
অলংকরণ: রমিত
একটা কথা ইতি-উতি উড়ে বেড়াচ্ছে যে আসলে এসআইআর এর মাধ্যমে বাংলাদেশি ও অনুপ্রবেশকারী বিতারণের কাজ চলছে। পশ্চিমবঙ্গে কোটি, কোটি অনুপ্রবেশকারী ঘুরে বেড়াচ্ছে এরকম বিশ্বাস অনেকেই করেন। বহু লেখায় দেখানো হয়েছে যে এরকম বিশ্বাসের পেছনে কোন তথ্যপ্রমাণ নেই, তাও। তথ্যপ্রমাণ দিয়ে বিশ্বাস পাল্টানোর কাজ শক্ত, তাও মনে হল এসআইআর কোন ভাবে অনুপ্রবেশ আটকানোর চেষ্টা করছে কিনা সেটা একটু দেখা দরকার। জনগণনা ২০১১ এর পরে আর হয় নি। অনেকেই মনে করেন রাজ্যে তৃণমূল আসার পরে ব্যাপক ভাবে অবৈধ ভোটার ঢোকানো হয়েছে। তাই আমি ২০১১ থেকে ২০১৬ এর মধ্যে বিধানসভা আসনে ভোটার বৃদ্ধির হারের সঙ্গে এসআইআরে নাম ডিলিটের একটি আন্তঃসম্পর্ক দেখার চেষ্টা করলাম। মনে রাখতে হবে, ভোটার সংখ্যা নানান স্বাভাবিক কারণে বাড়তে পারে। কিন্তু তাও অনুপ্রবেশকারী দিয়ে ভোটার বাড়ানো হলে তার একটা তো ছাপ পড়বেই। আমি প্রথম এবং দ্বিতীয় রাউন্ডের ভোটার ডিলিট আলাদা করে দেখালাম। কারণ, প্রথম রাউন্ড হয়েছিল নির্বাচন কমিশনের নিয়ম মেনে যা আন্য রাজ্যেও হয়েছে। অন্যদিকে দ্বিতীয় রাউন্ড হয়েছে, যৌক্তিক অসঙ্গতির নামে যা ভূ-ভারতে কখনো হয় নি।