এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • দুনিয়াদারীর টুকিটাকি ২ : আমেরিকার সর্বনাশা নিষেধাজ্ঞা , পৌষমাস চীনের 

    Debanjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৪ জুন ২০২৫ | ৫৪০ বার পঠিত | রেটিং ৫ (২ জন)
  • ১৯৫০, আমেরিকার ইস্ট কোস্টের কোনো একটি ইম্মিগ্রেশন দপ্তর

    একটা বড় গোল টেবিল ঘিরে চারদিক থেকে বসে আছেন কয়েকজন। দেখে তাদের সাধারণ সরকারী অফিসার বলেই মনে হচ্ছে। তবে সবার নজরই ডানদিকে এককোনে বসে থাকা এক মধ্যবয়স্ক চীনা ভদ্রলোকের উপরে। নানারকম প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন প্রশ্নকর্তাদের। প্রশ্নগুলোর সবগুলোই মোটামুটি একরকম। চীনা ভদ্রলোকের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে। চীনা ভদ্রলোকটি ঠান্ডা মাথায় একের পর এক প্রশ্নের উত্তর দিয়েই যাচ্ছেন। আস্তে আস্তে একটু একটু ঘাম আসছে তার কপালে। তবে প্রশ্নকর্তারা এসব নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছেন না খুব একটা। তারা জানেন তাদের কি প্রমান করতে হবে। তাদের খুব একটা তাড়াহুড়ো নেই। প্রশ্নের ফাঁকে দুজন কর্তা জল খেতে বাইরে গেলেন একটু। তখন তাদের মধ্যে দুয়েকটা ছোট্ট কথা হলো সিগারেট খেতে খেতে, একজন জিজ্ঞেস করলেন, "কি গো কার্ল তোমার কি মনে হয় হলুদ বদমাশটা ঠিকঠাক বলছে?", কার্ল কিছুটা ভেবে সিগারেটটি নিভিয়ে ভাবলেশহীন মুখে উত্তর দিলেন, "কিছুই যায় আসে না, ম্যানহ্যাটান প্রোজেক্ট শেষ হয়ে গেছে বছর তিনেক আগেই, আমরা যা চাইছিলাম পেয়ে গেছি। এখন ওই রকম হলুদ ছুঁচোগুলোর অবস্থা সেরকমই হবে যেরকম আমরা ওরা আমাদের ট্রেন সিস্টেম গুলো বানাবার পরে করেছিলাম।" বলে তিনি তার জুতোদুটোর দিকে আঙ্গুল তুললেন। "ওরা এদেশে এসেছিলো আমাদের জুতো বানাতে, সেই কাজেই ফিরে যেতে হবে ওদের।" ঘরে ফিরে এসে ওরা চীনা ভদ্রলোকটিকে আবার প্রশ্ন করলেন, "তা ডক্টর ছিয়েন, আপনি কী বলেন আপনার দেশে যে কয়েক মাস আগেই এতো বড় বিপ্লব হয়ে গেলো, তা এরকম বিপ্লব কি আমেরিকাতেও হওয়া উচিত ? " ডক্টর ছিয়েন নামক চীনা ভদ্রলোকটি এতক্ষন বিচক্ষণ ভাবেই সব উত্তর দিচ্ছিলেন এবারে তার যেন কণ্ঠে একটু উষ্মা প্রকাশ পেলো। "সকাল থেকে আপনারা আমাকে আটকে রেখেছেন এতক্ষন এটাই জানবার জন্যে তাই না !!! শুনুন এসব বিপ্লব বিপ্লব খেলা নিয়ে আমার কোনো মাথাব্যথা নেই, আমি ম্যানহাটান প্রোজেক্টের পরে নতুন লক্ষ্য নিয়েছি, আমার লক্ষ্য এখন মহাকাশ বিজয়, আমি মহাকাশে রকেটে করে মানুষ পাঠাতে চাই আর আমেরিকা দেশটা শুধু আপনার নয় আমারও। কুড়ি বছর আগে এখানে ছাত্র হয়ে এসেছিলাম আমি। আমি চাই আমেরিকাই প্রথম দেশ হোক যেখানে থেকে প্রথম মহাকাশে মানুষ যাবে।" কার্ল নামক ব্যাক্তিটি এরপরে নিজের রিপোর্টে লিখলেন, "চীনা লোকটা স্বপ্ন দেখে আর বড় বড় কথা বলে অনেক, কিন্তু ওকে বিশ্বাস করা যায়না ঠিকঠাক। সবচেয়ে বড় কথা, ওকে আমাদের আর প্রয়োজন নেই। মহাকাশে রকেট করে মানুষ পাঠাতে আমাদের হাতে এখন ঘরের লোক এসে গেছে, ভন ব্রাউন, ও আমাদের মতোই। এই চীনা লোকটাকে আপাতত নিজের বাড়ীতে নজরবন্দী করে রাখা হোক।"



    (ডাক্তারের বিচার, কম্যুনিস্ট সন্দেহে বিচার ডক্টর ছিয়েনের, ম্যাকার্থির আমেরিকা, সৌজন্য নিউ ইয়র্ক টাইমস)

    গত সপ্তাহে ট্রাম্প প্রশাসন আরেকটা ধামাকাদার ঘোষণা করে দুনিয়ার নজর ঘুরিয়ে দিয়েছে। এখন থেকে চীনাদের কাছে আমেরিকাতে উচ্চশিক্ষার সব দরজা বন্ধ হলো। তা এরকম ঘোষণা অবশ্য প্রথম নয়, এর আগেও এরকম ঘোষণা এসেছে আমেরিকা থেকে। সেটি নিয়ে কথা বলতে গিয়েই আমাদের ফিরে যেতে হবে, আমাদের গল্পের শুরুতে যেখানে আমাদের ডক্টর ছিয়েনকে নিজের বাড়ীতে নজরবন্দী করে রাখা হচ্ছে। সেই সময়টাও ছিলো আমেরিকাতে সেনেটর ম্যাককার্থির স্বর্ণযুগ। লাল জুজুর ভয় দেখানোর শুরুর দিকের যুগ সেটা, কয়েকবছর আগেই আমেরিকা ও সোভিয়েত ইউনিয়ন শীত যুদ্ধের মধ্যে জড়িয়ে পড়েছে, সবচেয়ে বড় কথা ডক্টর ছিয়েন যে দেশের থেকে আমেরিকাতে এসেছিলেন সেই চীনেও বিপ্লব হয়েছে, মাও এসেছেন ক্ষমতায়। সারা আমেরিকা তখন ভয় পাচ্ছে লাল জুজুর, হলিউডের তাবড় তাবড় সেলিব্রিটিকে সন্দেহের নজরে দেখা হচ্ছে, অপমানের সামনে পড়তে হোচ্ছে চার্লী চ্যাপলিনের মতো কাউকে। তা এতসব রথী মহারথীদের মধ্যে ডক্টর ছিয়েন শুয়েশন ( ওনাকে শিয়ান শ্যুসেন নামেও ডাকা হয় মাঝে মাঝে কোনো কোনো লেখাতে ) তা আমি ডক্টর ছিয়েন নামটাই ব্যাবহার করবো আমার এই লেখাতে। ওনার মিসাইল নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা ছিলো যা থেকে আমেরিকা ব্যালেস্টিক মিসাইল তৈরীতে অনেকদূর এগিয়ে যায়। আমেরিকার বিমানবাহিনীতেও উনি এজন্যে গুরুত্বপূর্ণ পদ পেয়েছিলেন। কিন্তু চীন বিপ্লবের পরে লাল জুজুর যুগে ওনার উপরে নেমে আসে সন্দেহের নজর। নিজের পদ হারাতে হয় এবং শেষপর্যন্ত উনি নিজের বাড়িতেই নজরবন্দী হয়ে পড়েন। তখন ওনার স্বপ্ন, আমেরিকা থেকে রকেটে করে মহাকাশে মানুষ পাঠানো। কিন্তু নজর বন্দী হয়ে যাবার পরে আর ওসবের কোনোই সম্ভাবনা নেই। তারওপরে আমেরিকার হাতে এসে গেছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ের নাৎসী বাহিনীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ বৈজ্ঞানিক ভন ব্রাউন যিনি ততোদিনে আমেরিকার সরকারের সম্মানিত অতিথি, যোগ দিয়েছেন আমেরিকার সামরিক গবেষণাতে। কাজেই হয়তো তখন আমেরিকার কর্তাব্যক্তিদের অতটা প্রয়োজনীয় মনেই হয়নি ডক্টর ছিয়েনকে। তাছাড়া ভন ব্রাউনের মতো একজন শ্বেতাঙ্গ জার্মান বিজ্ঞানীর যিনি থার্ড রাইখের পিনেমুন্ডা মিসাইল প্রোজেক্টের কর্ণধার ছিলেন, তার কদরই আলাদা তখন আমেরিকার সামরিক মহলে। সেতুলনাতে ডক্টর ছিয়েনের মতো "হলুদ বদমাশ" প্রয়োজনও সেরকম আর হয়তো ছিলোনা।

    তবে এরফলে লাভ কিন্তু হলো চীনেরই। অন্তরীণ অবস্থাতেই ডক্টর ছিয়েন চিঠি লিখলেন মাওকে। কয়েক বছরের মধ্যেই বন্দী বিনিময় হয়ে কয়েকজন মার্কিন গুপ্তচরের বিনিময়ে চীনের প্লেনে তুলে দেওয়া হলো ডক্টর ছিয়েনকে। মাও প্রায় লুফেই নিলেন এহেন কৃতী বিজ্ঞানীকে। কয়েকবছরের মধ্যেই চীনের হাতে চলে এলো নিউ ইয়র্ক বা মস্কোতে আঘাত হানতে পারে এরকম মিসাইল। এমনকী হয়তো পাকিস্তানকে দেওয়া সেসব চীনা মিসাইলের নাম যেগুলো এই কদিন আগেও লোকের মুখে মুখে ঘুরছিলো সেগুলোর জন্মও হয়তো সম্ভব হতোনা ওই ডক্টর ছিয়েন চীনে না চলে গেলে। বর্তমানে চীনকে একটা প্রযুক্তি পরাশক্তি করবার পিছনের প্রধান নাম ওই ডক্টর ছিয়েন। ষাটের দশকে তার একজন প্রাক্তন আমেরিকান সতীর্থ বিজ্ঞানীকে একটি ফুলের ছবি দেওয়া পোস্টকার্ড পাঠিয়ে ছিলেন ডক্টর ছিয়েন। পোস্টকার্ডে লিখেছিলেন, "এই সেই ফুল যা শুধু মরুভূমিতেই ফোটে "
    প্রসঙ্গতঃ বলে রাখি চীনাদের আমেরিকা থেকে তাড়াবার সূচনা কিন্তু ট্রাম্প করেননি। উনিশ শতকের শেষের দিকে চীন থেকে প্রচুর মানুষ সস্তায় কুলি হিসাবে আমেরিকাতে কাজ করতে যান। আমেরিকাতে তখন রেল লাইন পাতা হচ্ছে, প্রচুর খাটতে পারে আর সস্তায় কাজ করবে এরকম শ্রমিক প্রয়োজন। কিন্তু কাজ শেষ হবার পরে পরেই ইয়েলো পেরিল বা হলুদ আতংকের নাম দিয়ে তাদের আমেরিকা থেকে তাড়িয়ে দেবার ব্যবস্থা হয়। ১৮৮২ সালে প্রথম এলো চাইনিজ এক্সক্লুশন এক্ট, আমেরিকাতে ঘোষণা দেওয়া হলো যে চীনারা আমেরিকান সমাজের পক্ষে অনুপযুক্ত কাজেই আমেরিকাতে তাদের স্থান নেই। অবশ্য এখন ঐতিহাসিকেরা বলেন, যে এটি ছিলো MAGA র তৎকালীন ভার্শন, আমেরিকান সমাজের শ্বেতাঙ্গ অধ্যুষিত ট্রেড ইউনিয়নগুলো কর্মঠ সস্তায় কাজ করা চীনাদের (প্রসঙ্গতঃ সে আমলের আমেরিকান ইংরাজিতে "chinaman's chance" বলে একটি কথা চালুই হয়ে যায় চীনাদের উপরে একটা রেসিকাল স্টিরিয়োটাইপ তৈরী করবার জন্যে ) লেবার মার্কেটে স্থান দেবার বিরোধী ছিলো। তার ফলেই এই আইন। এই আইনটি ১৯৪৩ সাল পর্যন্ত চালু ছিলো শেষে পার্ল হারবারের ঘটনার পরেই চীনকে নিজের দলে পাবার জন্যে আমেরিকার তরফ থেকে এই আইনটি তুলে নেওয়া হয়। ডক্টর ছিয়েনের মতো প্রতিভাবান বিজ্ঞানীদের আমেরিকাতে কাজ করতে আসবার সুযোগ মেলে। চীনা আমেরিকান ভূ রাজনীতি এক্সপার্ট Han Feizi মতে উনিশ শতকের এই বর্ণবৈষম্যের আইনটার জন্যেই আমেরিকাতে রেসিজম অনেকগুণে বেড়ে গেছিলো।

    অর্থাৎ চীনাদের নিয়ে ট্রাম্পের মত ঘোষণা আমেরিকাতে এই প্রথম হয়নি। তবে অতীতে যেমন চীন লাভবান হয়েছে এর ফলে এবারো কি তাই হবে ?


    (আমেরিকান শিল্পীর নজরে চীনা শ্রমিক, উনিশ শতক, সৌজন্য চ্যাটজিপিটি)

    রেফারেন্স

    https://www.nytimes.com/2025/05/30/opinion/visas-china-rockets-scientist-technology.html?unlocked_article_code=1.L08.aYWe.pt2QUgYVY_0G&smid=tw-share

    https://www.prothomalo.com/world/usa/uofpnilqo2

    Han Feizi , "America is in Asia, but not of Asia" , https://asiatimes.com/2025/05/america-is-in-asia-but-not-of-asia/
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Bratin Das | ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ ১৫:৪৪738016
  • খ্যাতনামা ছিয়েন এর ব্যাপার টা প্রথম জান্লাম । 
    খুব ইন্টারেস্টিং 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। পড়তে পড়তে প্রতিক্রিয়া দিন