এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  স্মৃতিচারণ

  • থোকায় থোকায় জোনাই জ্বলে ....

    Somnath mukhopadhyay লেখকের গ্রাহক হোন
    স্মৃতিচারণ | ১৭ মার্চ ২০২৬ | ১৯ বার পঠিত
  • থোকায় থোকায় জোনাই জ্বলে…….

    বছর কয়েক আগের কথা। বাড়ি থেকে সন্ধেবেলায় বেরিয়েছি গরম গরম তেলে ভাজার খোঁজে। বাড়ি থেকে একটু দূরেই কদমতলার বাজার। তেমন বড়ো কিছু নয়। হাতে গোনা কয়েকটি দোকান। সকালে খানিকটা জমজমাট থাকলেও সাঁঝবেলায় কেমন যেন ঝিম মেরে যায় গোটা চৌহদ্দি। কেবল বুড়িমার চপের দোকানখানি সব আঁধার শুষে নিয়ে উজ্জ্বল হয়ে থাকে। তেল ভর্তি কড়াইয়ে নিপুণ হাতে রকমারি চপ বেগুনি পেঁয়াজি ফুলুরি এসব ভাজা হচ্ছে আর নিমেষে উবে যাচ্ছে ভিড় করে থাকা মানুষদের হাতে হাতে। এমনি খান কয়েক তেলেভাজা কিনে সবে বাড়ির পথে পা বাড়িয়েছি, হঠাৎ দপ্ করে লোডশেডিং হয়ে গেল। বোধহয় ঝড় উঠবে। অন্ধকারের সঙ্গে ধাতস্থ হয়ে উঠতে কয়েকটি মুহুর্ত সময় লেগে যায়। তারপর‌ই আবার টুকটুক করে বাড়ির পথে পা বাড়াই।

    খানিকটা পথ অন্ধকার হাতড়ে এগোলেই সামনে পড়ে খেলার মাঠ। মাঠ ঘিরে এখনও কিছু বড়ো বড়ো গাছেরা দাঁড়িয়ে থেকে মাঠ পাহারা দেয়। সেদিকে তাকাতেই দেখি অন্ধকারকে উপেক্ষা করেই হাজারে হাজারে আলো দপদপিয়ে জ্বলছে আর নিভছে। এমন স্বর্গীয় দৃশ্য উপভোগ করবো বলে স্থানু হয়ে দাঁড়িয়ে পড়লাম। আমার ঠিক সামনে সামনে মায়ের হাত ধরে আন্টির বাড়ি পড়তে চলেছে এক মানবক। পিঠে তার এক গন্ধমাদন ঝোলানো। আমাকে হঠাৎ দাঁড়িয়ে পড়তে দেখে ছেলেটিও হঠাৎ করে দাঁড়িয়ে পড়ে, আর তারপর গলায় পরম আহ্লাদ ভরিয়ে বেশ জোরেই বলে ওঠে —

    মা, মা দ্যাখো ! গাছের মাথায় ক্যামন আলো জ্বলতাছে। ঐগুলা কী মা?
    এগুলারে কয় জোনাই, জোনাক পোকা।
    পোকা? কেমন সুন্দর তাই না মা? আচ্ছা মা, মাছি, পিঁপড়া, তেলাপোকারা তো এ্যামন ক‌ইরা জ্বলেনা। ক্যান জ্বলেনা মা? ক‌ওনা।
    অত ক‌ওনের কিছু নাই। পা ফেলাইয়া চল। দেরি হ‌ইলে ম্যাম আবার বকাবকি করবো।
    কি সুন্দর দ্যাখতে লাগলো! এতোদিন তো দেখি নাই। ক্যান দেখি নাই? …..

    প্রশ্ন মুখর পুত্রের এমন লাগাতার প্রশ্নে ব্যতিব্যস্ত নাজেহাল মা একরকম টেনে হিঁচড়ে ছেলেকে নিয়ে ম্যামের বাড়ির দিকে রওনা হন। আমি আরও কিছুক্ষণ চুপচাপ এই দৃশ্য উপভোগ করে শ্লথ পায়ে বাড়ি ফিরে আসি। অমন অভাবনীয় দৃশ্য ছেড়ে যেতে মন চাইছিলো না। ব্যস্ত চরণ দুটি যেন বলে উঠলো – মাস্টারমশাই, many a miles to go. এখানেই আটকে থাকলে যে জীবন স্থবির হয়ে যাবে। মন আটকে থাকলেও এগিয়ে যাই। রাস্তা দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে ভাবি - জোনাকির কথা কতটুকু জানি?

    আমরা যাকে জোনাই বা জোনাকি পোকা বলি তা আসলে এক নরম শরীরের ডানাওয়ালা বিটল্ বা গুবরে পোকা। ল্যামপিরিডি পরিবারের এক গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হলো এই জোনাকি পোকা। অন্ধকার রাতে হালকা সবুজ আলো ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য‌ই এই পতঙ্গের এতো পরিচিতি। আসলে শরীরের ভেতর ঘটে চলা এক জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ার ফলেই জোনাকির দেহ থেকে এমন আলো উৎপন্ন হয়। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন যে দেহ থেকে সতত নিঃসৃত এই আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য ৫১০ থেকে ৬৭০ ন্যানোমিটার।

    সারা দুনিয়ায় প্রায় ২৪০০ এর বেশি প্রজাতির জোনাকি পোকার খোঁজ পেয়েছেন গবেষকরা। এরা সাধারণত একটু ভিজে সেঁতসেঁতে জায়গায় থাকতে পছন্দ করে কেননা এমন জায়গায় খাবারের জোগানে সাধারণত টান পড়ে না। পচা কাঠ আর পাতা থেকেই লার্ভারা তাদের খাবার খুঁজে নেয়। জোনাকির বেশ কিছু প্রজাতির লার্ভাদের শরীর থেকেও আলো ছড়িয়ে পড়তে দেখা গেছে। এজন্যই এদের গ্লো ওয়ার্ম বলে।

    মাঠের ধারে দেখা হ‌ওয়া সেই ছোট্ট ছেলেটির প্রশ্নে ফিরে যাই। সে তার মায়ের কাছে প্রশ্ন করেছিলো – ক‌ই পিঁপড়া, তেলাপোকাতো এ্যামন ক‌ইরা জ্বলেনা? ক্যান জ্বলেনা?

    জোনাকির শরীরের পেছনে দিকে এমন ভাবে আলো জ্বলার রহস্য আসলে লুকিয়ে আছে তার শরীরে থাকা এক রাসায়নিকের মধ্যে। এটির নাম লুসিফেরিন। এটি একটি জৈব যৌগ যা জোনাকির উদরে থাকে। বাতাস ধেয়ে এলে বায়ুর মধ্যে থাকা অক্সিজেন এই বিশেষ যৌগটির সঙ্গে বিক্রিয়া করে। বায়ুর অক্সিজেন ও লুসিফেরিনের মধ্যে সংযোগ ঘটে এবং আলো উৎপন্ন হয়। এই আলো থেকে খুব সামান্য তাপ উৎপন্ন হয় বলে একে কোল্ড লাইট বা শীতল আলো বলে। শীতের সময় এদের সেভাবে দেখা না গেলেও, গরমকালে এবং বিশেষ করে বর্ষার সময় অন্ধকারের গহীনতা যেন ঈষৎ ম্লান হয়ে যায় জোনাকি বা খদ্যোৎ এর শরীরে জ্বলে ওঠা লুসিফেরিন প্রদীপের আলোয়। এ দৃশ্য যার নজরে পড়েনি, তিনি এক অনির্বচনীয় প্রাকৃতিক দৃশ্যপটের থেকে বঞ্চিত রয়েছেন।

    প্রশ্ন হলো জোনাকি নিজের শরীরে এভাবে আলো জ্বালায় কেন? এনিয়ে অবশ্য অনেক কারণ দর্শানো হয়েছে বিজ্ঞানীদের তরফে –

    প্রথমত, নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থেই জোনাকিরা নিজেদের শরীরে অমন আলো জ্বালায়। কোনো কোনো বিশেষজ্ঞের মতে নিজেদের শরীরের তিক্ত স্বাদ সম্পর্কে শত্রুদের আগাম সতর্ক করে দেবার জন্যই নাকি তারা আলোর সংকেত দেয়। অবশ্য অন্য দিকে, কিছু কিছু ব্যাঙের এই স্বাদ্ নিয়ে সামান্য হেলদোল নেই। নাগালের মধ্যে জোনকিকে পেলেই লম্বা আঁঠালো জিভ বাড়িয়ে তাকে গলধঃকরণ করে। কখন‌ও কখনও ব্যাঙ বাবাজি এতো বেশি জোনাকি পোকা খেয়ে ফেলে যে লুসিফেরিনের প্রভাবে নিজেই জ্বলতে থাকে।

    দ্বিতীয়ত, প্রজননের সময় প্রেমাস্পদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতেই নাকি এমন প্রাকৃতিক ব্যবস্হাটির সৃষ্টি। মিলনের জন্য উন্মুখ পুরুষ জোনাকি আলোক সংকেত দেয় তার সম্ভাব্য সঙ্গিনীর উদ্দেশ্যে। সেই সংকেতে মন মজলে পাল্টা আলোক সংকেত পাঠানো হয় উদগ্রীব সঙ্গিনীর পক্ষ থেকে। মিঞা বিবি রাজি হলে কলমচি কাজী সাহেবের আর কাজ কি! তবে এই অনুরাগের পর্বটি চলতে থাকে বেশ কিছুটা সময় ধরে। একে অন্যকে যাচাই করে নেওয়া আর কি!

    তৃতীয়ত, নিশুতি রাতে ডিনারের আয়োজন করতেই নাকি জোনাকির আলো জ্বেলে অপেক্ষায় থাকা। জোনাকির আলোক সংকেতের চরিত্র কিন্তু সবক্ষেত্রেই এক রকম নয়। প্রত্যেক প্রজাতিই আলাদা আলাদা সংকেত পাঠায়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এক বিশেষ প্রজাতির আলোক বার্তা নকল করে স্ত্রী জোনাকিটি। সংকেতে সাড়া দিয়ে বেচারি পুরুষ জোনাকিটি অকুস্থলে পৌঁছনো মাত্র‌ই সেখানে অপেক্ষমান তার দয়িতা জোনাকিটি তাকে আলিঙ্গনে আবদ্ধ করে রাতের ক্যান্ডেল লাইট ডিনার সেরে ফেলে জমিয়ে। নিয়তির কি নির্মম পরিহাস!

    সুতরাং এরপর অন্ধকার রাতে জোনাকির আলোক সংকেত নজরে পড়লে এই তিনটি বিষয় খেয়াল রাখবেন। বিশেষ করে ক্যান্ডেল লাইট ডিনারের আহ্বানে সাড়া দেবার আগে অবশ্যই দশবার ভাববেন।

    সাম্প্রতিক সময়ের একাধিক বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে যে দুনিয়া জুড়েই কীটপতঙ্গের সংখ্যা দ্রুত গতিতে কমছে। এই আঁচ এসে পড়েছে আমাদের প্রিয় জোনাকির ওপর। ধারাবাহিক ভাবে পর্যবেক্ষণের অভাব রয়েছে, ফলে এখনও এই সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্যাদির ঘাটতি আছে। বিচ্ছিন্নভাবে করা কিছু গবেষণামূলক সমীক্ষা ও নিবন্ধে এই কমে যাওয়ার বিষয়টি সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ পেয়েছে। উত্তর আমেরিকার দেশগুলোতে জোনাকি পোকাদের সংখ্যা যে শুধু কমেছে তা নয় বিশেষ কিছু প্রজাতির নাম ইতোমধ্যেই IUCN প্রকাশিত Red Book এ ঠাঁই পেয়েছে যার অর্থ হলো এরা সবাই বিলুপ্তির পথে।

    অথচ শোলোক বলা কাজলা দিদির কথা ভাবতে বসলেই থোকায় থোকায় জোনাই জ্বলার কাব্যিক ব্যঞ্জনা আজ‌ও এক গভীর নস্টালজিয়ায় আমাদের ঘিরে ধরে। পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মতো আমাদের দেশেও জোনাকির আলোকে নিয়ে মানুষের রোমান্টিক অনুভূতির কথা বলে শেষ করা যাবে না। খুব সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের আবাসিক জোনাকিদের সম্পর্কে তত্বতলাশ শুরু হয়েছে। এখনও পর্যন্ত ৯২ টি প্রজাতির চারটি উপপ্রজাতি এবং ২৭ টি জেনেরার জোনাকি পোকা বিষয়ে একটি প্রামাণ্য তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এই গবেষণাপত্রে আশঙ্কা প্রকাশ করে বলা হয়েছে যে এদেশেও জোনাকির আলো নিভে যাবার জোগাড় হয়েছে। ১৮৮১ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে তাঁরা জানিয়েছেন যে এযাবৎকালের মধ্যে ভারতের সবকটি জীব ভৌগোলিক অঞ্চলের প্রায় ৬১% জোনাকি পোকা আজ বিপদাপন্ন। এই খবরটি নিশ্চয়ই খুব স্বস্তিদায়ক নয়।

    কেন এমন পরিণতি? বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন যে জোনাকির বাসভূমির বা বিচরণক্ষেত্র বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার কারণেই অন্যান্য প্রাণিদের মতোই মূলত জোনাকিরা হারিয়ে যাচ্ছে।

    বসবাসের জন্য এরা একটু নিভৃত, নিরালা এলাকা পছন্দ করে। আজকের ব্যস্ত আগ্রাসী দুনিয়ায় এমন জায়গা খুঁজে পাওয়া যাবে কোথায়? জন সংখ্যার বৃদ্ধির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাড়ছে পরিবেশের ওপর অনিয়ন্ত্রিত হস্তক্ষেপ। ফলে ক্রমশই কমে আসছে জোনাকি সহ অন্যান্য সহবাসী কীটপতঙ্গের বসতি এলাকার গুণমান। এর পাশাপাশি রয়েছে আলোক দূষণ, কীটনাশকের যথেচ্ছ ব্যবহার, জলের গুণমানের অবনতি, সংরক্ষণের নামে জোনাকির অবাধ সংগ্রহ এবং অবশ্যই জলবায়ুর পরিবর্তন। ইদানিং কালে দেশে দেশে বাড়ছে ফায়ারফ্লাই ট্যুরিজম যার লক্ষ্য হলো রাতের অন্ধকারে বনপথে হেঁটে জোনাকির আলো দেখা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সহ ইউরোপীয় ইউনিয়নের একাধিক দেশের মানুষ এই বিষয়ে আগ্রহ দেখাচ্ছেন তো বটেই, উপরন্তু পিঠে ব্যাগ ঝুলিয়ে বেরিয়ে পড়ছেন জোনাকির দর্শন লাভের জন্য। ভারতবর্ষের মহারাষ্ট্র রাজ্যের একাধিক জায়গায় পর্যটন পরিষেবা চালু করা হয়েছে যেখানে রাতের বেলা ঝিকমিক জোনাকির আলো দেখার সুযোগ করে দিয়েছে পর্যটন বিভাগ। পশ্চিমঘাট পর্বতের ওপর থাকা এইসব জায়গায় ট্যুরিস্টদের ভিড় বাড়ছে।

    পর্যটনের প্রসার মানেই পরিবেশের ওপর বাড়তি চাপ পড়া, প্রাকৃতিক পটভূমির রূপান্তর, বাসস্থানের সংকোচন – এসবের নীট ফল হলো জোনাকিদের একটু একটু করে হারিয়ে যাওয়া কালের গহ্বরে। অথচ জোনাকির সঙ্গে বহু বছর ধরে মানুষের সভ্যতা সংস্কৃতির নিগূঢ় সম্পর্ক রয়েছে। জাপানিদের চোখে জোনাকির আলো নতুন ঋতুর আগমণের ইঙ্গিত দেয়।
    লোকজীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে থাকা এই আলো জ্বলা পতঙ্গটি হারিয়ে গেলে আমাদের‌ই যে ক্ষতি তা বোধহয় এবার নতুন করে ভেবে দেখার সময় এসেছে।

    **
    ইচ্ছে থাকলেও এই লেখার সঙ্গে কয়েকটি ছবি জুড়তে পারলাম না এই সংক্রান্ত প্রযুক্তি বিষয়ে অজ্ঞতার কারণে। এজন্য দুঃখিত।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • স্মৃতিচারণ | ১৭ মার্চ ২০২৬ | ১৯ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আদরবাসামূলক মতামত দিন