এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  আলোচনা   শিক্ষা

  • বেঙ্গল এডুকেশন অব টেকনোলজি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট[B.I.T.M] : শিক্ষা ব্যবস্থার কলঙ্ক 

    albert banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | শিক্ষা | ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ | ৭৩ বার পঠিত
  • শিক্ষা, বিশেষত উচ্চশিক্ষা, কোনও সমাজের অগ্রগতির প্রাণকেন্দ্র। এটি কেবল পেশাদার দক্ষতাই তৈরি করে না, গড়ে তোলে উদার, যুক্তিবাদী, সমাজ-সচেতন নাগরিক। তবে যখন এই শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য ব্যক্তি গড়ার পরিবর্তে মুনাফা অর্জনে পরিণত হয়, যখন ডিগ্রি হয়ে ওঠে পণ্য, তখন তা সমগ্র শিক্ষা ব্যবস্থার উপর একটি কলঙ্কেরই ছায়া ফেলে। পশ্চিমবঙ্গ তথা পূর্ব ভারতের প্রেক্ষাপটে ‘বেঙ্গল এডুকেশন অব টেকনোলজি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট’ (B.I.T.M) এবং একই রকম বহু নামধারী বেসরকারি প্রকৌশল ও ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান এই শিক্ষা-কলঙ্কের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। এগুলি কেবল ছাত্রছাত্রীদের স্বপ্ন ও সম্পদেরই বিনিয়োগ নয়, জাতির ভবিষ্যৎকে এক গভীর অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিচ্ছে।

    অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা: শ্রেণিকক্ষ থেকে গবেষণা

    যে কোনও কারিগরি শিক্ষার প্রধান ভিত্তি হল পর্যাপ্ত অবকাঠামো। প্রকৌশল শিক্ষার জন্য লাগে আধুনিক ল্যাবরেটরি, ওয়ার্কশপ, পর্যাপ্ত কম্পিউটার সুবিধা এবং সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার। কিন্তু ল্যাব বলতে কয়েকটি পুরনো যন্ত্রপাতি, যেগুলি অনেকক্ষেত্রেই কাজ করে না। গ্রন্থাগার সাজানো হয় বহু পুরনো পাঠ্যবই দিয়ে, যেখানে আন্তর্জাতিক জার্নাল বা সাম্প্রতিক গবেষণাপত্রের কথা চিন্তা করা অবান্তর। ইন্টারনেট সংযোগ [?], ক্যাম্পাসে গবেষণার পরিবেশ শূন্যের কোঠায়। এই দৈন্য ছাত্রছাত্রীদের পাঠ্যসূচির বাইরে কোনও জ্ঞান অর্জনের সুযোগ একেবারে সীমিত করে দেয়। তারা বইয়ের তত্ত্ব পর্যন্তই সীমাবদ্ধ থাকে, ব্যবহারিক জ্ঞান থেকে বঞ্চিত হয়।

    শিক্ষকতার সংকট: অদক্ষতা ও স্বল্পতা

    শিক্ষার মূল চালিকাশক্তি হল শিক্ষক। কিন্তু এই প্রতিষ্ঠানগুলিতে যোগ্য ও নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক পাওয়া দুঃসাধ্য। পারিশ্রমিক কম,সময়ে টাকা না পাওয়া ,  কাজের পরিবেশ অনুকূল নয় এবং চাকরির স্থায়িত্ব নিয়ে নিরন্তর অনিশ্চয়তা। ফলে, হয় মেধাবীরা এখানে আসেন না, নয় আসেন অল্প কিছুদিনের জন্য চাকরি পাওয়ার অপেক্ষায়। শিক্ষকতার চেয়ে কোচিং সেন্টার বা অন্য কাজে বেশি সময় দেওয়াকে অনেকেই অগ্রাধিকার দেন। বহু ক্ষেত্রে দেখা যায়, একই শিক্ষক একাধিক প্রতিষ্ঠানে ক্লাস নিচ্ছেন, যা পাঠদানের গুণগত মানকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করে। পূর্ণকালীন শিক্ষকের সংখ্যা নামমাত্র, বাকি কাজ চলে খণ্ডকালীন বা পরামর্শদাতা শিক্ষক দিয়ে। এর ফলে ছাত্র-শিক্ষকের মধ্যে কোনও স্থায়ী ও ফলপ্রসূ সম্পর্ক গড়ে ওঠে না, যা শিক্ষার একটি অপরিহার্য অঙ্গ।

    পাঠ্যসূচি ও মূল্যায়ন: যুগের সঙ্গে অসামঞ্জস্য

    প্রযুক্তি ও ব্যবস্থাপনার জগৎ দ্রুতগতিতে বিবর্তিত হচ্ছে। কিন্তু এখানকার পাঠ্যক্রম অনেক ক্ষেত্রেই এক দশক বা তার বেশি পুরনো। শিল্পের চাহিদার সঙ্গে কোনও সংযোগ নেই। সিলেবাসে আধুনিক প্রোগ্রামিং ভাষা, ডেটা সায়েন্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার সিকিউরিটি বা টেকসই উন্নয়ন সম্পর্কিত বিষয়গুলির যথেষ্ট প্রতিফলন নেই। মূল্যায়ন পদ্ধতিও প্রশ্নবিদ্ধ। অনেক অভিযোগ রয়েছে অভ্যন্তরীণ পরীক্ষায় নম্বর বাড়িয়ে দেওয়া  ও  বাহ্যিক পরীক্ষায় পাশের হার বাড়ানোর চাপের। এই ‘পাশ করানো’(পরীক্ষার সময় কেন্দ্রীয় ভাবে গণহারে টুকলি সরবরাহ করা) সংস্কৃতি শিক্ষার্থীকে(যাদের কলেজে উপস্থিতির হার প্রায় শুন্য।অফ রেকর্ড।) ভুল আত্মবিশ্বাস দেয়, কিন্তু চাকরির বাজারে গেলেই সেই ফাঁকা কুণ্ডলী ধরা পড়ে যায়। তারা প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ে, হতাশাগ্রস্ত হয়।

    নিয়োগ ও আর্থিক অনিয়ম: শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণের চরম রূপ

    এখানে আসা শিক্ষার্থীদের বেশিরভাগই মধ্যবিত্ত বা নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে। উচ্চ শিক্ষার স্বপ্নে এবং পরিবারের সমস্ত সঞ্চয় ব্যয় করে তারা ভর্তি হয়। কিন্তু ভর্তি প্রক্রিয়াতেই শুরু হয় ধোঁকাবাজি। ডেভ্লপমেন্ট ফিস’ নামে বিভিন্ন অলিখিত ও অতিরিক্ত অর্থ আদায়। আনুষ্ঠানিক ফি কাঠামোর বাইরে গিয়ে বিপুল অর্থ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। প্রতিশ্রুত সুযোগ-সুবিধা, , ট্রেনিং, নিশ্চিত চাকরি ইত্যাদি অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পূরণ হয় না। নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানগুলির ভূমিকা প্রায় শূন্য। ক্যাম্পাস সেলেকশন বলতে যা বোঝায়, তা এখানে অনুপস্থিত। ফলে, ডিগ্রি হাতে নিয়ে হাজার হাজার তরুণ-তরুণী বেকারত্বের অন্ধকারে হারিয়ে যায়। তাদের পরিবারের আর্থিক বিনিয়োগ সম্পূর্ণভাবে বিফলে যায়, অনেক সময় ঋণের বোঝা চাপে।

    নিয়ন্ত্রক সংস্থার ভূমিকা: নিষ্ক্রিয়তা নাকি অসহায়তা?

    প্রশ্ন ওঠে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলির ভূমিকা নিয়ে। অল ইন্ডিয়া কাউন্সিল ফর টেকনিক্যাল এডুকেশন (এআইসিটিই) বা সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলির অনুমোদন পাওয়ার পর প্রতিষ্ঠানগুলি কি নিয়মিত মনিটরিং-এর আওতায় আসে? অভিযোগ রয়েছে, অনুমোদনের সময় কিছু শর্ত পূরণ করলেও পরবর্তীতে সেই শর্তাবলী আর পালন করা হয় না। নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলির নজরদারির অভাব কিংবা দুর্বলতা এই প্রতিষ্ঠানগুলিকে দুর্নীতির জন্য উন্মুক্ত করে দেয়। তদন্ত ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা, যেমন অনুমোদন বাতিল, খুবই বিরল। ফলে, তারা নির্ভয়ে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

    সামাজিক প্রভাব: একটি প্রজন্মের উপর আঘাত

    এই শিক্ষা-কলঙ্কের প্রভাব ব্যক্তি ও সমাজ উভয় স্তরেই ভয়াবহ। প্রথমত, এটি একটি প্রজন্মের সম্ভাবনাকে ধ্বংস করছে। মেধাবী কিন্তু আর্থিকভাবে দুর্বল বা সচেতনতার অভাবে পড়ে যাওয়া শিক্ষার্থীরা একটি নিম্নমানের ডিগ্রি নিয়ে জীবন শুরু করে, যা তাদের ক্যারিয়ারে স্থায়ী বাধা হয়ে দাঁড়ায়। দ্বিতীয়ত, এটি সমগ্র বেসরকারি শিক্ষা খাতের প্রতি মানুষের আস্থা হ্রাস করে। যেসব বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সততা ও মান নিয়ে কাজ করছে, তাদেরও ছাত্র সংগ্রহ করতে সমস্যা হয়। তৃতীয়ত, রাজ্যে দক্ষ ও উদ্ভাবনী জনশক্তি তৈরির প্রক্রিয়ায় এটি একটি বড় অন্তরায়। চতুর্থত, এটি সামাজিক অস্থিরতা ও হতাশা বাড়ায়, যুবসমাজ ভবিষ্যতের প্রতি আস্থা হারায়।

    সমাধানের পথ: জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা ও মানবিকতা

    এই অন্ধকার থেকে বেরোনোর পথ আছে, তবে তার জন্য দৃঢ় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ইচ্ছাশক্তির প্রয়োজন।

    ১.  কঠোর নিয়ন্ত্রণ ও স্বচ্ছতা: সকল বেসরকারি প্রযুক্তি ও ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানকে একটি কেন্দ্রীয় অনলাইন পোর্টালে নথিভুক্ত করতে হবে, যেখানে তাদের অবকাঠামো, শিক্ষক-ছাত্র অনুপাত, ল্যাবের বিবরণ, ফি কাঠামো, প্লেসমেন্ট রেকর্ড ইত্যাদি সর্বসাধারণের দেখার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। এআইসিটিই ও রাজ্য সরকারকে যৌথভাবে বেআইনি অতিরিক্ত ফি আদায় রোধে শক্ত পদক্ষেপ নিতে হবে।

    ২.  নিয়মিত নিরীক্ষা ও শাস্তি: শুধু অনুমোদন দেওয়া নয়, নিয়মিত এবং আকস্মিক নিরীক্ষা বাধ্যতামূলক করতে হবে। মানদণ্ডের ব্যত্যয় ঘটলে কঠোর শাস্তি, জরিমানা থেকে শুরু করে অনুমোদন বাতিল পর্যন্ত হতে হবে। দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।

    ৩.  শিক্ষক উন্নয়ন ও সম্মান: শিক্ষকদের বেতন কাঠামো মানসম্মত করতে হবে, তাদের প্রশিক্ষণের সুযোগ দিতে হবে এবং চাকরির নিরাপত্তা দিতে হবে। শিক্ষকতাকে আকর্ষণীয় পেশা হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

    ৪.  শিল্প-শিক্ষা সংযোগ: পাঠ্যক্রম অবশ্যই শিল্পের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে। শিল্প বিশেষজ্ঞদের নিয়ে নিয়মিত পর্যালোচনা কমিটি গঠন করতে হবে। বাধ্যতামূলিক ইন্টার্নশিপ ও প্রক্ট ভিত্তিক প্রশিক্ষণ (ভোকেশনাল ট্রেনিং) চালু করতে হবে।

    ৫.  ছাত্র সুরক্ষা ও পরামর্শ: ভর্তির আগেই ছাত্র ও অভিভাবকদের সম্পূর্ণ ফি কাঠামো, সুযোগ-সুবিধা এবং প্লেসমেন্ট পরিসংখ্যান সম্পর্কে লিখিতভাবে জানাতে হবে। একটি সহায়তা কেন্দ্র (গ্রিভেন্স রিড্রেসাল সেল) তৈরি করতে হবে যেখানে অর্থ আদায় সংক্রান্ত বা অন্য কোনও অভিযোগ দাখিল করা যাবে।

    ৬.  সচেতনতা বৃদ্ধি: মাধ্যমিক স্তর থেকেই ছাত্রছাত্রীদের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মান যাচাই, স্বীকৃতি দেখা এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ব্যাপারে সচেতন করতে হবে। গণমাধ্যমকেও এই বিষয়ে নিয়মিত প্রতিবেদন ও তদন্তধর্মী সাংবাদিকতা চালিয়ে যেতে হবে।

    উপসংহার

    ‘বেঙ্গল এডুকেশন অব টেকনোলজি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট’ এবং তার মত প্রতিষ্ঠানগুলি একটি বৃহত্তর সংকটের সিম্পটম মাত্র। এটি আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় নীতিহীন বাণিজ্যিকীকরণ, দুর্বল নিয়ন্ত্রণ এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার অভাবেরই প্রতিচ্ছবি। একটি সমাজ তখনই প্রকৃত উন্নতি করতে পারে, যখন তার শিক্ষা ব্যবস্থা ন্যায়, সততা ও উৎকর্ষের উপর প্রতিষ্ঠিত হয়। এই কলঙ্ক মোচনের দায়িত্ব শুধু প্রশাসনের নয়, শিক্ষক সমাজের, সচেতন নাগরিকের এবং সেইসব ছাত্র-অভিভাবকের যারা এই ফাঁদে পড়তে চলেছেন। শিক্ষাকে পণ্য না ভেবে জাতির ভিত্তি হিসেবে দেখতে শেখা এবং তার জন্য দাবি তুলে ধরা সময়ের অত্যন্ত জরুরি দাবি। নইলে, আমরা কেবল ডিগ্রিধারী কিন্তু অদক্ষ, হতাশ এক যুব প্রজন্ম তৈরি করব, যাদের কাছে শিক্ষা হবে একটি ব্যর্থ বিনিয়োগের গল্প, আর প্রতিষ্ঠানগুলির নাম হবে শিক্ষার ইতিহাসে এক কলঙ্কিত অধ্যায়।
     
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় প্রতিক্রিয়া দিন