এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ব্লগ

  • ঘন প্রেম বলে ঋ(ণ), দিনকাল বড় বিশ্রী

    রানা সরকার লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১৯ বার পঠিত
  •  

    প্রেম মানে কী?

    এই প্রশ্নটা লালমোহনবাবুকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলতেন, “প্রেম হল একটা জলোচ্ছ্বাস; একটা ঝঞ্ঝাপাত, প্রেম একটা ভূমিকম্প। ভাগ্যিস ফেলুবাবু আপনি এই হাইলি সাস্পিশাস ব্যাপারটায় জড়িয়ে পড়েন নি। নয়তো গোয়েন্দাগিরির দয়া গয়া হয়ে যেত মশাই!  হ্যাঁ। আজ এখানে অ্যাপো, কাল সেখানে অ্যাপো। তারপর ফুচকা, কফি, চাইনিজ। আর ভাগ্যিস মগনলালের প্রেমেও কেউ পড়ে নি! তাহলে কী যে হত স্বয়ং আফ্রোদিতি বা ক্লিওপেট্রাও সেটা গেইস করতে পারতো না”।

    আবার আপনি যদি নকুড়মামাকে প্রশ্নটা করতেন, তাহলে জবাব পেতেন, “কেষ্টটা এক্কেরে উচ্চুগ্যা পাঁঠা। একই জায়গায় দুজনের বাড়ি থাকতে পাহাড়ে এসে কেউ প্রেম করে? কেন? কলকেতায় সমস্ত বাড়ির ছাদে বরফ দিয়ে দিয়ে ঠাণ্ডা করে সেখানে প্রেম করা যেত না?  তা বাপু বুইলে গরমকালে প্রেম হয় না। এই ঘাম আর ঘামাচি - দেগলেই প্রেম পালাতে পথ চায়”।

    কেউ প্রেম বলতে বোঝেন অনন্ত ফাঁকা রাস্তা। ইলশেগুঁড়ি বৃষ্টি পড়ছে। রাস্তার দু’ধারে গাছ। সামনে অজানা পথ। অনেকটা সেই ছোট্ট অপুর মতো যেন চারিদিক বিশ্বগ্রাসী ক্ষুধায় গিলিতে গিলিতে চলিয়াছে। কারুর প্রেম পাহাড় তো কেউ ভালোবাসেন সমুদ্র। কেউ ভ্লগ তো কেউ ব্লগ। কারুর প্রেম মানেই জায়গায় জায়গায় গাছ লাগানো। আগ বাড়িয়ে কারুর মানুষের উপকার করা; অথবা কবিতা পাঠ করে, গান করে, এঁকে বা নিদেন পক্ষে রান্না করে আপলোড করা। অথবা এলাকায় এলাকায় লক্ষ রাখা বা নিখাদ আড্ডা মারা।
     
    আবার দেখা গেল কেউ এম.এ. করতে গিয়ে প্রেমে পড়লেন আর তারপর প্রেমে পড়েই ঘেমে গেলেন। তখন তার ফিঁয়ন্সে তাকে একটি তোয়ালে উপহার দিয়ে বললেন, “যখনই মুছিবে ঘাম, কোরো আমার নাম”।

    প্রেম নিয়ে কেউ ফ্রয়েডিয়ান, তো কেউ ফ্রায়েডিয়ান। প্যাভলভ আবার প্রেমকে ক্ল্যাসিক্যাল কন্ডিশনিং-এর দৃষ্টিতে দেখেছেন।

    কেউ বলেন যে প্রেম আর ভূতে কোনও তফাৎ নেই, কারণ দুটোই দেখা যায় না!  

    তাহলে প্রেমিক প্রেমিকা অতো কথা বলে কেন? কী নিয়েই বা এতো কচকচি? আসলে তারা নাকি নিজেদের কথাই বলেন; অন্যের কথা বলেন না। তবে সেটা আবার তারা বুঝতেও পারেন না।  

    কোথাও আবার প্রেম মানে মারামারি, তুমুল ঝগড়া, হইচই, ধাক্কাধাক্কি। প্রেম মানে ঝঞ্ঝনাৎ; করুণাময়ীর করুণা। অভিমানে অভিমানে সময় চলে যাওয়া। আবার, প্রেম মানে পাতাল থেকে আগুণ চুরি করে আনবার দুঃসাহস; প্রমিথিউস। প্রেম মানে দুর্লঙ্ঘ্য এমন কিছু করা – যেমন খালি হাতে উঁচু উঁচু টাওয়ারে উঠে যাওয়া। ইংলিশ চ্যানেল পেরোনো; পর্বত আরোহণ বা তুমুল উঁচু জায়গা থেকে নিচে ঝাঁপ দেওয়া। বাঞ্জি জাম্পিং। প্রেম মানে চাঁদের শরবৎ। গজল। হৃদয় খুঁড়ে লিখে যাওয়া কোনও রক্তাক্ত উপন্যাস।      

    কোথাও আবার প্রেম মানে পুতিনের বাড়িতে ঢিল ছোঁড়া। প্রেম মানে আয়াতোল্লা খোমেইনিকে খৈনী অফার করে ধর্ম ত্যাগ করতে বলা; চিনের প্রেসিডেন্টের চেয়ারের নীচে চিনে পটকা রেখে আসা; ট্রাম্পের সঙ্গে অকশন ব্রিজ খেলতে গিয়ে ‘নো ট্র্যাম্প’ কল করা।  

    আবার, প্রেম মানে আমার চশমা তোমার চোখে। আর চাদর টেনে দেওয়া। হাঁ করে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকা। প্রেম মানে চায়ে ক’চামচ কেউ চিনি খেতো সেটা মনে রেখে দেওয়া অথবা দুধে নুন মিশিয়ে খাইয়ে দেওয়া। ইচ্ছে করে ট্রেন মিস করে তার সঙ্গে একই ট্রেনে বা বাসে বা মেট্রোতে সফর করা। আর লজ্জার মাথা খেয়ে বারবার আড়চোখে তাকানো। প্রেম মানে টেলিফোনে ঘন্টার পর ঘন্টা কথা বলা বা মেসেজ করে চলা।

    বেলাশেষে সিনেমায় প্রেমের ভৌতিক পরিবর্তন আমরা দেখি। সেই প্রেম তখন সেবা।    

    ব্রজদাকে এই প্রেম মানে জিজ্ঞাসা করতে গিয়ে জানা গেল যে তিনি নাকি একটা সিনেমা তৈরি করেছিলেন। নাম ছিল – হিপি; হিপি লভ। আর সেখানে ছিল সে যুগের প্রেম আর এ যুগের প্রেমের একটা তুলনামূলক এবং গঠনমূলক চলমান বায়োস্কোপ; অনেকটা ঠিক কম্পারেটিভ লিটারেচরের মতো। শুধু লিটারেচরের জায়গায় সিনেমা।

    প্রেম কি বায়বীয় নাকি তরল? হয়তো কারুর কারুর কাছে প্রেম বেশ কঠিন পদার্থ।  

    রবীন্দ্রনাথ লিখলেন, ‘ভালবেসে সখী নিভৃতে যতনে আমার নামটি লিখো তোমার মনের মন্দিরে’।

    নজরুল লিখলেন, ‘… যে কথাটি ঢেকে রাখে বুকেরই আঁচল / বলো কানে কানে…’।

    ‘হয়তো তোমারই জন্য হয়েছি প্রেমে যে বন্য বা বেশ করেছি প্রেম করেছি করবই তো…’। লিরিক ও মিউজিক দুটোই সুধীন দাশগুপ্ত।

    মানে অনুরোধ, প্রার্থনা থেকে কেউ আশার হাত বাড়াতে চাইছেন অথবা কেউ সপাটে চড় কষাচ্ছেন সমাজের নীতিপুলিসীকে।

    কেউ আবার লিখছেন – প্রেম যে কীসে হয় তা কেউ জানে না। কখনও চোখে চোখে, কখনও ছবি এঁকে; কখনও মনে মনে; আবার কখনও নাকি আনমনে। কেউ কেউ আবার প্রেমের জন্য রাধার মতো মরতে হলে মরতেও রাজি থাকেন।

    তারপর রূপমের ‘আমি তোমার চোখের কালো চাই / তাই তোমার দিকে তাকাই’ থেকে দীপাংশু আচার্যর ‘কিচ্ছু চাইনি আমি…’।        

    আগে ছিল বিবাহের পরে প্রেম; তারপর হল প্রেমের পরে বিবাহ। বিবাহের আগে কে কে ক’টা ক’টা করে প্রেম করেছেন তাই নিয়ে বসে যেত জম্পেশ আড্ডা। আর এখন হয়েছে বিবাহ বহির্ভূত প্রেম।

    একবার মাধ্যমিকে গণিতে প্রশ্ন এলো, উপপাদ্য, প্রমাণ করুন, কোনও ত্রিকোণ প্রেমে কারুর বিবাহ বহির্ভূত প্রেমের সংখ্যা তার এবং তার স্পাউসের বিবাহ অন্তর্ভূক্ত প্রেমের সংখ্যার যোগফলের সমান।
     
    ত্রিভূজের অন্তঃস্থ কোণ আর বহিঃস্থ কোণ খেয়াল আছে? বহিঃস্থ কোণ হল দুটি অন্তঃস্থ কোণের যোগফলের সমান। মানে ত্রিভুজ কিন্তু সম্পর্কে সব সময় আছে। যেই একটা অন্তঃস্থ কোণ শূন্য হব হব করছে, সেই কিন্তু বহিঃস্থ কোণ থেকে কেউ এসে সেই শূণ্যতা করবে পরিপূর্ণ। প্রেম যেন আসলে একটা সম্পূরক কোণ।  

    যেমন অনেকটা কোনও এলাকার বাতাস গরম হয়ে ওপরের দিকে উঠে গেলে চারপাশ থেকে ঠাণ্ডা বাতাস ধেয়ে আসে, ঠিক তেমনি সম্পর্কের গরমাগরমে ‘প্রেমবাষ্প’ ওপরে উঠিয়া গেলে, তুলনামূলক শীতল প্রেমবাষ্প চারিপাশ হইতে ধাইয়া আসে।

    ফিজিক্সে অবশ্য বলে যে বিকর্ষণই নাকি হল প্রেমের প্রকৃষ্ঠ প্রমাণ। যত ঝগড়া; ততই নাকি গভীর প্রেম। আবার অনেকে বলেছেন যে প্রকৃতিতে এন্ট্রপির মতো যত সময় বয়ে চলেছে ততই প্রেমেও গোলমাল নাকি বেড়ে চলেছে!

    আর যেখানে E=mc2 , সেখানে প্রেমে পড়লে Energy = Premc2.  

    কেউ বলেন যে প্রেম মানে গভীর রাতে অন্ধকার রাস্তা দিয়ে গা ছমছমে হেঁটে যাওয়া, তো কেউ বলেন যে চুপ করে যাওয়া; শিশিরের শব্দ শোনা; ঝিঁঝিঁপোকার শব্দ শোনা। শ্রীকান্ত আর ইন্দ্রনাথের মতো রাতদুপুরে মাছ চুরি করতে যাওয়া। প্রেম মানে একটা টিপ আর হালকা লিপস্টিক। প্রেম মানে চুল হাওয়ায় মুখে উড়ে এলে বিরক্তিতে ‘ড্যাম’ বলা। প্রেম মানে একতলায় লিফটে ওঠা। হাত ছেড়ে সাইকেল চালানো। এক নতুন কক্ষপথের চারধারে অবিরাম ঘুরতে থাকা। বনবন; বনবন; বনবন।

    নিউরো ট্রান্সমিটার বলে একটা বস্তু নাকি আমাদের মধ্যে রয়েছে। ডোপামিন। এমনকি প্রাক্তনকে ধাওয়া করার পেছনেও রয়েছে সে। এছাড়া আছে নর-এফিনেফ্রিনের প্রভাব। সঙ্গে যুক্ত থাকে নার্ভ গ্রোথ ফ্যাক্টর; কর্টিসল হরমোন। এরা বেড়ে গেলে নাকি প্রেম হয়।

    আবার এক ডাক্তার জানালেন যে প্রেম হল এক ধরণের বংশানুক্রমিক রোগ। এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজন্মতে বয়ে চলেছে। আর যাদের প্রেম হয় না, তাদের নাকি মিউটেশন হয়ে গেছে!

    টেনিদার কাছে প্রেম মানে ঝন্টিপাহাড়িতে গিয়ে রোজ রোজ সকালে কচুরি; দুপুরে একটা আস্ত মুর্গির রোষ্ট আর রাতে পাকা পোনার কালিয়া ভক্ষণ। শোনা যায় টনটন প্রেম তুলে আনতে ঘনাদা নাকি এক সময়ে লন্ঠন হাতে নিয়ে টাইটানিক জাহাজের আশেপাশে সাঁতার পর্যন্ত কেটেছিলেন!

    কারুর কাছে আবার প্রেম মানে মিক্সড ডবলস, তো কারুর কাছে মিক্সড চাউমিন।

    এই গতবার সরস্বতী পূজায় নন্টে আর ফন্টেকে ব্যাপক প্রেম করতে দেখে কেল্টুদা গেছে জ্যোতিষীর কাছে। জ্যোতিষী হলেন শ্রদ্ধেয় হরিধন মুখোপাধ্যায়। কেল্টুদা গিয়ে বলল, “অনেক পাথর পড়েছি ঠাকুরমশাই। কবজ; তাবিজ। মায় হত্যে দিয়ে ছিলাম; কিন্তু প্রেম হয় নি।”

    “আহা রে! বাছা আমার!”, তারপর কেল্টুর হাত দেখলেন। সেখানে আঙুলে ৮টা পাথর পরা আছে। বললেন, “আরও তিনটে পাথর মানে স্টোন পরে দেখতে পারো। শেষ চেষ্টা”।

    “কী কী?”
    “পারবে?”
    “আপনি বলেই দেখুন না। অসম্ভব বলে কোনও শব্দ আমার ডিকশনারিতে নেই”।
     
    “তাহলে প্রথমে মাইল স্টোন, আর তারপর বাইল স্টোন…, পরে দেখতে পারো”

    “বাইল!”

    “হ্যাঁ”।

    “আর?”

    “আর তাতেও না হলে। শ্যারণ স্টোন”।
     
    লোকে বলে প্রেম নাকি সমাজের কোনও নীতি নিয়মের তোয়াক্কা করে না। সমস্ত সমীকরণ ভেঙ্গেচুরে দিয়ে নতুন করে গড়ে। তাই হয়ত কবিগুরু লিখে গেছেন – ‘প্রেমের ফাঁদ পাতা ভুবনে / কে কোথা ধরা পড়ে কে জানে / গরব সব হায় কখন টুটে যায় / সলিল বহে যায় নয়নে’।

    প্লেটোনিক প্রেমের কথা বলেছিলেন মহামান্য প্লেটো। এ এক গভীর আত্মিক ভালোবাসা যা পারস্পারিক শ্রদ্ধা, বিশ্বাস এবং বন্ধুত্বের উপর গড়ে ওঠে। তারপর আছে ভাতৃপ্রেম, মাতৃপ্রেম, মানবপ্রেম, দেশপ্রেম, বিশ্বপ্রেম।
     
    প্রেমে আবহাওয়া আর অর্থনীতি কিন্তু একটা দারুণ গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। আবহাওয়া ঠিক না থাকলে প্রেমের দফা গয়া। একসময় প্রদোষ ছিল প্রেমের আদর্শ সময়।

    পরে অর্থনীতির মহাকর্ষিক টানাপোড়েনে সেই সময় গেল ছিঁড়ে। তাই রাতবিরেতে, সকালে, দুপুরে প্রেম চলছে।

    তবুও বিকেলবেলা হলেই কেন জানি না আমাদের প্রেম পায়। আর আমরা জানি যে মন খারাপ করার বিকেল মানেই আবহাওয়া এবং অর্থনীতি- দুটি ক্ষেত্রেই মেঘ করেছে।

    আর প্রেমের দিনকালে যদি প্রেমের আবহাওয়া অনুকুলে না থাকে, সমাজে দুর্নীতির থাকে বাড়বাড়ন্ত, ধর্ম ধর্ম করে দাগিয়ে দেওয়া দেওয়া থাকে, দেশের অর্থনীতির অবস্থা টলমলায়মান থাকে, ভাইরাসের হুমকি থাকে, কপটতা থাকে, প্রতারণা থাকে, পকেটে টাকা না থাকে, দেশ ঋণে ঋণে জর্জরিত হয়ে যায়, তখন যেন লিখতে ইচ্ছে করে – ঘন প্রেম বলে ঋ(ণ), আজ দিনকাল বড় বিশ্রী।

    আগে প্রেমের তিথি ছিল রাসের সময়কাল, শিবরাত্রির আশেপাশে অথবা সরস্বতী পুজোর সময়। আর এখন? পুঁজিবাদী সংস্কৃতির আমদানিলব্ধ তিথি যেখানে পুঁজিবাদ ঠিক করে দিচ্ছে কবে কী করতে হবে! আর হুজুকে মানুষ ভেসে চলেছেন গড্ডালিকায়।

    দুর্নীতিগ্রস্ত ধর্মপ্যাঁচপ্যাচে ফেকগুমোট গুজব্জব্জবে ধান্দারাজনীতি ও অন্ধঅর্থনীতির সমাজে প্রেমেও কেমন যেন বা ঠিক কতটা দরকচা মেরে গেছে তা আপনারাই ভালো বলতে পারবেন।               
           
    চারপাশের ডেমোগ্রাফির মতো প্রেমোগ্রাফিও পাল্টে গেছে; যাচ্ছে। আর ভবিষ্যতেও যাবে।            
      

     
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • ব্লগ | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১৯ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    ৬  - albert banerjee
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Srimallar | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০০:১৫738448
  • চমৎকার লিখেছেন! শুভেচ্ছা রইল! 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভ্যাবাচ্যাকা না খেয়ে মতামত দিন