এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • পশ্চিমা সভ্যতা: 'উন্নতি'র মুখোশের আড়ালে 

    albert banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ৫১ বার পঠিত
  • যে আলোকে ছায়া জড়ায়

    পৃথিবীর ইতিহাস আজ এক অদ্ভুত 'মোনালিসা'র হাসি হাসছে। সেই হাসির একদিক উজ্জ্বল বিজ্ঞান-প্রযুক্তির আলোয় স্নাত, অন্যদিক গ্রাস করেছে গভীর এক নৈরাশ্যের ছায়া। এই হাসির চিত্রকর—পশ্চিমা সভ্যতা। যে সভ্যতা মানুষের হাতে দিয়েছে পরমাণু শক্তি, দিয়েছে ইন্টারনেটের মহাঝড়, দিয়েছে 'স্বাধীনতা'র মন্ত্র। কিন্তু সেই হাতেই সৃষ্টি করেছে পরমাণু বোমা, তথ্যের কারাগার আর 'স্বাধীনতা' নামের নতুন বোঝা। রবীন্দ্রনাথ যেমন বলেছিলেন, "সভ্যতা মানুষের মনকে যন্ত্র করে তোলে", পশ্চিমা সভ্যতার চূড়ান্ত রূপটি যেন সেই কথারই জীবন্ত প্রমাণ। আমরা আজ দাঁড়িয়ে আছি এক মহা-প্রলয়ের মুখে, যার নকশাকার এই 'উন্নত' সভ্যতাই।

     রক্তে রাঙানো উন্নয়নের ইতিহাস

    পশ্চিমা সভ্যতার গল্পটা শুরুই হয়েছিল দখল-লুন্ঠনের মধ্য দিয়ে। মনে পড়ে যায় কাজী নজরুলের সেই বিখ্যাত পঙ্ক্তি— "সভ্যতার খোলস ভেঙে ফেল, করো রণ-ভেরী বাজিয়ে দোর্দণ্ড!" পশ্চিমের সেই 'সভ্যতার খোলস' ভাঙতে গিয়েই লুটেপুটে খেয়েছে গোটা দুনিয়া।

    ঔপনিবেশিকতার 'সূর্য' যে অস্ত যায়নি
    পশ্চিমা দেশগুলো যখন বলে তারা 'উন্নয়ন' করছে, আমাদের বুঝতে হবে সেই উন্নয়নের ভিত্তি কী। ব্রিটিশরা ভারত থেকে তুলে নিয়ে গেছে ৪৫ ট্রিলিয়ন ডলারের সমপরিমাণ সম্পদ। শুধু অর্থ নয়, ভেঙে দিয়েছে স্বয়ংসম্পূর্ণ কৃষি ও শিল্প ব্যবস্থা। বাংলার মসলিন কাপড়, যার সূক্ষ্মতা প্রবাদপ্রতিম, তার কারিগরদের  নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া হয়েছিল ম্যানচেস্টারের মিলের সুতো রক্ষায়। এখানে 'মুনাফা' মানুষের জীবনের চেয়ে বড় হয়ে উঠেছিল। ফরাসি দার্শনিক ফ্রানৎজ ফানোঁ বলেছিলেন, ঔপনিবেশিকতা কেবল জমি দখল করে না, তা 'মস্তিষ্ক'ও দখল করে। আজও আইএমএফ-বিশ্বব্যাংকের 'কাঠামোগত সমন্বয় কর্মসূচি' সেই দখলদারিত্বের নতুন নাম। ঋণ দেওয়ার আগে যেসব শর্ত চাপিয়ে দেওয়া হয়, তা গরীব দেশের শিক্ষা-স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দেয়। এ যেন ঔপনিবেশিকতার 'নব্য-কায়দা'।

     পুঁজির দানব ও মানুষের যন্ত্র হয়ে ওঠা

    পশ্চিমা সভ্যতার সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার হলো তার অর্থনৈতিক ব্যবস্থা—পুঁজিবাদ। এই পুঁজিবাদ প্রথমে মানুষকে 'শ্রমিক' বানায়, তারপর 'ভোক্তা' বানায়, আর সবশেষে 'তথ্য' বানায়। এর প্রতিটি ধাপেই মানুষ তার মানুষসত্তা হারায়।

    ভোগের যন্ত্রণা
    পশ্চিমা ভোক্তাসভ্যতায় মানুষ এখন আর 'নাগরিক' নয়, সে 'গ্রাহক'। তার পরিচয় তার ক্রেডিট কার্ডের সীমা, তার গাড়ির মডেল, তার ফোনের সংস্করণে। এই ব্যবস্থা মানুষের মনে তৈরি করে 'অভাব'! হ্যাঁ, প্রকৃত প্রয়োজন মেটানো নয়, নতুন নতুন অভাব তৈরি করাই এ ব্যবস্থার কাজ। বিজ্ঞাপনের ঝলকানি, সামাজিক মাধ্যমের চাকচিক্য আমাদের বলতে থাকে—তুমি যেই, তাই যথেষ্ট নয়। কিনে ফেলো, ভোগ করে ফেলো, ফেলে দিয়ে আবার কিনো। রবীন্দ্রনাথের ভাষায়— "ক্ষুধার রাজ্য পৃথক্, তৃষ্ণার রাজ্য পৃথক্" —আজকের পুঁজিবাদ এই তৃষ্ণাকে অসীম করে তুলেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি বছর ৮ কোটি টন খাদ্য নষ্ট হয়, অথচ সেই দেশেই ৪ কোটির বেশি মানুষ খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে। এই অসাম্যই পুঁজিবাদের স্বাভাবিক ফল।

    যন্ত্রের দাসত্ব
    কার্ল মার্ক্সের 'alienation ' তত্ত্ব আজ আগের চেয়েও বেশি প্রাসঙ্গিক। মানুষ তার কাজ থেকে, তার উৎপাদন থেকে, তার সহকর্মী থেকে এমনকি নিজের থেকেও বিচ্ছিন্ন। দিল্লি বা ঢাকার একটি কল-সেন্টারে কাজ করা তরুণ-তরুণীরা রাত জেগে সেবা দেয় নিউ ইয়র্ক বা লন্ডনের গ্রাহকদের। তাদের জীবনযাত্রার মান, তাদের সুখ-দুঃখের কোনো মূল্য নেই—কেবল 'কাস্টমার স্যাটিসফ্যাকশন স্কোর'ই গুরুত্বপূর্ণ। তারা যেন জীবন্ত রোবট। জীবন শুধু ক্লান্তিকর প্রতিদ্বন্দ্বিতা— পড়াশোনায়, চাকরিতে, সামাজিক মর্যাদায়। এই প্রতিযোগিতা যে কতটা নির্মম, তা বুঝেছিলেন কবি জীবনানন্দ দাশ, তিনি লিখেছিলেন— "মানুষ এখানে ক্লান্ত;/মানুষ হোথায় ক্ষান্ত;/মানুষ খুঁজেছে নক্ষত্রের সিংহাসন;/অথচ মানুষ নক্ষত্রের চেয়ে বড়।" কিন্তু পুঁজিবাদের দুনিয়ায় মানুষ নক্ষত্রের চেয়ে ছোট হয়ে গেছে— সে শুধুই 'মানবসম্পদ'।

     পরিবারের মৃত্যু ও একাকিত্বের সাম্রাজ্য

    পশ্চিমা সভ্যতা ব্যক্তিকে এতটা স্বাধীন করেছে যে, সে এখন চরমভাবে একা। পারিবারিক বন্ধন, প্রতিবেশীর সম্পর্ক, সম্প্রদায়ের ঐক্য— সবকিছুই ধ্বংসের মুখে।

    আত্মার শূন্যতা
    পশ্চিমা সমাজে বৃদ্ধাশ্রম, ডে-কেয়ার সেন্টার, সাইকোথেরাপির চেম্বার ভরে উঠছে। কারণ পরিবার ও সম্প্রদায়ের স্বাভাবিক সহায়তা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। 'আমি', 'আমার', 'আমার অধিকার'— এই শব্দগুলোর জয়গানে 'আমরা', 'আমাদের', 'আমাদের দায়িত্ব' হারিয়ে গেছে। ফরাসি সমাজবিজ্ঞানী এমিল দুর্খেইম এই অবস্থার নাম দিয়েছিলেন 'আনমি'— অর্থাৎ আদর্শ ও নৈতিকতার শূন্যতা, উদ্দেশ্যহীনতা। যখন সমাজের বাঁধন শিথিল হয়, মানুষ হতাশায় আত্মহননের পথ বেছে নেয়। জাপান, যারা পশ্চিমা মডেল গ্রহণ করেছে, সেখানে 'করোজি' বা কর্মস্থলে অতিরিক্ত কাজের চাপে মৃত্যু, এবং একাকিত্বে মৃত্যু ('কোডোকুশি') জাতীয় সমস্যা দেখা দেয়। এই যে 'ডিজিটাল সংযোগ'— ফেসবুকের হাজার বন্ধু, ইনস্টাগ্রামের লাইক— তা প্রকৃত সংযোগ তৈরি করে না, বরং গভীর একাকিত্বকে ঢেকে রাখে।

     প্রকৃতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা

    পশ্চিমা দর্শন প্রকৃতিকে দেখেছে 'নিয়ন্ত্রণের বস্তু' হিসেবে। ফ্রান্সিস বেকনের বিখ্যাত উক্তি— "জ্ঞানের লক্ষ্য হলো প্রকৃতিকে দাস বানানো"— এই মনোভাবেরই প্রকাশ। ফলাফল কী হয়েছে?

    ধ্বংসের চাকা
    পশ্চিমা শিল্পায়নের জন্য যে কার্বন ডাই-অক্সাইড বায়ুমণ্ডলে ছাড়া হয়েছে, তার বোঝা এখন গরীব দেশগুলোকে কাঁদিয়ে মারছে। বাংলাদেশ, মালদ্বীপের মতো দেশ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির শিকার, অথচ দায়ী পশ্চিমা দেশগুলো তাদের অতিভোগের ফলে সৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের দায় তারা 'জলবায়ু তহবিল' এর নামে সামান্য অর্থ দিয়ে মেটাতে চায়। এ যেন ছুরি মেরে পরে ওষুধ দেওয়া! প্লাস্টিক দূষণের ৯০% দায় কেবল পশ্চিমা বিশ্ব ও বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর। তারা তাদের বর্জ্য পাঠায় এশিয়া ও আফ্রিকার দরিদ্র দেশগুলোতে। প্রকৃতির সাথে এই যুদ্ধে মানবজাতি হেরে যাচ্ছে— বন্যা, খরা, দাবানল, মহামারী এখন নিত্যদিনের ঘটনা। এখন সোলার প্যানেল। 

     মন ও সংস্কৃতির উপনিবেশায়ন

    পশ্চিমা সভ্যতা শুধু জমি দখল করেনি, দখল করেছে আমাদের কল্পনা, আমাদের স্বপ্ন, আমাদের সৌন্দর্যবোধকেও।

    একই রকমের বিশ্ব
    আজ ঢাকার গুলিশান, দিল্লির সাকেত আর লন্ডনের ক্যানারি হোয়ার্ফ দেখতে একই রকম— একই গ্লাস-স্টিলের অট্টালিকা, একই ব্র্যান্ডের দোকান, একই ধরনের কফি শপ। স্থানীয় সংস্কৃতি, স্থাপত্য, রুচি বিলুপ্তির পথে। হলিউডের ছবি, পশ্চিমা পপ সঙ্গীত, ইউরোপীয় ফ্যাশন— এসবের একচেটিয়া আধিপত্যে আমাদের নিজস্ব গল্প বলার ভাষাই আমরা ভুলে যাচ্ছি। ইংরেজি 'গ্লোবাল ভাষা' হয়ে উঠায় বাংলা-সহ শত শত ভাষা তাদের জ্ঞানচর্চার ঐতিহ্য হারাচ্ছে। আমরা চিন্তা করছি ইংরেজিতে, স্বপ্ন দেখছি পশ্চিমা ছাঁচে। এটাই সবচেয়ে ভয়ঙ্কর উপনিবেশায়ন— মনের উপনিবেশায়ন। আমাদের তরুণেরা এখন 'ব্রাউন-সাহেব' বা 'ব্রাউন-মেম'— বাইরে বাংলা, ভিতরে পশ্চিমা মূল্যবোধ।

     গণতন্ত্রের মৃত্যু ও যুদ্ধের ব্যবসা

    পশ্চিমা গণতন্ত্র আজ মুনাফা ও যুদ্ধের জালে জড়িয়ে পড়েছে।

    নির্বাচনের মহাযজ্ঞ
    গণতন্ত্র এখন 'ব্যান্ড, ব্যালট, ব্যালট-বক্স' এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ। ভোটের আগে শত প্রতিশ্রুতি, ভোটের পরে সব ভুলে যাওয়া। রাজনীতি এখন পেশাদার রাজনীতিক ও কর্পোরেট লবির খেলার মাঠ। সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর আর শোনা যায় না। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কয়েক বিলিয়ন ডলার খরচ হয়— এই অর্থই প্রমাণ করে, ক্ষমতা এখন সাধারণ মানুষের হাতে নেই, আছে বড় পুঁজির হাতে।

    যুদ্ধের বাজার
    আমেরিকা প্রতি বছর ৮০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি সামরিক খাতে খরচ করে। এর কারণ, যুদ্ধ একটি লাভজনক ব্যবসা। ইরাক, আফগানিস্তান, লিবিয়া— কোটি কোটি মানুষের মৃত্যু, ধ্বংস আর শরণার্থী সংকটের পেছনে ছিল তেলের পাইপলাইন নিয়ন্ত্রণ ও অস্ত্র বিক্রির সুযোগ। পশ্চিমা সভ্যতা 'শান্তি' ও 'মুক্তি'র কথা বলে, কিন্তু তার সবচেয়ে লাভজনক রফতানি পণ্য হলো— অস্ত্র আর যুদ্ধ।

    নতুন স্বপ্নের সন্ধানে

    পশ্চিমা সভ্যতা আজ এক 'ফাউস্ট'-এর মত। জ্ঞান-বিজ্ঞানের শক্তি লাভ করেছে, কিন্তু তার বিনিময়ে বিক্রি করে দিতে চলেছে তার আত্মা— মানবিকতা, সহমর্মিতা, প্রকৃতির সাথে সম্প্রীতি। এই সভ্যতার সবচেয়ে বড় কুফল হলো— এটি আমাদের ভাবতে শিখিয়েছে যে 'অধিক' অর্থেই 'শ্রেষ্ঠ'। অধিক উৎপাদন, অধিক ভোগ, অধিক লাভ, অধিক নিয়ন্ত্রণ।

    কিন্তু বাংলা ও পূর্বের দর্শন আমাদের অন্য পথ দেখায়। রবীন্দ্রনাথ 'সভ্যতার সংকট'-এ বলেছিলেন, পশ্চিমের সভ্যতা 'যন্ত্র-সভ্যতা' যা 'মানুষকে কেবলি খাওয়াইয়া মাত্র বাঁচাইয়া রাখিতে চায়'। আমাদের দরকার 'সম্প্রীতি'র সভ্যতা, 'সহযোগিতা'র সভ্যতা। যে সভ্যতায় উন্নয়ন হবে প্রকৃতির সাথে তাল মিলিয়ে, প্রগতি হবে সমষ্টির কল্যাণে, স্বাধীনতা হবে দায়িত্ববোধের সাথে।

    পশ্চিমা সভ্যতার বিপুল শক্তি ও জ্ঞানকে অস্বীকার করা যায় না। কিন্তু সেই শক্তি যদি ন্যায়, সংযম ও প্রজ্ঞার অনুশাসনে না চলে, তবে তা মহাবিনাশ ডেকে আনবে। আমাদের গ্রহণ করতে হবে তার বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও ব্যক্তিমুক্তির ধারণা, কিন্তু প্রত্যাখ্যান করতে হবে তার লোভ, আধিপত্য ও বিচ্ছিন্নতার সংস্কৃতি। মানবজাতির ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে পশ্চিমের 'কী' এবং পূর্বের 'কেন'-এর মাঝে একটি সুষম সমন্বয় খুঁজে পাওয়ার উপর। সময় এসেছে নতুন এক 'বাংলা রেনেসাঁস'-এর, যেখানে আমরা বিশ্বকে শেখাবো 'বেঁচে থাকা' আর 'জীবনযাপন'-এর পার্থক্য।

     
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লড়াকু মতামত দিন