এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ভ্রমণ  দেখেছি পথে যেতে

  • হিমাচলের ইতি উতি - ৩

    লেখকের গ্রাহক হোন
    ভ্রমণ | দেখেছি পথে যেতে | ২৮ নভেম্বর ২০২৫ | ৬১ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • সিমলা | সিমলা থেকে কল্পা | কল্পা, রেকংপিও
    ৪ তারিখ সকালে উঠে দেখি মেঘেরা তখনো কল্পার আকাশে দেখা দেয় নি। সূর্য উঠছে কৈলাশের পেছন থেকে। সূর্যের আলো কৈলাশের ধার বরাবর একটা সুক্ষ্ম আলোর বর্ডার এঁকে রেখেছে। কিন্নর কৈলাশ হল পঞ্চ কৈলাশের মধ্যে চতুর্থজন। প্রথম তো কৈলাশ মানে মানসসরোবরের পাশে যে। দ্বিতীয় হল আদি কৈলাশ বা ওম পর্বত, যেটা ধারচুলা থেকে যেতে হয়। তৃতীয় শিখর কৈলাশ,  চতুর্থ কিন্নর কৈলাশ ও পঞ্চম মণিমহেশ কৈলাশ। 


    সকালবেলার রোদ্দুর কৈলাশ টপকে উঁকি মারার চেষ্টায় 

    সবকটা কৈলাশই হিন্দু ও বৌদ্ধদের পবিত্রভূমি।  কিন্নর কৈলাশের ঠিক পাশের শৃঙ্গ হল জোরকান্দেন।  তারপরে ফাওয়ারঙ, রংরিক রঙ,  মানেরঙ, লিও পারগিল ইত্যাদি। রোদ্দুর যতক্ষণে কৈলাশ টপকে আমাদের ছাদে এসে পৌঁছাল ততক্ষণে আরো কজন বাসিন্দা ছাদে এসে ড্রোন ওড়াতে শুরু করেছেন। নীচে প্রাতরাশের সন্ধানে গিয়ে দেখা গেল না-বাবু নামের সুনাম রেখে ‘'নাহ রেডি হয় নি’ বলে দিলেন। প্রাতরাশ করতে করতে সাড়ে নটা বেজে গেল।  আয়োজন পর্যাপ্ত ছিল। 


    রোদ্দুর এখনো পাহাড় টপকাচ্ছে।

    আজ সীমন্তিনীর কাজ আছে তাই সকালবেলায় ইমনবাবুকে নিয়ে আমি বেরোলাম কল্পা গ্রামটা ঘুরে দেখতে। হোটেলের পাশ দিয়ে  সরু বাঁধানো রাস্তা এঁকেবেঁকে ঘুরে ঘুরে নেমে গেছে। ও-ও-ই নীচে দেখা যাচ্ছে এক গোম্পার চোর্তেনের চুড়া। ওটা লক্ষ রেখে আমরা নামতে থাকি। পাহাড়ের গা বরাবর আপেলের বন দূরে সরে যায়, ছোট ছোট কাঠ ও মাটির তৈরী ট্রাডিশানাল হিমাচলি স্থাপত্যের বাড়ি দুপাশে,  মাঝে মাঝে বড়সড় ইঁট সিমেন্টের বাড়িও। রাস্তার মাঝে মাঝে বেশ কিছু সিঁড়ি। নামতে নামতেই ভাবি ফেরার সময় এইগুলো আবার উঠতে হবে।জপগ

    গোম্পার চোর্তেন 

    সরু,  অতি সরু রাস্তা। বেশ পরিস্কার, নোংরার লেশও নেই।  নামতে নামতে পৌঁছাই বাজার্র এক প্রান্তে। ছোটখাট মণিহারি দোকান, খাবার দোকান, শীতবস্ত্রের দোকান, হোমস্টে। কোন ওষুধের দোকান চোখে পড়ল না। গোম্পার সামনে  পৌঁছে দেখা গেল বিভিন্ন হোটেল হোমস্টেতে আসা  অল্পবয়সী পর্যটকের দল চোর্তেনের চারপাশে ভীড় করে নানা ভঙ্গীতে ছবি তুলতে ব্যস্ত। অতি উজ্জ্বল নীল আকাশের নীচে ঝকঝকে সোনালী চুড়ার চারপাশে ড্রোন উড়ে বেড়াচ্ছে ভোঁ ওঁ ওঁ করে। সামনে খানকয়েক  সেলফিস্টিকের নড়াচড়া। 


    গোম্পার মূল মন্দির

    চোর্তেন পেরিয়ে  গোম্পার দরজায় উপস্থিত হয়ে দেখলাম মূল মন্দির বন্ধ। তবে মূল মন্দির ঘিরে চারিদিকের বারান্দা খোলা, ভক্তদের প্রদক্ষিণ করার জন্য। জুতো খুলে বারান্দা টপকে মন্দিরের প্রধান দরজার সামনে গিয়ে গোম্পা সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেওয়া এক বোর্ড পেলাম। আর দেখলাম অপূর্ব কাজ করা কাঠের দরজা, দরজার ফ্রেম। হিমাচল আর লাদাখে শুধু মন্দির বা গোম্পাই নয়, মোটামুটি অবস্থাপন্ন সাধারণ বাড়িতেও  দরজা, জানলা বারান্দায় অতি সুক্ষ্ম কাঠের কাজ দেখা যায়। লাদাখ আর হিমাচলের কাঠের কাজের ধরণ আলাদা।jpg


    কাঠের দরজায় সুক্ষ্ম কারুকার্য

    সরকারিভাবে ‘চিনি’ নামটা পরিত্যক্ত হলে কী হবে, গোম্পার বোর্ডে এখনো রয়ে গেছে চিনির উল্লেখ। তিব্বতী আধ্যাত্মিক গুরু এবং অনুবাদক লোচওয়া রিনচেন জাংপো তাঁর জীবৎকালে (৯৫৮ - ১০৫৫ খ্রীষ্টপূর্বাব্দ) ১০৮ খানা বৌদ্ধগোম্পা স্থাপন করেছিলেন, তারই একটা এই কল্পা (চিনি) গোম্পা।  প্রায় হাজার বছরের প্রাচীন গোম্পাটি ১৯৫৯ সালে এক বিধ্বংসী অগ্নিকান্ডে ধ্বংস হয়ে যায়। এখন যেটি দেখছি সেটি তার পরে একই জায়গায় গড়ে তোলা। 



    গোম্পা দেখে বেরিয়ে ইমনবাবু হোটেলে ফিরতে চাইলেন তাই ফেরার পথ ধরা গেল। বিভিন্ন বয়সী নারী পুরুষ মস্ত মস্ত কাঠের, শুকনোপাতার বোঝা নিয়ে নেমে আসছেন ওই রাস্তা বেয়ে। শীতের প্রস্তুতি চলছে জোরকদমে। কল্পার চারিদিকেই আপেলখেত। কিন্নর আপেল স্বাদে সারাহান নারকান্ডার আপেলের থেকে আলাদা। মোমমসৃণ চকচকে খোসার অতি সুস্বাদু মিষ্টি রসে ভরা কিন্নর আপেল একবার খেলে ভোলা কঠিন। সবুজ, সোনালী আর  কালচে লাল রঙের আপেল অত্যুৎকৃষ্ট স্বাদের জন্য বেশীরভাগই বিদেশে রপ্তানী হয়। 

    এই নভেম্বরে আপেলের সিজন প্রায় শেষ। তবু বেশ কিছু গাছে এখনো কিছু আপেল রয়ে গেছে। তা মূলত লাল আপেল। গ্রিন আর গোল্ডেন ভ্যারাইটি আর অবশিষ্ট নেই।  হোটেলমালিক ললিত আমাদের তিনটে কালচে লাল কিন্নর আপেল আর দুটো রয়্যাল গালা আপেল খেতে দিয়েছিলেন।  আমি এমনিতে আপেল ভালবাসি না বললে আন্ডারস্টেটমেন্ট হয়। আসলে বেশ অপছন্দ করি। কিন্তু কিন্নর আপেল দিব্বি ভালবেসে খেলাম। এখানে যেরকম ভ্যাদভ্যাদে টাইপ পাই তেমন নয়, অল্প কচকচে ( ক্রাঞ্চি) হওয়ায় আরো ভাল লেগেছে।jpg


    আপেল গাছে রঙ ধরেছে

    ফেরার পথ চড়াই হলেও সময় অপেক্ষাকৃত কমই লাগল।  এতক্ষণে সীমন্তিনীর কাজকর্ম শেষ হয়েছে আজকের মত, তবে খারাপ ব্যপার হল কাল আবার কাজ আছে ওর। পাপী পেট ইত্যাদি বলে আমরা তিনজনে মিলে বেরোলাম গাড়ি নিয়ে। তা এইবারে সারথিমশাই কিছুতেই ওই ৪৫ ডিগ্রি কোণ চড়াই আমাদের নিয়ে গাড়ি তুলতে পারলেন না। পারলেন না তো পারলেনই না। অগত্যা আমাদের নামিয়ে দিয়ে খালি গাড়ি ২-৩ বারের চেষ্টায় তুললেন। আমরা হেঁটে উঠলাম। 


    আপেল খামার - ইন্ডিয়ান ফল

    লামা ক্যাফে, কল্পা বাজারের মধ্যে এক বাড়ির দোতলায় সাদামাটা খাবার জায়গা। চালাচ্ছেন জনা দুই তিন মহিলা। মোমো থুকপা ইত্যাদি দিয়ে মধ্যাহ্নভোজ সারা গেল। বাপরে মোমোর কি গামা সাইজ! একপ্লেট মানে দশখানা একা খেয়ে শেষ করা প্রায় অসম্ভব। অতি করিৎকর্মা মহিলা খাবার দিয়ে দিলেন ৮ - ১০ মিনিটের মধ্যেই।  চিকেন মোমো,  থুকপা বেশ ভাল খেতে। খেয়েদেয়ে চললাম রেকংপিওর দিকে। ললিত বলে দিয়েছেন সেখানে নাকি স্থানীয় হস্তশিল্পের মেলা,  গানবাজনার আসর বসেছে। 



    গতকাল আসার সময় ঘুটঘুটে অন্ধকার হয়ে যাওয়ায় পথের শোভা দেখা যায় নি। আজ দিনের আলোয় দেখি অনেক আপেলগাছের পাতাতেই রঙ ধরেছে। দুপাশে হলুদ কমলা হয়ে লালচে রঙের আপেলগাছ।  সাথে চিরহরিৎ পাইন ফার দেবদারু। সবুজে হলুদে কমলায় অপরূপ নকশাকাটা রাস্তার দুপাশ আর অনেক নীচে শতদ্রুর আবছা কলকল। কিন্নর কৈলাশ রেঞ্জ গম্ভীরভাবে নজর রাখছে পুরো এলাকায়। কালো সাদা মেঘেরা এসে ভীড় জমিয়েছে কৈলাশ জোরকান্দেনের মাথায় মাথায়। 


    অপরূপা কল্পা 

    রেকংপিও প্রধান চওকে পৌঁছে এক পুলিশকর্মীকে জিগ্যেস করে জানা গেল সে মেলা গতকালই শেষ হয়ে গেছে। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পূর্ণই শেষ তবে দোকানপাট আছে কিছু। অগত্যা আমরা দোকানপাট দেখতেই এগোই।  তা শীতবস্ত্রের প্রাবল্য কিছু বেশী হলেও অন্যান্য নানা সাংসারিক জিনিষপত্রের দোকানও রয়েছে। মফস্বলের মেলায় যেমন থাকে টাকে।  অল্প একটু এগোতেই ছাই আর ক্রিম রঙের মিশেল ঝুপ্পুস লোমে ভরা এক আহ্লাদি ভৌএর আমাদেরকে খুব পছন্দ হয়ে গেল। 


    কেমন আহ্লাদি না? 

    তিনি প্রবল ল্যাজ নেড়ে আমাদের পথ আটকে দাঁড়ালেন। তাঁকে পাশ কাটিয়ে যে দোকানেই যাই তিনিও তক্ষুণি সেখানে উপস্থিত হয়ে আবার পথ আটকে দাঁড়ান। এদিকে আমাদের কাছে খাবার দাবার কিছুই নেই, আশেপাশে কোন খাবার জিনিষের দোকান দেখাও যাচ্ছে না। তিন চারটে দোকান পেরিয়ে একটা দোকানে শেষে জিজ্ঞাসা করা গেল বিস্কুট কোথায় পাওয়া যাবে। কিন্তু সেখানে পৌঁছাতে পৌঁছাতে ইনি হতাশ হয়ে আমাদের সঙ্গ পরিহার করে অন্যত্র গেছেন। 


    রেকংপিও বাজার

    ইতোমধ্যে মেঘ বেশ ঘনিয়ে এসেছে। আর বিশেষ কিছু দেখারও নেই, কাজেই হোটেলে ফেরা যাক। চওকের পাঁচমাথার মোড় থেকে খানিক সামনে এগিয়ে সারথিমশাইকে ফোন করতে তিনি উলটে আমাদেরই বললেন অনেকটা পিছিয়ে এসে উঠতে। কি হুতুমথুমো রে বাপু! সওয়ারি অ্যাপ থেকে নেওয়া গাড়ি, তার সারথী এমন উদো কেন কে জানে! ফিরতে না ফিরতে টিপটাপ দু চারফোঁটা পড়া শুরু হয়ে গেল।  আজ তো অস্ত সূর্য্যের রঙে কৈলাশকে দেখা গেল না, আরো দুদিন আছে, দেখা যাক সেই অপূর্ব রঙের খেলা দেখতে পাই কিনা।  


    মেঘ জমেছে মেঘ জমেছে

    (চলবে)
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
    সিমলা | সিমলা থেকে কল্পা | কল্পা, রেকংপিও
  • ভ্রমণ | ২৮ নভেম্বর ২০২৫ | ৬১ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    বিজাপুর - %%
    আরও পড়ুন
    হামপি - %%
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Aditi Dasgupta | ২৮ নভেম্বর ২০২৫ ২৩:১৩736260
  • কি যে ভালো লাগছে!ভৌ টা সত্যি আল্হাদি! কৈলাশের বিষয়ে জানতামনা। আমি ভাবতাম ওই কৈলাস ই ওখান থেকে দেখা যায়!  সেই সিন্ধু কেস।।কেন এদের সবাইকেই কৈলাশ বলে?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। বুদ্ধি করে মতামত দিন