এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • এই দুনিয়া ঘোরে… 

    Anindya Rakshit লেখকের গ্রাহক হোন
    ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ৩০ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • “বাবা, নিরবচ্ছিন্ন মানে কী ?” একটা বই হাতে করে পড়ার ঘর থেকে বাবার ঘরে এসে ডেভিড জিজ্ঞেস করল।
     
    সময়, সন্ধ্যে সাড়ে সাতটা। রিচার্ড ঘন্টাখানেক আগে দপ্তর থেকে ফিরেছেন। একটা আরামকেদারায় আধশোয়া হয়ে ‘ফেলুদা সমগ্র’-র দ্বিতীয় খণ্ডটা পড়ছিলেন। ছেলের প্রশ্ন শুনে, হাতের বইটা কোলের ওপরে রেখে, ছেলের দিকে হাতটা বাড়িয়ে দিয়ে বললেন, “কই , দেখি কোথায় লেখা আছে ?”   
     
    ডেভিড বইটা বাবার দিকে এগিয়ে দিয়ে বলল, “এই যে, এই পাতার পঞ্চম সারির প্রথম বাক্যে শব্দটা আছে।“
     
    রিচার্ড চশমা খুলে ধুতির খুঁটে মুছে নিয়ে ছেলের হাত থেকে বইটা নিয়ে পাতাটার ওপরে চোখ বোলাতে শুরু করলেন। ‘নিরবচ্ছিন্ন’ শব্দটা তিনি এর আগে পড়েছেন কিনা, মনে করতে পারলেন না।   
     
    ডেভিড, বাবার কাছ ঘেঁষে এসে বইয়ের পাতায় আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে বলল, “এই যে, দেখ, এখানে লিখেছে , ‘আমার ঘরের জানালা ভাঙ্গা, খাপরার ছাউনিও নিরবচ্ছিন্ন নয়।‘ এখানে, ‘খাপরা’ আর ‘নিরবচ্ছিন্ন’ শব্দদুটোর মানে বুঝতে পারছি না।“     
     
    রিচার্ড বললেন, “হম্ – খাপরা হলো গে পোড়ামাটির তৈরি একটা জিনিস। দেখতে অনেকটা আধভাঙ্গা গেলাসের মতো। এগুলো দিয়ে ভারতে আর বাংলাদেশে অনেকে ঘরের ছাদ তৈরি করত। আর, নিরবচ্ছিন্ন… হুঁ… হুঁ… নিরবচ্ছিন্ন হলো গে…” ছাদের দিকে চেয়ে রইলেন রিচার্ড। 
     
    ডেভিড, উত্তরের আশায় বাবার মুখের দিকে চেয়ে রইল।  
     
    “কেন, তোমাদের ইস্কুলের স্যার এই শব্দটার মানে শেখান নি ?” রিচার্ড ছেলেকে জিজ্ঞেস করলেন।  
     
    “এটা তো আমাদের ইস্কুলের বই নয়,” ডেভিড জানাল, “বাংলায় ভালো দখল আনার জন্যে মা আমাকে পাঠ্যসূচির বাইরেও অন্যান্য বাংলা বই পড়তে বলেছেন। ইস্কুলে ইসাবেলা ম্যাডাম,  আর, বাড়িতে মার্টিন স্যারও ঐ একই কথা বলেছেন। তাই এই বইটা পড়ছিলাম।“       
     
    রিচার্ড বললেন, “হম্ – ওনারা ঠিকই বলেছেন। এখন থেকে বাংলাটা ভালোভাবে না শিখলে ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষা অথবা চাকরি, কোনোটাতেই সুবিধে করে উঠতে পারবে না। তোমাদের  আর্থার জেঠুর ছেলে উইলিয়াম দাদা কেমন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকের চাকরি পেয়ে বর্ধমানে চলে গেল, দেখছ তো ? তারপর, তোমাদের সোফিয়া মাসির মেয়ে অলিভিয়া দিদিকে দেখ ;  ঢাকায়, কতো বড় কোম্পানিতে, কতো বড় পদে কাজ করছে ! ওখানকার টাকায়, মাসে সাত  লাখ টাকা মাইনে পায় ! এখানকার টাকার হিসেবে প্রায় বাইশ লাখ ইউরো ! ভাবতে পারো !  এগুলো কিন্তু সম্ভব হয়েছে শুধুমাত্র ওরা বাংলায় দারুণ ভালো ছিল বলে। এদেশেও বা ভালো বাংলা না জানলে একটা ভালো চাকরি জুটবে কোত্থেকে ? তাছাড়া, এটা একটা আন্তর্জাতিক যোগাযোগ রক্ষাকারী ভাষা। এটা না জানলে আজকের যুগে চলা যাবে না। সুতরাং, বাংলা ভাষাটা তোমাকে ভালো করে রপ্ত করতেই হবে। ওটাতে বেশি মনোযোগ দিতে হবে। প্রতি মাসে এককাঁড়ি টাকা খরচ করে তোমাদের দুই ভাই-বোনকে যে এত নামকরা একটা বাংলা-মাধ্যম স্কুলে পড়াচ্ছি , তোমাদের জন্যে মার্টিন স্যারের মতন একজন অভিজ্ঞ গৃহশিক্ষক রেখেছি , সেটা তো তোমরা যাতে বাংলাটা ভালোভাবে শিখে ভবিষ্যতে নিজেদের পায়ে দাঁড়াতে পারো, তাই না ?”    
     
    ডেভিড বলল, “কিন্তু, নিরবচ্ছিন্ন শব্দের মানেটা কী হবে, বাবা ?”     
     
    রিচার্ড আবার ছাদের দিকে মুখ তুললেন।

    মার্থা রান্নাঘরে রাতের খাবার বানাচ্ছিলেন। বাপ-ছেলের কথাবার্তা তাঁর কানে যাচ্ছিল। আলু-পটলের ডালনাটায় ঘি আর গরম মশলা দিয়ে, কড়াইটা ঢাকা দিয়ে, চুলা বন্ধ করে শাড়ির আঁচলে হাত মুছতে মুছতে এ-ঘরে ঢুকলেন। ডেভিডের দিকে চেয়ে মার্থা বললেন, “নিরবচ্ছিন্ন শব্দের মানে, ‘আনইন্টারাপ্টেড’, ‘ইনসেসেন্ট’, ‘অনগোইং’, ‘কন্টিন্যুয়াস’ ; বুঝেছ ? এই বাক্যে অবশ্য ‘গ্যাপ’ বা ‘ফাঁক’ বুঝিয়েছে। ‘খাপরার ছাউনিও নিরবচ্ছিন্ন নয়’, মানে, ঘরের ছাদের খাপরার ছাউনির মাঝে মাঝে ফাঁক আছে। অর্থাৎ খাপরা ভেঙে গিয়েছে। বুঝলে তো ? যাও, এবারে পড়ার ঘরে যাও।“   
     
    ডেভিড মাথা নেড়ে, বাবার হাত থেকে বইটা নিয়ে ‘নিরবচ্ছিন্ন’ কথাটা বিড়বিড় করতে করতে চলে গেল। 
     
    রিচার্ড একটু অপ্রস্তুত হয়ে, শুকনো হাসি হেসে বললেন, “হাঃ ! মানেটা এতক্ষণ পেটে আসছিল কিন্তু মুখে আসছিল না।“   
     
    মার্থা, স্বামীর দিকে অবজ্ঞার চোখে চেয়ে ব্যঙ্গের সুরে বললেন, “হ্যাঁ – সে-কথা আমি আগেই বুঝতে পেরেছি।“   
     
    “মানে ? কী বলতে চাও তুমি ?” একটু ঝাঁঝালো সুরে বললেন রিচার্ড।
     
    মার্থা হাসতে হাসতে বললেন, “রাগ করছ কেন, আমি ঠাট্টা করছিলাম।“
     
    রিচার্ড বললেন, “সবাই তো আর তোমার মতো বিশ্বভারতী থেকে বাংলায় এম. এ. পাশ করে আসার সুযোগ পায় নি। তা বলে, অন্যকে ঠাট্টা করা তোমার উচিৎ নয়।“     
     
    মার্থা বললেন, “আমি দুঃখিত, রিচার্ড। তবে এ-কথা আমি গর্বের সাথে বলতে পারি যে আমাদের পরিবারে শুধু আমি একাই নই , আমার বাবা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের, আর, পিসি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলার এম. এ. ছিলেন। পিসি তো প্রথম শ্রেণীর প্রথম হয়েছিলেন। সেদিক থেকে দেখতে গেলে, তোমার পূর্বপুরুষদের কেউ কখনও বাংলা-মাধ্যম বিদ্যালয়েই পড়ে নি। ঐ, সরকারি ইংরেজি-মাধ্যম ইস্কুলগুলোতে যেটুকু বাংলা শেখা যায়, তাই শিখেছেন। তুমি নিজেও তার ব্যতিক্রম নও। এই জন্যেই তো বলি, দপ্তর থেকে ফিরে, সামাজিক মাধ্যমের বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে আড্ডা দিয়ে সময় নষ্ট না করে ঐ সময়টা বাংলা পড়ায় মনোযোগ দাও। শেখার কোনো বয়স নেই জানবে। ডেভিডটাও তোমাদের বংশের ধারা পেয়েছে। কিছুতেই বাংলাটা রপ্ত করতে পারছে না। বরং, আমার স্কার্লেট বাংলায় অনেক ভালো। এই বয়সেই ওর  বাংলা শব্দভাণ্ডার কত সমৃদ্ধ ! ও আমার পিসির মতো হবে, দেখো। আচ্ছা, তুমি সরকারি দপ্তরের একজন কর্মচারী, বাংলায় এত কাঁচা হয়ে কাজ চালাও কি ভাবে ?”      
     
    “না, মানে, দপ্তরের কাজ সামলাতে তো আর ‘নিরবচ্ছিন্ন’-র মতো কঠিন শব্দের মানে জানতে হয় না…” রিচার্ড কৈফিয়ত দেওয়ার সুরে বললেন, “আর, তুমি আমাকে বাংলায় কাঁচা বলছ ?  তুমি জানো, আমাদের বিভাগীয় প্রধান, অস্কার স্মিথ সেদিন, ‘প্রচণ্ড’ শব্দের মানে বুঝতে পারেন নি ! আমাকে জিজ্ঞেস করলেন। আমি বলে দিলাম। আর একদিন, আমাদের দপ্তরের প্রধান হিসাবরক্ষক, রবার্ট কেলভিন, ‘চিন্তিত’  শব্দের মানে বুঝতে না পেরে চিন্তিত হয়ে আমার সাহায্য নিয়েছিলেন।“            
     
    “তোমার কথা শুনে মনে পড়ে গেল,” মার্থা বললেন, “আমাদের মহিলামহলে একেকজনের বাংলা শুনলে হেসে মরে যাবে ! সেদিন, অ্যালিসনের মেয়ের জন্মদিনের জমায়েতে জুডিথ বলল, ওর বর স্যামুয়েল নাকি বীভৎস চেষ্টা করেও চট্টগ্রামের চাকরিটা না পেয়ে প্রকাণ্ড হতাশা হয়েছে ! হা হা হা হা… ! ভাবতে পারো, ‘বীভৎস চেষ্টা করেও’ ! ‘প্রকাণ্ড হতাশা হয়েছে’ ! বাংলা ভাষার ব্যবহার কোথায়, কেমনটা করতে হয়, সেই জ্ঞানও নেই। অথচ, ভাবভঙ্গি এমন করবে যেন ওর সাত-পুরুষ এই ডেভনশায়ারে নয়, কলকাতায় বা ঢাকায় জন্মেছে। শুধু ওদের মতো কেতা শিখলেই যে ওদের ভাষা রপ্ত করা সম্ভব নয়, সেটা এদের কে বোঝাবে !”    
     
    বইয়ের তাক থেকে সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত ‘হরপ্রসাদ রচনাবলী’-টা নিয়ে বিছানায় বসলেন মার্থা। দু’শ সাতান্ন পৃষ্ঠা পর্যন্ত পড়া হয়েছিল। তার পর থেকে পড়তে শুরু করলেন।
     
    স্কার্লেট একটা মোটকা বই হাতে ঘরে ঢুকল। মায়ের দিকে চেয়ে জিজ্ঞেস করল, “মা, ‘বেপমান’ মানে কী ? আর, ‘উদীরণ’ ?”     
     
    মার্থা দু’বার ঢোঁক গিলে, হাতের বইটা পাশে রেখে বললেন, “দাঁড়াও, অভিধানটা দেখে বলছি।“   
     
    মার্থার দিকে আড়চোখে চেয়ে, ঠোঁটের কোণে মৃদু হাসি হেসে ‘ফেলুদা সমগ্র’-র দ্বিতীয় খণ্ডটায় আবার মনোযোগ দিলেন রিচার্ড।  
     
    “এইসব কম ব্যবহৃত শব্দগুলোর মানে সবসময় মাথায় থাকে না,” বিড়বিড় করে বলতে বলতে আড়চোখে রিচার্ডের দিকে একবার চেয়ে মার্থা অভিধানের পাতা ওল্টাতে শুরু করলেন। তারপর একটা পাতার এক জায়গায় আঙ্গুল দিয়ে বললেন, “ হ্যাঁ, ‘বেপমান’ মানে, ‘শিভারিং’, ‘ট্রেম্বলিং’, ‘কুইভারিং’ ; বুঝেছ তো ?”
     
    স্কার্লেট মাথা নাড়ল।
     
    মার্থা অভিধানের পাতা ওল্টাতে ওল্টাতে বলতে লাগলেন, “ আর… আর… হ্যাঁ ; ‘উদীরণ’ মানে হলো, ‘প্রোনান্সিয়েশন’, ‘আটারেন্স’, ‘স্টেট্মেন্ট’ ইত্যাদি, আবার ‘এনকারেজমেন্ট’-ও হয়।  সেক্ষেত্রে, বাক্যটা দেখে বুঝতে হবে, কোন্ মানেটা সেখানে খাটবে। ঠিক আছে ?”   
     
    স্কার্লেট বলল, “ধন্যবাদ, মা। জানো ? আমাদের বিদ্যায়তনের শিক্ষিকা, প্রিসিলা মহাশয়া সেদিন  বলছিলেন, এ-দেশে বাংলা ভাষার ভালো অধ্যাপকের বড়ই অভাব। সেইজন্যে আমি সিদ্ধান্ত  নিয়েছি , বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতকোত্তর পাঠ সম্পূর্ণ করে ওখানেই গবেষণা করব। তারপর দেশে ফিরে এসে অধ্যাপনা করব। এখন থেকেই তার প্রস্তুতি নিচ্ছি।  এই বিষয়ে তোমাদের হার্দিক উদীরণের প্রত্যাশা রাখি।“  
     
    মার্থা মেয়েকে জড়িয়ে ধরে, ওর কপালে চুমু খেয়ে বললেন, “আশীর্বাদ করি, তুমি তোমার লক্ষ্য পূরণে সফল হও, বাছা আমার !”    
     
    রিচার্ড তাঁর হাতের বইটা বন্ধ করে মেয়ের দিকে তাকিয়ে রইলেন। গর্বে আর আনন্দে তাঁর চোখদুটো তখন ছলছল করছিল। 
     
    পাঠক, কল্পনা করে নিন না, সময়টা দু’হাজার একশো ছাব্বিশ খ্রিস্টাব্দ।    
     

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Srimallar | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১০:২৮738702
  • ভাষা দিবসে এতসুন্দর একটা লেখা লিখেছেন! আজ থেকে একশো বছর পরে কী হবে, কী হবে না— সে যুক্তি-তক্কের বিষয়। সেসব স’রিয়ে রেখে, আপনার এই আশ্চর্যসুন্দর ভাবনাকে শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। 
  • Debanjan Banerjee | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১০:৩৪738703
  • অসাধারণ হয়েছে |
  • Anindya Rakshit | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১০:৫৯738704
  • Srimallar আমার ভালোবাসা নেবেন। 
  • Anindya Rakshit | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১০:৫৯738705
  • Debanjan Banerjee আমার ভালোবাসা নেবেন। 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভ্যাবাচ্যাকা না খেয়ে মতামত দিন