এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  অপার বাংলা

  • মাদুরো বনাম হাসিনা

    ড. মাহমুদ হাসান (টিপু)
    অপার বাংলা | ০৬ জানুয়ারি ২০২৬ | ৯০ বার পঠিত
  • গত এক ঘন্টায় অনেক রাজনীতিবীদ ও একটিভিস্টদের ফেসবুক ওয়াল ঘুরে ট্রাম্পের ভেনিজুয়েলা আক্রমণ, ৪০ জন সিভিলিয়ান হত্যা ও মাদুরোকে কিডন্যাপ করে নিউইয়র্কে এনে বিচার করার ব্যাপারে তাদের অবস্থান বিষয়ে যেরকম আশা করেছিলাম সেরকমটাই দেখলাম। তাদের বেশিরভাগই চুপচাপ আছেন। বাম আন্দোলনের অনেকেই মাদুরোকে এভাবে ক্ষমতা থেকে সরানোর তীব্র প্রতিবাদ করেছে। তারা মাদুরোর পক্ষে স্লোগান দিচ্ছেন। বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি স্বভাবসিদ্ধভাবেই এর প্রতিবাদে মিছিল করেছে। আবার আমেরিকান সাম্রাজ্যবাদী ও ডিপস্টেটপন্থী বাম নেতারা, যেমন জুনায়েদ সাকি, বাকী বিল্লাহরা ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করে আমেরিকায় ধরে আনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন দেখে একটু অবাক হয়েছি।

    এখানে সাকী ও বাকীর অবস্থান এবং তাদের প্রতিবাদের প্রসঙ্গ টানার কারণ হলো তারা একসময় সাম্রাজ্যবিরোধী বামপন্থার রাজনীতি করলেও বাংলাদেশের ২০২৪ সালের রেজিম চেঞ্জে আমেরিকান ডিপস্টেটের হয়ে কাজ করে নিজেদের একটা নতুন পরিচয় তৈরী করেছেন। সেটা হলো আমেরিকান ক্যাপিটালিস্ট বাম। মার্কিন ডিপস্টেটের অংশ হিসেবে নিজেদেরকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন তারা। দেশে সরকার পতনের জন্য বাইরের শক্তির আগ্রাসনকে (মার্কিন ডিপস্টেট) সমস্যাজনক মনে না করলেও ভেনিজুয়েলাতে মার্কিন আগ্রাসনকে প্রচন্ড সমস্যাজনক মনে করছেন। বাংলাদেশে আগ্রাসন চালালে সাহায্য করা যায়, আর অন্য কোন দেশে সেই একই শক্তি আগ্রাসন চালালে প্রতিবাদ করতে হয়, এরকম দ্বিচারিতা সাকী-বাকীদের না দেখলে বিশ্বাস করতাম না।

    আন্তর্জাতিক আইন ভেঙ্গে স্বাধীন একটা রাষ্ট্রের ইন্টারনাল এফেয়ার্সে সরাসরি হস্তক্ষেপ করে ভেনিজুয়েলার সরকার ফেলে দেওয়ার প্রতিবাদকারীদের এরকম আচরণ দেখে শেখ হাসিনা ও নিকোলাস মাদুরোর ২০১৩ থেকে ২০২৪/২৫ সময়ের শাসনের একটা তুলনামূলক চিত্র বিশ্লেষণ করে দেখলাম মাদুরো শেখ হাসিনার চেয়ে বেশি কর্তৃত্ববাদী শাসক ছিলেন।

    শেখ হাসিনা ২০০৯ সালে গণতান্ত্রিক উপায়ে নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে পরের কয়েকটা প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনের মাধ্যমে ২০২৪ সালে এসে পতন হয়। অন্যদিকে ভেনিজুয়েলার বিখ্যাত নেতা ও প্রেসিডেন্ট হুগো শ্যাভেজে ২০১৩ সালে মারা যাওয়ার পর তার ভাইস প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ২০২৬ সালের ৩ জানুয়ারিতে আমেরিকান সরকারের সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত হন। দুই ক্ষেত্রেই আমেরিকার হাত থাকলেও বাংলাদেশের মানুষ আমেরিকার বিরুদ্ধে টু শব্দটি না করলেও, ভেনিজুয়েলার মানুষ কারাকাসসহ সকল শহরে এবং আমেরিকার প্রায় প্রতিটা শহর থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আমেরিকার এরকম সরাসরি হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছে।

    শেখ হাসিনা যেমন ২০১৪ সালের নির্বাচনে একতরফাভাবে জিতে সরকার গঠন করেছিলেন, মাদুরোই তাই। তবে বাংলাদেশে বিএনপি-জামাত তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতির দাবীতে নির্বাচন বয়কট করে যেখানে শেখ হাসিনার দায় আছে, কিন্তু মাদুরোর মতো না। মাদুরো ২০১৪ ও এর পরবর্তী নির্বাচনের আগে প্রধান বিরোধীদলকে নিষিদ্ধ করে একতরফাভাবে নির্বাচনে জিতে সরকার গঠন করে, যা অর্থহীন ছিল। ভেনিজুয়েলার এই সব নির্বাচনকে ইউরোপের বিভিন্ন দেশ, আমেরিকা, কানাডাসহ বিভিন্ন বিদেশী পর্যবেক্ষকরা প্রত্যাখ্যান করে। অন্যদিকে, বাংলাদেশে ২০১৪ ও পরবর্তী নির্বাচন নিয়ে এইসব বিদেশী পর্যবেক্ষকরা কন্সার্ন দেখালেও প্রত্যাখ্যান করেনি।

    ভেনিজুয়েলায় মাদুরো এক ধরণের সেনাশাসন ও দমন পীড়ণ বজায় রেখেছিল, যা বাংলাদেশের শেখ হাসিনা সরকারের প্রশাসনিক ক্ষমতায়ন ও দমনপীড়ণের চেয়ে ভয়ঙ্কর ছিল। হুগো শ্যাভেজের মৃত্যুর পর মাদুরোর ক্ষমতা গ্রহণ শুরুই হয়েছিল দূর্বলভাবে। মাদুরো ও তার স্ত্রী (২০১৩ সালে বিয়ে) মিলে চরম স্বৈরতন্ত্র কায়েম করেছে যা দূর্বল সরকারব্যবস্থার উদাহরণ। অন্যদিকে শেখ হাসিনা ২০০৯ সালে একটি শক্তিশালী সরকার গঠন করে আস্তে আস্তে এক নায়কতন্ত্রের দিকে অগ্রসর হয়েছিল।

    মাদুরোর আমলে ভেনিজুয়েলার বিচার বিভাগ ছিল সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রিত। সংসদ কার্যত বাতিল ছিল, নির্বাচন কমিশন ছিল মাদুরোর পুরো নিয়ন্ত্রণে। অন্যদিকে শেখ হাসিনার সরকারে বিচার বিভাগের আইনের বইয়ে স্বাধীনতা থাকলে কার্যত তাতে নির্বাহী বিভাগের প্রভাব ছিল। সংসদও সাংবিধানিকভাবে কার্যকর ছিল এবং নির্বাচন কমিশন ভেনিজুয়েলার মতো অতোটা করায়ত্ব ছিল না, তবে নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ বলা যায়!

    শেখ হাসিনার আমলে বাংলাদেশের বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের মামলা, গ্রেফতার ও অন্যান্য চাপ প্রয়োগ করে দূর্বল করে রাখা হয়েছিল, অন্যদিকে মাদুরোর ভেনিজুয়েলায় বিরোধীদলের নেতাকর্মীরা পুরোপুরি পরাধীন ছিল, তাদের অনেককেই জেল ও নির্বাসন দেওয়া হয়েছিল। মাদুরোর মতো শেখ হাসিনাও কিছু টিভি চ্যানেল, পত্রিকা ব্যান করেছিল, টিভি চ্যানেল নিয়ন্ত্রণ করতো। ডিজিটাল আইন ও সেল্ফ সেন্সরশিপ কার্যকর ছিল। তবে মাদুরোর মিডিয়া ব্যান বেশি কঠোর ছিল। শেখ হাসিনার সরকার পুলিশকে বেশি ক্ষমতা দিয়ে তাদের দিয়ে আন্দোলন দমন করতো। অন্যদিকে মাদুরো সেনবাহিনী দিয়ে আন্দোলন দমন করতো। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বিএনপি জামায়াতের আন্দোলনের বাইরে সরকার পতনের আন্দোলন তেমন হয়নি, অন্যদিকে নিকোলাস মাদুরোর বিরুদ্ধে ২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত বড় বড় ছয়টা সরকার বিরোধী আন্দোলনে সেনাবাহিনীর হাতে কয়েকশ মানুষ মারা গেছিল, কয়েক হাজার আহত হয়েছিল এবং অসংখ্য আন্দোলনকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। দমন পীড়ণের ক্ষেত্রে মাদুরো ছিল শেখ হাসিনার চেয়েও কয়েকগুণ বেশি কঠোর। শেখ হাসিনার দমন পীড়ণ অনেকটা আইন-আদালত-সংবিধানের আশ্রয় নিয়ে হয়েছিল।

    বাংলাদেশের মানুষ দেশের ব্যাপারে স্বার্থপর নয় বলেই সরকার ফেলে দিতে বিদেশী শক্তির সাহায্য নিতে পারে। তার বিনিময়ে সাম্রাজ্যবাদী সেই বিদেশী শক্তিকে কতটা ছাড় দিতে হয় তা আমরা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছি। নন ডিসক্লোজার এগ্রিমেন্ট করে বাংলাদেশ সরকার আমেরিকাকে কি কি স্বার্থ বিলিয়ে দিবে তা আস্তে আস্তে জানতে পারবো। আপাতত এটুকু জানুন, শান্তিতে দুই নোবেল জয়ী বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মুহম্মদ ইউনুস ও ভেনিজুয়েলার বিরোধী দলীয় নেত্রী মাচাদো দুইজনেই মিনারেল রিসোর্স ও ন্যাচারাল রিসোর্স এক্সট্রাকশনের জন্য, বন্দর রক্ষনাবেক্ষণের জন্য মাল্টিন্যাশনালের হাতে ছেড়ে দেওয়ার জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। দুইজনের ভাষাও এক। "দ্বিতীয় স্বাধীনতা"!

    ১ লা জানুয়ারী ২০২৬ এর খবর হলো আমেরিকার বিমান কোম্পানী বোয়িং থেকে ১৪ টি বিমান কেনা চূড়ান্ত করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, আর এর জন্য কত বিলিয়ন ডলার খরচ করতে হবে হিসাব করুন আপনারা। এইসব বিমান কিনে হাতি পালার মতো অবস্থা হবে নাকি সেটাও ভাবুন। এতোগুলো বিমান আমাদের দরকার আছে কীনা সেটাও ভাবা দরকার। এগুলোকে রক্ষনাবেক্ষণ করতে মাসে কত কোটি টাকা খরচ করতে হবে সেটাও ভাবা দরকার। ইউরোপ নাখোশ হয়েছে আমেরিকা থেকে বোয়িং কেনায়। আমাদের পোশাকের বাজার ইউরোপ যদি চাপ দেয়, তাদের কাছ থেকেও বিমান কিনতে হবে।

    শুরু করেছিলাম আমাদের দেশের স্বার্থবিরোধী ও রাষ্ট্রবিরোধী চক্রের ডাবল স্ট্যান্ডার্ড বিষয়ে। সাকী, বাকীরা দেশকে বেঁচে দিতে পারে আমেরিকার কাছে, কিন্তু কমিউনিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে আমেরিকা এরকম করেছে বলে মনের বিরুদ্ধে গিয়েছে। শেখ হাসিনাকে দেশের স্বার্থবিরোধী ও বোকা চক্রের সাহায্যে কালার রেভ্যুলেশন তৈরি করে ক্ষমতাচ্যুত করা সম্ভব হলেও, ভেনিজুয়েলার মানুষের সাম্রাজ্যবিরোধী মনোভাবের কারণে মাদুরোকে কালার রেভ্যুলেশন তৈরি করে ফেলার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে সরাসরি হস্তক্ষেপ করে মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করেছে।

    ড. মাহমুদ হাসান (টিপু)
    আইনের শিক্ষক ও গবেষক
    জানুয়ারি ০৫, ২০২৬!
    অটোয়া, কানাডা।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • অপার বাংলা | ০৬ জানুয়ারি ২০২৬ | ৯০ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। বুদ্ধি করে প্রতিক্রিয়া দিন