এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ভ্রমণ  দেখেছি পথে যেতে

  • দুই দাপুটের কাশীভ্রমণ - ৩

    লেখকের গ্রাহক হোন
    ভ্রমণ | দেখেছি পথে যেতে | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ৬৬ বার পঠিত
  • আগের রাত ট্রেনে কাটিয়ে পরের দিন সন্ধ্যেবেলা অত হাঁটাহাঁটি করে রাতের ঘুমটা হল জবরদস্ত। সুবহ- ই-বনারস দেখতে গেলে রাত সাড়ে তিনটেয় উঠে রওনা দিতে হবে, তাই ওটা পরের দিনের জন্য মুলতুবি করা হয়েছে। আজকে একটু বেলা করে উঠে ধীরেসুস্থে তৈরী হয়ে বেরোন৷ ঘরে একটা ইলেকট্রিক কেটলি আছে,  সঙ্গে করে আনা কফি বানিয়ে খেলেন একজন। আরেকজনের ব্ল্যাক কফি তেমন পছন্দ নয়, তিনি বেরিয়ে চা খাবেন। ইতোমধ্যে পাশের একটি ঘরে তিনটি অল্পবয়সী মেয়ে এসে উঠেছে। এরা এসেছে মুম্বাই থেকে। প্রথমে যাবে মন্দিরে, তারপর অন্য সব। 

    সূর্যোদয় মিস হয়েছে বটে, তবে সকালের রোদ্দুর তেমন কড়া নয়।  ট্যান্ডন হাউসের ঠিক নীচের ঘাটটার নাম বদ্রীনারায়ণ ঘাট। ছোট একখানা বদ্রীনারাণের মন্দির ঘাটের ঠিক মাথায়। সামনে অসংখ্য ছোট নৌকো বাঁধা। কিছু নৌকো ভেসে চলেছে দু তিনজন যাত্রী নিয়ে, কিছু বড় লঞ্চও দেখা যাচ্ছে। এই ছোট নৌকোয় চেপে বেড়ালে ঘাটগুলো সবচেয়ে ভাল করে দেখা যায়। এছাড়া কিছু বিলাসবহুল ক্রুজও আছে  যারা সকালে এবং বিকেলে ৮৪টা ঘাট ঘুরিয়ে দেখায়।  ট্যান্ডন আঙ্কলকে ট্যাক্সির কথা জিজ্ঞাসা করায় বললেন ইন্টারনেটে দেখে নাও। এঁরা ভাবলেন আচ্ছা ঘাট ধরে হাঁটতে তো শুরু করি তারপর দেখা যাবেখন। 


    ঘাট বরাবর রাস্তা 

     হোমস্টে থেকে বেরিয়ে গলিতে একপাক ঘুরলেই একখানা ছোটমত মন্দির, সংহারভৈরবের। ইনি কাশীর অষ্ট ভৈরবের একজন। অষ্ট ভৈরব হল গিয়ে শিবের আটখানা হিংস্র টাইপ রূপ যারা আটদিক রক্ষা করে। তো সংহার ভৈরব বেশ হিংস্রমতই দেখতে। বেলা দশটা নাগাদ বেরিয়ে দেখা গেল আরতি হচ্ছে সেই মন্দিরে। গ্রিলের বাইরে অল্প কজন ভক্ত  দাঁড়িয়ে দেখছেন।  আরো একটু এগিয়ে দুইপাক ঘুরে গাইঘাটে নামার গলিতে এক কচুরি জিলিপীর দোকান। গরমা গরম ভাজা হচ্ছে আর উড়ে যাচ্ছে। দুজনে মহা আহ্লাদিত হয়ে দাঁড়িয়ে পড়লেন।


    গরমাগরম কচুরি

    কচুরি আটার তৈরি, সাথে নানারকম সবজি দেওয়া একটা ঝোল ঝোল তরকারি।  জিলিপীতে অল্প মেটানিল ইয়েলো দেওয়া। খেতে অবশ্য দিব্বি খাসা। পেটপুরে খেয়েদেয়ে গাইঘাটে নামতেই এক নৌকোওয়ালা পাকড়ালেন। চলিয়ে ম্যাডাম সারে ঘাট দিখায়েঙ্গে। একদম্ম আরামসে।  এখন নয় পরে বলতেও তিনি  অদম্য গল। মাত্র ৩০০০/- টাকায় সব ঘাট ঘুরিয়ে আনবেন থেকে শুরু করে হনুমানগড়ি ঘাট পেরিয়ে শীতলাঘাট অবধি পৌঁছাতে পৌঁছাতে তাঁর রেট নেমে এলো ১৫০০/- টাকায়। শেষে যখন দেখলেন এই মহা টেটিয়া মহিলাদ্বয় হেঁটে হেঁটেই চলে যাচ্ছেন তখন ক্ষান্ত দিলেন। যাবার আগে নিজের আর ছেলের ফোন নম্বর ধরিয়ে দিয়ে গেলেন। 

    এইদিকের ঘাটগুলো মোটের উপর শান্ত। কিছু লোক স্নান করছেন, কেউ বা এমনিই বসে আছেন চুপচাপ। নৌকো ঘাটে লাগিয়ে খদ্দেরের আশায় মাঝি সায়েবরা ঘুরে বেড়াচ্ছেন ঘাটের সিঁড়িগুলোতে।  সম্ভাব্য মক্কেল দেখলেই খপাৎ।  কোন কোন ঘাটের একপাশে রেলিং দিয়ে ঘিরে ভিউ পয়েন্ট মত করা। চারণিক পর্যটকেরা সেখানে  দুদন্ড দাঁড়িয়ে ছবি তুলে নিচ্ছেন। শীতলা ঘাটের পরের ঘাটের পাশে  কটকটে নীল রঙের দুর্গের মত কিছু একটা বানানো। ওই নীল দেওয়ালে নানা ছবি আঁকা। খানিকটা খুঁজেপেতে নামটা বের করা গেল বুন্দিপারকোটা  ঘাট।  


    বুন্দিপারকোটা ঘাটের পাশের স্থাপত্য

    ঘাটের পাশের বাঁধানো  রাস্তা দিয়ে অসসি ঘাট থেকে নমোঘাট পর্যন্ত  পুরো ৮৪টা ঘাটই যাওয়া যায়। সেটা আসলে রাস্তা দিয়ে যাওয়ার চেয়ে অনেক আরামদায়ক। অজস্র অটো, টোটো, রিকশা, বাইক, সাইকেল, ষাঁড়, গরু এড়িয়ে চলতে হয় না।  জায়গায় জায়গায় পুলিশের লাগান ব্যারিকেড টপকে বা পাশ কাটিয়ে যেতে হয় না। গঙ্গা থেকে আন্দাজ খান চল্লিশ পঞ্চাশ সিঁড়ি উঠে এই রাস্তা। এখান থেকে যে কোন ঘাটে আরো পঞ্চাশটার মত সিঁড়ি উঠে গলিপথ, গলি থেকে বেরোলে বড় রাস্তা। ব্রহ্মা ঘাট বা দুর্গা ঘাটের পাশে পুরোন বাড়িগুলো কিছু কিছু রয়ে গেছে এখনো। 


    বিন্দুমাধব ঘাটের সিঁড়ি 

    বিন্দুমাধব ঘাটের সিঁড়িগুলো দেখে মনে হল সোওজা গিয়ে একটা মন্দিরে ঢুকেছে।  ওই ঝাঁ ঝঁ রোদ্দুরে আর উঠে গিয়ে যাচাই করে আসতে ইচ্ছে হল না। বিন্দুমাধবের পাশের ঘাটের নাম পঞ্চগঙ্গা ঘাট। কিন্তু সেখানে একটা বড় বোর্ড লাগান, যাতে লেখা এ ঘাটের নাম আগে ছিল হিন্দুমাধব ঘাট। সবে মনে হয়েছে  এ বোধহয় বিন্দুমাধবের ভাই অথবা বাবা, অমনি ভুল ভাঙিয়ে নীচে লেখা এখানকার বিষ্ণুমন্দিরের নামে নাম ছিল।  পরে গঙ্গার পাঁচটি পবিত্র উপনদী এখানে গঙ্গায় মিলিত হয়েছে, সেজন্যই ঘাটের নাম পঞ্চগঙ্গা। কোথায় সে উপনদীরা কে জানে! তাদের খুঁজে টুজে পাওয়া গেল না। সিঁড়ির কোণায় এক সাধুবাবা ‘'বাবার পেসাদ’ পেয়ে ঝিম ধরে বসে আছেন। 


    বাবার পেসাদে সাধুবাবা ঝিম ধরে বসে আছেন। 

    এমনিতে সাধুবাবারা আশীর্বাদ দেবার জন্য ঘুরে বেড়ায়। আশীর্বাদের রেট শুরু ২০টাকা থেকে। আশীর্বাদ নিতে না চাওয়ায় এক সাধুবাবা কিঞ্চিৎ আগ্রাসী ভাব দেখাতে দুই দাপুটে দুপাশ থেকে কটমট করে তাকাতেই সাধুবাবা বিড়বিড় করতে করতে পিঠটান দেন।  তা আশীর্বাদ না নিয়ে ফোটো তুলতে চাইলেও ওনারা খুশী কারণ ফোটো তোলার মূল্য বোধহয় আরেকটু বেশী। অবশ্য সব সাধু না,  এই ঘাটে ঘুরে বেড়ানো সাধুদেরই এটা একটা রোজগারের পথ। যাই হোক পঞ্চগঙ্গা ঘাটের সাধুবাবা তখন এই জগতের বাইরে,  ছবি তোলাতুলির মত তুশ্চু ব্যপারে মাথা ঘামাতে নারাজ। 


    মারাঠা দুর্গের মত ভোঁসলে ঘাট

    রাম ঘাট,  গনেশ ঘাট,  গোয়ালিয়র ঘাট ইত্যাদি আরো কটা ঘাট পেরিয়ে একটা ঘাটের উপরের স্থাপত্য দেখে কোন্নগর হঠাৎই উচ্ছসিত। আরে এ তো   মারাঠা দুর্গের মতভ  স্থাপত্য! কী ঘাট এটা? ভোঁসলে ঘাট। ওই দ্যাখো যা ভেবেছি ঠিক তাই। আরেকটু এগিয়েই সিন্ধিয়া  ঘাটে সেই বিখ্যাত রত্নেশ্বর মহাদেব মন্দির। ৯ ডিগ্রি কোণে হেলে থাকা এই মন্দিরের গর্ভগৃহ গোটা বর্ষাকাল জলে ডুবে থাকে। এই ফেব্রুয়ারীতে অবশ্য পুরোই দৃশ্যমান। প্রচলিত গল্প বলে এ মন্দির পাঁচশো বছর পুরোন, মহারাজ মানসিং (মতান্তরে তাঁর কোন কর্মী) মাতৃঋণ শোধ করতে চেয়ে মন্দিরটি বানান। মায়ের ঋণ যেহেতু শোধ করা যায় না তাই শিবের (নাকি অন্নপূর্ণার) অভিশাপে মন্দির হেলে যায়। 


    রত্নেশ্বর মহাদেব মন্দির

    https://youtube.com/shorts/ZcTEZn3M9c4?si=1_JI_nQWxIamZaXB
     
    পুরাতাত্ত্বিক তথ্য প্রমাণ বলে মন্দিরটি ১৮৬০ নাগাদ বানানো এবং বছরের অনেকটা সময় জলে ডুবে থাকার কারণে একদিকে হেলে গেছে। এর পরেই বিখ্যাত মণিকর্নিকা ঘাট, এখান থেকেই দিব্বি ধোঁয়া দেখা যাচ্ছে। সিন্ধিয়া ঘাটের একপাশে  চওড়া ধাপে একদল নারী পুরুষ বসেছেন শ্রাদ্ধ করতে।  পোষাক, পুরুষদের ধুতি পরার ধরণ দেখে মনে হল দক্ষিণ ভারত থেকে এসেছেন। ভারতের নানাপ্রান্ত তো বটেই পৃথিবীর নানা প্রান্ত থেকেই মৃত মানুষ নিয়ে আসে মণিকর্ণিকায় দাহ করাতে। পরিবেশকে দুহাতপায়ের চারখানা বুড়ো আঙুল দেখিয়ে কাঠের চিতায় চলে দাহকাজ। চব্বিশ ঘন্টা তিনশো পঁয়ষট্টি দিন কখনো চিতা নেভে না এখানে। 


    মণিকর্ণিকা 



    দশাশ্বমেধের পাশ দিয়ে রাস্তাটা সরাসরি নয়। মাঝে মন্দিরগোছের কিছু একটা করেছে।  মন্দির না গেলে একটু নেমে আবার উঠে পাশ কাটিয়ে যেতে হয়। সেসব পেরিয়ে টেরিয়ে একটা ছায়া দেখে দুজনেই বসে পড়েন। প্রায় সাড়ে তিন ঘন্টা ধরে নানান সিঁড়ি উঠে নেমে হেঁটেই চলেছেন, একটু জিরিয়ে না নিলে চলছে না। দশাশ্বমেধ থেকেই ঘাটের ধাপে ধাপে নানা জিনিষের পশরা নিয়ে বসা হকার দেখা যাচ্ছে। রঙচঙে মালা চুড়ি দুল আঙটি রুদ্রাক্ষ থেকে, চা মোমো, কুর্তা ফতুয়া স্কার্ফ, ব্যাগ কী নেই সেখানে। কিছু পান্ডা তাঁদের যজমানদের গরু তাড়ানোর মত তাড়িয়ে নিয়ে গিয়ে  ঘাট পরিক্রমা করাচ্ছেন। সেও এক দেখবার মত জিনিষ। 

    না: এবারে উঠতে হবে। আরো অনেক ঘোরা বাকী। 


    মাঝের মন্দির এড়াতে এ পথে যেতে হবে

    (চলবে)
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • ভ্রমণ | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ৬৬ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • . | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০০:৪১738732
  • গুড হয়েছে। প্রচুর ঘাট দর্শন হলো।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আদরবাসামূলক মতামত দিন