এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  অপার বাংলা  উৎসব

  • বেঙ্গল প্যাক্টের ব্যর্থতা: দেশভাগের ভূমিকা তৈরি করেছিল

    শর্মিষ্ঠা রায় লেখকের গ্রাহক হোন
    অপার বাংলা | উৎসব | ১৭ আগস্ট ২০২৬ | ১৯৭ বার পঠিত
  • পচা জৈব পদার্থের ওপর ছত্রাক জন্মায়। সেই ছত্রাক যদি আপনার জীবনসংশয় করে দেয়, তাহলে আপনিও এর জন্য অংশত দায়ী হবেন, কারণ আপনি সময়মত তা পরিষ্কার করান নি। বিষয়টি জাতীয় জীবনের জন্যও সমান প্রযোজ্য। যে দেশভাগ স্বাধীনতার আশি বছর পরেও দগদগে এক অভিশপ্ত ঘা, তার পটভূমি এদেশের বুকেই তৈরি ছিল, ব্রিটিশরা কালাপানি পার করে জাহাজে করে তা আনে নি। বরং এই বিষবৃক্ষকে তারা কাজে লাগিয়েছিল। আর কী অদ্ভুত, আজও সেই বিষবৃক্ষের ফল ব্যবহার করেই এদেশ তথা উপমহাদেশের রাজনীতি আবর্তিত হচ্ছে।

    ভারতের দীর্ঘ ইতিহাসে হিন্দু মুসলমান সম্পর্ক বারবার দেশের নীতি নির্ধারণে নির্ণায়ক ভূমিকা নিয়েছে। আর আজ স্বাধীনতার আশি বছর পরও সেই বিষয়টিই বোতলবন্দী দৈত্যের মত গোটা দেশকে গ্রাস করেছে। আবার আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠন ও তাকে নিয়ে ভারতের স্বাধীনতার লক্ষ্যে এগোনোর সময় নেতাজি সুভাষ বোসের যে কর্মকাণ্ডের কথা জানা যায়, সেখানে এই সম্প্রদায়গত গ্লানিকে জয় করার এক অভূতপূর্ব সফল চেষ্টা লক্ষ্য করা গেছে। অর্থাৎ, যেদিকেই যান, হিন্দু মুসলমান সম্পর্কের সুতো হয় আপনার আদর্শের ঘুড়িকে সুউচ্চ আকাশে তুলে ধরবে, আর সঠিকভাবে মোকাবিলা না করতে পারলে এই সুতোই আপনার গলায় ফাঁস হয়ে মৃত্যুঘণ্টা বাজিয়ে দেবে, যা উপমহাদেশের রাজনীতি বিলক্ষণ বুঝেছে।

    গণ্ডার শি/কার করতে গিয়ে অভিজ্ঞ শিকারি যেমন তার দুর্বল জায়গা খুঁজে গু/লি করে, ব্রিটিশরাও স্বভাবতই আমাদের সবচেয়ে দুর্বল জায়গা খুঁজে নিতে, অর্থাৎ সাম্প্রদায়িক বিভেদ জিইয়ে রাখার কুনকি হাতি তৈরি করতে ও তাদের লালনপালন করতে কোনো ত্রুটি রাখেনি। কিন্তু, স্বাধীন ভারত সে ক্ষত মেরামত না করে কর্পোরেটের হাতের পুতুল হয়েছিল সেই বম্বে প্ল্যানের সময় থেকে। এমনটা কিন্তু নাও হতে পারত। যদি কর্পোরেটদের ভারী অপছন্দের সেই গুরু ও শিষ্যের পথ অনুসরণ করতে বিরত না হত দেশ। সেই ভুলে যাওয়া ইতিহাস খুঁড়ে আজ আমরা সুভাষ বোসের গুরু দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের বেঙ্গল প্যাক্ট নিয়ে দু'চার কথা বলব।

    বেঙ্গল প্যাক্ট ছিল আসলে একটি চুক্তি যা ১৯২৩ খ্রিষ্টাব্দে করার চেষ্টা করা হয়েছিল। এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে হয়তো বাংলার মুসলিম ও হিন্দুদের মধ্যে সাম্প্রদায়িক অবিশ্বাসের মূলোচ্ছেদ করা যেত। চুক্তির উদ্যোক্তা দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ মুসলিমদের সাথে হিন্দুদের রাজনৈতিক অংশীদারত্বের পক্ষপাতী ছিলেন। এই চুক্তিতে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী‌র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। বেঙ্গল প্যাক্ট চিত্তরঞ্জন দাস প্যাক্ট বা কলকাতা প্যাক্ট নামেও পরিচিত।

    এর একটা পটভূমি আছে। চৌরিচৌরার ঘটনার পর গান্ধীজি অসহযোগ আন্দোলন প্রত্যাহার করলে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের নেতৃবৃন্দের মধ্যে প্রবল হতাশা তৈরি হয়। তখন তাদের একটি অংশ আইন সভায় যোগদানের পক্ষে অবস্থান নেন। চিত্তরঞ্জন দাশ ও মতিলাল নেহরু এদের মধ্যে প্রভাবশালী ছিলেন। ১৯২২ সালের ডিসেম্বরে গয়ায় কংগ্রেসের বার্ষিক অধিবেশন হয়। এতে চিত্তরঞ্জন দাশ সভাপতিত্ব করেন। তিনি অধিবেশনে আইনসভায় প্রবেশের জন্য কাউন্সিল এন্ট্রি প্রোগ্রাম পেশ করেন। কিন্তু, কংগ্রেস তার এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। চিত্তরঞ্জন দাশ তখন কংগ্রেসের সভাপতির পদ ত্যাগ করেন এবং পরের বছর ১৯২৩ সালের জানুয়ারিতে স্বরাজ্য দল গঠন করেন। এতে তিনি ডাঃ আনসারী, হাকিম আজমল খান, বিঠলভাই প্যাটেল, মতিলাল নেহরু, মাওলানা মোহাম্মদ আকরম খাঁ, মাওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী, ডা. বিধানচন্দ্র রায়ের সমর্থন পান।
    ১৯২৩ সালের এপ্রিল মাসে স্যার আবদুর রহিম, মৌলভী আবদুল করিম, মৌলভী মুজিবুর রহমান, মাওলানা মোহাম্মদ আকরম খাঁ, মাওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদি প্রমুখ মুসলিম নেতা ও জে এম সেনগুপ্ত, শরৎ চন্দ্র বসু, জে এম দাশ গুপ্ত, বিধান চন্দ্র রায় প্রমুখ হিন্দু নেতাদের সহায়তায় চিত্তরঞ্জন দাশ বেঙ্গল প্যাক্ট চুক্তি তৈরি করেন। সে বছরের ১৬ ডিসেম্বর স্বরাজ্য দল এবং ১৮ ডিসেম্বর বঙ্গীয় প্রাদেশিক কংগ্রেস কমিটি এই চুক্তি অনুমোদন করে। প্রদেশে স্বনিয়ন্ত্রিত সরকার প্রতিষ্ঠিত হলে চুক্তি কার্যকর হবে বলে ঘোষণা করা হয়।

    চুক্তির ধারাগুলি ছিল এরকম -

    বঙ্গীয় আইন সভায় প্রতিনিধিত্ব পৃথক নির্বাচকমন্ডলীর মাধ্যমে জনসংখ্যার ভিত্তিতে নির্বাচনের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।

    স্থানীয় পরিষদসমূহে প্রতিনিধিত্বের অনুপাত হবে সংখ্যাগুরু সম্প্রদায়ের শতকরা ৬০ ভাগ এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের শতকরা ৪০ ভাগ।

    সরকারি চাকরির ৫৫% পদ পাবে মুসলিমরা। যতদিন ঐ অনুপাতে না পৌছানো যায় ততদিন মুসলিমরা পাবে ৮০% এবং হিন্দুরা পাবে ২০%। সরকারি চাকরি ছাড়াও কলকাতা কর্পোরেশন, জেলা ও স্থানীয় বোর্ড তথা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানসমূহে মুসলিমরা ঐ হারে চাকরি পাবে। প্রভূত পরিমাণে পিছিয়ে থাকা মুসলমানদের হিন্দুদের সমানে আনার চেষ্টা ছিল এটা।

    কোনো সম্প্রদায়ের স্বার্থের পরিপন্থী কোনো আইন বা সিদ্ধান্ত ঐ সম্প্রদায়ের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ৭৫% এর সম্মতি ছাড়া উপস্থাপন করা যাবে না।

    মসজিদের সামনে বাদ্য সহকারে শোভাযাত্রা করা যাবে না।

    খাদ্যের জন্য গরু জবাই নিয়ে আইন সভায় কোনো আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া যাবে না। আইন সভার বাইরে উভয় সম্প্রদায়ের মধ্যে সমঝোতা আনার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। গরু জবাই করার সময় যাতে তা হিন্দুদের দৃষ্টিতে পড়ে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত না করে তার দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। ধর্মীয় কারণে গরু জবাইয়ের ব্যাপারে কোনো হস্তক্ষেপ করা যাবে না।

    কিন্তু হিন্দু নেতারা এই চুক্তি সমর্থন করলেন না। তারা বললেন, যে স্বরাজ্য দল ও কংগ্রেস কমিটি এই চুক্তি পাস করলেও কংগ্রেসের প্রকাশ্য অধিবেশনে চিত্তরঞ্জন দাশ ব্যর্থ হবেন। শ্যামসুন্দর চক্রবর্তী, সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জী‌ ও বিপিন চন্দ্র পাল এই চুক্তির বিরোধিতা করেন এবং তারা একে একতরফা বলে অভিযোগ করলেন। হিন্দু গণমাধ্যমগুলো এর বিরুদ্ধে সমালোচনা শুরু করল। চিত্তরঞ্জন দাশের বিরুদ্ধে লেখক পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায় অমৃতবাজার পত্রিকায় লেখালেখি করেন। চিত্তরঞ্জন দাশকে অনেকেই সুবিধাবাদী ও মুসলিমদের প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট বলে অভিযোগ করলেও তিনি তার মতে অটল ছিলেন। স্বাধীনতা অর্জনের জন্য তিনি হিন্দু মুসলিম ঐক্যে বিশ্বাসী ছিলেন এবং চুক্তির প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিয়েছিলেন।

    তবে হিন্দুদের মধ্যে তাঁর সমর্থকও কম ছিলেন না। এদের মধ্যে ছিলেন সুভাষচন্দ্র বসু, কিরণশংকর রায়, অনিলবরণ রায়, বীরেন্দ্রনাথ শাসমল ও প্রতাপচন্দ্র গুহ।

    খুব স্বাভাবিক কারণেই চিত্তরঞ্জন দাশ মুসলিমদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে গেলেন। মুসলিমরা চিত্তরঞ্জন দাশের পরিকল্পনার প্রতি তাদের সমর্থন জানালেন। তারা মনে করেছিলেন এই চুক্তি সাম্প্রাদায়িক দ্বন্দ্বের অবসান ঘটাতে সাহায্য করবে।

    সিরাজগঞ্জ সম্মেলন

    ১৯২৩ সালের ডিসেম্বরে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের কোকোনদ অধিবেশন হয়। এই অধিবেশনে চুক্তিটি প্রত্যাখ্যান করা হয়। তাই চুক্তি পাস করানোর জন্য চিত্তরঞ্জন দাশ ১৯২৪ সালের জুনে সিরাজগঞ্জে বঙ্গীয় প্রাদেশিক কংগ্রেস সম্মেলন করেন এবং চুক্তি অনুমোদনের সর্বাত্মক চেষ্টা চালান। মাওলানা মোহাম্মদ আকরম খাঁ এই অধিবেশনের সভাপতি হন। অধিবেশনে প্রায় পনেরো হাজার প্রতিনিধি যোগ দেন। প্রায় সর্বসম্মতিক্রমে চুক্তি অধিবেশনে গৃহীত হয়।

    সম্মেলনে চিত্তরঞ্জন দাশ বলেছিলেন, হিন্দুরা যদি মুসলমানের মনে আস্থা সৃষ্টি করিতে না পারে, তবে হিন্দু-মুসলিম-ঐক্য আসিবে না। হিন্দু-মুসলিম-ঐক্য ব্যতীত আমাদের স্বরাজের দাবি চিরকাল কল্পনার বস্তুই থাকিয়া যাবে।

    কিন্তু, ১৯২৫ সালে চিত্তরঞ্জন দাশের মৃত্যু ফলে চুক্তিটি আর বাস্তবায়িত হয়নি। তার অনেক অনুসারীও তার মৃত্যুর পর এই পথ থেকে সরে আসেন।
    চুক্তি ব্যর্থ হওয়ায় মুসলিমরা হতাশ হয়ে পড়েন। মুসলিমদের কাছে কংগ্রেসের সিদ্ধান্ত অদূরদর্শী ও স্বার্থপর হিসেবে বিবেচিত হয়। অনেকে কংগ্রেস ও স্বরাজ্য দল থেকে সরে দাঁড়ান। ১৯২৬ সালে মৌলভী আবদুল করিম, মওলানা আব্দুর রউফ, খান বাহাদুর আজিজুল হক, মুহম্মদ আবদুল্লাহিল বাকী, মৌলভী আশরাফউদ্দীন, ড. এ সোহরাওয়ার্দী, এ কে ফজলুল হক প্রমুখ নেতা ইনডিপেন্ডেন্ট মুসলিম পার্টি গঠন করেন এবং হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী‌ এর সাময়িক সম্পাদক হন। এই চুক্তির ব্যর্থতা পরবর্তী দেশভাগের ভূমিকা হয়ে যায়।

     
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • অপার বাংলা | ১৭ আগস্ট ২০২৬ | ১৯৭ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ratna Sengupta | ১৭ আগস্ট ২০২৬ ০০:৫৪742274
  • সঠিক তথ্য l তবে 80%- 20% job reservation এর প্রতি যুক্তি গুলো উল্লেখ করা হয় নি l
    সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জী আপত্তি করেছিলেন যে এর ফলে মান কে উপেক্ষা করা হবে আর তাতে administrative efficiency প্রভাবিত হবে নেতিবাচক ভাবে l বিপিন চন্দ্র পাল আশঙ্কা করেন যে সাম্প্রদায়িকতা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পাবে যার ফলে সেটা চিরকালীন হয়ে যাবে l হিন্দু ভদ্রলোক শ্রেণীর আশঙ্কা দেখা যায় খবরের কাগজে, অমৃতবাজার ও The Bengalee তে , ভয় ছিল যে হিন্দু বাঙালি আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে কারন তারা চাকরির উপর নির্ভরশীল l আরও বলা হয় যে এতে এক ধরণের কৃত্রিম সংখ্যালঘু তৈরী হবে যা সামাজিক tension সৃষ্টি করবে l কংগ্রেসের জাতীয় নেতৃত্ব বিরোধিতা করে এই যুক্তিতে যে এই ব্যবস্থা একটা বাজে দৃষ্টান্ত হবে l অন্যত্র সংখ্যালঘুরা এরকম দাবী করবে l তাতে সামগ্রিকভাবে স্বাধীনতা সংগ্রামের ঐক্য নষ্ট হবে l
    এই প্রতি যুক্তি গুলোকেও সঠিক ভাবে পর্যালোচনা করা দরকার l এগুলোকে উপেক্ষা করলে হিন্দুত্ব বাদীরা এগুলোর অপব্যবহার করবে l সামগ্রিকভাবে এই লেখার জনসংখ্যার আনুপাতিক হার 55% - 45% ধরা হয়েছে, মুসলমান ও হিন্দুর l সেই ভিত্তিতে হিন্দু আশঙ্কা থাকবেই l লেখায় যুক্তি সহকারে এই আশঙ্কা কে tackle করা দরকার l দুই সম্প্রদায়ের একটিও বোধহয় অপরটিকে ঠিক ভরসা জোগাতে পারে নি l
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঝপাঝপ মতামত দিন