এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • প্রজন্মান্তর

    Manali Moulik লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ২৫ বার পঠিত
  • বাজার অর্ধসমাপ্ত রেখে কেবল হালকা ব‍্যাগ হাতে বাড়ি ঢুকেছেন অজিতবাবু। থমথমে মুখ,একটা দুঃখের চিহ্ন অবসন্ন শরীরে।

    – “শুনছো, তপতী চলে গেল!”

    ক্ষীণ অথচ স্পষ্ট কন্ঠে কথাগুলো বলার আগেই ওনার স্ত্রী পূর্ণিমাদেবী এসে দাঁড়িয়েছেন সামনে। ভাবছেন,কী হলো রে বাবা, এইমাত্র বাজার গেল মানুষটা এক্ষুণি আবার মুখ চুন করে ফেরার কারণটা কী?  আজ রবিবার। সব মিলিয়ে বাজারটা বড় ব‍্যাগেই করার কথা ওনার। তাই চিন্তিত ও অবাক হওয়ার ভাবটা ছিল আগে থেকেই। এখন খবরটা শুনে ভ্রু কুঞ্চিত হলো পূর্ণিমার। বললেন,

    – “কী হয়েছিলো হঠাৎ?” 
    অবসন্ন হাতে ফ্ল‍্যাটের দরজাটা বন্ধ করেন অজিত। বললেন, 
    – “জানি না ঠিক। শরীর ভালো ছিলো না বলে শুনেছিলাম কিছুদিন আগে। হঠাৎ যে কী করে — ঝন্টুদা ফোন করলো এই কিছুক্ষণ আগে,তখন ওই সামনের দোকানে আমি বিস্কুট কিনছি সবে…তাই ফিরে এলাম,বুঝলে?”

    পূর্ণিমাদেবী হালকা ব‍্যাগটা অজিতের হাত থেকে নিয়ে বারান্দার ছোট্ট টেবিলে রাখেন। আমসত্ত্ব আর বিস্কুটের প‍্যাকেট এনেছে মাত্র। আজ রান্নাবান্নার বারোটা তো আজ বেজেই গেল, দেখা যাক আর কী কী হয় !

    — “তা তুমি কি ছুটবে এখন? আদরের বোন বলে কথা!”

    অজিত আমতা-আমতা করে বললেন, 

    – “হ‍্যাঁ…তা খুড়তুতো বোন আর কী! যেতে তো একবার হবে,কী বলো? কেউ তো নেই ওর…মানে ঝন্টুদা আর বৌদিই সামলাচ্ছে আর কী…”

    – “না রাখতে জানলে আর থাকবে কী করে?”  বিস্কুটের প‍্যাকেট বের করতে করতে পূর্ণিমা বলেন,
    – “অবাধ‍্য হলে অনেক দুর্গতি আছে কপালে। আমার রিঙ্কিকে নিয়ে তাই ভয় হয়। না, ও কোনোদিন অবাধ‍্যতা করেনি – তবু! একটা কেস হিষ্ট্রি আছে তো পরিবারে!”

    অজিত কেবল ‘সেই তো, সেই তো’ করে মাথা নাড়ছিলেন। হঠাৎ ওনার ফোনটা বেজে উঠলো, 

    “ ওই মহাসিন্ধুর ওপার হতে….”

    — “হ‍্যালো, হ‍্যাঁ ঝন্টুদা! হ‍্যালো,শুনতে পাচ্ছি। কি? তোমরা বেরবে এবার? বডি–মানে তপতীকে নিয়ে? হ‍্যাঁ যাচ্ছি,আধঘন্টার মধ‍্যে। কী বলছো? রিঙ্কিকে? কেন? ওহ্ আচ্ছা।”

    ফোনটা কাটার আগেই বারান্দায় ওনাদের মেয়ে রিঙ্কি এসে দাঁড়িয়েছে। দেশলাই বাক্সের মতো ফ্ল‍্যাটে এঘরে চুপিসাড়ে কথা বললে ওঘরে শোনা যায়। রিঙ্কি এখন মাষ্টার্স করছে। সোশিওলজি পড়ে। বরাবর পাড়ায় ‘ভালো মেয়ে’ বলে একটা তথাকথিত নামডাক আছে। তারচেয়ে বড় কথা,রিঙ্কি নাকি অত‍্যন্ত বাধ‍্য মেয়ে, বড়দের মতানুযায়ী  ‘ভদ্রতা’ -র বৈশিষ্ট্য যাকে বলে তার সবকটাই ওর মধ‍্যে বিদ‍্যমান। 
    বন্ধুরা দু-একবার বলেছে,
    – “রিঙ্কি  একটু অবাধ‍্য হলে কিছুই ক্ষতি হয় না রে !”

    – “না রে ভাই, অবাধ‍্যের মতো অবাধ‍্য হতে পারবো না। শুধু শুধু….”  
    রিঙ্কি নিজেও কি কথাটার মানে বোঝে? “অবাধ‍্যের মতো অবাধ‍্য”  মানে কী? কেমন করে হয়?

    – “মা রে,তপতী পিসি নাকি বলে গেছিলো তোকে একবার যেতে হবে। কি একটা লেখা  নাকি..” মেয়ের কাঁধে হাত রেখে বলেন অজিত। 

    পূর্ণিমা প্রশ্ন করেন,  “রিঙ্কি গিয়ে কী করবে? তোমার বোন স্কুল টিচার ছিলো। চাকরি একটা ছিলো বলে তার দাম আছে বটে! শোনো, কাকিমা বেঁচে থাকতে কম কথা বলেননি আমাকে। দায়িত্বহীন,ঝাড়া হাত পা মহিলার ওরকম আঁতলামির দুঃখ থাকা সহজ। সংসার বইতে হয় যাদের, তাদের দুঃখ নেই?” 

    – “মা, মা..” রিঙ্কি জড়িয়ে ধরে পূর্ণিমাকেহ মেয়ের চোখে জল দেখে তিনি শান্ত হয়ে যান। রিঙ্কি বলে,
    – “মা, দুঃখটা প্রত‍্যেকের দামী। তার বিভাজন হয় না। কিন্তু তপতী পিসি কখনই এস্কেপিস্ট ছিলো না,এটা আমি বলতে পারি। এখন আসি মা?”

    – “হ‍্যাঁ, কিন্তু সাবধানে।”  
    – “টেনশন কোরো না।” স্তোত্রবাক‍্য দিয়ে মেয়েকে নিয়ে বেরিয়ে আসেন অজিতবাবু। একটা ট‍্যাক্সি ধরতেই হলো পৌঁছনোর দ্রুততার জন‍্য। 

    ট‍্যাক্সি এগোচ্ছে মসৃণ পিচরাস্তা ধরে। একদিকে একটা খেলনার দোকানে চিৎকার করে বায়না জুড়েছে সাত-আটবছরের একটি বাচ্চা ছেলে।  তার  মা বলছেন,
    – “বাবু,অবাধ‍্য হবে না কিন্তু।

    সিটের গায়ে মাথাটা হেলিয়ে দেয় রিঙ্কি। শব্দটা বড় ভাবাচ্ছে আজ তাকে।  “অবাধ‍্য”। 

    তপতী পিসি তার বাবার খুড়তুতো বোন। মানে ছোটদিদার মেয়ে। দিদা আসতেন রিঙ্কিদের সুকিয়া স্ট্রীটের একচিলতে ফ্ল‍্যাটে।  ছোট্ট চেহারা, সাদা শাড়ি। বলতেন মাঝে মাঝে,
    – “মেয়েটা ওর বাবার কথা রাখলো না। বুঝলি র‍্যা অজিত? অ‍্যাতো ভালো চাকরিটা পেল, বিয়ে-থাওয়ার কথা তো সব ঠিক আমাদের। কাগজের লেখার কাজটা ছাড়তে বললো ওর বাবা। তাও শুনলো না মেয়ে। অমন ভালো ঘর,ভালো বর। একা বাঁচবেন! ধ‍্যাষ্টামি যত!”

    রিঙ্কি তখন কত ছোট ছিলো। আজ অবাধ‍্য তপতী পিসি নেই। রিঙ্কির প্রতিটা জন্মদিনে যাওয়া - আসা লেগেই থাকতো। ওনাকে বড় কাছের মনে হতো রিঙ্কির। মোটা কাঁচের চশমা,কপালের সামনের চুলে রুপোলি রেখা,হালকা গোলাপী লিপস্টিক,কপালে ছোট্ট খয়েরি টিপ। 

    – “তোদের জেনারেশনটা, বুঝলি রিঙ্কি –” তপতী পিসি বলতো,
    – “ভীষণ cheap mentality - র হয়ে যাচ্ছে। তোদের একটাই skill, মোবাইল স্ক্রল করতে পারা। সমুদ্র পাড়ি দেবার দুঃসাহস নেই, পাহাড় অতিক্রম করতে পারার পরিশ্রম নেই।”

    – “আজ্ঞে না,পিপি। আসলে আমাদের সামনে কোনো নির্দেশিকা নেই।” রিঙ্কি বইয়ের শো-কেসের সামনের চেয়ারে বসে বলেছিলো।
    তপতী পিসি নাকি কলেজ-জীবন থেকে ফ্রিল‍্যান্স লেখার কাজ শুরু করেন। শখ নয়, তাঁর কলমের লক্ষ‍্য ছিলো সমাজের একদম পিছিয়ে থাকে শ্রেণীর কন্ঠস্বর হয়ে ওঠা। বাঁকুড়ার জনজাতি নিয়ে কাজ করেছেন দীর্ঘদিন সেখানে থেকে। এরপর আঞ্চলিক ইতিহাসে বিষ্ণুপুর নিয়ে কত লেখা! কোন্ ‘অভিজাত পরিবার’ মেনে নিতে পারে এই অদম‍্য দুঃসাহস? ইতিহাসের শিক্ষিকার বাইরে একটা বিশাল জগৎ ছিলো তপতী পিসির। তাই কি ‘অবাধ‍‍্য’ হলেন? একবার ওনার লেখা বাজেয়াপ্ত হয়েছিলো। ঝাড়গ্রাম-নিবাসী আদিম-জনজাতির মহিলাদের উপর নির্যাতনের কথা নাকি উনি তুলে ধরেছিলেন। সরকারি চাকরিটা গেল তখনই।

    – “জানিস রিঙ্কি, রাষ্ট্র থেকে সমাজ সব নির্মাণের ক্ষেত্রেই মেয়েরা চুন-সুড়কির ভূমিকায়। কেবল ইঁটগুলোর যোগ ধরে রাখা তাদের কাজ। মালয়েশিয়ার সৈন‍্যবাহিনীর সংখ‍্যা বাড়াতে নারীদের ডাকা হয় একসময়ে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধেরর পর জার্মানির ভগ্নপ্রায় উৎপাদন ব‍্যবস্থায় তারা এলো, আবার হিটলার কয়েকবছর আগে নিজেই বলেছিলেন, Go to the kitchen and be a good mother.”

    রিঙ্কি বলেছিলো, “আসলে জানো তো পিপি, আমাদের জেনারেশন লিক‍্যুইড অক্সিজেনে ডুবে আছে। লিক‍্যুইড আমাদের বাঁচতে দেবে না আর অক্সিজেন আমাদের মরতে দেবে না। দোষ দেওয়ার আগে ভাবো,আমরা পেয়েছি কী? কোন্ মূল‍্যবোধের নিদর্শন আমাদের সামনে?”

    ট‍্যাক্সি এসে থামলো। ঝন্টুকাকু ও তার স্ত্রী পিপির প্রতিবেশী। একটা ঘোরের মধ‍্যে বাবার সঙ্গে ফ্ল‍্যাটে ঢুকলো রিঙ্কি। পরিচিত নিঃসঙ্গতার গন্ধটা নেই। চন্দন ধূপ জ্বলছে। ফুলে ফুলে ঢেকে যাওয়া তপতী আগের মতোই সুন্দর। 
    মোটা কাঁচের চশমা,কপালের সামনের চুলে রুপোলি রেখা, হালকা গোলাপী লিপস্টিক,চওড়া কপালে ছোট্ট খয়েরি টিপ। 
    কে এক তরুণী চন্দন পরাতে এলো। রিঙ্কি হাত দিয়ে থামায়।
    – “ ওসব করতে হবে না।”
    ঝন্টুকাকু বাবার সঙ্গে কথা বলছে নীচে। শো-কেসের বইগুলো আগের মতোই স্থির, যত্নে সাজানো। টেবিল ক্লথে নীলচে ফুল,হলুদ প্রজাপতি। ডানদিকে জলের বোতল। পাশে ডায়েরি-পেন। 

    – “রিঙ্কি!”
    মিলিকাকিমার গলা। ঝন্টুকাকুর স্ত্রী। পিপির কাছে আসতো মাঝে-মধ‍্যে।
    – “গত দুমাস ধরে ভীষণ অসুস্থ ছিলেন দিদি। যা হোক – আমরা সকালে এসে এই — মানে…
    উনি আমাকে কয়দিন আগে বলেছিলেন অজিতদার মেয়ে,মানে তুমি এলে ডায়েরিটা দিতে। আর ওই খামটা।”

    রিঙ্কি পড়তে শুরু করে খামের বুকের ভেতর রাখা চিঠিটা।

         
       কল‍্যাণীয়াসু 
               রিঙ্কি,

    আমি বিশ্বাস করি,এই কাজের দায়িত্ব তুই নিতে সক্ষম। সমাজবিদ‍্যা নিয়ে পড়ছিস, তায় আবার স্নাতকোত্তর স্তরে এখন! 
    আমার অসমাপ্ত কাজ,যার বিষয় আদিবাসী নারীদের যাপন ও ইতিবৃত্ত। হয়তো জানিস, রচনাটি বাজেয়াপ্ত হয়েছিলো ও তা নিয়ে বিতর্ক আছে। আসলে যেখানে কোনো আলো পৌঁছায় না, তা নিয়ে ফ্লাডলাইটের নীচে এলে বিতর্ক অনিবার্য। যাই হোক, প্রজন্ম নিয়ে যে কথা আমাদের হয়েছিলো,তা হয়তো তুই মনে রেখেছিস। আমাদের একটা বই পড়তে হলে অনুমতি নিতে হতো। আর বই লেখার সৌজন‍‍্যে যেসব কাজ আমি করেছি,তা ভদ্রবাড়ির মহিলাদের কাছে কেবল ‘দুঃসাহস’ নয় বরং ‘জঘন‍্য ও বাড়াবাড়ি’ বলে পরিচিত। অথচ আমি জানি, মহিলাদের কথাই লিখেছি। যারা পিলসুজের নীচের আঁধারে থাকে। পারলে বাকিটা শেষ করিস। তোর বিষয়ের সঙ্গে সামঞ্জস‍্য তো আছেই,আর তোর স্বাধীপ জীবনের কাছে এটা আমার আর্জি ধরে নে। তুই বলেছিলি, তোদের সামনে আলো নেই। যদি এই অন্ধকারের ইতিবৃত্ত ঘেঁটে নিজের না দেখা দেশটাকে চিনতে পারিস, বুঝবি তুই আলোর পথ পেয়ে গেলি। একইসঙ্গে তোর পিপির প্রজন্মান্তর ঘটলো। 
                                    ইতি  

     তপতী(এক চির অবাধ‍্য নারীর স্বাক্ষর)

    পুনশ্চ : ডায়েরির কিছুটা অংশ আমার সহলেখক অনন‍্যর অবদান। কাজটা কখনো প্রকাশিত হলে দেখিস, এই নামটি যেন বাদ না পড়ে।

    পুরোনোদিনের ফ্ল‍্যাটের স‍্যাঁতস‍্যাঁতে সিঁড়ি ধরে নামতে নামতে রিঙ্কি শুনলো একটা জটলা। 
    – “ওকে শেষবার দেখতে চাই, আপনারা শুনছেন না কেন..? একটাবারের জন‍্য..”

    শীর্ণ চেহারার এক ব‍্যক্তিকে ঢুকতে দিচ্ছে না ফ্ল‍্যাটের লোকজন। কে জানে, তপতী পিসি থাকলে কী করতো!  সব মিটে যাওয়ার পর বাড়ি ফিরতে দেরী হলো কিছুটা। লোহা - আগুন ছুঁয়ে দরজা পেরোতে পূর্ণিমা উদ্বিগ্নভাবে বললেন,

     – “রিঙ্কি, এইদিকে আয়। ওমা, চোখের নীচে এমন কালি পড়লো এরমধ‍্যেই? কীরে, শরীর খারাপ লাগছে?”

    চশমা খুলে চোখ মোছে রিঙ্কি।
    – “না, না মা। শরীর ঠিক আছে একদম।”

        লেখাটা নিয়ে বসতে হবে। প্রজন্মান্তর এতো সহজ ব‍্যাপার নয়। 

     

     
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খারাপ-ভাল মতামত দিন