এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • কালবেলার রৌদ্রছায়া - ৫ 

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ২১ বার পঠিত
  •                            ( ৫ )

      ঠাঠা রোদের হাত থেকে শরীর বাঁচিয়ে ঘামে ভিজতে ভিজতে লোকনাথ ফার্মেসির শেডের নীচে দাঁড়িয়ে আছে দেবাশিস সেই কখন থেকে।  এক  ঘন্টার ওপর হয়ে গেল।  প্রশান্তবাবু, মানে প্রশান্ত  দাশ বলেছিল বারোটা নাগাদ পৌঁছে যাবে এই লোকনাথ ফার্মেসির সামনে। বলেছিল কোন   কোম্পানির গোডাউনের ম্যানেজারের কাছে নিয়ে যাবে। সিকিউরিটির কাজ করার জন্য নাকি একটা লোক খুঁজছে ওরা।  দাশবাবু বলেছিল, 
    ' তোর তো শরীর স্বাস্থ্য দিব্যি।  হয়ে যাবে...  হয়ে  যাবে...  লোকনাথের সামনে দাঁড়াস বারোটা  নাগাদ বুঝলি তো।  লেট করিস না...  '
    দেবাশিস ভরভুর আশা এবং উত্তেজনায় বুক বেঁধে
    সাড়ে এগারোটা থেকে দাঁড়িয়ে আছে এখানে।  পাঁচ ছ হাজার টাকা যদি দেয় বাচ্চাটার দুধের দামটা অন্তত হয়ে যাবে ।  কত আর এর কাছে ওর কাছে হাত পাতা যায়।  বিয়েটা করে কী ভুল যে করেছে।  তার ওপর গোদের ওপর বিষফোঁড়া,  বছর ঘুরতে না ঘুরতে বৌয়ের কোলে ছেলে এসে গেল। 
    একটা বেজে গেল।  অধীর প্রতীক্ষায় ছটফট করতে করতে রোদপোড়া রাস্তার একবার বাঁদিক  একবার ডানদিক দেখতে দেখতে ক্লান্ত হয়ে পড়তে লাগল দেবাশিস।  প্রশান্ত দাশের কোন চিহ্ন নজরে  এল না দেবাশিসের।  সে হতাশায় ছটফট করতে লাগল।  অনেক আশা করে,  প্রশান্তবাবুর ওপর অনেক ভরসা করে সে সেই  কখন থেকে এখানে এসে দাঁড়িয়ে আছে।  দেবাশিসের পকেটে গার্ডার জড়ানো একটা ছোটখাটো  সস্তার মোবাইল ছিল।   মোবাইলের প্রিপেড ব্যালান্স প্রায় শেষ।  দেবাশিস ভাবছিল ব্যালান্স আর খরচ করা ঠিক হবে কিনা।  কিন্তু সে মনে মনে এত ছটফট করছিল যে শেষ  পর্যন্ত  পকেট থেকে মোবাইলটা বার করেই ফেলল।
    প্রশান্ত দাশের নম্বর কিছুতেই লাগে না।  অনেকবার চেষ্টা করার পর 'বাজিগর ও বাজিগর,  তু হ্যায় বড়া বাজিগর...  '  বাজতে লাগল। 
    আলতো গলায় প্রশান্তবাবুর 'হ্যালো' শোনা গেল। 
    দেবাশিস আওয়াজটা আঁকড়ে ধরল।
    ---- ' আরে দাশবাবু...  আপনি তো এলেন না... দেড়টা বাজতে চলল...  '
    ---- ' কেন বলতো...  কোথায় যাব ?  '
    --- ' কী বলছেন দাদা !  বেমালুম ভুলে গেলেন ? পরশুদিন অত কথা হল...  ওই যে কোন গোডাউনে লোক নেবে বলেছিলেন....  লোকনাথের সামনে বারোটার সময় দাঁড়াতে বলেছিলেন...  আমি তো সাড়ে এগারোটা থেকে এখানে ঠায় দাঁড়িয়ে আছি।  মারাত্মক গরম... আপনি কখন আসছেন ?  '
    দেবাশিস এক নিশ্বাসে কথাগুলো উগরে দিয়ে রুদ্ধশ্বাসে প্রশান্ত দাশের প্রত্যুত্তরের অপেক্ষা করতে লাগল। 
    প্রশান্ত দাশ মনে হয় কিছু খাচ্ছিল।  খাবার জড়ানো গলায় বলল, ' ও...  এই কথা...  আমি তো ঘাবড়ে গিয়েছিলাম...  এমনভাবে বললে...  '
    দেবাশিস এরকম একটা নির্বিকার জবাব পেয়ে রীতিমতো  বাকরুদ্ধ হয়ে গেল।  কী বলা যায়  ভেবে পাচ্ছিল না।
    এই বিরতির ফাঁকে প্রশান্ত দাস বোধহয় মুখের খাবার গলাধঃকরণ করে নিয়েছে। 
    বলল, ' আরে তুমিও যেমন...  ওটা একটা কথার কথা বলেছিলাম...  তুমিও যেমন !  ও কি আর খালি  থাকে...  লোক নিয়ে নিয়েছে।  তোমাকে জানাতে পারিনি...  সময় কোথায় বল তো...  হাজারো কাজ...  তুমি যে এত সিরিয়াস সত্যি বুঝতে পারিনি মাইরি...  আচ্ছা আরও আছে,  দেখব'খন... তুমি সিরিয়াস তো?  সরোজিনী স্কুলে কি একটা আছে ...  যদি কিছু খরচ করতে পার... হতে পারে...  দু একদিনের মধ্যে জানালে কথা বলতে পারি...  কাল যাব পার্টি অফিসে...  এমনি এমনি তো কিছু হয় না...  '
    দেবাশিস কিছু বলবার আগেই  প্রশান্ত দাস গাজরটা ঝুলিয়ে দিয়ে আপাতত এ প্রসঙ্গে ইতি টেনে দিল। 
    ---- ' আমি এখন খেতে বসেছি বুঝলে...  আবার পরে কথা হবে...  জানিও জানিও...  যদি জোগাড় করতে পার...  '
    হতবুদ্ধি দেবাশিসের মুখ দিয়ে বেরিয়ে গেল,
      ' কত ? '
    খাবার জড়ানো গলায় জবাব এল, ' এই...  ধর দশ...  '
    ---- ' দশ হাজার ?  '
    ---- ' ধুসস্...  আরে বাবা লাখ লাখ... ঠিক আছে রাখছি এখন...  খাচ্ছি...  পার যদি ফোন কোর... '
    লাইন কেটে গেল ।  দেবাশিস রোদে জ্বলা   পিচগলা রাস্তার দিকে শূন্য দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল। তার মুখ দিয়ে অস্ফুটে বেরিয়ে এল  তিনটি জ্বলন্ত স্ফূলিঙ্গ  ' চুতিয়া ... শান্তির ছেলে...  '।   

      অনাদি পাগলা একটা ছেঁড়া প্যান্ট পরে খালি গায়ে বাস ডিপোর দিকে যাচ্ছিল।  অনাদির মাথার স্ক্রু ঢিলে হলেও মাঝে মধ্যে বেশ সারগর্ভ মজার  মতামত দেয়। হয়ত নিজের অজান্তে।  যেমন এখন দিল।  মদনমোহন জানা উল্টোদিক দিয়ে আসছিল।  অনাদিকে হন্তদন্ত হয়ে হাঁটতে দেখে দাঁত বার করে বলল, ' কিরে অনা...  এত ব্যস্ত হয়ে চললি কোথায় ? '
    অনাদি গম্ভীরমুখে বলল, ' মিটিং আছে...  '
    ---- ' সে কিরে...  কোথায় ? '
    অনাদি হাঁটা না থামিয়ে অবিকল ব্লক কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট বিমল মাইতির স্টাইলে বলল, ' খবর টবর কিছুই রাখছ না আজকাল।  সব খেয়াল রাখছি...  জালে পড়ে যাবে কিন্তু ...  '
    মদনমোহন ভুরু ওপরে তুলে হাসতে হাসতে বলল, ' আচ্ছা আচ্ছা...  '। রাস্তার ওদিকে  রিক্শায়  উঠতে যাওয়া প্রশান্ত দাসের দিকে তাকিয়ে বলল, ' শুনলে শুনলে...  '
    প্রশান্ত দাশ রিক্শার সিটে বসে পড়ে বলল, ' হ্যাঃ  হ্যাঃ হ্যাঃ...  পাগলের গায়েও হাওয়া লেগে গেছে...  এগিয়ে বাংলা ...  নে চালা...  '  
    রিক্শাওয়ালা প্যাডেলে চাপ দিল। প্রশান্ত দাসের বাড়ির দিকে যেতে যেতে বলল, ' বাবু কি সদরের দিকে যাবেন নাকি ? ' 
    ----- ' যেতে পারি দু একদিনের মধ্যে...  কেন রে ? 
    ---- ' একটা পারমিট বের করার ব্যাপার ছিল...  '
    ---- ' কিসের পারমিট ? '
    ---- ' ছেলে একটা টোটো বার করবে বলছিল...  '
    ----- ' ও...  এ তো ভাল কথা।  তা...  তার জন্য সদরে যাবার দরকার কী ?  এখানেই হয়ে যাবে।  সদরে গেলে অনেক ঝামেলা।  ওদের খাঁইও বেশি। পার্টি অফিসে আয় কালকে।  বলে কয়ে অল্পের  মধ্যে করে দেব'খন।  তারপর সপ্তারটা যেরকম রেট ঠিক হবে দিবি... '
    রিক্শাওয়ালা আমান শেখ ভাবল, ' ভাল রে ভাল...  কোথায় কী তার ঠিক নেই খালি পয়সার কথা...  হাঁ করে আছে একেবারে...  '
    প্রশান্ত দাসের বাড়ির সামনে এসে রিক্শা দাঁড় করিয়ে দিল । 
    প্রশান্ত দুটো ভারি থলে নিয়ে নামতে নামতে বলল, ' ঠিক আছে... আসিস তা'লে।  ছেলেকে নিয়ে আসিস ।  বিমলদার সঙ্গে কথা বলিয়ে দেব।  টোটো তো রইলই।  সংগঠনের কাজও করতে পারবে...  তোদের তো বেশি করে দরকার...'

      আমান বোকা হাবা লোক নয়।  চারদিক দেখতে দেখতে শিখে গেছে অনেক কিছু ।  'তাদের' যে খুব দরকার সেটা সে হাড়ে হাড়ে বোঝে। 
    মুখে বলল, ' ঠিক আছে বাবু...  বলে দেখি...  '
    ---- ' হ্যাঁ...  আসিস কিন্তু...  '
    আমান আবার প্যাডেল মারতে লাগল।  রিক্শার চাকা গড়াতে লাগল।  প্রশান্ত দাস ভারি থলে দুটো নামিয়ে রেখে তার তিনতলা বাড়ির সদর দরজার কলিং বেলে চাপ দিল । আমান সোজাসুজি বটতলার দিকে গাড়ি টানতে লাগল । বটতলায় পুরনো খানাটার পাশে সেই  ছোট্ট দরমার  দোকানটা এখনও আছে যেখান থেকে বেকারির সস্তা বিস্কুট লজেন্স বিক্রি হত আর প্রশান্ত দাশ সকাল থেকে ঘাড় গুঁজে বিড়ি বেঁধে যেত ।   

      নিরূপম বারিকের জীবনে ঘেন্না ধরে গেছে একেবারে। বছর তিনেক হল বিয়ে করেছে।  ছেলেপুলে হয়নি এখনও।  সে না হোক,  মোটামুটি শান্তির সংসার ছিল।  সংসারে সে আর তার বৌ প্রিয়াঙ্কা ছাড়া আর বুড়ি মা আছে শুধু । সে কানে ভালো শুনতে পায় না।  বেশির ভাগ সময়ে ঘুমিয়ে থাকে।  ডাক্তার বলেছিল হিমোগ্লোবিন কম।  আয়রন ট্যাবলেট লিখে দিয়েছে। এখনও কেনা হয়নি অবশ্য।
    সে যাই হোক,  ইদানীং প্রিয়াঙ্কা কেমন  যেন পাল্টে গেছে।  চোখে মুখে হাবভাবে কেমন যেন  ছোঁকছোঁকানি।  এটা হয়ত আগেও ছিল,  নিরূপম খেয়াল করেনি ।  কিন্তু এখন যেন অন্যরকম  হাবভাব।  নিরূপম ভাবল তারই হয়ত দেখার ভুল।  আসলে ওসব কিছু না ।  
    লোকের সঙ্গে ভাল ব্যবহার করলেই  কি তাকে খারাপ ধরতে হবে নাকি?  কিন্তু তার পরক্ষণেই আবার মনে হয় বেছে বেছে কমবয়সী ছেলেদের ওপরই তার ব্যবহার এরকম মাখো মাখো হয়ে যায় কেন।  নিরূপম ভাবল, দূর...  ওসব নিয়ে মাথা ঘামাবে না আর...  মিছিমিছি মনের করকরানি পুষে রাখা।  যা হচ্ছে হোক...  সে আর এসব নিয়ে ভাববে না।  ফালতু ব্যাপার সব। 
    কিন্তু ভাবব না বললেই কি আর না ভেবে থাকা যায়।  একদিন অফিস থেকে অর্ধেক দিনের ছুটি নিয়ে চুপিচুপি বাড়ি ফিরে আসল।

      ( ক্রমশ )
    ********************************************
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লাজুক না হয়ে প্রতিক্রিয়া দিন