এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • ছোট গল্প :খোঁজ

    manojit bose লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ৪৯ বার পঠিত
  • খোঁজ
     
    মনোজিৎ বোস

    কড়কড়ে সাতটা পাঁচশ টাকার নোট,দুটো দুশো,পাঁচটা একশো টাকা,একটা পঞ্চাশ।বাকি দশ আর কিছু খুচরো নিয়ে সব মিলিয়ে সাড়ে চারহাজার মত ছিলো পার্সটাতে।মানিব্যাগটা ঝেড়েপুঁছে দেখে নিয়ে অবহেলায় পাশের ডাস্টবিনে ফেলে দিল কেষ্ট।পল্টু, ছোটন আর সাজিদকে ওদের ভাগের বখরা দিয়েও আজ কেষ্টর পকেটে হাজার তিনেক থাকবে।যদিও এটার বখরা ওদের পাওয়ার কথা নয়,কারণ সকালের বউনিটা আজ কেষ্ট একাই সেরেছে।
    তবে আজ অব্দি কেষ্ট কোনোদিন ওর তিন শাগরেদ কে বখরা দেয়নি এমন হয়নি।ওরা ওর সাথে না থাকলেও দিয়েছে।
    প্রায় উড়তে উড়তেই বাচ্চুদার দোকানে এলো কেষ্ট।
    - একটা লিকার বাচ্চুদা,চিনি বেশি।
    - কত পেলি?ভালোই মেরেছিস মনে হচ্ছে।হাসি তো ধরছে না।
    চা বানাতে বানাতেই বললো বাচ্চুদা।
    - তুমি না শালা বহুত ইয়ে মাইরি...মুখ দেখেই ক্যাচ করে নাও।
    পকেট থেকে একটা দুশো টাকার নোট বার করে বিস্কুটের কৌটোর ওপর রেখে দিলো কেষ্ট।
    - হিসেবে লিখে নাও।সত্তর পেতে,বাকি জমা রইলো।
    টাকাটা তুলে একটা ছোট খাতায় কলম চালিয়ে বাচ্চুদা আবার বললো - " কিরে নবাব খাঁঞ্জা খাঁ , বললি না তো?"
    আড়চোখে বাচ্চুদাকে একবার মাপলো কেষ্ট।
    - আবার মাপছিস কি রে ঢ্যামনা?শালা তোকে ন্যাংটো থেকে দেখছি।থানায় তুলে নিয়ে গিয়ে যখন বাটাম দেয় তখন এই বাচ্চুদাই ছাড়িয়ে আনে মনে রাখিস।তোর থেকে কি ভাগ চাইবো না কি রে? তোর পকেটমারির টাকায় মুতে দি রে শালা।শুধু তোর মরা মা টা আমাকে রাখী বাঁধতো,ফোঁটা দিত; তাই তোকে লাই দি।
    গজগজ করেই চললো বাচ্চুদা।
    - না পড়াশুনা করলি,না কোনও ভদ্র কাজ করলি...কত জায়গায় তোর জন্য কাজের কথা বলে শেষে নিজের মান সম্মান নিয়ে টানাটানি।হারামী বাপের ছেলে পকেটমার না হয়ে ভদ্র হবে?তাহলেই হয়েছে।
    এবার ঝাঁঝিয়ে উঠলো কেষ্ট।
    - এই তোমার পবলেম বাচ্চুদা, জানো তো?সক্কাল সক্কাল তোমার ঐ সেন্টু তে সুড়সুড়ি দেওয়া ছাড়া আর কোনও কাজ নেই।রোজ এক ভ্যানতারা।ঐ এক ক্যাসেট না বাজালে তোমার চা ফোটে না,না? সাড়ে চার হাজার মতো মেরেছি,হয়েছে?শান্তি?
    ফিক করে হেসে ফেললো বাচ্চুদা।
    - শালা কি ভাগ্য রে তোর! এখন সব লোক পকেটে কার্ড ফার্ড নিয়ে ঘোরে শুনি।আর তুই তার মধ্যেই ক্যাশ ঝেড়ে সাফ করে দিচ্ছিস!
    - এটা ঠিক বলেছো মাইরি।দিনে চারটে কেসে অধ্যেকই শালা ওই কার্ডের লাফরা।
    - রাতে বাংলা গিলে আর ঐ মাগীর পিছনে সব গচ্চা দিসনা।জমিয়ে রাখ।এতো পাপ করছিস,এরপর তো হাতে নুলো হবেই,তখন কাজে লাগবে।
    ভাঁড়ে চা ঢালতে ঢালতে বললো বাচ্চুদা।
    - তুমি চা দেবে?না কি শুধু ঝাট জ্বালাবে?
    - এই নে।
    একটা লম্বা চুমুক দিলো কেষ্ট।
    - কোন দোকানের চিনি কেনো মাইরি? একদম মিষ্টি না চিনিটা।কড়কড়ে দুশো টাকা দিলাম,তাও এক চামচ বেশি চিনি দিতে পারলে না!কি বিষ মাল গো তুমি!!
    বাচ্চুদা এক চামচ চিনি বাড়িয়ে দেয়।
    - লাগবে না,অনেক আদিখ্যেতা করেছো।ঘুগনি আর পাউরুটি দাও।।
    - ঘুগনি রুটি খেয়েই তো চা টা গিলতে পারতিস।।খালি পেটে চা ঢেলে ঢেলে তো লিভারটা ভোগে পাঠিয়ে দিচ্ছিস।।
    কান অবধি একটা দেঁতো হাসি হাসে কেষ্ট।
    - আগে চা, তারপর ঘুগনি রুটি,তারপর আবার চা।শালা হাগলেও চা বেরোবে,বমি করলেও চা বেরোবে।ঘুগনি রুটিটা পেটে থেকে যাবে।এসব তুমি বুঝবে না,লেবেলের ব্যাপার।
    দুজনেই খ্যাক খ্যাক করে হেসে ওঠে।

    দুপুরে একটা সাড়ে সাতশো আর বিকেলে একটা এগারোশো হলো।দিনটা আজ কেষ্টর।তবে ওর ট্র্যাক রেকর্ড মোটের উপর ভালোই।বছর বারো তেরো আগে যখন লাইন প্রথম এসেছিলো তখন তিন চারবার ধরা পড়ে আড়ং ধোলাই খেয়েছে,জেলেও ঢুকেছে।কিন্তু শেষ পাঁচ সাত বছর কোনও কেস খায়নি।মাখনের মধ্যে দিয়ে ছুরি চালানোর মতো হাত চলে কেষ্টর।লাইনের সিনিয়র দাদা কাকু জেঠুরাও আজকাল কেষ্ট কে সমীহ করে। পল্টু ছোটন আর সাজিদ ওর কাছেই নাড়া বেঁধেছে।হাত ভালো সাজিদের। ওকেই মাঝে মাঝে সরাসরি কাজ করতে দেয় কেষ্ট।বাকিরা শুধু ওদের সাহায্য করে।
    স্কুলে ক্লাস সেভেনে দুবার ডিগবাজি দিয়ে আর ও মুখো হয়নি কৃশানু ওরফে কেষ্ট দাস।মা বেদম পিটিয়েও ওকে আর স্কুলে পাঠাতে পারেনি।সারাদিন বাড়ি বাড়ি ঘর মোছা, বাসন মাজার কাজ করে আর সন্ধ্যেবেলা সেলাই করে সংসারটা ভেসে যেতে দেয় নি। ওর বাপটা অনেক আগেই ওর মাকে ছেড়ে চলে গিয়েছিলো,তখন কেষ্ট মায়ের পেটে।বাপের মুখটা ভালো মনে নেই কেষ্টর।মায়ের কাছে একটা ছেঁড়া সাদাকালো ছবি ছিলো,ছোটবেলায় দেখেছে কেষ্ট।মা বুকে করে রাখতো।বছর চারেক আগে যখন পেটে আলসার হয়ে মা মরে বাঁচলো তখন কেষ্টর খুব একটা তাপ উত্তাপ হয়নি।কেষ্ট চেষ্টা করেছিলো ,কিন্তু কিছু হয়নি।ঘা হয়ে আর কিছু ছিলো না।আসলে মায়ের বাঁচার ইচ্ছেও ছিলো না।বর ভেগেছে,ছেলে পকেটমার। মায়ের মনের মা টা মরে গেছিলো যেদিন কেষ্ট প্রথম পকেট কাটে।সাতদিন ঘরে ঢুকতে দেয়নি।তখন ঐ বাচ্চুদার ঘরের বাইরে একটা ভাঙ্গা চৌকিতে রাত কাটাতো সে।বাচ্চুদা মায়ের দাদার থেকেও বেশি ছিলো।পাতিপুকুর রেললাইনের ধারের বস্তির ঘরটা এমনকি সেলাই মেশিনটাও বাচ্চুদা জোগাড় করে দেয়।কেষ্টর জন্য গ্যারেজে কাজ খুঁজে দিয়েছিলো, বাসের হেল্পার এর কাজও জুটিয়েছিল।কিন্তু কেষ্ট তখন কাঁচা পয়সা মারতে হাত পাকিয়ে ফেলেছিল।যতদিন মা ছিলো চক্ষুলজ্জা ছিলো।এখন কেষ্ট হাতের বাইরে চলে গেছে।সকাল বিকাল বাসে বাসে পকেটমারী,রাতে গলা অবধি বাংলা ঢেলে বস্তির ঘরে গিয়ে মড়া হয়ে যায়।আর কোনোদিন ইচ্ছে হলে দর্জিপাড়ায় রাত কাটায়।

    ভালো মন্দে দিনগুলো কাটছিলো।কিন্তু......

    দুদিন জ্বরে বেহুঁশ ছিলো কেষ্ট।শাগরেদরা পালা করে দেখাশোনা করেছে ওদের নিজেদের গরজেই।কেষ্টর হাত চললে ওদেরও পেটে দানা পানি জোটে।ওদের ঘরেও অনেকগুলো খালি পেট হাঁ করে থাকে।শনিবার সকাল থেকে জ্বরটা না থাকায় দুপুরে কেষ্ট জোর করেই বেরিয়ে পড়লো।
    বাচ্চুদা দোকান বন্ধ করে ঘরে আসছিলো।
    - কি রে! ভর দুপুরে কোথায় যাচ্ছিস?!জ্বর কমেছে?
    - হ্যাঁ গো।এখন বিন্দাস আছি। যাই,দেখি কিছু জোটাতে পারি কি না।দু দিন বসে আছি, হাত খালি।
    - হাত খালি তো কি রে হারামজাদা?বাচ্চুদা কি মরে গেছে?যা ঘরে যা।আজ আর কাল বিশ্রাম নে,সোমবার বেরোস।
    - না গো,ওদের হাতে কিচ্ছু নেই।আমার জন্য তুমি আছো বাচ্চুদা,কিন্তু ওদের তো আমি ছাড়া...
    - শালা আমার দাতাকন্ন এলেন রে....যা মরগে যা।আমাকেও মুক্তি দে...
    রেগে আগুন হয়ে হনহন করে চলে যায় বাচ্চুদা।
    আনমনে হেসে ফেলে কেষ্ট।লোকটা বড্ড ভালো,বুক দিয়ে আগলে রাখে কেষ্ট কে।যেটা ওর ঐ হারামী বাপটার
    করার কথা ছিলো ।ভাবতেই মাথাতে আগুন জ্বলে যায় কেষ্টর।
    ঘণ্টা খানেক এ বাস ও বাস করে একটা দেড়শো টাকা হয়েছে মোটে।একে আজ শনিবার, তার ওপর দুপুরবেলা।অফিস ছুটি,লোকজন কম,বাসও খালি।
    শ্যামবাজার মোড়ের একটা চায়ের দোকানে চারজনে চা খেয়ে একটা সিগারেট ধরালো কেষ্ট।ছোটন বললো," কি করবে গুরু?আজ তো পুরো ছবি কেস।"
    - অভি ছোড় দো , শাম কো টেরাই মারতে হ্যায়"
    বললো সাজিদ।
    - হুম,ঠিকই বলেছিস,এখন মনে হচ্ছে কিছু হবে না।
    - একটা কথা বলবো কেষ্টদা?
    পল্টু বললো।
    - বল।
    - আজ তো শনিবার।মাঠে রেস চলছে তো।যাবে নাকি?ওখানে তো বেশ ভিড় থাকবে।
    কথাটা শুনে একটু ভাবলো কেষ্ট।তিনটে মুখ আশা করে তার দিকে তাকিয়ে।কেষ্ট হাতটা চুলের মধ্যে দিয়ে চালিয়ে নিলো একবার।
    - চ'
    সাজিদ আনন্দে মুখে দুটো আঙুল পুরে জোরে একটা সিটি মারলো।
    রেসকোর্সে বেশ ভিড়।সবাই দশ কা বিশ,দশ কা পচাশ করতে এসেছে।
    - শোন,এখানে ঘিরে ধরে কাজ হবে না,ফেঁসে যেতে পারি।
    - তাহলে?
    পল্টু বললো।
    - তোরা আমার আসে পাশে থাক।আমি টাগ্যেট পেলেই ইশারা করবো।আমি হাত চালালেই সাজিদ তুই সামনে থেকে এসে ধাক্কা মেরে হাওয়া হয়ে যাবি।ছোটন তুই আমার পিছনে থাকবি,মাল নিয়ে সরে যাবি।
    - আর আমি?
    জানতে চাইলো পল্টু।
    - তুই একটু দূরে থাকবি।যেই আমি এগিয়ে যাবো তোর দিকে তুই অমনি চোর চোর বলে অন্যদিকে দৌড়বি।যেন তুই চোরের পিছনেই ছুটছিস।মনে থাকবে?
    সবাই ঘাড় নেড়ে নিজের নিজের জায়গায় চলে গেলো।

    লোকটা কেষ্টর থেকে হাত দশেক দূরে দাঁড়িয়ে।ধোপদুরস্ত জামাকাপড়।সিগারেট টানছে আর ঘোড়ার বইয়ের পাতা উল্টোচ্ছে।পাশে আরো দু তিনজন ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
    সাজিদের দিকে হাত নাড়লো কেষ্ট।সাজিদ টানটান হয়ে এগোতে শুরু করলো।
    - আমার ঠিক পিছনে থাকবি,আমি ব্যাগটা চালান করলেই হাওয়া হয়ে যাবি।
    কথাটা বলেই কেষ্ট এগোলো শিকারী চিতার মতো।পিছনে ছায়া হয়ে সেঁটে গেলো ছোটন।
    কাজটা মাখনের মতো হয়ে গিয়েছিলো।ভালোই ক্যাশ আছে সেটা কেষ্ট একঝলকে দেখে নিয়েছিলো।বাস ধরে যখন পাতিপুকুর রেলব্রিজে নামলো চারজন তখন প্রায় সন্ধ্যে।লাইনের ধারে একটা ফাঁকা জায়গায় গিয়ে ব্যাগটা বার করলো কেষ্ট।তিনজনের ভাগে হাজার টাকা করে দিয়ে পকেটে হাজার তিনেক পুরলো কেষ্ট।
    - খুচরো আরো তিনশ আছে,আজ রাতে বিরিয়ানি আর বাংলা পাটি।পল্টুর জন্য কোল ডিনকস।
    কেষ্টর কথায় তিনজনেই হুররে বলে চিল্লিয়ে উঠলো।
    ভাগ বাটোয়ারা করে মানিব্যাগটা ফেলতে গিয়ে একটা ধাক্কা লাগলো কেষ্টর,বুকটা ধক করে উঠলো।
    - কেয়া হুয়া ভাইয়া? চালো...
    সাজিদের কথা কানে ঢুকলো না কেষ্টর। ওর হাতটা কাঁপছে।আবার জ্বরটা আসছে।ব্যাগের ভেতরে একটা ছেঁড়া সাদা কালো ছবি।ঠিক যেমন মায়ের কাছে একটা ছেঁড়া ছবি ছিলো,ঠিক তেমনি।শুধু এই ছবিটাতে ওর মায়ের মুখটা দেখা যাচ্ছে।বয়স টা কম,কিন্তু এটাই ওর মা....
    - তার মানে ঐ লোকটা....!!!!!
    অস্ফুটে বললো কেষ্ট।
    পায়ের নিচের মাটিটা দুলে উঠলো কৃশানুর।একটা থ্রু ট্রেন চলে যাচ্ছে ওর সামনে দিয়ে ওকে এলোমেলো করে দিয়ে।
    কেষ্ট আজও খুঁজে বেড়াচ্ছে লোকটাকে..... ঝাপসা মনে থাকা মুখটা মিলিয়ে দেখার চেষ্টা করে চলেছে...
    সমাপ্ত*****
     
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভালবেসে মতামত দিন