এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ভ্রমণ  দেখেছি পথে যেতে

  • দুই দাপুটের কাশীভ্রমণ - ২ 

    লেখকের গ্রাহক হোন
    ভ্রমণ | দেখেছি পথে যেতে | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ৭৯ বার পঠিত
  • অত ঝামেলা  ঝন্ঝাটের পরে দুপুরের খাওয়াদাওয়াটা মন্দ হয় নি। উত্তরভারতে পনিরটা রাঁধে ভালই।  পনিরের ভেতরে মশলা টশলা ঢোকে আর কি। পশ্চিমবঙ্গ বা মহারাষ্ট্রের বেশিরভাগ জায়গার মত একটা ঝোলের মধ্যে কাঁচা পনিরকে সাঁতরাবার জন্য  ছেড়ে দেয় না। তবে আলু ফুলকপির তরকারিতে মাত্র এক টুকরো রোগাটে ফুলকপি ছিল।  তা সব মিলিয়ে আরামের  ঘুম নেমে এসেছিল ওদের চোখে। জেগে উঠতে বেলা সাড়ে চারটে।  ছাদে দাঁড়ালে ঠিক নীচেই একটা মন্দির আর একটা ঘাট দেখা যায়। ডানদিকে পাশেই গাইঘাট। 

    সন্ধ্যের গঙ্গা আরতি দশাশ্বমেধ ছাড়া আরো কয়েকটা ঘাটে হয়, যার মধ্যে গাইঘাটও আছে। ট্যান্ডন হাউসের মালিক আঙ্কলজি নমোঘাটের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। সকল ঘাটের সেরা নাকি সেই ঘাট। এ ঘাটটা নতুন তৈরী হয়েছে।  হ্যাঁ আপনারা যা ভাবছেন ঠিক তাই, ওই ওনার নামেই ঘাটের নাম, যদিও ভদ্রতা করে বলে নমস্তে ঘাট।  ঘাটের উপরে কুৎসিৎদর্শন একজোড়া হাতের প্রতিকৃতি নমস্কারের ভঙ্গীতে রাখা। নাহ মহিলাদ্বয় সে ঘাটের দিকে মোটেই যান নি, মালব্য ব্রিজ পেরোনর সময় ওই আখাম্বা ভাস্কর্য চোখে পড়বেই। তবে আঙ্কলজি ছাদে আসার আগে একজোড়া বাঁদর এসেছিল ওঁদের সাথে আলাপ করতে। 


    সুর্যাস্তের পরে (ট্যান্ডন হাউসের ছাদ থেকে) 

    দুজনের কেউই আলাপ করতে রাজি না হওয়ায়  এক বাঁদর ছাদের কার্নিশে বসে একটা বিকট ভেঙচি কেটে পাশের গাছে চলে যায়। তবে এ অপমান তারা ভোলে নি, সে গল্প পড়ে। এখন বরং দেখি এঁরা গেলেন কোথায়। সন্ধ্যে হয় হয় সময় দুজনে তো বেরোলেন। সেই গলির মধ্যে থেকে বড় রাস্তায় বেরোনই এক চ্যালেঞ্জ বিশেষ। যাকেই জিজ্ঞাসা করা যায় সেই সামনে হাত দেখিয়ে বলে হুউই সোজা চলে যাও চৌরাহা পাবে, সেখান থেকে ডানদিকে গেলেই বড়রাস্তার চৌরাহা। এমনি করে করে এক কিলোমিটারের কিছু বেশী হাঁটার পরে বড়রাস্তা পাওয়া গেল। দেখে চেনাও গেল এই রাস্তা দিয়েই আসা হয়েছিল বটে। 

    রিকশাকে দশাশ্বমেধ ঘাট যাবার কথা বলতেই জানাল পুলিশ যেতে দেবে না, রাস্তা বন্ধ আছে। কোন এক চৌরাহায় ছেড়ে দেবে, সেখান থেকে যেতে হবে। আচ্ছা বেশ দশাশ্বমেধ নাই গেলে অন্তত গোধুলিয়া মোড় অবধি তো যাবে। নাহ সেও যাবে না, ওই  চৌরাহায় নেমে মোড় থেকে বাঁদিকে একটু ঢুকলে অন্য রিকশা অটোদের পাওয়া যাবে, তারা নিয়ে যাবে। অগত্যা দুজনে চড়ে বসেন। মিনিট দশেক চলার পরে বেশ অন্ধকার ধরণের এক চৌমাথায় পৌঁছে দেখা যায় রাস্তা জুড়ে উন্নয়ন হচ্ছে, দিকে বিদিকে পুলিশ রোড ব্লকার বসিয়ে রেখেছে। সেসব টপকে খানিক এগিয়ে একটা মোটামুটি চওড়া রাস্তা পাওয়া গেল, দুদিকে ছোটবড় দোকান এবং পর্যাপ্ত আলো। 

    এক দাপুটে আগে একবার কাশী এসেছিলেন। সেই স্মৃতি মনে করে স্টেশান থেকে আসার সময় তিনি অটোওয়ালাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন ওই ষাঁড়ের মূর্তি বসানো জায়গাটাই গোধুলিয়া তো। অটোওয়ালা ব্যস্ত হয়ে বলেছিলেন ‘'নন্দী মহারাজ’,  হ্যাঁ নন্দী মহারাজের মুর্তি যেখানে আছে ওইটেই গোধুলিয়া বটে। তো হাঁটা হাঁটা আর হাঁটা। দুজনে হাঁটছেন তো হাঁটছেনই গোধুলিয়া চক আর আসে না। প্রায় পনেরো কুড়ি  মিনিট হেঁটে ফেলার পর একজন সোল্লাসে বলে ওঠেন ওইত্তো ষাঁড়, থুড়ি নন্দী মহারাজ বসানো। তার গায়ে আবার আলো লাগানো। 


    দশাশ্বমেধ ঘাট

    দুজনে গভীর আত্মবিশ্বাসের সাথে জনস্রোত যেদিকে চলেছে সেদিকেই চলতে শুরু করলেন। আবার চলছেন তো চলছেনই, ঘাট আসার নামও নেই। বেশ অনেকটা চলে আবার একটা চৌরাহা এলো, অটো টোটো রিকশা এবং রোড ব্লকার। এরকম তো কথা ছিল না। এক অটোওয়ালাকে জিজ্ঞাসা করতে জানা গেল ওঁয়ারা সম্পূর্ণ উল্টোদিকে এসেছেন, গোধুলিয়া থেকে বাঁয়ে যেতে হত। যাচ্চলে আবার উল্টোমুখে হাঁটো। এবারে জনস্রোতের বিপরীতে। সত্যিই তো, মানুষজন দশাশ্বমেধে আরতি দেখে ফিরছে, তাদের বিপরীত দিকে গেলে তবেই তো ঘাট। চলো হাঁটো আবার। 


    গঙ্গারতির সাজসজ্জা 


    গঙ্গারতির আরো সাজসজ্জা 

    সব রাস্তাই শেষ হয় কোথাও না কোথাও গিয়ে। এও হল। আরতি শেষ হয়ে বেশ খানিকটা সময় কেটে যাওয়ায় ঘাটে ভীড় বেশ কম। আলোয় আর আলোর মত উজ্জ্বল গাঁদাফুলে সাজানো ঘাটখানা  দেখতে লাগছে বেশ। অন্ধকার গঙ্গার বুক চিরে নানারঙের আলোয় সাজানো নৌকো, মোটরবোট, লঞ্চ চলেছে মন্দগতিতে। অতক্ষণ হেঁটে ক্লান্ত হয়ে না পড়লে জলের আরেকটু কাছে গিয়ে বসা যেত খানিকক্ষণ।  কিন্তু এখন ঠান্ডা কিছু না খেলে চলছেই না। আসার সময় ঘাটে নামার ঠিক আগেই এক দোকানে রাবড়ি, লস্যি, মালাইও দেখে আসা হয়েছে। এবারে সেখানেই যাওয়া যাক। 

    মালাইয়ো,  কাশীর এই সুখাদ্যটি কেবলমাত্র শীতের চারমাসই পাওয়া যায়। কেশর (জাফরান) এলাচ ও যৎসামান্য মিষ্টি দিয়ে জ্বাল দেওয়া দুধ সারারাত খোলা আকাশের নীচে রাখা হয়। দুধের উপর রাতভর  জমা হয় শিশির। পরেরদিন সেই দুধ ফেটিয়ে মেঘের মত ফুলিয়ে মাটির ভাঁড়ে সার্ভ করা হয়। সকাল ৫.৩০ - ৮.৩০এর মধ্যে সেরা মালাইয়ো পাওয়া যায়। লক্ষ্ণৌতে এর নাম মাখখন মালাই, দিল্লিতে দৌলত - কা-চাট। বুঝতেই পারছেন সন্ধ্যে সাড়ে সাতটায় যে মালাইয়ো পাওয়া যাচ্ছে তা আর যাই হোক শিশির জমানো মালাইদুধে তৈরী নয়। তবে খেতে দিব্বি ভাল। 


    মালাইয়ো 

    অনেকে দুধে অল্প পেস্তা মিশিয়ে দেন, কেউ কেউ ভাঁড়ের নীচে কিছুটা মালাই দুধ দেন। কেউ কেউ  হাওয়াভরা ফেনা শেষ হলে ভাঁড়ে দুধ ঢেলে দেন।  স্বাদ মোটামুটি উনিশ বিশ। দুধ বা দুগ্ধজাত খাবার যাঁরা পছন্দ করেন তাঁদের এটি খুবই প্রিয়। মালাইও যেখানে খাওয়া হল সেখানে বসার ব্যবস্থা নেই, এদিকে দুজোড়া ঠ্যাঙই বেজায় ক্লান্ত।  রাতের খাবারও খেতে হবে। ওই রাস্তায়ই একটি এসি রেস্টুর‍্যান্ট বের করা গেল, দোতলায় উঠে অবশ্য দেখা গেল বেজায় ঘিঞ্জি বসার জায়গা, পাখা চলছে। তবে বসার সুযোগ পেয়ে দুজনেই ধপাস করে বসে পড়েন। 

    একজন দুপুরে ভাত খেয়েছেন, একটি মসলা দোসা নিলেন। অন্যজন রুটি খেয়েছিলেন, এখন একটু ভাত হলেই হয়। ভাত আর মাশরুমের তরকারি নিলেন। রান্না এমনিতে ভালই তবে মাশরুম বেশ ঝাল আর অতিরিক্ত   মসলাদার ছিল। খেয়েদেয়ে সাড়ে আটটা নাগাদ ফেরার পথ ধরা গেল। এই দশাশ্বমেধ রোডে বাইক ছাড়া আর কোন যানবাহন চলতে পারে না। র‍্যাপিডো এবং লোকাল বাইকাররা লোককে পিছনে চাপিয়ে থানা চক অবধি পৌঁছে দিচ্ছে। এঁরা দুজন হেঁটে থানা চক অবধি এসে একটা রিকশাকে জিজ্ঞাসা করতেই সে দিব্বি গাইঘাট পৌঁছে দিতে রাজী হয়ে গেল।  গলিতে ঢুকে কিঞ্চিৎ খুঁজেপেতে ট্যান্ডন হাউস বের করে ঘরে ফিরে ঘুম। 
    কালকে আবার নবোদ্যমে হাঁটা শুরু হবে। 

    (চলবে)
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • ভ্রমণ | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ৭৯ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • kk | 2607:fb91:4c8e:d999:cdcd:fbc5:bafe:***:*** | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২০:৫৫738597
  • সূর্যাস্তের পরের ছবিতে ফিকে গোলাপী-বেগুনী রঙটা চমৎকার লাগছে! আচ্ছা, শিরোনামে দাপুটে শব্দটা মনে হয় 'দাপটে' হয়ে গেছে। একটু ঠিক করে দিও।
  • | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২১:০৩738598
  • হ্যাঁ থ্যাঙ্কু থ্যাঙ্কু। দিলাম। 
  • . | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২১:২১738599
  • ভাগ‍্যিস দশাশ্বমেধের সন্ধ‍্যারতি মিস হয়েছে। অমন বিশ্রী জিনিস দেখার দুর্ভাগ‍্য আমাদের হয়েছিল। বড্ড আফশোস হয়।
    ঘাটের কাছেই ভাতের হোটেল আছে। চমৎকার মাছ ভাত পাওয়া যায়।
    লেখা বেশ লাগছে।
  • dc | 2402:e280:2141:1e8:e97e:a930:56aa:***:*** | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২১:২১738600
  • মাটির ভাঁড়ে মালাই! ছবি দেখেই বুঝতে পারছি কি ভালই না খেতে হবে! :-)
  • | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২১:২৭738601
  • বিন্দুবাসিনী, 
    আমরা আরতি কাটিয়েই গেছিলাম। কোন মন্দিরে যাবো না এটা ঠিক করেই গেছিলাম। আরতি অবশ্য দেখবো না দেখবো না করেও পরে গঙ্গা থেকে দেখেছি। সেও না দেখলেই হত। 
     
    ডিসি
    মালাই নয় মালাইয়ো।  মালাই হল গিয়ে ক্রিম। আর এইটে ক্রিম++। 
  • dc | 2402:e280:2141:1e8:e97e:a930:56aa:***:*** | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২১:৪৩738602
  • বুঝেছি, দোকানে গিয়ে বলতে হবে মালাইও আমার নিকটে আইও। 
  • রমিত চট্টোপাধ্যায় | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২১:৪৮738603
  • ডটদি একদম ঠিক বলেছেন, দশাশ্বমেধ ঘাটের কাছেই দশাশ্বমেধ বোর্ডিং হাউস, বাঙালি পরিচালিত প্রতিষ্ঠান। মাছ, মাংস  ডিম সব পাওয়া যায়। এমনকি দিব্যি নরম তুলতুলে মাটনও পাওয়া যায় তবে আগে বলে রাখতে হয় নইলে ফুস করে ফুরিয়ে যায়।
    বেনারসের এক একটা গলি  একেক্টা খাবারের জন্য বিখ্যাত, ঘুরে ঘুরে সেসব খাওয়ার একটা দুর্দান্ত মজা আছে। 
    তবে এখন নাকি বেনারসের আদ্ধেক বাড়িঘরদোকান ভেঙ্গেচুরে রাস্তা চওড়া করছে। সরু সরু গলি গুলোই বোধহয় হারিয়ে যাবে। কি যে হবে কে জানে।
     
    একটা জিনিস সেরকম শীতকাল স্পেসিফিক,  মঘা পান। এত নরম পাতা যে মুখে দিলে লিটেরালি মেল্ট হয়ে যায়, খাঁটি মঘা পান খেলে সে এক ডিভাইন অনুভূতি। স্পেস টাইম সব একসাথে গুলিয়ে যায়। আমি এমনিতে পান মোটেও খাইনা, চিবুতে বিচ্ছিরি লাগে বলে। কিন্তু এটা মাস্ট ট্রাই।
     
  • dc | 2402:e280:2141:1e8:e97e:a930:56aa:***:*** | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২১:৫৪738604
  • আমার এমনিতে কাশী যাওয়ার ইচ্ছে নেই, তবে অনেকদিন ধরেই, কাশীর নানারকম খাবারের গল্প শুনি আর সেসব চেখে দেখার জন্য যেতে ইচ্ছে করে। 
  • kk | 2607:fb91:4c8e:d999:cdcd:fbc5:bafe:***:*** | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২২:০৪738605
  • কোনো জায়গার ইউনিক খাবার গুলো চেখে দেখার জন্যই সেখানে যাবার এই ইচ্ছেটা আমারও খুব করে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খারাপ-ভাল প্রতিক্রিয়া দিন