিজেপির উর্বর জমিতে তাদের ফলাফলের পুনরাবৃত্তি করে দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে ঝাঁপিয়ে পড়া। কিন্তু প্রথম দফার নির্বাচনের এই ঐতিহাসিক ভোটের হার প্রতিষ্ঠান বিরোধিতার না এস আই আরের নির্যাতনের বিপক্ষে এ সম্পর্কে তর্কের অবকাশ থাকলেও চড়া রোদ উপেক্ষা করে মহিলাদের প্রধান যে মমতা ব্যানার্জির হাত শক্ত করছে সে সম্পর্কে নিঃসংশয় সব পক্ষই। প্রথম দফার নির্বাচনে ফসল ঘরে তুলবে কারা সে সম্পর্কে চার তারিখ চূড়ান্ত চিত্র জানা গেলেও এই মুহূর্তে যে দুপক্ষই সমানে সমানে প্রথম দফায় লড়াই করেছে তা নিয়ে নিসংশয় সব পক্ষই।

    প্রথম দফার নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গের মানুষেরা কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নজরের মধ্যেও সারা ভারতের নির্বাচনের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ভোট দিয়ে যে নজির সৃষ্টি করল, তার প্রতিক্রিয়া নিয়ে আত্মবিশ্বাস দুপক্ষ হলেও এই নির্বাচনে এই ভোটদানের কারণ শুধুমাত্র দিদির পক্ষে মহিলাদের রায় অথবা প্রতিষ্ঠান বিরোধিতা অর্থাৎ পরিবর্তন এটা ভেবে নেওয়া অতি সরলীকরণ হবে। পশ্চিমবঙ্গের ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গের নয় সারা ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি মাইলস্টোন হতে চলেছে। যে নির্বাচনে বিরোধী শিবির কেন্দ্রীয় সরকারে থাকার সুবিধার নিয়ে, সমস্ত ফ্রন্টে রাজ্য সরকারকে উৎখাত করার প্রচেষ্টা করছে তাতে নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠানগুলোও তাদের ঐতিহ্য ভেঙ্গে জড়িয়ে পড়ে গনতন্ত্রের পক্ষে ভুল বার্তা দিচ্ছে বলে জনমানসে ধারণা তৈরি হয়েছে। ১৫ বছরের সরকারে থাকার ব্যর্থতা গুলি এই নির্বাচনে গৌণ। সাধারণ মানুষের মধ্যে বেকারত্ব ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে থাকা ক্ষোভের প্রতিফলন ভোট বাক্সে যাওয়ার বদলে এসআইআর এ নাম কেটে যাওয়ার কিংবা লজিক্যাল ডিসক্রিমিনেন্সির ভয় কাজ করছে। পশ্চিমবঙ্গের প্রথম দফা নির্বাচনে প্রভাব ফেলেছে যে ঘটনাগুলি সেগুলি আলোচনা করলেই আমরা বুঝতে পারব প্রথম পান নির্বাচনের গতি প্রকৃতি কোন দিকে।


    ছবি: সামাজিক মাধ্যম


    প্রথম দফাতে এসআইআর ইমপ্যাক্ট : প্রাক্তন নির্বাচন কমিশনার এস ওয়াই কুরেশি তার এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন জানিয়েছেন, যে নির্বাচন কমিশন দেশের নাগরিকদের কাছ থেকে যথেষ্ট তথ্য ও এফিডেভিট সংগ্রহ করছেন তারা এই দেশের নাগরিক কিনা সেই সংক্রান্ত কিন্তু নির্বাচন কমিশন নিজেরা এফিডেভিট দিতে অক্ষম তাদের বিচার যদি সঠিক না হয় তাহলে তার দায়ভার কে নেবে। এই ২৭ লক্ষ ভোটার যে বাদ গেল এবং ৯০ লক্ষ ভোটারকে যে যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে শুধুমাত্র সংস্থার নিজস্ব কার্যকলাপ সম্পূর্ণ না হওয়ার জন্য যেতে হলো তার স্বাধীন ভারতের গণতন্ত্রের জন্য একটি সুস্থ সিদ্ধান্ত নয় বলে তিনি মনে করেছেন। ভারতীয় আইনের বহুল প্রচলিত সেই প্রবচনটিকে তিনি ব্যবহার করেছেন যেখানে ৯ জন দোষ করে শাস্তি না পেলেও যেন একজন নির্দোষী শাস্তি না পাই। আসলে এই এস আই আর পদ্ধতি প্রথমে সাধারণ মানুষের মধ্যে যে বার্তায় নিয়ে আসুক না কেন পদ্ধতিটি সম্পূর্ণ হওয়ার সাথে সাথে এবং পশ্চিমবঙ্গের জন্য বিশেষত নতুন করে খুঁজে পেতে লজিক্যাল ত্রুটি বার করার পরবর্তীকালে সাধারণ মানুষের হয়রানিতে বিরোধী বিজেপি শিবির যে সুবিধা এই এসআইআর থেকে পাবে ভেবেছিল, তা সম্পূর্ণরূপে বুমেরাং হয়েছে বলে মত। এই নির্বাচনে বিপুল পরিমাণ মানুষের অংশগ্রহণ শুধুমাত্র নির্বাচন কমিশনের ভয়ে যে ভোট না দিলে নাগরিকত্ব বাতিল হতে পারে। শুধুমাত্র মুসলমানদের ভোট কেটেছে এরকম নয়, এই ২৭ লক্ষের মধ্যে হিন্দু মতুয়াদের সংখ্যাও যথেষ্ট, হিন্দু মতুয়া যারা বিজেপির ভোটব্যাঙ্ক ছিল তারা কতটা বিজেপির পক্ষে ভোট দেবে সে সম্পর্কে সংশয় আছে রাজনৈতিক মহলে। পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে এই রেকর্ড পরিমাণ ভোট এরই প্রতিফলন বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা এবং এস আই আর এর পরবর্তী পর্যায়ের প্রভাব শাসকদলের পক্ষেই অনুকূল বলেও মনে করছে বিশেষজ্ঞরা।

    পরিযায়ী শ্রমিকদের ভোট:: এবারের নির্বাচনে গত দু চার দিন বিভিন্ন স্টেশনের এবং রেলের যে ছবি আমরা সামাজিক মাধ্যমে দেখতে পেলাম তাতে একটা জিনিস পরিষ্কার। সারা ভারতের প্রত্যেকটি রাজ্যে যেখানে যত বাঙালি শ্রমিক আছেন তাদেরকে ধরে ধরে টিকিট করে খাওয়ার খরচা দিয়েও পাঠানো হয়েছে ভোট দিতে ঠিক যেন বিহারের মতো। কোন পক্ষের তরফ থেকে এই ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং তারা ঠিকমতো ভোট না দিলে বিদেশে তাদের কি অসুবিধা হবে সে সম্পর্কে যথেষ্ট ওয়াকিবহাল করে দেওয়া যে হয়েছে, সে বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই। এই বিপুল পরিমাণ পরিযায়ী শ্রমিকের ভোট দাসপুরের মতন আপাতদৃষ্টিতে তৃণমূল কংগ্রেসের সেফ সিটের উপরে কি প্রভাব ফেলে সে সম্পর্কে নজর থাকবে ফলাফলের দিন। যদিও এই পরিযায়ী শ্রমিকদের মধ্যে মাইনরিটি ভোট শাসকের পক্ষে গেলেও বাকি অংশের ভোট এই মুহূর্তে বিজেপির পক্ষে বলেই মনে করছে নির্বাচনী পর্যালোচকরা।

    মহিলাদের উদ্দীপনা:: পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে বৈশাখ মাসের প্রখর উত্তাপ এর সাথে সূর্যের তেজ যেরকম পাল্লা দিয়ে বেড়েছে তার মতনই বেড়েছে ভোটে মহিলাদের অংশগ্রহণ। সকাল থেকে রোদ উপেক্ষা করে প্রায় জায়গাতেই দীর্ঘ লাইন দিয়ে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে মহিলারা। শিক্ষিত মহিলাদের মধ্যে প্রতিষ্ঠান বিরোধিতার ঝোঁক থাকলেও, গ্রামীন ও সাধারণ গৃহস্থালীর মহিলাদের জন্য এই কষ্ট করে ভোট দান অনেকটা লক্ষ্মীর ভান্ডারের প্রভাব সে সম্পর্কে কোন দ্বিমত নেই। বিভিন্ন রাজ্যে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির পরে বিজেপির টাকা না দেওয়া মোবাইলের মাধ্যমে বাড়ির মেয়েদের মধ্যে ছড়িয়ে দিয়েছে অন্নপূর্ণা ভান্ডারের প্রতি অবিশ্বাস‌। অন্যদিকে বিহারের মতো পশ্চিমবঙ্গে ভোটের আগে সুযোগ থাকা সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে কোন সাহায্য না মেলায় বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতা দখলে কতটা বিনিয়োগে আগ্রহী সে সম্পর্কে সন্দেহ থেকেই গেল। এই বিপুল পরিমাণ মহিলা ভোট নিঃসন্দেহে মমতা ব্যানার্জির হাত শক্ত করবে বলেই ধারণা। এর সাথে যোগ হয়েছে আরো একটি সম্ভাবনা, দুর্গা শ্রী নামক একটি ১০ হাজার টাকার এককালীন অনুদান এর ফোনের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে প্রত্যেক বাড়ির মহিলাদের মধ্যে মমতা ব্যানার্জির তরফ থেকে দেয়া হবে বলে যদিও এর সত্যতা আমরা যাচাই করতে পারিনি।

    আদিবাসী সম্প্রদায় ও কুড়মী সম্প্রদায়ের ভোট :: বিজেপি তাঁদের সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর জন্য বিখ্যাত তারই সুফলে ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনে আদিবাসী ও কুড়মী সম্প্রদায়ের ভোট এককাট্টা বিজেপিতে পড়ায় এই ১৫২ টি আসনের প্রায় ৬০ ভাগ আসন পেয়েছিল বিজেপি। কিন্তু পরবর্তীকালে কুড়মী সম্প্রদায়ের আদিবাসী হওয়ার দাবিতে আন্দোলন, এই সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর মধ্যে বিভেদের সৃষ্টি করে ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনে কুড়মী দের প্রধান দুই শিবিরের নেতা বিজেপির টিকিটে নির্বাচনে দাঁড়ানোই সাধারণ আদিবাসী সম্প্রদায় যে মমতা ব্যানার্জির পক্ষেই থাকবে জঙ্গল মহলে সে সম্পর্কে বিন্দুমাত্র সন্দেহের অবকাশ নেই। অন্যদিকে কুড়মী আন্দোলনের নেতাদের বিজেপি তো থাকার জন্য এই সম্প্রদায়ের ভোট বিজেপি পাচ্ছে সেটা নিশ্চিত হলেও যে বিপুল পরিমাণ মানুষ সরাসরি বিভিন্নভাবে সরকারের শিল্পী ভাতা থেকে শুরু করে বাড়ি এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পেয়েছে তারা কতটা সারা দেবে সে সম্পর্কে প্রথম দফার নির্বাচনে মানুষের অংশগ্রহণ প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।

    সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ক:: পশ্চিমবঙ্গে ২০২৬ এর নির্বাচনে প্রথম দফায় অন্তত সমস্ত জেলাগুলি থেকেই প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী এবং বিভিন্ন সূত্র মারফত পাওয়ার খবর অনুযায়ী দেশের শীর্ষস্থান থেকে আশা বার্তার জন্য এবং রাজনৈতিক ভাবে তৃণমূল কংগ্রেসকে তাদের দৈনন্দিন জীবন যাপনের পাশে পাওয়ার জন্য মাইনরিটি ভোট ব্যাংক অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এককাট্টা শাসক দলের সাথেই প্রথম দফার নির্বাচনে থাকলো এবং দুই দফা মিলে প্রায় ১০০ মত সিটে বিজেপির লড়াইয়ে থাকার সুযোগ রইলো না বলেই ওয়াকিবহাল মহলের মত ‌।


    ছবি: সামাজিক মাধ্যম


    রাস্তায় বুলডোজার ও সাঁজোয়া ভ্যানের আফটার ইফেক্ট:: পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে বিজেপির প্রচারে কখনো কখনো উচ্চ নাদে আবার কখনো গলা নামিয়ে বলা হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে বুলডোজারের রাজনীতি চলবে। আবার নির্বাচন কমিশন এবং কেন্দ্রীয় এজেন্সি দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে ভোট চলাকালীন সাজোয়া গাড়ির যে রকম ব্যবহার করা হয়েছে তার সাথে একমাত্র তুলনীয় এমার্জেন্সি অবস্থা। পশ্চিমবঙ্গে সাধারণ নাগরিকদের জন্য এই দুটোই খুব একটা সহজ ও সুখকর অভিজ্ঞতা নয়। হিংসা মুক্ত এই নির্বাচনে নির্বাচন কমিশন যেমন প্রশংসনীয় কাজ করেছে, তেমন ই এই চূড়ান্ত ভীতির পরিবেশ তৈরি করে আসলে এক নাগরিকদের মধ্যে দমবন্ধ পরিস্থিতি ও তৈরি করেছে এর সুফল ভোট বাক্সে শাসকদলের পক্ষে যেতে পারে বলে অনুমান করছে ওয়াকিবহাল মহল

    বাম ও কংগ্রেসের হালখাতা :: ২০২৬ এর বিধানসভা তে টেকনিক্যালি কংগ্রেসের একজন বিধায়ক থাকলেও পরবর্তীকালে সে তৃণমূলে যোগদান করায়, বিধানসভাতে বাম এবং কংগ্রেসের কোন পক্ষ থাকেনি। ২০২৬ এর নির্বাচনে কংগ্রেসের পক্ষে মাইনরিটি সম্প্রদায়ের একাংশ ভোট করবে এবং কিছু প্রার্থীর নিজস্ব কারিশমার জন্য তারা জিতবে এটা প্রথম দফার নির্বাচনে মানুষের ব্যবহারে নজর এসেছে। কংগ্রেস যেখানে পুরুলিয়া বীরভূম উত্তর দিনাজপুর মালদা ও মুর্শিদাবাদ এই পাঁচটি জেলাতে সফলতার আশা করে দুই অঙ্কের কাছাকাছি পৌঁছতে পারবে বলে আশা করছে। সেখানে সিপিএম মুর্শিদাবাদ এবং উত্তর দিনাজপুরে খাতা খুলবে বলে আশা করছে। অন্যদিকে বিপুল পরিমাণে উন্মাদনার সাথে বাবরি মসজিদের ভিত্তি স্থাপন করে সারা দেশ থেকে সাহায্য সংগ্রহ করার পরেও একটি ভাইরাল ভিডিওর মাধ্যমে হুমায়ুন কবিরের ভবিষ্যৎ যে ধোঁয়াশার মধ্যে সে সম্পর্কে প্রথম দফার নির্বাচনের পরে কোন সংশয় নেই।

    সবে মিলিয়ে উর্বর জমি থাকা সত্ত্বেও প্রথম দফার নির্বাচনের শেষে, বিরোধী পক্ষ যতই দাবি করুক ও আজ সকালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নৌকা বিহার করুন না কেন গঙ্গার বুকে বিজেপির পালে আশা ব্যঞ্জক হাওয়া লাগেনি, এ সম্পর্কে অনেকটাই নিশ্চিন্ত শাসকপক্ষ। অনুকূল হাওয়া তৈরীর চেষ্টার পরেও, প্রথম দফাতে বাংলা কার্যত স্থিতাবস্থার পক্ষে। বুলডোজার এবং সাঁজোয়া গাড়ির জন্য এখনো বাংলার রাস্তা প্রস্তুত হয়নি বলেই ওয়াকিবহাল মহলের মত।

    লেখক এপেক্স রিসার্চ সলিউশনের জনমত সমীক্ষার সাথে যুক্ত


    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • সমোস্কিতি | ২৪ এপ্রিল ২০২৬ | ২৭ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। পড়তে পড়তে প্রতিক্রিয়া দিন