এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • দুনিয়াদারীর টুকিটাকি ১৭  : অন্য এক ইস্রাঈলের গল্প 

    Debanjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ৫৬ বার পঠিত
  • এ কাহিনী এক অন্য ইস্রায়েলের | যে ইস্রাঈলের এখন আর অস্তিত্ব নেই পৃথিবীর ভূরাজনীতির মানচিত্রে | কিন্তু তার অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায় এখনো ইতিহাসের ভুলে যাওয়া আর ফেলে আসা পাতায় , প্যালেস্টাইনের কোন অজানা অচেনা শহরের গলিতে , পাহাড়ের খাঁজে খাঁজে গুহায় গুহায় , ধূসর মরুভুমি আর সবুজ অলিভ বাগিচার প্রান্তরে , পূর্ণিমার আকাশে আর অমাবস্যার রাতে | আজকে সেই ইস্রাঈলের গল্পই আপনাদের শোনাবার চেষ্টা করছি পাঠক |
     
    মেসায়ার আগমণ 
     
    ইহুদীদের তৈরী জেরুসালেমের প্রথম মন্দিরের পতন হলো আসিরীয় সম্রাট নেবুচাদনেজারের হাতে | সেটি ৫৮৬ BCE | এর পরে আরো সত্তর বছরের জন্যে ইহুদী ধর্মের ব্যাবিলনে নির্বাসন ও শেষ পর্যন্ত পারস্য সম্রাট সাইরাসের হাত ধরে ইহুদীদের আবার জেরুসালেমে ফিরে আসা ও জেরুসালেমের দ্বিতীয় মন্দিরের নির্মাণ | সময়টা 516 BCE | আমার কাহিনীর শুরুটা এখান থেকেই | যেসব ইহুদী সম্পদায় ফিরে এলেন ও জেরুসালেমের দ্বিতীয় মন্দির নির্মাণ করলেন এরা সবাই পারস্য সাম্রাজ্যের সঙ্গে গভীর রাজনৈতিক আঁতাতে ছিলেন বলাই বাহুল্য | পারস্য সাম্রাজ্যের সঙ্গে ইহুদিদের এই রাজনৈতিক আঁতাত মনে করিয়ে দেয় বর্তমানের আম্রিকা ও ব্রিটেনের সঙ্গে ইস্রাঈলের রাজনৈতিক আঁতাতের | পারস্য সাম্রাজ্যের দরকার ছিলো সিরিয়া ও মিশরের সীমান্তে বাফার স্টেট্ হিসাবে একদল কৃতজ্ঞ ও অনুগত রাজনৈতিক মিত্রের আর ইহুদিদের প্রয়োজন ছিল এক সুপারপাওয়ার মিত্রের কাছ থেকে সুরক্ষার | সুপারপাওয়ার দের এসব ভূরাজনীতির খেলা তো সব যুগেই থাকে | 
     
    এবিষয়ে বলা যায় যে জনশ্রুতি যে তালমুদ ও আরো অনেক ইহুদি ধর্মগ্রন্থ প্রভাবিত হয়েছিলো পারস্য সাম্রাজ্যের সঙ্গে ব্যাবিলনের এই সত্তর বছরের যোগসূত্র দিয়ে | অনেকে এও মনে করেন পরবর্তীকালের ইহুদী ধর্মের এই মেসায়া বিষয়টিও (উদ্ধারকর্তা যুগনায়ক) অনেকাংশে এই পারস্য সম্রাট সাইরাসের প্রভাবেই এসেছে | পারস্য সম্রাট সাইরাস যেমন ইহুদীদের নির্বাসন থেকে রক্ষা করে আবার জেরুসালেমে ফিরে যেতে দেন ও দ্বিতীয় মন্দির তৈরীতে সাহায্য করেন অনেকে মনে করেন যে এখান থেকেই মেসায়া তত্ত্ব এলো ইহুদী মননে | অর্থাৎ চরম বিপদ ও লাঞ্ছনার মধ্যে একজন ঈশ্বরপ্রেরিত উদ্ধারকর্তা আসবেন ইহুদীদের ত্রাণ করতে এই বিশ্বাসেই এর পরের কয়েকটা শতাব্দী কাটাবে ইহুদী সমাজ | 
     
    যুগের পরিবর্তন : জিয়োপলিটিক্সের ভূমিকম্প 
     
    ইহুদীদের এই বিশ্বাস নিয়েই কেটে গেলো আরো দুশো বছর | তারপরে যেমন বারেবারে হয়েছে হঠাৎই একদিন ইতিহাসের মোড় ঘুরলো | ইতিহাসের রঙ্গমঞ্চে এলেন আরো একজন যুগনায়ক যিনি পরবর্তীকালে ইহুদীদের ভাগ্যের চাকাটা ঘুরিয়ে দেবেন যার জন্যে কেউই তৈরী থাকবেনা | ইনিই ম্যাসিডনের মহানায়ক মহাবীর আলেকজান্ডার | আলেকজান্ডারের হাতে পতন হলো পারস্য সাম্রাজ্যের এবং ইহুদী সমাজ হারালো তাদের সুপারপাওয়ার রাজনৈতিক মিত্রকে | মিসর ও সিরিয়া , ইহুদীদের এই দুই প্রতিবেশী ভূমিতেই প্রতিষ্ঠিত হলো গ্রীক সাম্রাজ্য | তবে যেমন কালবৈশাখী ঝড়ের মত এসেছিলেন সেই হঠাৎ করেই একদিন চলে গেলেন আলেকজান্ডার | তবে তার সেনাপতিরা মিশর ও সিরিয়া এই দুই ভূখন্ডেই সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করলো | মিশরে টলেমির সাম্রাজ্য যেটি টিকে থাকবে ক্লিওপেট্রার সময় পর্যন্ত আরো তিনশো বছর ও সিরিয়াতে সত্য সেলুকাসের বংশ | এই দুই গ্রিক রাজ্যের মধ্যে স্যান্ডউইচ হয়ে গেলো ইহুদীদের রাজ্য | ইতিহাসে এই দুই রাজ্যের মধ্যে হাত বদল হতে থাকবে ইহুদীদের জুদা রাজ্য | প্রথমে মিশরের টলেমী বংশ দুশ বছর ধরে রাজত্ব করবে এবং তারপরে সিরিয়ার সেলুকাস বংশের হাতে আসবে ইহুদী জুডা রাজ্যের নিয়ন্ত্রণ | ইহুদীরা এতদিন একরকম ছিলেন নিজেদের ছোট্ট দুনিয়াতে মন্দির , পুরোহিত , নিজেদের ঈশ্বর ও নিজেদের জেরুসালেমের মন্দিরে বলিদান ও পূজাঅর্চনা নিয়ে | হেলেনিক এই সভ্যতার সঙ্গে সংস্পর্শে আসার সঙ্গে সঙ্গে তারা গ্রীক সংস্কৃতির স্বাদ পেলেন একটু করে করে | গ্রিক নাম , গ্রিক আগোরা , জিমনেসিয়াম , গ্রিক দর্শন ও গ্রীক প্যান্থিওনের দেবদেবীদের সঙ্গে পরিচয় ঘটলো | আস্তে আস্তে কিছু কিছু ইহুদী নিজেদের গোঁড়া পুরোহিতদের পিছনে রেখে একটা একটু করে গ্রিক রীতিনীতি শিক্ষা করতে লাগলেন | ইহুদী ইতিহাসে এরাই বিখ্যাত (নাকি কুখ্যাত) হেলেনাইজড নামে | আমাদের গল্পে এর পরে যেসব ইহুদী চরিত্রদের দেখবো তাদের অনেকেই পরিচিত হবেন গ্রিক নামে | আমাদের গল্পের এর পরের অধ্যায়ে এদেরই বড় ভূমিকা |
     
    ইহুদীদের ক্ষুদ্র জনপদ জুডিয়া আস্তে আস্তে তখন মিশরের টলেমী বংশের হাত থেকে সিরিয়ার সেলুকাস বংশের অধীনে এলো | টলেমী বংশের অধীনে থাকবার সময় থেকেই একটু একটু করে গ্রীক প্রভাব আসছিলো ইহুদীদের মধ্যে বিশেষ করে এলিট ক্লাস অর্থাৎ যিহোবার মন্দিরের পুরোহিত সম্প্রদায় এবং ধনী বণিকদের মধ্যে | যদিও টলেমী বংশ ইহুদিদের ধর্মাচরণের স্বাধীনতা মোটামুটি মেনেই চলতো কিন্তু সেলুকাস বংশের অধীনে ইহুদীরা আসবার পর থেকেই দেখা গেলো যে নতুন শাসকেরা অতোটাও ছাড় দিতে পারবেননা | সেলুকাস বংশের রাজারা অর্থের অভাবে ভুগতেন | তাদের দেশের ভিতরে বিদ্রোহ দমন করতে আর মিশরের টলেমিদের সঙ্গে যুদ্ধ করতে প্রয়োজন ছিলো প্রচুর অর্থের | আর এই অর্থের যোগান দিতে পারতেন সেসব ইহুদী পুরোহিতেরা যাদের কাছে ছিলো যিহোবার মন্দিরের চাবি | এদের নিজেদেরও এসব সেলুকাস শাসকের অনুমতির প্রয়োজন ছিলো জেরুসালেমের মন্দিরের প্রধান পুরোহিত হবার স্বীকৃতি পাবার জন্যে | জেরুসালেমের মন্দিরের প্রধান পুরোহিত তখন মোটামুটি ইহুদী দের মধ্যে সবচেয়ে ক্ষমতাবাণ ব্যক্তি | কাজেই এই পদের দাবীদার হতে প্রতিদ্বন্দীর অভাব নেই | জেসন এবং মেনেলাস দুই ইহুদী পুরোহিত যারা গ্রীক প্রভাবের মধ্যেই বড় হয়েছিলেন এরা সেলুকাস বংশের রাজাদের প্রচুর ঘুষ দিয়ে এই পদ হাতিয়ে নিলেন | এরাই জেরুসালেমে জিউস বা অন্য গ্রিক দেবতার মূর্তি স্থাপন , গ্রিক নাম গ্রহণ ইত্যাদি গ্রিক আচার অনুষ্ঠান চালু করেন | শহরের অনেক প্রভাবশালী ইহুদী প্রভাব তখন গ্রীক প্রভাব আচ্ছন্ন | এদের বিপরীতে দূরের গ্ৰামাঞ্চলের পুরোহিতেরা তখন আরো বেশি করে গোঁড়া হয়ে উঠতে লাগলেন ও আস্তে আস্তে সেসময়ের ইহুদি সমাজে এক বিরাট মেরুকরণ হতে শুরু করলো গোঁড়া ইহুদী আর গ্রীক প্রভাবে আসা শহুরে ইহুদীদের মধ্যে |
     
    আনুমানিক ১৬৭ BCE সময়ে সেলুকাস রাজা এন্টিওকাস চতুর্থ ঘোষণা দিলেন যে ইহুদীরা আর তাদের পশ্চাদপর ধর্মের নিয়ম পালন করতে পারবেনা | তাদের হেলেনিক নিয়ম নীতি কিছু পালন করতে হবে যেমন জেরুসালেমের দ্বিতীয় মন্দিরে গ্ৰীক দেবরাজ জিউসের মূর্তি স্থাপন করে পূজা করতে হবে , তোরা পাঠ বন্ধ করতে হবে ও গ্রীক দর্শনের পাঠ করতে হবে , সুন্নত করা বন্ধ করতে হবে ইত্যাদি প্রভৃতি | রাজা এন্টিওকাস একদিন ঘোষণা দিলেন যে তিনি জেরুসালেমের মন্দিরে গিয়ে স্বয়ং ইহুদী ঈশ্বরের বলির বেদীতে শূকর বলি দেবেন যদি ইহুদীদের ঈশ্বর আটকাতে চান তাকে তবে তিনি তাকে আটকে দেখান ! এবং অচিরেই তিনি নিজের কথা রাখলেন জেরুসালেমের মন্দিরে যিহোবার বলির বেদীতে শূকর বলি দিয়ে | 
     
    সেলুকাস রাজার এহেন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের আগুন জ্বলে উঠলো গ্রামাঞ্চলের দিকে দিকে | মোডেইন গ্রামের পুরোহিত মাটাথিয়াস এবং তার ছেলেরা হাতে তুলে নিলেন তলোয়ার | গেরিলা আক্রমণে এরা ছিলেন সিদ্ধহস্ত | এদের যুদ্ধ তখন ছিলো গ্রীক প্রভাবিত ইহুদী ও সেলুকাস শাসন দুজনের বিরুদ্ধেই |  মাটাথিয়াস এর এক ছেলে ইহুদী ইতিহাসে বিখ্যাত এই যুদ্ধে নেতৃত্ব দেবার জন্যে | এর নাম জুডা ম্যাকাবি | যারা ইউরোপিয়ান ফুটবল নিয়মিত দেখেন তারা ইস্রাঈলের ম্যাকাবি হাইফা বলে একটা ফুটবল দলের নাম শুনে থাকবেন | ম্যাকাবি হাইফা নামটা এসেছে এই জুডা ম্যাকাবির নাম থেকেই | অচিরেই ১৬৪ BCE নাগাদ যুদ্ধে জিতে জেরুসালেম দখল করলো ম্যাকাবিরা এবং গ্রীক ইহুদীদের কচুকাটা করে সেখানে ম্যাকাবিরা নিজেদের শাসন প্রতিষ্ঠা করলো | এই ব্যাপারটাকেই স্মরণ করে ইহুদীরা প্রতি বছর হানুকা উৎসব পালন করে থাকেন | এখানেই শুরু হলো আমাদের সেই আরেক ইস্রাঈলের যার কথা গল্পের শুরুতে বলেছি | আমাদের গল্পের পরের অধ্যায়ে এই ইস্রাঈলকেই আরো কাছ থেকে দেখবো আমরা এর পরের পর্বে |
     
     
    (ইমেজ : ম্যাকাবি ও গ্রীক প্রভাবিত ইহুদী শহর )
     
    কৃতজ্ঞতা স্বীকার 
     
    গুরুচণ্ডালীতে আমার ফেভারিট লেখক হিরেনদার ইহুদি রসিকতা পড়েই অনুপ্রাণিত হয়ে ইহুদী ইতিহাস সম্বন্ধে জানার আগ্রহ হয় | ওই বই পড়েই এই লেখার অনুপ্রেরণা পেয়েছি | এই ছবিটি চ্যাটজিপিটি সৌজন্যে |
     
    রেফারেন্স  
     
    ১ | হীরেন সিংহরায় , "ইহুদী রসিকতা" , গুরুচণ্ডালী 
    ২ | হীরেন সিংহরায় , "পবিত্র ভূমি" , গুরুচণ্ডালী
     
     
     
     
      

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। মন শক্ত করে মতামত দিন