এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  আলোচনা  পরিবেশ

  • কিছু হায়দ্রাবাদী সমস্যা ( প্রথম পর্ব  )

    Somnath mukhopadhyay লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | পরিবেশ | ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১১১ বার পঠিত
  • প্রথম পর্ব
    কিছু হায়দ্রাবাদী সমস্যা ( প্রথম পর্ব )

    কোথাও বেড়াতে গিয়ে সেই জায়গার ভেতরের খবর নেওয়াটা বোধহয় খুব জরুরি। ভেতরের খবর বলতে আমি বোঝাতে চাইছি সেই এলাকার বাতাবরণের হালফিলের হালৎ কেমন তার খবর, নদী নালার খবর - তাদের শরীর, স্বাস্থ্য কেমন আছে তার খবর, জলের ভাণ্ডার এবং অবশ্যই তার গুণগত মান কেমন ইত্যাদি বিষয়কেই বোঝাতে চাইছি। লোকজনকে কাছে ডেকে সেই বিষয়ে খুব ভালো পছন্দের উত্তর মিলবে না জেনেই সংবাদপত্রের পাতায় চোখ বোলাতে বাধ্য হলাম। তাতে করে যে অভিজ্ঞতা লাভ হলো তা কিন্তু যথেষ্ট উদ্বেগের। আনন্দে মজে থাকতে ভালোবাসে সবাই, আর তাই হয়তো এসব নিয়ে মাথা ঘামানোর সময় নেই তাঁদের। আমার সে দায় নেই কিন্তু সহনাগরিক হিসেবে খানিকটা দায়িত্ব আছে সমস্যা বিষয়ে তাঁদের খানিকটা সতর্ক করে দেবার। হয়তো একজন বরিষ্ঠ নাগরিকের সেই তাগিদ থেকেই এই নিবন্ধের সূচনা।

    নদীর নাম… ছি! ছিঃ?

    শহরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে টোটো কম্পানি করতে টোটোই এযাত্রায় আমাদের ভরসা। ভিড়ে ঠাসা রাস্তার মধ্যদিয়ে অনেকটা মেসির মতো ড্রিবল করতে করতে চলেছে আমাদের অটো। কৃতিত্বের দাবিদার অবশ্যই আমাদের টোটো চালক কৃষ্ণাপ্পা। সেইই ধারাভাষ্যকার । সড়কের দুইপাশে দাঁড়িয়ে থাকা বাড়ি ঘরের বিবরণী দিয়ে যাচ্ছে সানন্দে। আমরা দক্ষিণী কন্ঠস্বরের অক্লান্ত হিন্দি শব্দবন্ধকে কর্ণ বন্ধ করার চেষ্টা করছি । একটা খাতের মতো অংশ দেখে কৃষ্ণাপ্পাকে লক্ষ করে ব্রেক কষলাম – কৃষ্ণাপ্পা ! ইয়ে নালা হ্যায়? নালা বলাটা কৃষ্ণাপ্পার মনপসন্দ্ যে হয়নি তা তাঁর চোখ মুখ দেখে বুঝতে অসুবিধা হয় না। বেশ গদগদ কণ্ঠে সে বলে ওঠে – ইয়ে হ্যায় হমারা মুসা নদী? পিছলে বাঢ়কে সময় পানি ইতনী দূর তক উঠ্ চুকা থা।সাত দিনো তক পানিকে নিচে থা ইয়ে রোড। …..। কৃষ্ণাপ্পা বন্যার সময়কার কথা বলে চলে। আমরা তখন নাক ঢেকেছি মুসি নালা থেকে ভকভকিয়ে ভেসে আসা ময়লা কলুষিত জলের গন্ধে।

    অথচ এমনটা কখনোই হবার ছিলো না। পরিচিত মুসি নামের আড়ালে থাকা নদীটির পোষাকি নাম অবশ্য মুচকুন্দ এবং মুসুনুরু নদী।এই নদীকে আঁকড়ে ধরেই নিজামী হায়দ্রাবাদ ও অন্য পাড়ের সেকেন্দ্রাবাদ এই দুই যমজ শহরের তিলেতিলে বেড়ে ওঠা। কৃষ্ণা নদীর উপনদী মুসির বয়ে চলা শুরু ভিখারাবাদের অনন্ত গিরি থেকে। তারপর টানা পূর্ব দিকে বয়ে গিয়ে চিত্তালুরের কাছে পৌঁছে দক্ষিণ দিকে বাঁক নিয়েছে এবং শেষমেশ নালগোণ্ডা জেলার মির্জালাগুড্ডার কাছে ভাডাপল্লিতে কৃষ্ণার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। মাত্র ২৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ মুসিকে একসময় হায়দ্রাবাদের প্রাণ প্রবাহ হিসেবে মান্যতা দেওয়া হলেও, আজকের মুসি নদী তার অতীতের গরিমা হারিয়েছে অনেক কাল। পূতিগন্ধময় প্রবাহ ধারা আজ শ্লথগতি।

    অথচ একসময় কুলপ্লাবি বন্যায় ভেসে গিয়েছে এর দুপাশে থাকা শাহী জনপদ। ১৯০৮ সালের ভয়ঙ্কর বন্যার স্মৃতি এখনও সরকারি নথিতে বড়ো বড়ো করে লেখা রয়েছে। ১৯০৮ সালে মুসি নদী প্রবল বন্যার কবলে পড়ে। লাগাতার বর্ষণের কারণে কৃষ্ণা অববাহিকার বিস্তির্ণ এলাকা বানভাসি হয়। ১৫০০০ মানুষ মারা যায়, ঘরছাড়া হতে হয় আরও বিপুল সংখ্যক মানুষকে। এই ঘটনাটি নিজাম শাহী প্রশাসনের কাছেও খুব বড়ো রকমের চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। কীভাবে এর হাত থেকে শহরকে ভবিষ্যতে রক্ষা করা সম্ভব তা নিয়ে শুরু হয় বিস্তর চিন্তা ভাবনা। হাতে নেওয়া হয় দুটি বৃহৎ জলাশয় খননের প্রকল্প যাতে বন্যার বাড়তি জল সেখানে জমা হয়ে বন্যার ঝুঁকিকে অনেকটাই কমিয়ে দিতে পারে। ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায় যে প্রতি পাঁচ দশক থেকে এক শতাব্দীর সময়সীমায় কৃষ্ণা নদী অববাহিকায় তথা মুসী নদীতে বন্যার ঘটনা ঘটেছে। সুতরাং সাবধানী হতে হবে।

    ১৯০৮ সালে তৎকালীন সিংহাসনে আসীন সপ্তম নিজাম মীর ওসমান আলী খান এবং প্রখ্যাত ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ার স্যার এম. বিশ্বশ্বরাইয়া সমস্ত বিষয়টিকে বিস্তারিত ভাবে খতিয়ে দেখে নদীর গতিপথ বরাবর দুটি জলাশয় খননের উদ্যোগ নেন। সেই পরামর্শ অনুযায়ী – হিমায়ৎ সাগর এবং ওসমান সাগর। এই সুবিশাল জলাশয় দুটি আজ‌ও হায়দ্রাবাদের বন্যা পরিস্থিতিকে সামলে নেবার ব্যাপারে সব থেকে বড়ো ভরসা।

    কৃষ্ণাপ্পা ১৯০৮ সালের ভয়ঙ্কর বন্যার কথা জানেনা কিন্তু গত ২০২৫ সালের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকায় সে নিজেকে আর দাঁড় করাতে চায়না। বন্যার কথা বলতে গিয়ে বারবার তার চোখেমুখে বিপন্নতার ছাপ ফুটে ওঠে। আমার নজর এড়ায়নি এই পরিবর্তন। আমার উদ্বেগ অবশ্য নদীর দূষণ নিয়ে। ২০২২ সালে এই নাতিদীর্ঘ নদীটি বিশ্বের দূষিততম নদীর ক্রমতালিকায় ২২ তম স্থানে ছিল। এই অবস্থানের তেমন কোনো হেরফের ঘটেছে বলে মনে হয় না। নদীর স্বাস্থ্য মানে তো নদীর জলের স্বাস্থ্য। এখানে মুসি ডাহা ফেল। দূর্গন্ধের ঠেলায় প্রাণবায়ু বেড়িয়ে যাবার উপক্রম। নদীর হাল নিয়ে খোঁজ খবর করতে নামা একদল গবেষক যে কথা জানিয়েছেন তাতে চিন্তা বাড়ে বৈকি! বছরের ভিন্ন ভিন্ন সময়ে নদীর গুণমান পরীক্ষা করে দেখছেন তাঁরা। খোঁজ করছেন নদী দূষণের কারণ ও উৎসগুলো সম্পর্কে। একসময়ের হায়দ্রাবাদের আবাসিকদের পানীয় জলের সাথেসাথে সেচের জলের জোগান দিত, গোটা এলাকার পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় এই নদী সংলগ্ন অঞ্চলটি ছিল অনন্য। আর আজ ? দ্রুত গতিতে বেড়ে ওঠা আধুনিক হায়দ্রাবাদ,ব্যাপক শিল্পায়ন এবং অপরিকল্পিত ভাবে গড়ে তোলা কংক্রিটের জঙ্গল এবং হঠাৎ করে ফুলেফেঁপে ওঠা আবাসিকদের কারণে নদীর অস্তিত্ব আজ গভীর সংকটে।

    এই মুহূর্তে মুসি নদীর দূষণ নিয়ে গবেষণারত গবেষকরা – ইকবাল খান, আজমল কোয়া পুলিক্কাল, মহম্মদ জাকোয়ান এবং রিকি লালথাজুয়ালা সমস্যার গভীরতা মাপার কাজে ব্যস্ত রয়েছেন। সংকটের শেষ সীমায় পৌঁছে যাওয়া একটা নদীকে আবার নতুন করে পুনরুজ্জীবিত করার উপায় খুঁজছেন এঁরা। এই সময় পর্যন্ত সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী মুসি নদীর এই অবক্ষয় বৃহত্তর পরিসরে বৈশ্বিক সমস্যর‌ই অঙ্গ। আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে নদী সংক্রান্ত যে সকল তথ্যের ভিত্তিতে সমস্ত বিষয়কে মূল্যায়ন করা হয় সেগুলো এখানেও প্রয়োগ করেছেন গবেষকেরা এবং তাতে করে দেখা গেছে মুসির জল পান করা তো দূরের কথা সেচের কাজেও ব্যবহার করার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

    নদীর নিম্ন প্রবাহে দূষণের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার পেছনে বেড়ে ওঠা নগর জনবাসীর সংখ্যাকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন গবেষকরা। তাঁদের মতে অনিয়ন্ত্রিতভাবে বিপুল পরিমাণ বর্জ্য পদার্থ ও বর্জ্য জলের কারণে নদীর জল দূষিত হচ্ছে ব্যাপকভাবে। বাপুঘাট, মুসারামবাগ এবং নাগোল এলাকায় জল দূষণের পরিমাণ সব একক সীমা অতিক্রম করে গেছে। সমস্ত ময়লা জল এসে জমা হচ্ছে নদীতে অপরিস্রুত অবস্থায় যার ফল ভয়াবহ। দূষণের কারণে জলে দ্রবীভূত অক্সিজেনের অভাবে জলজ উদ্ভিদ ও প্রাণীদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। নদীর উচ্চ, মধ্য ও নিম্ন প্রবাহে জলের গুণমানের বিপুল পার্থক্য বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা বাড়িয়ে দিয়েছে। নদীর মাটির অংশে থাকা হায়দ্রাবাদ নগরী সতত‌ই প্রমাণ করে যে নদীর অবক্ষয়ের পেছনে মানুষের ভূমিকা সর্বাধিক। জলের গুণমান বিভিন্ন দিক থেকে মাপজোক করে গবেষকরা এই অঞ্চলের ভূতাত্ত্বিক গঠনকেও আংশিকভাবে দায়ী করেছেন বিশেষ করে জলের ক্ষারধর্মী হবার পেছনে এই অঞ্চলের ভূস্তরে চুনাপাথরের উপস্থিতিকে দায়ী করেছেন তাঁরা।

    হায়দ্রাবাদের দ্রুত নগরায়ন এই অঞ্চলের ভূমির ব্যবহারিক চরিত্রকে অনেকটাই নেতিবাচক পরিবর্তনের পথে নিয়ে গেছে। গবেষণায় উঠে এসেছে যে বিগত কয়েক বছরে জলাভূমির পরিসর ৪৮% কমে গেছে, গাছপালার পরিমাণ কমেছে ৩৮% , কৃষিজমির বিস্তৃতি কমেছে ৩১% । অন্যদিকে কংক্রিটের জঙ্গল বেড়েছে প্রায় ৫০%। অ টেকস‌ই ভঙ্গুর উন্নয়ন, নদী জলের গুণগত ও পরিমাণগত মান – দুইই বদলে দিয়েছে। হায়দ্রাবাদের ভূ পৃষ্ঠীয় জল এবং ভূগর্ভস্থ জল ভাণ্ডার ক্রমশই অব্যবহার্য হয়ে পড়ছে। কৃষির ওপর এর প্রভাব পড়বে সন্দেহাতীতভাবে। নদীর জল দূষণ কেবল ফসলের উৎপাদন কমিয়ে দেবে তা নয়, ফসলের গুণগত মানের‌ও সমস্যা দেখা দেবে।

    সমস্যার কথা তো অনেক বলা হলো এবার তার সমাধানের কথাও ভাবতে হবে নতুন করে। রাতারাতি সব কিছুকে বদলে, আধুনিক হবার দৌঁড়ে সামিল হতে গিয়ে এই দক্ষিণী মহানগরীটি নিজের অস্তিত্বের সংকটকে আরও অনেক তীব্র করে তুলেছে। এখন সত্যিই সময় এসেছে সতর্ক হবার।

    ( চলবে… )
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
    প্রথম পর্ব
  • আলোচনা | ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১১১ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঠিক অথবা ভুল মতামত দিন