এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  আলোচনা  রাজনীতি

  • বাঁচার পথ হিসেবে প্রত্যাখ্যান NOTA

    albert banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | রাজনীতি | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ৩০ বার পঠিত
  • পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক অঙ্গন বর্তমানে এক সংকটময় মুহূর্তের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে, রাজ্যের প্রধান দুই শক্তি—শাসক তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি) এবং প্রধান বিরোধী দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)—মুখোমুখি সংঘাতে লিপ্ত। এই তীব্র দ্বিমেরু রাজনীতির মধ্যে, সাধারণ ভোটারের কাছে পছন্দের পরিধি ক্রমশ সংকুচিত হয়ে আসছে। অনেকের মতে, এই পরিস্থিতিতে NOTA (None of the Above) বা ‘উপরোক্ত কাউকে নয়’ বিকল্পটিই সম্ভবত একমাত্র সাংবিধানিক ও নৈতিক প্রতিবাদের হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে। নিম্নলিখিত প্রবন্ধে এই বক্তব্যের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করা হলো।

    গত একটি দশকে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি মূলত টিএমসি এবং বিজেপির মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ৭৭টি আসন পেয়ে প্রধান বিরোধী দলে পরিণত হওয়ার পর থেকে এই দ্বিমেরু ভাব আরও সুসংহত হয়েছে . বামফ্রন্ট ও কংগ্রেসের মতো ঐতিহ্যবাহী জোটগুলি ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ায়, রাজ্যের রাজনৈতিক বক্তৃতায় টিএমসি-বিজেপির বাইরে কোনো শক্তিশালী বিকল্প নেই বললেই চলে। এই পরিস্থিতিতে ভোটারদের একটি বড় অংশকে দু’য়ের মধ্যে একটি বেছে নিতে বাধ্য করা হয়, যা সত্যিকারের গণতান্ত্রিক পছন্দের পরিধি সংকুচিত করে দেয়।

    এই সংকীর্ণ পছন্দের ফাঁদে পড়ে ভোটাররা প্রায়ই অপেক্ষাকৃত কম ক্ষতিকর প্রার্থীকে বেছে নিতে বাধ্য হন, কিন্তু তাঁদের মনের প্রকৃত প্রতিবাদ বা অসন্তোষ প্রকাশের কোনো সুযোগ থাকে না। এই জায়গাটিতেই NOTA-র গুরুত্ব অপরিসীম। NOTA ভোটারকে বলেন, “আপনি এই নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে অস্বীকার করতে পারেন, আপনার মতপ্রকাশের অধিকার আছে, এবং সেই অধিকার প্রয়োগ করে আপনি জানিয়ে দিতে পারেন যে এই লড়াইয়ে আপনার জন্য কেউ যোগ্য নয়।” যখন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় এজেন্সি ও নির্বাচন কমিশনের ওপর “ভোট বন্দি” করার অভিযোগ তোলেন , এবং অন্যদিকে বিজেপি টিএমসির শাসনকে দুর্নীতি ও অরাজকতার প্রতীক হিসেবে চিহ্নিত করে ‘পরিবর্তন যাত্রা’ শুরু করে , তখন সাধারণ মানুষ এই দুই অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের একমাত্র হাতিয়ার হিসেবে NOTA-কে ব্যবহার করতে পারেন। এটি একটি সক্রিয় প্রতিবাদ, যা বলে, “আমি এই ব্যবস্থার অংশ হতে চাই, কিন্তু তোমাদের কাউকে আমি নির্বাচিত করতে চাই না।”

    সম্প্রতি আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত NOTA-র বিরুদ্ধে মত প্রকাশ করে বলেছেন, এটি গণতন্ত্রে অংশগ্রহণের পরিবর্তে প্রত্যাখ্যানের মনোভাব তৈরি করে, যা সমাজের জন্য ক্ষতিকর । তাঁর মতে, ভোট দেওয়া একটি ‘রাষ্ট্রধর্ম’ এবং খারাপ প্রার্থী থাকলেও সেরা বিকল্পটিকে বেছে নিয়ে ব্যবস্থার মধ্যে থেকে পরিবর্তন আনা উচিত । কিন্তু এই যুক্তি পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান বাস্তবতায় কতটা খাটে?

    যখন নির্বাচনী প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে, তখন NOTA-কে নিছক ‘নিষ্ক্রিয় প্রত্যাখ্যান’ বলে উড়িয়ে দেওয়া ঠিক নয়। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা পুনর্বিন্যাস (স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন) নিয়ে যে বিতর্ক দেখা দিয়েছে, তাতে ৩২ লক্ষ ভোটার ‘আনম্যাপড’ এবং ১.৩৬ কোটির বেশি এন্ট্রি ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’-র তালিকাভুক্ত হওয়ার তথ্য সুপ্রিম কোর্টে পেশ করা হয়েছে । এই পরিস্থিতিতে, যখন নির্বাচন কমিশন ও রাজ্য সরকার একে অপরের ওপর স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে , তখন NOTA-র মতো একটি বিকল্প ভোটারদের হাতে একটি শক্তিশালী অস্ত্র তুলে দেয়। এটি শুধু প্রত্যাখ্যান নয়; এটি একটি স্পষ্ট বার্তা যে ভোটার প্রক্রিয়াটির প্রতি সজাগ এবং তিনি কারচুপি বা দুর্বল প্রার্থীকে সমর্থন দিতে রাজি নন। ভাগবতের উদ্বেগ উল্টো অর্থেই প্রযোজ্য—একটি অসুস্থ ব্যবস্থায় অন্ধ অংশগ্রহণের চেয়ে সচেতন প্রত্যাখ্যানই গণতন্ত্রকে দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ রাখতে পারে।

    পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে সংখ্যালঘু ভোটাররা (মোট জনসংখ্যার প্রায় ২৭ শতাংশ) ঐতিহ্যগতভাবে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে । মুর্শিদাবাদ ও মালদহের মতো জেলাগুলিতে, যেখানে মুসলমান জনসংখ্যা যথাক্রমে ৬৩% ও ৫১%, সেখানে টিএমসি ২০২১ সালে ৩৪টির মধ্যে ২৮টি আসনে জয়লাভ করেছিল । কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে এই ভোটব্যাংকে চিড় ধরার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। হুমায়ুন কবিরের মতো নেতাদের জুপি (জনতা উন্নয়ন পার্টি) এবং আইএসএফ-এর নেতৃত্বে একটি সংখ্যালঘু ঐক্যের জোট গঠনের প্রচেষ্টা টিএমসির জন্য মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ।

    এই বিভাজন টিএমসি-বিজেপি-র সরাসরি লড়াইকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মুর্শিদাবাদ ও মালদহের অন্তত ১১টি আসনে ১০,০০০ ভোটের কম ব্যবধানে জয় এসেছিল, যেখানে সেখানে মুসলমান ভোটারদের ভূমিকা নির্ণায়ক । এই পরিস্থিতিতে, যদি কোনো মুসলমান ভোটার টিএমসির ওপর আস্থা হারান, কিন্তু বিজেপিকেও সমর্থন দিতে না চান, তাহলে NOTA তাঁর কাছে একটি আদর্শ প্রতিবাদের হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে। এটি সরাসরি কোনো দলকে সমর্থন না দিয়েও অসন্তোষ জানানোর একটি সাংবিধানিক ও নিরাপদ পথ। অন্যদিকে, যেসব হিন্দু ভোটার বিজেপির অত্যন্ত ডানপন্থী অবস্থান বা টিএমসির ‘তুষ্টিকরণ’ নীতিতে বিরক্ত, তাঁদের জন্যও NOTA একমাত্র বিকল্প হয়ে উঠতে পারে।

    বর্তমান নির্বাচনী পরিবেশে আরেকটি বড় উদ্বেগের বিষয় হল প্রশাসনিক যন্ত্রের ভূমিকা। নির্বাচন কমিশন সম্প্রতি ভোটার তালিকা পুনর্বিন্যাসের কাজে গাফিলতির অভিযোগে রাজ্যের সাতজন সহায়ক ভোটার নিবন্ধন আধিকারিককে (এআরও) বরখাস্ত করেছে এবং আরও চারজনের বিরুদ্ধে এফআইআর নথিভুক্ত করেছে । অভিযোগ, তারা বারুইপুর-পূর্ব ও ময়না কেন্দ্রে ভুয়া ভোটার তালিকা তৈরিতে জড়িত ছিলেন । এই ঘটনা ভোটারদের মনে গভীর সন্দেহের জন্ম দেয়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই কর্মচারীদের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁদের বিকল্প কাজে নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছেন এবং নির্বাচন কমিশনকে ‘তুঘলকি কমিশন’ ও ‘সুপার হিটলার’ বলে আখ্যায়িত করেছেন ।

    এই বিরোধের কেন্দ্রে পড়ে যান সাধারণ ভোটার। একদিকে কমিশনের ওপর আস্থা নেই, অন্যদিকে রাজ্য সরকারকেও তিনি সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বলে মনে করছেন না। এরকম অনাস্থার পরিবেশে ভোট দেওয়া মানে একটি অস্বচ্ছ প্রক্রিয়াকে বৈধতা দেওয়া। NOTA-ই একমাত্র উপায়, যার মাধ্যমে ভোটার জানিয়ে দিতে পারেন যে তিনি এই লড়াইয়ে কাউকেই বিশ্বাস করেন না এবং এই প্রক্রিয়ার ফল তিনি মেনে নেবেন না, যতক্ষণ না এর স্বচ্ছতা নিশ্চিত হচ্ছে। সুপ্রিম কোর্ট যখন এই বিরোধের মীমাংসার চেষ্টা করছে এবং নাগরিকদের ভোটাধিকার সুরক্ষিত রাখার আশ্বাস দিচ্ছে , তখন সচেতন নাগরিক হিসেবে NOTA-র মাধ্যমে আদালত ও প্রশাসনকে বার্তা দেওয়া যায় যে ভোটারের অধিকার নিয়ে খেলা চলে না।

    পশ্চিমবঙ্গের ২০২৬ সালের নির্বাচন শুধু দুটি রাজনৈতিক দলের লড়াই নয়; এটি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, নির্বাচনী স্বচ্ছতা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক কঠিন পরীক্ষা। বিজেপি যখন ‘পরিবর্তন যাত্রা’র মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের স্বপ্ন দেখছে , টিএমসি তখন নিজের ভোটব্যাংক ধরে রাখতে মরিয়া। কংগ্রেস একা লড়াই করে নিজের অস্তিত্ব জানান দিতে চায় , আর সংখ্যালঘু জোটগুলি নিজেদের দর কষাকরি বাড়াতে তৎপর । এই রাজনৈতিক দাবা খেলায় সাধারণ মানুষ কোণঠাসা।

    প্রচলিত রাজনীতির এই সঙ্কট থেকে বেরিয়ে আসার একমাত্র পথ হতে পারে এই NOTA। এটি কোনো দুর্বলতার প্রতীক নয়; বরং এটি একটি সক্রিয়, সচেতন ও সাংবিধানিক প্রতিবাদ। এটি সেই বার্তা, যা বলে— “আমরা বিভ্রান্তিকর রাজনীতি, দুর্নীতি, সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্প এবং প্রশাসনিক কারচুপিকে ‘না’ জানাই।” মোহন ভাগবত যেখানে NOTA-কে ‘নব্য-উদারনৈতিক ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য’ ও ‘সমাজ থেকে বিচ্ছিন্নতা’ বলে অভিহিত করেছেন , সেখানে পশ্চিমবঙ্গের বাস্তবতা সম্পূর্ণ উল্টো। এখানে NOTA-র মাধ্যমে ভোটাররা সমাজের কাছে ফিরে আসার বার্তাই দিচ্ছেন—একটি সুস্থ, সক্রিয় ও সচেতন সমাজ গড়ার বার্তা, যা কোনো রাজনৈতিক দলের অন্ধ অনুসারী নয়, বরং গণতন্ত্রের প্রকৃত রক্ষক।

    একটি অর্থপূর্ণ পছন্দের অভাবে, যখন প্রতিটি ভোটই কোনো না কোনো ‘মন্দের চেয়ে কম মন্দ’-এর পক্ষে যায়, তখন NOTA-ই একমাত্র পবিত্র প্রতীক হয়ে দাঁড়ায়, যা ভোটারকে ভোক্তা নয়, সার্বভৌম নাগরিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। পশ্চিমবঙ্গবাসীর কাছে, ২০২৬ সালে NOTA-তে ভোট দেওয়া তাই কোনো নেতিবাচক কর্ম নয়; এটি রাজনৈতিক দুর্নীতি ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর শেষ সম্মানজনক, শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক উপায়।
     
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা খুশি প্রতিক্রিয়া দিন