এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ভ্রমণ  দেখেছি পথে যেতে

  • দুই দাপুটের কাশীভ্রমণ - ১

    লেখকের গ্রাহক হোন
    ভ্রমণ | দেখেছি পথে যেতে | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ৫৯ বার পঠিত
  • কাশীর হোটেল না ইঁদুরের গর্ত
    সাড়ে তিন বছর আগে অজন্তা ইলোরা ঘুরতে ঘুরতেই ঠিক হয়েছিল দুই মহা দাপুটে মহিলা একসাথে কাশী যাবেন।  হ্যাঁ হ্যাঁ ওই বেনারস আর কি। তা সে ঠিক নাহয় হল কিন্তু দুজনকে একত্র হতে হবে তো। নানা কারণে শীতের সময়ই যাওয়া ভাল। তো ডিসেম্বরের মাঝামাঝি জানা গেল  আইওয়া আসছেন এবং এবারে বইমেলা পার করে ফেরত যাবেন তিনি। এদিকে কোন্নগর জানুয়ারিতে  অন্যসব ঘোরাঘুরি পরিকল্পনা করে বসে আছেন। 

    তারপর তো আইওয়া আর কোন্নগরে শুরু হল ফোনাফুনি, খোঁজাখুঁজি।  কয়েক দিনের চেষ্টায় মোটামুটি দিন চারেকের প্ল্যান দাঁড়ালো। বইমেলা শেষ হবে ৩ ফেব, দাপুটেদ্বয় বেরোবেন  ৪ তারিখে। কিন্তু ভারতীয় রেল কি অমন ফ্যালনা যে চাইলেই টিকিটপত্তর পেয়ে যাবে? উঁহু মোটেই ভেবো না তা। ৪ তারিখের কোন টিকিটই নেই, ৫ তারিখে কেবলমাত্র দুন এক্সপ্রেসে ৩ খান আছে। তারই ২ খান কেটে নেওয়া গেল। দুজনেরই লোয়ার বার্থ নিশ্চিত করা গেছে,  যাক বাবা! 

    ফেরার টিকিট নিয়েও খানিক ঝকমারি গেল।  শেষ পর্যন্ত সেও পাওয়া গেল শেয়ালদা রাজধানীতে মুঘলসরাই জংশন থেকে। ঠিক দুখানাই ছিল। তবে এবারে আর লোয়ার বার্থ নিশ্চিত লিখল না। শুধু টিকিট নিশ্চিত।এটুকুই। অত:পর হোটেল খোঁজা।   ইচ্ছা গঙ্গার ধারে নদীমুখী ঘর, যাতে সারাদিন ঘুরেটুরে ফিরলে জাস্ট নদীর দিকে তাকিয়ে বসে থাকা যায়। প্রথম পছন্দ ছিল অসসি ঘাটের আশেপাশে। সেখানকার হোটেলগুলোতে দরজা অবধি গাড়ি যায়। 

    কিন্তু নাহ সেদিকে সব ভর্তি। গাইঘাটের কাছে পাওয়া গেল Oze Stay. ছবি আর রিভিউ দেখে পছন্দ হল। বুকিং ডট কমে বুক করা গেল। এমনিতে এই সাইটটা নিজেরা টাকা পয়সা নেয় না, তাই বুকিঙটা ঝপাস করে হয়ে যায়। তবে আজকাল অনেক হোটেলই বুকিঙের নোটি পেলেই কাস্টমারের সাথে যোগাযোগ করে ২৫% বা ৫০% অ্যাডভান্স চায়। সেক্ষেত্রে সাইটের ক্যান্সেলেশান পলিসি অনুযায়ী রিফান্ড করবে কিনা সেটা হোয়াটস্যাপ বা মেলে কনফার্ম কর পেমেন্ট করলে অসুবিধে হয় না। 

    Oze Stay থেকে অংশু ৫০% অগ্রিম চাইল। যথারীতি ফেব্রুয়ারীর ৩ তারিখের মধ্যে ক্যান্সেল করলে ফুল রিফান্ড করবে এই কনফার্মেশান নিয়ে পেমেন্ট করে দেওয়া গেল। তা সে ছিল জানুয়ারীর ২ তারিখ। তারপর তো দিন মাস গড়িয়ে বইমেলা কাটিয়ে ফেব্রুয়ারীর ৫ তারিখ এসেই গেল। দাপুটে মহিলা দুজন এক একখানা করে পিঠঠু আর হাতে একখানা খাবারদাবারের ঝোলা নিয়ে ধুপধাপ করে গিয়ে চেপে বসলেন ট্রেনে। আর অমনি ট্রেনটাও ঝমর ঝমর ঝাপর ঝাপর করতে করতে  হরিদ্বারের  দিকে দৌড় দিল। 

    কাল সকালে থেমে টুক করে ওঁদের কাশীতে নামিয়ে দিয়ে যাবে। তা সে মাত্র ১৫ মিনিট লেট করে ঠিক ১১.১৫তে বারাণসী জংশন স্টেশানে পৌঁছে দিল। এদিকে দুই দুইখান স্টেশানের মধ্যে কোনটা Oze Stay থেকে কাছে হবে জিজ্ঞাসা করায় সিদ্ধার্থ বলেছিল ভুলেও কাশী স্টেশানে না নামতে। গাইঘাট অঞ্চলে পৌঁছে বোঝা গেল ব্যটা সম্পূর্ণই ভুল বলেছে। তার পরে যা হল তাতে এ তো নিতান্তই তুশ্চু ভুল। 



    বারাণসী জংশনের ব্যবস্থাপত্তর ভালই। দিব্বি এস্ক্যালেটর আছে সব জায়গায়, মোটামুটি পরিস্কারও।  বেরিয়ে দুজনে খানিক ছবি তুলে একটা অটো পাকড়ে চললেন হোটেলের দিকে। হোটেল অবধি অটো যাবে না, স্বামীনারায়ণ মন্দিরের সামনে নামতে হবে। ইতোমধ্যে হোটেল থেকে ফোন করে আরেকজন জানিয়েছে অটো থেকে নেমে তাকে ফোন করলে তক্ষুণি সে এসে পথ দেখিয়ে নিয়ে যাবে। 

    তা সে এলো বটে, তবে 'তক্ষুনি' নয়,  প্রায় ১৭ মিনিট বাদে।  দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে অধৈর্য হয়ে এক দাপুটে ততক্ষণে সামনের দোকান থেকে এক কাপ চা খেয়ে নেওয়াই ভাল মনে করলেন। অত:পর গলির পরে গলি তারপরে আরো গলি এঁকেবেঁকে ঘুরে তাঁরা এসে ঢুকলেন এক পুরোন রদ্দি বাড়িতে।  খাড়া কয়েকধাপ সিঁড়ি পেরিয়ে একটা৷ ছাদ। ছাদের এককোণায় কাপড়চোপড় মেলা। একজন আরেকজনের কানে ফিসফিসিয়ে  জিগ্যেস করলেন  'এটাকে তোমার কোন হোটেল বলে মনে হচ্ছে?' 



    অন্যজন কিছু বলার আগেই সে ছোকরা বলে এসো এদিকে। ওরে: সব্বনাশ সে এক ৮০ ডিগ্রি খাড়া সরু সিঁড়ি নেমে গেছে,  এবং... এবং তার একধারে কোন রেলিং নেই।  সিঁড়িতে চকচকে টাইলস বসানো কিন্তু এক জায়গায় ধার দিয়ে বড়সড় ফাটল।  তা এমনিতে এনাদের দাপটে বাঘে শিম্পাঞ্জিতে একই গামলায় জল খেলে কি হবে, দুইজনেরই ভার্টিগো আছে বিভিন্ন মাত্রায়। সে সিঁড়ি দেখে দুজনেরই মাথায় বোঁ চক্কর। কোনমতে স্রেফ নিজের পায়ের দিকে তাকিয়ে নীচে নেমে দুজনের চক্ষু চড়কগাছ। কোনমতে মাঝারি সাইজের একজন যেতে পারে এরকম সরু একফুট জায়গার পরে একটা ঘর।  



    সেটাকে ঘর না বলে আলোজ্বলা গর্তও বলা যায়। সাইজ মেরেকেটে ৮ X ৮ হবে। একটু ছোটও হতে পারে। তারই মধ্যে ঘরজোড়া একটা খাট।  ঘরে কোন জানালা নেই,  ওই একফুটিয়া প্যাসেজের দুদিকেই দেওয়াল আর ছাদও বেশ নীচু। সব মিলিয়ে প্রচন্ড শ্বাসরোধকারী এক ব্যপার। দুজনে দুজনের দিকে একবার তাকিয়ে একসাথে আ-আ-ক্রমণ। 
    ‘'আমরা রিভার ভিউ ঘর বুক করেছি, এটা কীইই? আর এই রেলিংছাড়া  সিঁড়িতে পড়লেই ঘাড় ভাঙবে।’’  
    ‘'না মালিক বলল দুজন আছে এতেই হয়ে যাবে। ওই তো টেরাসে উঠলেই গঙ্গা। আর সিঁড়ির রেলিং আজ বিকেলেই লেগে যাবে।’’ 
     “দ্রিম দ্রিম তা না না না দ্রুম দ্রুম তানা নানা ঝানা নানা ঝানা নানা নানা নানা না না নানা ঝপর ঝাঁই খপর খাঁই ঘ্র‍্যাঙ ক্র‍্যাঙ গ্রুম গ্রুম্মম্ম”
    ‘'আচ্ছা আচ্ছা মালিকের সাথে কথা বলি, জাস্ট পাঁআচ মিনিট, পাঁচটা মিনিট সময় দিন। সে ছোকরা হাঞ্জি স্যারজি করতে করতে ফোন কানে নিয়ে সটকে পড়ল। 

    তো সত্যিই পাঁচ মিনিট না হলেও মিনিট সাতেকের মাথায় সে  হাজির,  সাথে আরেকজনকে নিয়ে এসেছে। চল এই কাছেই আরেকটা বাড়িতে ঘর আছে, সামনে খোলা টেরাস, তবে ফার্স্ট ফ্লোর। সিঁড়িয়া চড়নাই পড়েগা। আরে সিঁড়ি চড়ে নেবো রেলিং টেলিং থাকলেই হল। চল দেখি। ইতোমধ্যে একজন গুছিয়ে ছবি তুলেছেন আরেকজন গুছিয়ে ভিডিও করেছেন। বুকিং ডট কম আর গুগল দুই জায়গাতেই রিভিউ লিখতে হবে।  আবার কিছুটা অলি গলি চলিরাম করে ট্যান্ডন হাউসে পৌঁছানো গেল।  দোতলার ঘর, সামনেই খোলা ছাদ তার পরেই উন্মুক্ত গঙ্গা। ছাদ থেকে তো বটেই ঘরের জানলা থেকেও দিব্বি দেখা যাচ্ছে। 



    আ: শান্তি।  এটা হোটেল নয়, হোমস্টে টাইপ। তবে খাবারদাবার পাওয়া যায় না। আগের লোকেরা যাবার পরে বিছানার চাদরটা বদলেছে বলে মনে হল না, স্রেফ ঝেড়ে দিয়ে দিয়েছে। আরেক সেট চাদর ওয়াড় ইত্যাদি চেয়ে নেওয়া গেল। বেলা পৌনে একটা বাজে।  দুজনের দাপট দেখে হোটেলের সেই ছোকরা তখন যাহা বলিবেন তাহাই করিব মোডে বিনয়ের অড়রডাল হয়ে দাঁড়িয়ে। সেই দেড়টার সময়  খাবার এনে দেবে বলে অর্ডার নিয়ে গেল।  তারপর তো আরাম করে স্নান টান করে খেয়েদেয়ে দুজনে ঘুম লাগালেন। বাইরে তখন চাঁদিফাটা রোদ্দুর। গঙ্গার জল হিন্ডোলিয়ামের পাতের মত ঝকঝক করছে। বেলা পড়লে উঠে বেরোন যাবে। 

    (চলবে)
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
    কাশীর হোটেল না ইঁদুরের গর্ত
  • ভ্রমণ | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ৫৯ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • রমিত চট্টোপাধ্যায় | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২১:৪০738483
  • আঃ দারুণ! দুর্দান্ত দাপটের সাথে শুরু হয়েছে গপ্পোখান। পড়ছি। 
    পরের পর্ব গুলোর কথা ভেবে এখনই সেইসব খাবারের লোভে জিভ দিয়ে জল চলে আসছে। 
  • dc | 2402:e280:2141:1e8:90fb:cb7a:5982:***:*** | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২১:৫৬738484
  • বাঃ এইবার অসি ঘাটের গল্প পড়বো। আর বেনারসের খাবার, রমিতবাবু যেমন বললেন :-)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। চটপট মতামত দিন