এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  অপার বাংলা

  • বহুরূপে সম্মুখে জামাত

    ড. মাহমুদ হাসান (টিপু)
    অপার বাংলা | ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ২৬ বার পঠিত
  • পর্ব ১ | পর্ব ২
    যে ব্যালটে সিরিয়াল নাম্বার নাই, যে ব্যালট গুনবে যারা তারাই চায় "হ্যাঁ" জিতুক, সেই ব্যালটে "না" তে ভোট দিলেও লাভ নাই, ভোট না দিলেও লাভ নাই, "হ্যাঁ" তে ভোট দিলেও লাভ নাই। তারচেয়ে ভোটার টার্ন আউট কমানোই ভাল।

    আজ থেকে ২২ দিন আগে আগামিকাল হওয়া নির্বাচন নিয়ে একটা লেখা পোস্ট করেছিলাম। সেটা পড়েন।।
    ___

    [এক]

    বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যে সংবিধানের অধীনে সংবিধানকে প্রাধান্য দেওয়ার শপথ নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছে, সেই সংবিধানে গণভোটের বিধান নাই। এর আগে সংবিধানে গণভোটের যে বিধান ছিল সেই গণভোটের বিধানে বলা ছিল সংবিধানের ব্যাসিক ফিচার যেহেতু সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠ দিয়েও পরিবর্তন সম্ভব না, তাই জরুরী প্রয়োজনে সংবিধানের মৌলিক বিষয় পরিবর্তনের জন্য সরকার গণভোটের আয়োজন করতে পারতো।

    তাহলে এই সরকার যে গণভোটের আয়োজন করছে সেটা কিভাবে করছে? সংবিধানের ব্যাসিক ফিচার পরিবর্তন ও নতুন বিষয় সংযুক্তির জন্য সরকার যে গণভোটের আয়োজন করেছে সেটার ভিত্তি হচ্ছে রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ। যখন সংসদ সেশনে থাকেনা বা সংসদ ভেঙে যাওয়া অবস্থায় থাকে তখন রাষ্ট্রের জরুরী প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতি যে আইন পেশ করে সেটাই অধ্যাদেশ এবং পার্লামেন্ট যকজন সেশনে ফিরবে বা নতুন পার্লামেন্ট গঠিত হবে তখন রাষ্ট্রপতির জারিকৃত অধ্যাদেশকে পার্লামেন্ট সদস্যদের ভোটে বৈধতা দিতে হবে, নইলে সব অধ্যাদেশ অবৈধ হবে।

    সরকার গণভোট আয়োজন করেছে জুলাই সনদকে (মূলত সংবিধানকে কাটাছেঁড়া করা) বৈধতা দেওয়ার জন্য। কিন্তু রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ দিয়ে এটা করা পার্লামেন্টে যাওয়ার আগেই সম্পূর্ণ অবৈধ হবে। যদিও এটাকে জরুরী প্রয়োজন হিসেবে ধরা যেতে পারে, কিন্তু রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ কোনভাবেই সংবিধানের বিধানের উপরে নয় বিধায় এটার মাধ্যমে গণভোট আয়োজন আলট্রা ভাইরেস বা আইন বিরোধী এবং বাতিল বলে গণ্য হবে। মোদ্দা কথা হলো, রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশের মাধ্যমে সংবিধানের ব্যাসিক ফিচার বা মৌলিক বিষয়াবলি পরিবর্তন কোনভাবেই সম্ভব নয়।

    এছাড়া নির্বাচন কমিশন যে সংবিধানের অধীনে শপথ নিয়েছে সেখানে যেহেতু গণভোটের বিধান নাই বা ছিল না, সেহেতু এই নির্বাচন কমিশনের গণভোট আয়োজনের এখতিয়ার বা ক্ষমতা নাই। নির্বাচন কমিশনকে গণভোট আয়োজনের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়নি। তারা এটা করলে সেটাও অবৈধ হবে।

    যাইহোক, এসব আলাপ অর্থহীন, কারণ এই গণভোটটাই আয়োজন করা অবৈধ। আরো এক ধাপ এগিয়ে বলা যায় যে এই সরকার নিজেই তো অবৈধ, কারণ সংবিধানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিধান নাই। ফলে এদের সকল কার্যক্রম কোন উপায়ে পরবর্তী পার্লামেন্টে বৈধতা দেওয়া হবে সেটার জন্য একটা বিশাল প্রশ্নবোধক প্রশ্ন রয়েই যাবে।
    ___

    [দুই]

    ক) আর ২৩ দিন পর বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন হওয়ার কথা। সেদিন নির্বাচন হবে কি হবে না এমন একটা আশংকার কথা জানতে চেয়ে এক জরিপের রেজাল্টে দেখলাম ৮০% মানুষ মনে করে সেদিন নির্বাচন হবে না। মানুষের মনে এই আশংকা কেন সেটার উত্তর খুঁজতে গিয়ে বুঝলাম যে নির্বাচনের আগে আগে যে উত্তাপ থাকার কথা, মানুষের মধ্যে নির্বাচন নিয়ে উত্তেজনা বা এক্সাইটমেন্ট থাকার কথা সেটা অনুপস্থিত। দেশের যে আইন শৃঙখলা পরিস্থিতি সরকার করে রেখেছে এরকম অবস্থায় নির্বাচন হলে সুষ্ঠুভাবে শেষ হবে কীনা সেটা নিয়েও সংশয় আছে। উত্তাপহীনতার আরেকটা কারণ হলো দেশের একটা অংশের মানুষকে নির্বাচন থেকে পুরোপুরি বাইরে রাখা হয়েছে। ২০১৪ সালে আওয়ামীলীগ সরকার যেরকম নির্বকচন আয়োজন করেছিল তার চেয়েও বাজে নির্বাচন হতে যাচ্ছে এটা মানুষ বুঝেছে। সেইসময় বিএনপি ও জামাত স্বেচ্ছায় নির্বাচন বয়কট করেছিল, এবার আওয়ামীলীগ নির্বাচন করতে চাইলেও তাদেরকে নিষিদ্ধ করে নির্বাচন থেকে বাইরে রাখছে সরকার। এভাবে গণতন্ত্র পূনরুদ্ধার হবে কিভাবে? যে কারণে জাতিসংঘসহ পশ্চিমা বিশ্ব এই নির্বাচনকে গুরুত্ব দিচ্ছে না। তারা এই নির্বাচনকে প্রত্যাখ্যানও করতে পারে। এটা কী ইউনুস সরকার জানে না? জানলে কেন এরকম একটা নির্বাচন আয়োজন করতে যাচ্ছে?

    খ) সরকার খুব ভাল করেই জানে যে ১২ই ফেব্রুয়ারিতে একটা ভয়ংকর বাজে নির্বাচন হবে। নির্বাচন বিষয়ে আমার প্রথম প্রেডিকশন হলো: প্রচুর জায়গায়, বিশেষ করে যেসব জায়গায় বিএনপি, জাতীয় পার্টি জেতার সম্ভাবনা আছে সেসব জায়গায় জামায়াত জোট নির্বাচন পন্ড করতে সহিংসতা করবে। অনেক জায়গায় এমনিতেই সহিংসতা হবে। পুলিশ আর্মির যৌথবাহিনী সেসব সহিংসতা থামানোর চেষ্টাও করবে না। ফলে সেসব জায়গায় নির্বাচন বাতিল হবে। এমন করে যদি ২০০ টা আসনের ফলাফলও বের করতে পারে, বাকি আসনগুলোতে পরে নির্বাচন আয়োজন করবে বলে ঘোষণা আসতে পারে সরকারের কাছ থেকে। এই ২০০ টা আসনের মধ্যে যদি দেখা যায় জামায়াত জোট ১০০ টা আসন পায়, পরবর্তী আসনগুলোর জন্য নির্বাচনে তারা রিগ করে, ইঞ্জিনিয়ারিং করে জিতে সরকার গঠন করতে পারে।

    গ) নির্বাচনের প্রার্থীরাই শুধু নির্বাচন করছে না। নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়েছে সরকার নিজেও। তারাও ভোট চাইছে "হ্যাঁ"র পক্ষে। সরকারের উপদেষ্টারা বিভিন্ন আলোচনায়, সভায় " হ্যাঁ" ভোটের পক্ষে ভোট দিয়ে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করছে। প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে যেমন বিভাগীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসন, সরকারী অন্যান্য অফিস, বিভিন্ন স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান যেমন শিল্পকলা একাডেমি থেকে শুরু করে সকল প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জোর প্রচারণা চালাচ্ছে সরকার। হ্যাঁ ভোটের প্রচারণার ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট কোন নীতিমালা না থাকলেও প্রধান উপদেষ্টার অফিস ও উপদেষ্টারা দেশের মানুষের ট্যাক্সের টাকায় গণভোটের দুই পক্ষের যে কোন একটা পক্ষকে (হ্যাঁ ভোট) জেতাতে প্রচারণা চালানো সম্পূর্ণ অনৈতিক। যে মানুষ এই গণভোটের "না" র পক্ষে সেই মানুষদের ট্যাক্সের টাকায় কেন সরকার পক্ষ নিবে? এটা মোরালিটির প্রশ্ন।

    ঘ) সরকারের সাথে জামাত জোটের এনসিপি, এবি পার্টি ও অন্যরা নিজেদের জন্য ভোট চাওয়ার চেয়ে "হ্যাঁ" ভোটের পক্ষে প্রচারণাকেই প্রাধান্য দিচ্ছে। ফলে যা বোঝা যাচ্ছে, সেটা হলো তারা সংসদ নির্বাচনের গণভোটকে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে। সরকার ও সরকারের পক্ষের শক্তির প্রচারণা ও অন্যান্য কর্মকান্ড ও আচরণ দেখে আমার কাছে মনে হয়েছে ১২ই ফেব্রুয়ারিতে তারা যেকোন মূল্যে গণভোটের রেজাল্ট বের করে আনবে। এক্ষেত্রে সংসদ নির্বাচন হোক বা না হোক, সেটা কোন ব্যাপার না। কারণ, বাংলাদেশের কোন আইনেই এমন কোন বিধান নাই যে গণভোটে কমপক্ষে কত শতাংশ ভোট পড়তেই হবে। ফলে ২০% মানুষও যদি গণভোটে অংশ নেয়, তাহলে সেই গণভোটের ফলাফল ধর্তব্য নিয়ে জুলাই সনদকে বৈধতা দেওয়া চেষ্টা করবে। যেটার মাধ্যমে আলী রীয়াজের ব্যাক্তিগত ইচ্ছার বহি:প্রকাশে যে সংবিধান পূনর্লিখন হয়েছে তা বাস্তবায়নের দিকে যাবে।

    ঙ) "হ্যাঁ" ভোট জয়ী হবে ধরে নিলাম। এক্ষেত্রে বিএনপি ক্ষমতায় আসলো ধরে নিলাম। বিএনপি কী এই গণভোটকে বাস্তবায়ন করবে? করতে বাধ্য হবে? কোন আইনের আলোকে বাধ্য হবে? সংবিধান বিএনপিকে বাধ্য করতে পারবে না। ফলে তারা যে "না ভোটের" পক্ষে সেটাই তারা কার্যকর করবে না। কারণ আলী রীয়াজ জুলাই সনদে এমন কিছু প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছে যা বিএনপি প্রতারিত ফিল করেছে। এক্ষেত্রে তারা সরকার গঠন করলে "হ্যাঁ" জিতলেও জুলাই সনদ তারা ছিড়ে ফেলে দিবে। সরকারের সন্দেহ আছে বিএনপি ক্ষমতায় গেলে এই সরকারের আমলে যত অধ্যাদেশ এসেছে সেগুলোকে সংসদে পাশ নাও হতে পারে।

    চ) অন্যদিকে সরকারের পক্ষ, জামাত জোটের পক্ষ হচ্ছে "হ্যাঁ ভোট" বা জুলাই সনদ বাস্তবায়নের ইচ্ছা। জামাত জোট ক্ষমতায় গেলেই কেবল গণভোটে জয়ী "হ্যাঁ ভোটের" মাধ্যমে "জুলাই সনদ" বাস্তবায়ন করার জোর চেষ্টা করবে। এক্ষেত্রে সরকারের কাছে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের একমাত্র অপশন হলো জামাতকে জয়ী করা। মুহম্মদের ইউনুসের অনুগ্রহে তৈরি তরুন দল এনসিপিকে ক্ষমতায় আনা!

    ছ) এমন বাস্তবতায় বিএনপি কেন নির্বাচনে যাচ্ছে সেটা বোধগম্য না। তারা কী জানেনা যে আওয়ামীলীগ বিহীন নির্বাচন ২০১৪র নির্বাচনের চেয়েও বেশি বিতর্কিত হবে? তারা কি বুঝছে না যে ইউনুস সরকার জামাত জোটকে জেতানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে? তারপরও কেন বিএনপি এই নির্বাচনে যাচ্ছে? মুহম্মদ ইউনুস ও তার সরকার তো নিরপেক্ষ না। যেই যুক্তিতে তারা ২০১৪ ও ২০২৪ এ আওয়ামীলীগের অধীনে নির্বাচনে যায়নি, সেই একই যুক্তিতে বিএনপির তো এই নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কথা না। উপরন্তু, বিএনপির সেই জনবল তৈরী আছে যে যদি নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিং হয়, তা ট্যাকল দেওয়ার? ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদল বা বিএনপি কিছু করতে পেরেছে? পারে নাই কারণ, বিএনপি ও ছাত্রদলের ভিতরের একটা বড় অংশ জামাতের লোক। তারা ডাবল এজেন্ট হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। ছাত্রলীগ বা আওয়ামীলিগে থেকে যেরকম সুবিধা তারা নিয়েছে, বিএনপির ভিতরে থেকে তারা মরণ কামড় দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছে। আর গণভোটেও রিগ হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। কিভাবে রিগ হওয়া ঠেকানোর কোন অপশন বিএনপির আছে কীনা জানিনা।

    জ) বিএনপির উচিৎ ২৩ দিন পর নির্বাচনে অংশ না নেওয়া, যদিও সুষ্ঠু নির্বাচন হলে এখনো বিএনপির একক সংখ্যাগরিষ্টতা পাবে, তারপরও এই নির্বাচনে জিতে সরকার গঠন করলে তাদের সরকার বেশিদিন স্থায়ী হবে বলে মনে হয় না। কারণ, আওয়ামীলীগ বিরোধী দল হিসেবে যতটা শক্ত, তার চেয়েও বেশি শক্তিশালী হবে জামায়াত জোট। এক্ষেত্রে বিএনপিকে ধ্বংস করে দিতে পারে জামায়াত জোট ক্ষমতায় আসলে। বিএনপি সম্ভবত ধারণা করছে আওয়ামীলীগ জাতীয় পার্টিকে সমর্থন দিলে জাতীয় পার্টি প্রধান বিরোধী দল হবে। আমার মনে হয় না সেটা হবে।

    ঝ) আবার, সরকার ও জামাত জোট যদি উপরের পন্থায় না যেতে পারলে তারা নির্বাচনের আগে আগে হাদির মতো কাউকে কুরবানি দিয়ে সহিংসতা করে দেশকে অশান্ত করে দিবে। ফলে সরকার ১২ই ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বাতিল করতে বাধ্য হবে। এটা হলো আমার দ্বিতীয় প্রেডিকশন। এটা হলে সাপে বরই হবে। এমন অবস্থায় ইউনুস সরকারের পরিবর্তে একটা তত্ত্বাবধায়ক সরকার আসবে যারা ৩ মাস বা ৬ মাস পর নির্বাচন আয়োজন করবে। এই সরকারের মূল ফোকাস থাকবে নির্বাচন আয়োজন করা। সেই নির্বাচনে আওয়ামীলীগও অংশ নিবে। একটা দূর্বল আওয়ামীলীগকে নিয়ে নির্বাচন করে বিএনপি ক্ষমতায় এসে আওয়ামীলীগ/জাতীয় পার্টিকে বিরোধীদল হিসেবে নিয়ে আসার অপশন হলো বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য বেস্ট অপশন। স্বাধীনতাবিরোধী ও মুক্তিযুদ্ধকে, বাংলাদেশের জন্মের ইতিহাসকে অস্বীকার করা একটা দলের এ, বি, সি টিমের হাতে ধ্বংস হওয়া থেকে রক্ষা করতে বিএনপিকেই ভূমিকা পালন করতে হবে। স্বাধীনতাবিরোধী জোটকে কোনভাবে সরকার গঠন করতে অথবা পার্লামেন্ট প্রধান বিরোধীদল করা যাবে না।
    ___
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
    পর্ব ১ | পর্ব ২
  • অপার বাংলা | ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ২৬ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঠিক অথবা ভুল প্রতিক্রিয়া দিন