এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • কনসিলিয়েশন উইথ অল পার্টিস। 

    লতিফুর রহমান প্রামানিক লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৬ এপ্রিল ২০২৬ | ৪০ বার পঠিত
  • পলিটিকাল উইসডম অব তারেক রহমান।
    Conciliation with America) হলো আইরিশ রাষ্ট্রনায়ক ও দার্শনিক এডমন্ড বার্ক-এর দেওয়া একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ভাষণ। আমাদের সময়ে অনার্স এর পাঠ্যবই ছিলো। পাঠ্যবই নিয়ে আমার ব্যক্তিগত সমালোচনা অনন্তকাল থাকবে। ১৯/২০ বছরের বালক বালিকার কাছে এই গভীর দার্শনিক ভাষন তত্ত্ব বুঝার মতো মস্তিষ্কের ধারণক্ষমতা থাকে না। অহেতুক এসব ভার দিয়ে লেজেগোবরে শিক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে নতুন প্রজন্মের খুব একটা কাজে আসে না কখনো। যাইহোক সেসময় বুঝতে না পারলেও আরও অনেক দেরি করে তা বুঝতে চেষ্টা করি। ১৭৭৫ সালের ২২ মার্চ ব্রিটিশ পার্লামেন্টে (House of Commons) এই ভাষণটি প্রদান করেন। ১৭৭৫ সালে ব্রিটিশ শাসনের অধীনে থাকা ১৩টি আমেরিকান উপনিবেশের সঙ্গে ব্রিটেনের সম্পর্ক চরম অবনতির দিকে যাচ্ছিল। ব্রিটিশ সরকার উপনিবেশগুলোর ওপর বিভিন্ন কর (Tax) আরোপ করেছিল, যা আমেরিকানরা মেনে নিতে অস্বীকার করে। এই সংঘাত যখন যুদ্ধের দিকে মোড় নিচ্ছে, ঠিক তখনই এডমন্ড বার্ক ব্রিটিশ সরকারকে যুদ্ধের পরিবর্তে শান্তির পথে হাঁটার পরামর্শ দেন। এডমন্ড বার্ক মনে করতেন, আইনত ব্রিটেন কর আদায়ের অধিকার রাখলেও প্রজ্ঞা (Prudence) এবং বাস্তবতার খাতিরে সেই অধিকার ত্যাগ করে আমেরিকানদের সঙ্গে সমঝোতা বা 'কনসিয়েলিশন'-এ আসাই শ্রেয়। তবে ব্রিটিশ সরকার তার এই পরামর্শ উপেক্ষা করায় শেষ পর্যন্ত আমেরিকান স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হয়। এডমন্ড বার্কের এই ভাষণটি কেবল একটি রাজনৈতিক বক্তৃতা নয়, বরং এটি রাষ্ট্রদর্শন এবং কূটনীতির একটি অনন্য দলিল। বার্ক ব্রিটিশ সরকারকে সতর্ক করেছিলেন যে, শক্তি প্রয়োগ করে কোনো জাতিকে দীর্ঘসময় শাসন করা যায় না। তিনি চারটি নির্দিষ্ট কারণ দর্শান:
    ​অস্থায়িত্ব: শক্তির জয় সাময়িক। একবার পরাজিত হলেও আমেরিকানরা আবার বিদ্রোহ করবে।
    ​অনিশ্চয়তা: যুদ্ধে জয় নিশ্চিত নয়। ব্রিটিশরা যদি হেরে যায়, তবে পুরো সাম্রাজ্য হুমকিতে পড়বে।
    ​সম্পদ ধ্বংস: আপনি যা রক্ষার জন্য যুদ্ধ করছেন, যুদ্ধের ফলে সেই সম্পদই ধ্বংস হয়ে যাবে। একটি ধ্বংসস্তূপের ওপর রাজত্ব করা অর্থহীন।
    ​অভিজ্ঞতার অভাব: ব্রিটিশরা আমেরিকানদের দমনে অভিজ্ঞ নয়, বরং তাদের সাথে বাণিজ্যে অভিজ্ঞ। বার্কের মূল কথা ছিল— "একটি মহান সাম্রাজ্য এবং ক্ষুদ্র মন একসাথে চলতে পারে না।" তিনি ব্রিটিশ পার্লামেন্টকে আইনত সঠিক হওয়ার চেয়ে বাস্তববাদী হওয়ার পরামর্শ দেন। দুর্ভাগ্যবশত, তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী লর্ড নর্থ এবং রাজা তৃতীয় জর্জের সরকার বার্কের এই দূরদর্শী প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। এর ঠিক এক মাস পরেই লেক্সিংটন ও কনকর্ডের যুদ্ধের মাধ্যমে আমেরিকান স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হয়ে যায়।
    এই তুখোড় পার্লামেন্টারিয়ান প্রায় ২৯ বছর বৃটিশ পার্লামেন্ট সদস্য ছিলেন। বার্কের এই ভাষণটি ইংরেজি সাহিত্যের ইতিহাসে অলংকারশাস্ত্র (Rhetoric) এবং তর্কশাস্ত্রের (Logic) এক শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। তার শব্দচয়ন, উপমা এবং সুদূরপ্রসারী রাজনৈতিক প্রজ্ঞা আজও রাষ্ট্রবিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের জন্য পাঠ্য। তখন ক্ষমতায় ছিল 'টোরি' (Tory) সরকার, যার নেতৃত্বে ছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী লর্ড নর্থ (Lord North)। এই সরকার আমেরিকান উপনিবেশগুলোর ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ এবং কর আরোপের পক্ষে ছিল।
    ​এডমন্ড বার্ক ছিলেন 'হুইগ' (Whig) দলের সদস্য। হুইগরা তখন বিরোধী আসনে ছিল। বার্ক এবং তার দলের একটি বড় অংশ লর্ড নর্থের সরকারের কঠোর নীতির তীব্র সমালোচনা করতেন এবং আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের দাবি জানাতেন। বার্ক নিয়ে আলোচনার কারণ হচ্ছে সংসদীয় গনতন্ত্রের চর্চায় সরাসরি দল আর বিরোধী দলের দেশ জনগণের কল্যাণে সহমত সহ অবস্থান নিশ্চিত ভাবেই সাধুবাদ প্রাপ্য। যদি ও বাংলাদেশের গনতান্ত্রিক এই যাত্রায় তার ইতিহাস উদাহরণ হারিকেন জ্বালিয়ে খুঁজে পাওয়া যায় না। যার খেসারতও আমরা দিয়েছি, দিয়েই আসছি। বিশেষ করে যদি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা নিয়ে বলি, আমার মনে হয় সবচেয়ে এই পদ্ধতি নিয়ে সবচেয়ে বেশি রাজনৈতিক দলের সহঅবস্থান থাকিলে ও পরবর্তীতে তা নিয়ে আওয়ামী লীগের ইউটার্ন নিয়ে সমালোচনা কম হয় নি। এমনকি দেশের সবচেয়ে নাজুক পরিস্থিতিতে ও আমরা রাজনৈতিক মতনৈক্যতে এক হতে না পারাই জাতির জন্য দুর্ভাগ্য আমাদের। আমরা যদি ঘুরে ফিরে আবারও আমেরিকার দিকে উঁকি দেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে সরকার ও বিরোধী দলের সমন্বয়ে একাধিক কার্যকর কমিটি রয়েছে। এই কমিটিগুলো এত ক্ষমতাবান যে, তারা প্রেসিডেন্টের অনেক নির্বাহী আদেশ রহিত করতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রে নাইন-ইলেভেনের বর্বরোচিত হামলার পর কংগ্রেসের সিনেট এবং প্রতিনিধি সভা (House of Representatives)-এর সদস্যদের নিয়ে একটি যৌথ কমিটি গঠন করা হয়েছিল। এ কমিটিতে রিপাবলিকান দলের এবং ডেমোক্র্যাটদের সমান সংখ্যক প্রতিনিধি রাখা হয়েছিল। তাদের কাজ ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে করণীয় সম্পর্কে পরামর্শ দেওয়া। আমেরিকায় রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার থাকলেও কংগ্রেসের মাধ্যমে ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা করা হয়। যুক্তরাজ্য বিশ্বের সংসদীয় গণতন্ত্রের আঁতুড়ঘর। ব্রিটেনে বিরোধী দল ছাড়া সরকার অচল। সব মন্ত্রণালয়ের কাজ তদারকি করে পার্লামেন্টারি কমিটি। যেখানে সরকারি দল ও বিরোধী দলের প্রতিনিধিত্ব থাকে। সংসদ নেতা নিয়মিত বিরোধী দলের নেতার সঙ্গে দেশের গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে কথা বলেন। অতি সম্প্রতি ইরান যুদ্ধে জড়ানো নিয়ে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার সর্বদলীয় পার্লামেন্টারি কমিটির বৈঠক আহ্বান করেন। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়, ব্রিটেন এই যুদ্ধের অংশ হবে না। গত সপ্তাহে সেখানকার প্রধানমন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্য ইস্যুতে বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা করেন। সেই বৈঠকের পর যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী একটি বিবৃতি দেন। যুক্তরাজ্যে জাতীয় সংকটে সরকার ও বিরোধী দল ভেদাভেদ ভুলে একসঙ্গে দেশের মঙ্গলের জন্য কাজ করেন। এ কারণেই দেশটির গণতন্ত্র সুসংহত। ভারত পাকিস্তান ও তার ব্যতিক্রম নয়। ২০২৪ সালের আগস্টে বাংলাদেশ পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সর্বদলীয় বৈঠক ডাকেন। গত বছর পেহেলগামের হত্যাকাণ্ডের পর ভারতের করণীয় নির্ধারণ করতে মোদি সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছিলেন।
    আমরা হয়তো আলোর ঝিলিক খুঁজে পাচ্ছি এবার। পতিত আওয়ামী সরকারের পতনের পর সারা বাংলাদেশ একটি বিভেদহীন গনতান্ত্রিক যাত্রার স্বপ্ন দেখতে শুরু করে। যদি ও সেই পথ সহজ নয় বা একদিনে সম্ভব নয়। কিন্তু চর্চার সদিচ্ছাই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ইউনুস সরকার সবাইকে এক টেবিলে মুখোমুখি বসার শুভ সুচনা বাংলাদেশের নতুন সূর্যের মত। সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলা আলোচনায় শতভাগ সফলতা বা প্রাপ্তি নিয়ে ছোটখাটো অতুষ্টি বা আক্ষেপ থাকলেও সেই সুভ সুচনার জন্য আমাদের অপেক্ষা করতে হয়েছে পঞ্চাশের বেশি বছর। গণভোট নিয়ে যে টুকটাক উত্তেজক বক্তব্য আসে তার সবচেয়ে বড় কারণ রাজনৈতিক। এটা পলিসি বা পলিটিকাল স্টান্ডবাজি। সে আলোচনা অন্য বিষয়। জামায়াত ইসলাম বিরোধী দলের পক্ষ থেকে ডেপুটি স্পীকার ফেরত দিয়ে শুভসূচনা করা থেকে নিজেদের বঞ্চিত করে। কিন্তু তারেক রহমান সেই সুযোগ লুফে নিতে অপেক্ষা করতে চায় নি আর। জামায়াতে আমীর রাস্তায় বের হয়ে পাম্পে যতটা না তেলের খোঁজ নিয়েছে তার থেকে সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনার পথ খুঁজে বেড়াতে থাকে। এই বৈশ্বিক সমস্যায় অস্বীকার করার উপায় নেই সারা দুনিয়ার মত আমাদের দেশেও তেলের সংকট নিয়ে সরকারের ঘুম নেই। যদিও জামাতে ইসলাম এটা সরকার এর বানানো সমস্যা নয় বলিয়া প্রচার করিলেও ব্যবস্থাপনা নিয়ে আপত্তির কথা জানায়। সরকারের তা নজরে পড়ে। বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে একটি অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন সংসদ নেতা এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর আগে বারোটি সংসদে যা হয়নি ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে তার সাক্ষী হলো বাংলাদেশ। গত বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ নেতা জ্বালানিসংকট মোকাবিলায় সরকারি দল এবং বিরোধী দলের সমন্বয়ে একটি ১০ সদস্যের কমিটি গঠনের প্রস্তাব করেন। প্রস্তাবটিকে বিরোধী দলের সদস্যরা স্বাগত জানান। ত্রয়োদশ সংসদে সংসদ নেতার এই উদারতা বাংলাদেশের গণতন্ত্রের বিকাশে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে। আরেকটি বিষয় নিয়ে দুটো কথা বলি, তা মিডিয়ায় তেমন আসেনি। নির্বাচনের সময় জামায়াতের আমীর একটা ঘোষণা দিয়ে বলে তারা যদি বিরোধী শিবিরে বসে তবুও তারা ট্যাক্স ফ্রী গাড়ি কিনবে না। যদি ও বি এন পির পক্ষেও তেমন ঘোষণা ও সিদ্ধান্ত ছিলো। সেই বিল পাশের সময় তাই কিছুটা অজানায় বা আলহাদে বিলের সাথে আমীর এর নাম জুড়ে দেওয়ার একটা প্রস্তাব দিয়ে বসে জামাত। তারপর জানা গেল তারেক রহমান ই নাকি আইনমন্ত্রীকে আমীর এর নাম জুড়ে দেওয়ার কথা পুর্বেই বলে রেখেছেন। কিন্তু বাধা দেয় আইনমন্ত্রী। বিল পাশের ক্ষেত্রে তা দৃষ্টিকটু, নিয়ম বহির্ভূত বা সংসদীয় রীতির সহিত মানানসই নয় সেই যুক্তিতে জামাতের আমিরের নাম আর অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হয়নি। এই রাজনৈতিক চর্চাই দেখতে চায় বাংলাদেশ। রাষ্ট্রীয় সংকটে দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জনগণের এবং দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়ার মানসিকতা থাকতে হবে বিরোধী দলকে। বিরোধী দলের দায়িত্বশীল আচরণ কেবল সংসদকেই কার্যকর এবং প্রাণবন্ত করে না, গণতন্ত্রকে এগিয়ে নেয়। বার্ক এর যে পরামর্শ সেদিনের সরকার অগ্রাহ্য না করলে হয়তো ব্রিটিশ আমেরিকার ইতিহাস অন্যভাবে লিখতে হত। তারেক জিয়া তার সেই সুযোগ লুফে নিতে দেরি না করায় ইতিহাসের অংশ হিসেবে নিজেকে জড়িয়ে প্রশংসা হাতিয়ে নিয়েছে তা ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় মাইলফলক হয়ে থাকছেই আপাতত।


     
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লাজুক না হয়ে মতামত দিন