এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  স্মৃতিচারণ

  • এক যে ছিল রাজপুত্তুর

    শর্মিষ্ঠা রায় লেখকের গ্রাহক হোন
    স্মৃতিচারণ | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ৩২ বার পঠিত
  • আবার সেই রাজপুত্তুরের গল্প বলি। ছোট্ট বেলার সেই ভালোবাসার রূপকথারা তো ফিরে ফিরে আসে। তারা ফিরে আসে স্বপ্নমাখা পথে, যে পথ বেঁচে থাকার মানে খুঁজে দেয়। তারা না থাকলে এই হিংসা বিষাদদীর্ণ পৃথিবীতে কে আর বাঁচতে চাইত!

    নাম ছিল তাঁর অনিল সদগোপাল। বাবা ছিলেন বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন প্রযুক্তির অধ্যাপক। মা গৃহবধূ। ছোটোবেলায় নৈনিতালের বিড়লা বিদ্যামন্দিরে, আর একটু বড়ো হয়ে দিল্লির সেন্ট স্টিফেন্স কলেজে পড়াশোনা। ছোটোবেলার স্কুলের পড়াশোনা থেকেই বুঝেছিলেন, মাতৃভাষায় পড়ার গুরুত্ব কতখানি। তারপর নতুন দিল্লির ইন্ডিয়ান এগ্রিকালচারাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট থেকে উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব নিয়ে স্নাতকোত্তর শেষ করলেন। ১৯৬১ সালে ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি থেকে বায়োকেমিস্ট্রি ও মলিকুলার বায়োলজিতে ডক্টরেট। 

    ১৯৬৮ সালে পিএইচডি শেষে দেশে ফিরে যোগ দিলেন বম্বের টাটা ইনস্টিটিউট অব ফান্ডামেন্টাল রিসার্চ (TIFR) এ। ১৯৭১ সাল পর্যন্ত ছিলেন। এরই মধ্যে সেখানে একটি টিস্যু কালচার ল্যাবরেটরি তৈরি করে ফেলেছেন। তাঁর কথায়, এই তিনটি বছর আমি প্রত্যন্ত গ্রামে ঘুরে ঘুরে দেশকে চিনেছি। এই তিনটি বছর জীবন বদলে দিয়েছে আমার। 

    ১৯৭১ সালে চাকরি ছেড়ে তৈরি করলেন কিশোর ভারতী নামে একটি এনজিও। মধ্যপ্রদেশের হোসাঙ্গাবাদ জেলার পালিয়া পিপারিয়া নামে এক আদিবাসী গ্রামে ডানা ঝাপটাল তাঁর স্বপ্ন। হোসাঙ্গাবাদ সায়েন্স টিচিং প্রোগ্রাম। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি সমস্ত বিষয়ে নতুন ধারায় বৈজ্ঞানিক শিক্ষা দেওয়া শুরু হল। এই প্রতিষ্ঠানের পরিবেশবান্ধব কাজকর্ম স্বীকৃতি পেল রাষ্ট্রসংঘে, স্বীকৃতি দিল ইউনাইটেড নেশনস এনভায়রনমেন্ট প্রোগ্রাম (UNEP).

    ১৯৭২ সালে তাঁর কাজকে যুক্ত করলেন সরকারি স্কুলের সঙ্গে। হোসাঙ্গাবাদ জেলার সরকারি স্কুলের সিক্স থেকে এইট পর্যন্ত হাতে কলমে বিজ্ঞান শিক্ষার দায়িত্ব নিলেন। প্রথমে ষোলোটি গ্রামীণ স্কুল যুক্ত হল। ফ্রেন্ডস রুরাল সেন্টার নামে আরও একটি এনজিও যুক্ত হল সঙ্গে। সদগোপাল দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়, ও TIFR এর বহু বৈজ্ঞানিককে সঙ্গে পেলেন। তাঁদের নিয়ে তৈরি হলো core research group. ১৯৭৮ সালে মধ্যপ্রদেশ সরকার হোসাঙ্গাবাদ জেলার সমস্ত সরকারি স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত এই প্রকল্পের আওতায় নিয়ে এলেন। তিন হাজারেরও বেশি স্কুল যুক্ত হল এই প্রকল্পে। 

    এবার ভূপাল: স্বপ্নের উড়ান -

    আশির দশকের প্রথম দিকে ড. সদগোপাল মধ্যপ্রদেশের রাজধানী ভূপালে তাঁর শিক্ষা সংস্কারের জন্য নতুন প্রতিষ্ঠান বানানোর কাজে আত্মনিয়োগ করলেন। ১৯৮২ সালে তৈরি হল তাঁর স্বপ্নের "একলব্য"। হোসাঙ্গাবাদ সায়েন্স টিচিং প্রোগ্রামের আরও একটা নতুন অধ্যায়ের শুরু হল। ড. সদগোপাল হোসাঙ্গাবাদ ছেড়ে এই কাজে পুরোপুরি মনোনিবেশ করলেন। এর মধ্যে ১৯৮৪ সালের ডিসেম্বরে ঘটল কুখ্যাত ভূপাল গ্যাস ট্রাজেডি। অনেক লোক মারা গেল। অনেক লোক, গর্ভস্থ শিশু পঙ্গু হয়ে গেল। ড. সদগোপালের কাজের ধারায় যুক্ত হল এই গ্যাসপীড়িতদের জন্য সুবিচার আদায়ের লড়াই। নতুন একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করলেন, নাম হল জাহৃলি গ্যাস সংঘর্ষ মোর্চা (Poisonous Gas Affair Struggle Front)। চলল, গ্যাসকাণ্ডের বলি মানুষজনকে নিয়ে সুবিচার আদায়ের লড়াই। 

    ১৯৮০ সালের জাতীয় শিক্ষানীতি পর্যালোচনা করার জন্য আচার্য রামমূর্তি কমিটি তৈরি হল ১৯৯০ সালে। ড. সদগোপালকে তার সদস্য মনোনীত করল মধ্যপ্রদেশ সরকার। কিন্তু, দু'দিন না যেতেই তিনি বুঝতে পারলেন, সকলের জন্য সমান শিক্ষা প্রণয়নের ইচ্ছা মোটেই সরকারের নেই। প্রতিবাদ জানিয়ে কমিটি থেকে বেরিয়ে এলেন। 

    রাজধানীতে:

    ১৯৯২ সালে দিল্লি এলেন ড. সদগোপাল। ১৯৯১ সালে সেই সময়ের রাজনীতির দিকপাল শ্রমিক নেতা শঙ্কর গুহনিয়োগী খুন হয়েছেন। তাঁকে নিয়ে গবেষণা করে বই লিখলেন তিনি। ১৯৯৪ সালে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষাবিভাগের অধ্যাপক হিসাবে কাজে যোগ দিলেন। ১৯৯৮ থেকে ২০০১ পর্যন্ত বিভাগীয় প্রধান ও ডিন হিসাবে কর্মরত ছিলেন। ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত নেহরু মিউজিয়াম লাইব্রেরির সিনিয়র ফেলো হিসেবে কাজ করেছেন। 

    ১৯৮০ থেকে পিপলস সায়েন্স মুভমেন্টের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ক্রমশ বেড়েছে, তিনি অখিল ভারত জনবিজ্ঞান জাঠা (All India People 's Science Network এর জাতীয়  আহ্বায়ক ( National Convenor)   ছিলেন। 

    শিক্ষার অধিকার আইন :

    ২০০৪ সালে ড. সদগোপাল শিক্ষার সর্বোচ্চ উপদেষ্টা কমিটি সেন্ট্রাল অ্যাডভাইসারি বোর্ড অব এডুকেশন এর সদস্য নির্বাচিত হলেন। এই কমিটি ২০০৪ - ২০০৫ সালে শিক্ষার অধিকার বিষয়ক ড্রাফট বিল পেশ করে। জুলাই মাসে এই ড্রাফট কমিটির পূর্ণাঙ্গ বৈঠক হয়। সেই মিটিংয়ে ড. সদগোপাল সরাসরি এই বিলের বিরোধ করলেন। যে প্রস্তাব আনা হয়েছে, তা আসলে যে আইন পাশ করার উদ্দেশ্যকেই বদলে দিয়েছে। তিনি বললেন, এটা শিক্ষার অধিকারের জন্য ড্রাফট হয় নি, যা হয়েছে,  তা শিক্ষার অধিকার কেড়ে নেবার ড্রাফট হয়েছে। সরকারি কমিটি তার বক্তব্যকে গুরুত্ব দিল না, একে তার ব্যক্তিগত অভিমত বলে বাতিল করে দিল। সঙ্গে সঙ্গে পদত্যাগ করলেন ড. সদগোপাল। এই আইন সংসদে পাশ হল ২০০৯ সালে, এফেক্ট হল ২০১০ সালের ১ এপ্রিল থেকে। ড. সদগোপাল কমন স্কুল সিস্টেমে এই আইন সংশোধন করার দাবি তুললেন। All India Forum for Right to Education স্থাপন করলেন। 

    জীবনে অনেক সম্মান পেয়েছেন। মূলস্রোতে না থেকেও তাঁকে অস্বীকার করতে পারে নি ভারত সরকার। শিক্ষা ও বিজ্ঞানের জন্য নিবেদিতপ্রাণ এই তুখোড় মেধাবী শিক্ষাবিদ আশি পেরোনো বয়সেও কাজ করে চলেছেন শিক্ষার সমানাধিকার ছিনিয়ে আনতে। দেশে শিক্ষার অধিকার যতই ক্ষুণ্ণ হয়েছে, কর্পোরেটের গ্রাসে যতই তছনছ হয়ে যাচ্ছে এদেশের শিক্ষা, সমগ্র শক্তি দিয়ে আজ অসুস্থ শরীরেও প্রতিবাদে মুখর থাকছেন প্রতিদিন, প্রতি মুহূর্তে। 

    ড. সদগোপাল ড্রপ আউট ছেলেমেয়েদের বলতেন পুশড আউট। এই শব্দচয়নের মধ্যে দিয়ে বোঝা যায়, ভালোবাসার তীব্রতা কতখানি! সারাজীবন সেই দেশ দেখতে চেয়েছেন, যেখানে শিক্ষা হবে উৎপাদন ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত, আর মুচির ছেলের সঙ্গে  রাষ্ট্রপতির ছেলের শিক্ষার অধিকারে কোনো তফাৎ থাকবে না।

    ড. সদগোপাল সুস্থ শরীরে আমাদের মধ্যে আরো অনেক দিন থাকুন। পথ দেখান।

     
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • স্মৃতিচারণ | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ৩২ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • π | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬:০০738786
  • আরে অনিল সদগোপালকে নিয়ে লিখেছেন দেখে কী ভাল লাগল!  ওঁর সঙ্গে এই ড্রপ আউট নিয়েই আমরা কাজ করতাম,  টিআইএফআর এডগ্রুপ বানিয়েছিলাম আমরা। ওঁর কথা, কাজ,  ওঁর সঙ্গে ওই ইন্টারকাশান আমার জীবন তো অন্তত অনেক বদলে দিয়েছে!  কখনো সময় হলে লিখব।
     
    আপনার সঙ্গে এখন যোগাযোগ আছে?  
     
  • শর্মিষ্ঠা রায় | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬:২৮738788
  • ওনার দ্বিতীয়বার পেসমেকার বদলের আগে পর্যন্ত কথা হত, এসএমএস, মেল সবই হত। তারপর আর হয় নি। এখন বোধহয় কমিউনিকেশন রাখতে পারেন না। ওঁর মেয়ের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে জানতে পারলাম Siksha me badlao ka sawal এর পরবর্তী এডিশন বেরিয়েছে। 
    কিন্তু আপনার সঙ্গে আলাপের তো ভীষণ ইচ্ছে হচ্ছে। কীভাবে সম্ভব? 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। মন শক্ত করে প্রতিক্রিয়া দিন