এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • বুলবুলভাজা  আলোচনা  বিবিধ

  • অন্ধকারের অনুশাসন ও শব্দের শৃঙ্খলা

    শুভদীপ মণ্ডল
    আলোচনা | বিবিধ | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ৩০ বার পঠিত
  • ছবি: রমিত




    ভারত-পাক সংঘাত আবহে কিছু শব্দ জনপরিসরে আবার উঠে এসেছে- ব্ল্যাক আউট এবং যুদ্ধের সাইরেন বা যাকে বলা হয় এয়ার রেড সাইরেন। নাগরিক অভিজ্ঞতায় শেষ বারের মতো শোনা গেছিলো সেই ১৯৭১ সালের যুদ্ধে। কিন্তু আধুনিক প্রযুক্তির যুগে যখন রাতের অন্ধকারেও যুদ্ধবিমান আঘাত হানতে সক্ষম সেক্ষেত্রে ব্ল্যাক আউট- এর তাৎপর্য কি? এ কি শুধুই একটি সামরিক কৌশল নাকি নাগরিক অভিজ্ঞতায় যুদ্ধ নির্মাণের একটি নিমিত্ত মাত্র?

    ব্ল্যাক আউটের সূচনা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ১৯৪২ সালে। যখন ব্রিটেনের আকাশে জার্মান বিমান বাহিনীর হামলা শুরু হয়, তখন শহরের নিরাপত্তা রক্ষায় ব্রিটিশ সরকার ব্ল্যাকআউট আইনের প্রবর্তন করে। সন্ধ্যার পর সমস্ত বাতি নিভিয়ে ফেলা, রাস্তাঘাটের আলো কমিয়ে দেয়া এবং বাড়ির জানালা ও দরজা সিল করে আলো বাইরে না যেতে দেয়ার জন্য। ব্ল্যাকআউট আইনের মূল উদ্দেশ্য ছিল, শত্রু বাহিনী যাতে শহরগুলোর আলো দেখে তাদের টার্গেট সঠিকভাবে চিহ্নিত করতে না পারে। এই বিধি ব্রিটেনের সমস্ত শহরে প্রযোজ্য ছিল এবং একে ‘নাগরিক আত্মরক্ষার’ অংশ হিসেবে দেখা হত। ব্ল্যাকআউট নিয়মের প্রতিপালন ছিল অত্যন্ত কঠোর এবং এর লঙ্ঘন করলেই জরিমানা বা শাস্তি দেওয়া হত। কিন্তু আমাদের দেশের মাটিতে এর সূচনা কেমন করে হয়? ইউরোপে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই, ব্রিটিশ সরকার ভারত প্রতিরক্ষা আইন ১৯৩৯ জারি করে ভারত জুড়ে একাধিক জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণ করে। আমাদের দেশে ব্ল্যাকআউট আইন এর অন্তর্ভুক্ত ছিল। ১৯৪২ সালে যখন জাপানী বিমান বাহিনী আন্দামান ও রেঙ্গুন থেকে বোমারু বিমান নিয়ে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোতে শুরু করে, তখন ব্রিটিশ উপনিবেশিক সরকার প্রথমবারের মতো ভারতীয় উপমহাদেশে ‘ব্ল্যাকআউট’-এর আদেশ জারি করে, মুম্বাই, দিল্লী, আগ্রা, কলকাতা, মাদ্রাজের মতো বড় শহর গুলিতে এই আদেশ কার্যকর করা হয়। আমাদের রাজ্যে ১১ ডিসেম্বর ১৯৪২ সালে কলকাতার আকাশে প্রথমবার জাপানি বিমান ঢোকে এবং বন্দরের কাছে কয়েকটি স্থানীয় আঘাত হানে। যদিও ক্ষয়ক্ষতি সীমিত ছিল, তবুও শহরের বাতাসে তৈরি হয় আতঙ্কের ছায়া। এরপর থেকে কলকাতা সহ সমগ্র প্রেসিডেন্সি এলাকায় বাধ্যতামূলক করা হয় ব্ল্যাকআউট ব্যবস্থা— রাত্রিকালীন সময়ে সমস্ত রাস্তার আলো নিভিয়ে ফেলা, গাড়ির হেডলাইটে কালো কাপড় বাঁধা, এবং বাড়ির জানালায় মোটা কাপড় বা পেপার লাগিয়ে আলো বাইরে যেতে না দেওয়ার নিদান জারি হয়।

    এছাড়া যুদ্ধ পরিপ্রেক্ষিতে ভারত প্রতিরক্ষা আইন ১৯৩৯ এর হাত ধরে, কলকাতা পুলিশের তৎকালীন কমিশনার চার্লস হেনরি বেনেট-এর নেতৃত্বে জন্ম নেয় ARP বা Air Raid Precaution ইউনিট—যার মধ্যে ছিল একটি বাহিনী যার নাম Air Raid Police। এদের কাজ ছিল বিমান হামলার আগাম খবর পেয়ে সাইরেন বাজানো, শহরে ব্ল্যাক আউটের পালন সমস্ত নাগরিক ঠিক মতো পালন করছেন কিনা নজর রাখা এবং অপালনে জরিমানা করা। কলকাতা পুলিশের অধীনে এই ইউনিট গঠিত হয়েছিল বেসামরিক স্তরে, এবং দ্রুত এর প্রশিক্ষণ শুরু হয় বিভিন্ন ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে। তখন কলকাতা কর্পোরেশনের কিছু নির্বাচিত স্কুল ও কমিউনিটি হলকে রূপান্তরিত করা হয়েছিল ARP প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে। এঁদের অনেকেই ছিলেন স্বল্পশিক্ষিত, কিন্তু অসাধারণ সাহসী। কিছু শিক্ষিত নাগরিক, অবসরপ্রাপ্ত সামরিক অফিসার এবং এমনকি শিক্ষার্থীরাও স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে নাম লেখান এই বাহিনীতে। উল্লেখযোগ্যভাবে, পরবর্তীকালে প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ এবং পররাষ্ট্র সচিব লক্ষ্মীকান্ত ঝা কিছুকাল স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করেন এক এআরপি ইউনিটে। সুনীল গাঙ্গুলীর বাবা যুদ্ধের বাজারে ইস্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পেট চালাতে কিছু দিন এয়ার রেড পুলিশ হিসাবে চাকরিও করেছেন। এই দলে ছিলেন সাংবাদিক ও শিক্ষাবিদ গৌরকিশোর ঘোষ।

    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে কলকাতায় যে ব্ল্যাকআউট-সচেতনতা তৈরি হয়েছিল, তার পুনরাবৃত্তি দেখা যায় ১৯৬৫ ও ১৯৭১ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধেও। বিশেষত একাত্তরের ডিসেম্বরে, যখন পাকিস্তানের বিমানবাহিনী আক্রমণের হুমকি দেয় পূর্বাঞ্চলে, তখন নতুন করে সজাগ হয়ে ওঠে শহরের প্রশাসন। প্রাক্তন অভিজ্ঞ এআরপি সদস্যদের একাংশকে আবার ডাকা হয় নাগরিক প্রশিক্ষণের জন্য, রেডিও মারফত প্রচারিত হয় ব্ল্যাকআউট গাইডলাইনস— সন্ধ্যার পর জানালা বন্ধ, আলো কম, ছাদে যাতায়াতে নিষেধাজ্ঞা। কলকাতা মেডিকেল কলেজ, নীলরতন সরকার হাসপাতাল ও অন্যান্য সরকারি স্থাপনায় রিহার্সাল চলেছিল আহত উদ্ধার ও জরুরি পরিবহণের জন্য। যদিও বাস্তবিক আক্রমণ সেভাবে ঘটেনি, তবুও শহরের মনোজগতে এক স্পষ্ট সঙ্কেত গৃহীত হয়— যুদ্ধ কেবল সেনার বিষয় নয়, যুদ্ধ নাগরিকতাকেও রূপান্তর করে। বাংলা সাহিত্যে বহুছত্রে এর বর্ণনা পাওয়া যায়। সুনীল গাঙ্গুলী এবং তাঁর বন্ধুরা মিলে ব্ল্যাক আউটের মাঝে কীভাবে হেঁটে বাড়ি ফিরতেন সেই উল্লেখ পাওয়া যায় অর্ধেক জীবন লেখায়। এছাড়া তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্বন্তর লেখাতেও ব্ল্যাক আউটের বিবরণ পাওয়া যায়। তবে শুধু যে এপার বাংলায় ব্ল্যাক আউট করা হয়েছিল তা নয়। যুদ্ধের সময় কলকাতার মতো ঢাকাতেও করা হয়েছিল ব্ল্যাক আউট। বাসন্তী গুহ ঠাকুরতার ‘একাত্তরের স্মৃতি’, শ্যামলী নাসরিন চৌধুরীর ‘একাত্তরের শহীদ’ ইত্যাদি অনেক বইতে আমরা ১৯৭১ এর ডিসেম্বরের ব্ল্যাক আউটের অভিজ্ঞতা পাই। এইভাবে একটি যুদ্ধ কৌশল আসলে দুই পক্ষের নাগরিক অভিজ্ঞতাকে মিলিয়ে দেয়।
    ব্ল্যাকআউট কেবল একটি সেনা কৌশল ছিল না, বরং এটি নাগরিক সমাজের উপর একটি গভীর মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব ফেলেছিল। নাগরিকরা যখন সন্ধ্যার পর আলো নিভিয়ে দিত, তখন তা কেবল শত্রু থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায় ছিল না, বরং এটি এক মনস্তাত্ত্বিক প্রস্তুতি ছিল— যুদ্ধের আসন্ন বাস্তবতার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার। এই সময় এক ধরনের রাজনৈতিক ও নাগরিক চেতনা জন্ম নেয়, যেখানে জনগণ বুঝতে পারে, যুদ্ধ শুধু সামরিক বাহিনীর জন্য নয়, বরং প্রতিটি নাগরিকের জন্য একটি সংগ্রাম। এই রূপান্তরের কেন্দ্রে থাকে দুটি বস্তু— শব্দ এবং অন্ধকার। যুদ্ধের সাইরেন একটি সংকেতমাত্র নয়, তা এক প্রতীকি ভাষা। তার মাধ্যমে নাগরিক সমাজ রাষ্ট্রের সঙ্গে এক অন্তর্নিহিত সংলাপে অংশগ্রহণ করে। অন্ধকার কেবল এক জায়গা নয়, এক প্রস্তাব— নিরাপত্তার বিনিময়ে আত্মনিয়ন্ত্রণের। নাগরিকরা আলো নিভিয়ে দেন এই বিশ্বাসে যে তারা সুরক্ষিত থাকবেন, এই বিশ্বাসেই তাঁরা একটি বৃহত্তর রাষ্ট্রনৈতিক চুক্তির অন্তর্ভুক্ত হন। এই পারস্পরিক নির্ভরতা এবং শৃঙ্খলার ভিতর দিয়েই তৈরি হয় নাগরিক মনন— যা যুদ্ধের সময় রূপ নেয় এক সক্রিয় রাজনৈতিক চেতনায়।এই চেতনা আজও গুরুত্বপূর্ণ, যখন ভারত আবার ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দুতে। ডিজিটাল সময়ে সাইরেনের জায়গা নিয়েছে মোবাইল এলার্ট, এখন উন্নত প্রযুক্তির যুগে বমারু বিমান রাতেও সমান ভাবে পারদর্শী কিন্তু তবু ব্ল্যাক আউট বা ARP- কিন্তু মনস্তাত্ত্বিক তাৎপর্য বদলায়নি। যুদ্ধ পদ্ধতি যতই আধুনিক হোক, নাগরিক মনস্তত্ত্বে সেই পুরাতন সাইরেনের শব্দ বা আলো নিভিয়ে দেওয়ার অভ্যাস প্রতিক্রিয়া তাই আজও বেশ প্রাসঙ্গিক। তাই ব্ল্যাকআউটের ইতিহাস তাই কেবল আলো নিভিয়ে রাখার কাহিনী নয়— বরং তা এক শৃঙ্খলার অনুশীলন, এক মননের প্রক্রিয়া।

    যুদ্ধ শুধু রণাঙ্গনের নয়, শব্দ ও অন্ধকার নিয়েও তার আলাদা ব্যাকরণ আছে। রাতের আলো নিভে গেলে শহর চুপ হয়ে যায়, কিন্তু চুপ থাকা মানে নিস্তব্ধতা নয়। সেই নৈঃশব্দ্যের ফাঁকে শোনা যায় একটা দীর্ঘস্বরী সাইরেন— যার আওয়াজ কেবল সম্ভাব্য আকাশপথে আসা আক্রমণের ইঙ্গিত নয়, বরং নাগরিক জীবন ও রাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্কের এক অদৃশ্য চুক্তিপত্রও বটে। ব্ল্যাকআউট শব্দটি তাই শুধুই প্রযুক্তিগত পদক্ষেপ নয়— এটি এক নাগরিক রাজনৈতিক চেতনা, যার বীজ রোপণ হয়েছিল ভারতের ইতিহাসে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে, এবং যার প্রতিধ্বনি আজও সময়বিশেষে ফিরে আসে।


    লেখক ডব্লিউবিএনইউজেএস-এর গবেষক
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক।
  • আলোচনা | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ৩০ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • হীরেন সিংহরায় | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২২:০৪738606
  • অশেষ ধন্যবাদ । 
    অসাধারণ লেখা। ১৯৬৫ ও ১৯৭১ এর অন্ধকার দিনগুলো মনে পড়ল ! 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লাজুক না হয়ে মতামত দিন