এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  আলোচনা   শিক্ষা

  • হিন্দুস্কুলের দৈন্যদশা 

    দীপ
    আলোচনা | শিক্ষা | ২২ জানুয়ারি ২০২৬ | ২৭৩ বার পঠিত
  • দ্বিশতাব্দীপ্রাচীন হিন্দু স্কুলের বর্তমান দৈন্যদশা!
    সরকারি মদতে সরকারি শিক্ষাব্যবস্থার ধ্বংসসাধন!

    এভাবেই সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ধ্বংস করা হবে, আর গজিয়ে উঠবে একের পর এক বেসরকারি স্কুল-কলেজ!

    লিখেছেন বিদ্যালয়ের প্রাক্তনী ময়ূখ বিশ্বাস।
    -------------------------------------------------------------------

    নগর পুড়লে দেবালয়ও এড়াতে পারে না।
    গোটা বাংলার শিক্ষা ভেঙ্গে পড়লে এককালের 'প্রাচ্যের ইটন' হিন্দু স্কুলও বাঁচবে কি ভাবে?

    হ্যাঁ, আমার স্কুল, গর্বের মধু কবি- রাধানাথ শিকদার- দীনবন্ধু মিত্র- সত্যেন বোসের স্কুল; রাজা রামমোহন রায়, বর্ধমানের মহারাজা বৈদ্যনাথ মুখোপাধ্যায়, রসময় দত্ত, রাধাকান্ত দেব, প্রধান বিচারপতি এডোয়ার্ড হাইডিসকদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় গড়া ১৮১৭ সালের ২০ শে জানুয়ারী তৈরী হওয়া একটা প্রতিষ্ঠান আজকে মমতা-ব্রাত্যরা শেষ করে দিচ্ছে। নির্মম বাস্তব এটাই। ১০-১৫ বছর আগেও এই হাল ছিলো না। আমরা যখন পড়েছি, সমাজের উচ্চবিত্ত থেকে নিম্নবিত্ত, মন্ত্রী-আমলা-ডাক্তারের পরিবার থেকে কাপড়ের দোকানে কর্মীর ছেলে সবাই পাশাপাশি বেঞ্চে বসে স্বপ্নের উড়ানে চড়েছে এখান থেকেই। বাংলার ড. অপূর্ব বিশ্বাস-অপূর্ব কর-দেবব্রত রায় (সাইকোলজি)-শুভ স্যার, ইংরেজির ডি.আর- দেব কুমার গাঙ্গুলি- বেণীমাধব স্যার - নীলাঞ্জন স্যার, ফিজিক্সের দীপেন বাবু- শত্রুঘ্ন বাবু- শান্তি বাবু, কেমিস্ট্রির বিপ্লব বাবু-এসএস-জীবন বিজ্ঞানের তরুণ বাবু - তুষার বাবু - সন্দীপ স্যার, ইতিহাসের বিষ্ণু বাবু - সুগত বাবু, ভূগোলের নীহার বাবু-তপন বাবু, স্ট্যাটেসটিকস’এর গৌতম বাবুদের অভিভাবকত্ব, শাসন ও ভালোবাসায়, খেলার স্যার দেবব্রত স্যারের প্রশ্রয়ে, ওনাদের তৈরী পড়ুয়ারা আজ প্রতিষ্ঠিত ক্যালিফোর্নিয়া থেকে কলকাতায়। মাধ্যমিক হোক বা উচ্চমাধ্যমিক এই স্কুল সেরার তালিকায় সুদীর্ঘ কাল ধরে রয়েছেও।

    সেই স্কুলটার অবস্থাই এখন খুবই শোচনীয়!
    স্কুলে শিক্ষক নেই বললেই চলে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ৪৬ জন শিক্ষক থাকার কথা। এখন আছে মাত্র ২৮ জন। আরও চিন্তার কথা, ২০২৬-২৭ সালের মধ্যে এই সংখ্যা কমে হবে মাত্র ২৩ জন। অর্থাৎ, প্রায় অর্ধেক শিক্ষকই থাকবে না স্কুলে। মূল বিষয়গুলোতেও শিক্ষকের অভাব। ইংরেজি, বাংলা, গণিত, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন – উঁচু ক্লাসগুলোতে এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো দেখছেন মাত্র এক বা দুই জন শিক্ষক। তার উপর অর্থনীতির স্যার এই বছরই অবসর নিচ্ছেন। কেউ নতুন আসছেন না। ফলে পুরো বিষয়টাই বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এখন ৪ জন গণিত স্যার ছিলেন, কিন্তু তাদের মধ্যে ২ জনকে দূরে (মুর্শিদাবাদ, বীরভূম) বদলি করা হয়েছে। আবারও নতুন কাউকে আনা হয়নি। আরেক অঙ্কের স্যার ২০২৭ সালে অবসর নেবেন। তাহলে গোটা স্কুলে অজিত ঘটক, জীবন বাবু, রবীন বাবু, প্রবীর বাবু, চিত্তরঞ্জন বাবু, রবীন্দ্রনাথ ব্যানার্জি, কার্তিক বাবু, মুকুল বাবু, অজিত বসাকদের শিক্ষকতায় বিখ্যাত গণিত বিভাগে স্যার থাকবেন মাত্র ১ জন!

    আর বিগত কয়েক বছরের পরিসংখ্যান বলছে, যাঁরা যাচ্ছেন তাঁদের জায়গায় নতুন কাউকে নিয়োগ দিচ্ছে না সরকার। শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত হিন্দু স্কুলের মতো ঐতিহ্যমন্ডিত সরকারি স্কুলের যদি এই হাল হয়, বাকি স্কুলগুলোর হাল সহজেই অনুমেয়। ইচ্ছে করেই এই পুরানো স্কুলগুলোকে দুর্বল করে, গোটা শিক্ষাটাই এখন ওরা বেসরকারি শিক্ষা মাফিয়া, স্কুলের জমি রিয়েল এস্টেট হাঙরদের হাতে তুলে দিচ্ছে সরকার।

    এমতাবস্থায় আমাদের স্কুলের জন্য দাঁড়ানো প্রয়োজন। ছাত্রদের জন্য শিক্ষক প্রয়োজন। তবু বলবো, ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব। কেরালায় গিয়ে দেখেছি, কিভাবে ওখানে সরকারি স্কুলগুলোর পুনর্জাগরণ ঘটিয়েছে ওখানকার সরকার। কারণ ইচ্ছাটা আছে। সেখানে আমরা যদি "আমি হিন্দুর স্টুডেন্ট" থেকে "আমি হিন্দুর ছেলে" বাইনারিতে আটকে থাকি তাহলে হিন্দু স্কুল কেন, আগামী'তে প্রেসিডেন্সি, স্কটিশও বাঁচবে না। তাই সময় প্রতিবাদের। সময় ঋণ শোধ করার।

    ভবিষ্যতের স্বার্থে চুপ করে থাকবেন না। দোহাই...
    -------------------------------------------------------------------

    পুনশ্চ: কিছুদিন আগে হিন্দুস্কুলের অভিভাবকরা বিকাশভবনে শিক্ষামন্ত্রীর কাছে ডেপুটেশন দিতে গিয়েছিলেন। প্রত্যাশিতভাবেই শিক্ষামন্ত্রী অনুপস্থিত ছিলেন। তাঁর আপ্তসহায়ক জ্ঞানদান করে বলেছেন, "খালি নিজের ছেলেদের কথা ভাবলে হবে? আমাদের তো সব স্কুলের কথা ভাবতে হয়।"
    নিঃসন্দেহে শিক্ষামন্ত্রী ও তাঁর আপ্তসহায়ক পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে অত্যন্ত চিন্তিত; নাওয়া-খাওয়া বোধহয় বন্ধ করে দিয়েছেন!

    যেদিন মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শিলিগুড়িতে মহাকাল মন্দিরের শিলান্যাস করেছেন, সেইদিন হিন্দুস্কুলের ছাত্ররা কলকাতার রাজপথে যথাযথ শিক্ষক নিয়োগ ও পরিকাঠামো উন্নয়নের দাবীতে রাস্তায় নেমেছিলো!

    শিক্ষা নেই, স্বাস্থ্যব্যবস্থা রুগ্নাতিরুগ্ন, কোনো যথাযথ নিয়োগপ্রক্রিয়া নেই! পরিবর্তে গড়া হচ্ছে মন্দির-মসজিদ; খেলা-মেলা-উৎসবে কোটি কোটি টাকার শ্রাদ্ধ হচ্ছে!

    শিক্ষিত সমাজ নির্বিকার, কোনো প্রতিক্রিয়া নেই!
    তাঁদের ছেলেমেয়েরা তো নামীদামী বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে পড়ে, অত‌এব তাঁরা নির্লিপ্ত! সাধারণ ঘরের ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে তাঁদের কোনো উদ্বেগ নেই! বরং তাঁদের মনোগত অভিপ্রায়; এরা দারিদ্র্য ও অশিক্ষার অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়ে থাকুক! এতেই তাঁদের স্বার্থ সুরক্ষিত থাকে! 

    তাঁরা বিস্মৃত হয়েছেন; নগর অগ্নিদগ্ধ হলে দেবালয়‌ও রক্ষা পায়না!
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • দীপ | 2402:3a80:198d:24c3:778:5634:1232:***:*** | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৪:১৪746771
  • আরো কিছু তথ্য জানিয়ে রাখি।

    ৩২৫৪ বিদ্যালয়ে কোনো ছাত্রছাত্রী নেই।

    ৬৩৬৬ বিদ্যালয়ে মাত্র একজন শিক্ষক!

    ২০১৬ সালের প্যানেল বাতিল, ২৬০০০ শিক্ষক ও কর্মচারী কর্মচ্যুত হয়েছেন!
  • দীপ | 2402:3a80:198f:dc83:878:5634:1232:***:*** | ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬:০৬746780
  • রাজ্যের এডুকেশন সিস্টেম ধ্বংস করা হচ্ছে তাতে সমস্যা নেই। কোথাও টিচার নেই, কোথাও বা শিক্ষার্থী নেই , আবার কোথাও পরিকাঠামো নেই তাতে আপনাদের সমস্যা নেই। B. Ed, D.El.Ed ইত্যাদি করে লক্ষ লক্ষ ছেলে মেয়ে যন্ত্রণার মধ্য দিয়েই প্রতিদিন জীবন কাটাতে বাধ্য হচ্ছে তাতে আপনাদের সমস্যা নেই,সমস্যা শুধু পরীক্ষার পরে কোন ছেলে বা মেয়ে কাগজ ছিঁড়েছে তাতেই। বলি শিক্ষিত ছেলে মেয়েদের জীবন যন্ত্রণা যদি দেখতে না পান তাহলে কাগজ ছেঁড়া দেখে করবেন কী ?… এমনিতেই তো বিবেকের বয়স হয়েছে। হতে দিন।

    জনৈক শিক্ষকের আর্তনাদ।
  • দীপ | 2402:3a80:198b:ab90:678:5634:1232:***:*** | ০১ মার্চ ২০২৬ ০১:২৩746918
  • সরকারি স্কুলের শিক্ষকদের মতন অসহায় এবং সরকারি স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের মতন বঞ্চিত বোধকরি আর কেউ হয়না। বসন্ত এসে গেছে, তার সঙ্গে মাধ্যমিক, একাদশ শ্রেণী, উচ্চ মাধ্যমিকের খাতাও চলে এসেছে। নিয়োগের অভাবে শিক্ষকের অপ্রতুলতায়  স্কুলগুলি ধুঁকছে , তার মধ্যে বি. এল. ওর ডিউটি কাদের? শিক্ষকদের। ভোট এসে গেছে, ভোটের ট্রেনিং, ভোটের ডিউটিও দুয়ারে কড়া নাড়ছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীও ঢুকে পড়বে স্কুলে স্কুলে। স্কুলে দুয়ারে সরকার হবে, নানান প্রকল্প হবে, ভোট হবে, কিন্তু ক্লাস হবে? পড়াশোনা হবে? একটা বিরাট অংশের ছাত্রছাত্রী যেখানে সরকারি শিক্ষাব্যবস্থার উপরে নির্ভরশীল সেখানে সবচেয়ে অবহেলিত হয় তাদের শিক্ষা। একাদশ, দ্বাদশ শ্রেণীতে সেমেস্টার সিস্টেম করা হয়েছে কোনোরকম পরিকল্পনা ছাড়াই। বিরাট সিলেবাস, বছরে দুবার পরীক্ষা... সব হয়েছে কিন্তু ক্লাসের সংখ্যা যা খুব ভালো ভাবে পড়ানো বা মধ্যমেধার ছেলেমেয়ের খুব ভালো ভাবে বিষয়বস্তু আত্মস্থ করা সম্ভব না। তার প্রভাব পড়ছে তাদের খাতায়। শিক্ষকরা প্রশাসনের কাজ করার জন্য পরীক্ষা দেননি, পরীক্ষা দিয়েছিলেন পড়াবার জন্য। সেই সুযোগটাই ক্রমশঃ সীমিত হয়ে আসছে। একটি জাতির শিক্ষাই হল মেরুদন্ড, সেই মেরুদন্ড যখন ভেঙে পড়ছে, জাতি তো ভেঙে পড়বেই।প্রশাসনিক কাজকর্ম থেকে শিক্ষাকে পৃথক না করা গেলে শিক্ষাকে আই. সি. ইউ থেকে বের করা সম্ভব হবেনা।
     
    শিক্ষকের আর্তনাদ!
  • দীপ | 2402:3a80:198f:762d:878:5634:1232:***:*** | ১৮ মার্চ ২০২৬ ২২:১৪747066
  • ছেলেটির নাম রতন বাগল।
    তফসিলি জাতিভুক্ত মাহার সম্প্রদায়ের।
    মাকাউট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০১৫ সালে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বি.টেক করেন রতন। ফার্স্ট ক্লাস পেয়ে উত্তীর্ণ হন পশ্চিম মেদিনীপুরের কিশোরীপুর গ্রামের হতদরিদ্র পরিবারের ছেলেটি। ছেলেটির মা জঙ্গল থেকে পাতা কুড়িয়ে সংসার চালান । বাবা দিন মজুরের কাজ করতেন । এখন যক্ষা রোগে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ ।

    রতন কিছুদিন ডিটারজেন্ট কোম্পানিতে সাড়ে সাত হাজার টাকার মাইনেতে চাকরি করেন । বর্তমানে একটি অতিথিশালার সার্ভিসম্যান। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে খাবার পরিবেশন করেন ।
    মাসে সব মিলিয়ে ১২ হাজার টাকা রোজগার করেন। সেই টাকা দিয়ে গ্রামে গিয়ে অসুস্থ বাবা-মা'র চিকিৎসা করিয়ে কলকাতার ট্রেন ধরেন।
    ভোর হলেই অতিথিশালার সার্ভিসম্যান হয়ে দৌড়ান শহরের বিভিন্নপ্রান্তে নানা অনুষ্ঠানে 
    কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ফার্স্ট ক্লাস এই স্নাতক।

    সম্প্রতি রাজভবনে গিয়েছিলেন খাবার সার্ভিস করতে। সেখান থেকেই সংবাদ শিরোনামে আসে এই রতন বাগলের কাহিনী।

    এরকম কত রতন পড়ে আছেন বাংলার নিভৃত লোকালয়ে, খবরে আসেন কতজন?
    কয়জনের খবর বা আমরা রাখি?

    ফেসবুক
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খারাপ-ভাল মতামত দিন