শিক্ষাকে তার ভিত থেকে উপড়ে ফেলা হচ্ছে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে। প্রতিবাদ করলে নেমে আসছে নিপীড়ন। ১৯০৫ এর বঙ্গভঙ্গের পরও ছাত্রদের শিক্ষাঙ্গন থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল। সেই সময়ের আন্দোলনের ইতিহাস আজকে পথ দেখাক। ... ...
ট্রাইবুনালের দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য দরাদরি করে সমাধান পাওয়া যাবে না, SIR সম্পূর্ণরূপে বাতিল করতে হবে। ... ...
মানুষকে যে অবজ্ঞা করে, সে বোকা ... ...
কবিতা ... ...
সাম্প্রদায়িকতার অভিশাপ আমাদেরই পাপের ফল। ব্রিটিশরা সেটা কালাপানি পার করে আনে নি। আমাদের দুর্বলতাকে আমাদেরই বিরুদ্ধে ব্যবহার করেছে মাত্র। ... ...
আন্তর্জাতিক রাজনীতির পাশাখেলায় বলি হল আমাদের শিক্ষা। যতবার শিক্ষার অধিকার দেওয়ার নামে নীতি পাশ করা হল, ততবারই কেড়ে নেওয়া হল, শিক্ষার অধিকার। ... ...
ভারতের সংবিধানে বাধ্যতামূলক বুনিয়াদি শিক্ষাকে অধিকার হিসেবে বলা হয়েছিল। সেখান থেকে কোন মন্ত্রণায় আজকের শিক্ষালয়গুলি গোটা দেশে শ্মশান হয়ে গেল? তারই কিছু কাটাছেঁড়া এই নিবন্ধে... ... ...
সার্বজনীন শিক্ষার অধিকার সেদিনই কেড়ে নেওয়া হয়েছিল, যেদিন মাতৃভাষায় শিক্ষার অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। মাতৃভাষা মাধ্যম না হলে শিক্ষা সম্পূর্ণ হয় না। ... ...
নথি কখনও নাগরিকত্বের পরিচয় হতে পারে না ... ...
ব্রিটিশরা বলত, ভারতের সব ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া শেখানোর মত পয়সা নাকি তাদের নেই। উচ্চবর্ণের পরশ্রমভোগীরা লেখাপড়া শিখবে, আর তাদের থেকে শিক্ষা চুঁইয়ে পড়বে তাদের কাছে, যারা সম্পদ সৃষ্টি করে। স্বাধীন ভারতের শাসকরাও তাই বলেন। আর এখন তো কর্পোরেট নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থা। তাকে ততটুকুই শেখানো হবে, যাকে যতটুকু কর্পোরেটের দরকার। অথচ দেশীয় করদ রাজ্যের এক রাজা দেখিয়ে দিয়েছেন, জনশিক্ষা কেমন করে করতে হয়... ... ...