এখন এইটা সত্য মিথ্যা অন্য আলাপ। আমি বলছি এমনটা তো তারাও ভাবছে বলছে এখন। তাহলে সেই সময় যদি কোন সাধারণ মানুষ এমন ভেবে থাকে তাহলে তাকে দোষ দিবেন কেন? দোষ দেওয়া যাবে কাকে? যে যখন অনেক কিছু পরিষ্কার হয়েছে তখনও জোর করেই যা হইছে ঠিকই হয়েছে বলে চলে তাকে।এইটা সমস্যা, তাহলে সে ডলার খাইছে এমনটা হিসাব করা যায়। কিন্তু আর সবার জন্য আপনাকে উদার হতে হবে, হতেই হবে। আর কোন বিকল্প নাই আপনার। সাধারণ মানুষকে যত নিজেদের দিকে টানা যাবে তত সহজ হবে সব কিছু। কিন্তু অনলাইনে এই যুদ্ধই শেষ হচ্ছে না এখন পর্যন্ত।
লীগের এই দিনের জন্যও লীগ বা শেখ হাসিনা দায়ী। এইদিন বলতে বর্তমান দুঃসময়ের কথা বলছি না, এই যে নেতৃত্ব দেওয়ার কেউ নাই, এইটার কথা বলছি। শেখ হাসিনা বা লীগ সরকার মনে করত তাদের কোনদিন পতন হবে না! পতন হবে না এইটা মনে করার তাও যুক্তি বুঝি, কিন্তু তারা সবাই মনে করত শেখ হাসিনা কোনদিন মরবেও না, এমন বিশ্বাসের কারণ জানি না, বুঝি না। আজকে এমন করে দেশ ছাড়তে না হয়ে যদি হুট করে শেখ হাসিনা মারা যেত তাহলেও এর কাছাকাছি ব্যরাছ্যারা লাগত। নেতৃত্ব তৈরি করে নাই। তার পরে কে, প্ল্যান এ বি কিছুই নাই। একটা সময় শোনা যেত শেখ রেহানার ছেলে ববি নেতৃত্ব দিবে। ভাবসাবে তাই মনে হচ্ছিল তখন। বিদেশে অতিথি আসলে ববিই তাদেরকে সঙ্গ দিত, ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদীকে ববিই ৩২ নাম্বার বাড়ি ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখিয়েছিল। তখন মনে হচ্ছিল ববি প্রস্তুত হচ্ছে সামনের জন্য। তো এখন ববি কই? নাকি আমাদের এলাকার মত সেখানেও কোন্দল চলছে? দুই বোনের মধ্যে ঝগড়া? ক্ষমতা নিয়ে দ্বন্দ্ব? শেখ হাসিনা আর শেখ রেহানার মধ্যে ক্ষমতার দড়ি টানাটানি রাজনতিক মহলে বহুল আলোচিত গল্প। যদিও এই লেবেলের খবরের কাণ্ডারি আমি না, সবাই লোকমুখে শোনা কথা তাই কোনদিন এই সব নিয়ে লেখি নাই। আমার বুঝের অনেক উপরের আলাপ এগুলা। চরম বিপদের সময়ও দুই বোন এক সাথেই আছে, ৫ আগস্টের সময় শেখ রেহানা দেশে এসে বোনকে নিয়ে গেছেন, নানা সময় নানা ইন্টার্ভিউ দেখছি তাতে মনে হয়েছে যে তাদের মধ্যে তারা ঠিক আছে। আজকে যদি শেখ হাসিনা পরিবারের কাছ থেকে ক্ষমতার নাটাই শেখ রেহানার পরিবারে যায় তাহলে আমার মতে খুব একটা খারাপ হয় না। এখন প্রশ্ন হচ্ছে এইটা হচ্ছে কি না। হলে এখনই সময়। ববির নামে দুর্নীতির কোন কেস নাই। ক্লিন ইমেজ নিয়ে নতুন করে শুরু করতে পারবে সহজেই। শেখ মুজিবের নাতি হিসেবে তার অধিকার নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ নাই। আসল প্রশ্ন হচ্ছে ববি কি প্রস্তুত? নাকি মানুষই হুদাই এই বাতাস চালু করেছে? সময়ই বলে দিবে আসল কাহিনী।
শতধা বিভক্ত এই দলের কিছু শুভাকাঙ্ক্ষী একটা উদ্যোগ নিয়েছে। তারা বাংলাদেশ সনদ নামে একটা সনদ সামনে এনেছে। এখানে সর্বসাধারণ সহজেই যেন এর সাথে ঐকমতে যেতে পারবে। এই সনদে আছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, বাঙালি জাতীয়তাবাদ, ধর্মনিরপেক্ষতা, মানবাধিকার, সুশাসন, গণতন্ত্রের মত বিষয়। আমিও একটা ফরম পূর্ণ করে এতে সায় দিয়েছি। কিন্তু ফেসবুকে প্রকাশ করার যে অপশন তা বন্ধ করে রেখেছি। কারণ এই জিনিসকে যে বিএনপি সহজ ভাবে নিবে না তা জানা কথা। যে দেশে সাত মার্চের ভাষণ বাজালে জেলে যেতে হয় সেই দেশে এগুলা সাজে না। আমার মত লোকের তো খাটেই না। লীগের একটা সুতার সুযোগ সুবিধা না নিয়েও এখন লীগের কর্মী হিসেবে জেলে যাইতে রাজি না আমি। কিন্তু বিপদ দেখি অন্য জায়গায়। ওই যে নিজেদের মধ্যে কোন্দল, তা আবার সামনে আসল। এক পক্ষ এইটাকে এন্টি লীগ কর্মকাণ্ড বলে দিল, আরেক পক্ষ এইটা মানতে চাইল না! দেখছেন অবস্থাটা! আরে যারা যে ভাবে কাজ করার চেষ্টা করছে, করুক, আপনি তা আটকাবেন কেন? এইটা শেখ হাসিনা অনুমতি দিছে না দিছে এইটা কেন মুখ্য হবে? একজন সাধারণ মানুষ, যার মনে হয়েছে মুক্তিযুদ্ধ, বাঙালি জাতীয়তাবাদের জন্য কাজ করা দরকার, সে যদি এই প্লাটফর্মে আসতে চায় তাকে কেন শেখ হাসিনার অনুমতি নিয়ে আসতে হবে? আশ্চর্য!
আমাদের এলাকার লীগের ছেলেরা সবাই পলাতক। পলাতক অবস্থায় ছাত্রলীগের কমিটি দিয়েছে। বেশ সাহসী উদ্যোগ। পরে শুনি এই সময়েও তারা তাদের কোন্দল থামাতে পারে নাই। যেখানে সবাই পলাতক সেখানেও কামড়াকামড়ি চলছে, এই কমিটিকে স্থগিত করে দিয়েছে আরেক পক্ষ! কত সুন্দর না? আমি এর আগেও লিখেছি যে মানুষ চায় লীগ ফিরে আসুক কিন্তু যার যার নিজ এলাকার নেতাদের চায় না! যতদিন এই পরিস্থিতির পরিবর্তন না হবে ততদিন আসলে কিছু করার নাই। নেতারা পরিবর্তন হয়ে যাবে এমন আশা করা বোকামি, তারা যে পরিবর্তন হবে না তার নমুনা হচ্ছে এতকিছুর পরেও দলীয় কোন্দল বজায় রেখে এখনও এক পক্ষ আরেক পক্ষকে দেখতে পারছে না অথচ দুই পক্ষই কলকাতায় গিয়ে বসে আছে! এদের দিয়ে কীভাবে পরিবর্তন সম্ভব?
এই চলছে। আর এই সুযোগে ১৭ বছরের ক্ষুধা নিয়ে যে দলটা ক্ষমতায় বসছে তারা যা ইচ্ছা তাই করার সুযোগ পেয়ে যাচ্ছে। সংসদে দাঁড়িয়ে রাজাকারদের নামে শোক প্রস্তাব আনা হচ্ছে, ২৬ মার্চের ইতিহাস তৈরি করছে, খালেদা জিয়াকে প্রথম মুক্তিযোদ্ধা, তারেক, কোকোকে শিশু মুক্তিযোদ্ধা ঘোষণা করার দাবি করছে!
লীগের এই নিষিদ্ধ সময়ে ভালো ইমেজের লোকজনকে দিয়ে আস্তে ধীরে এগুনোর পরিকল্পনা করা ছাড়া আর কিছু করার নাই। আইয়ুব খানও লীগকে নিষিদ্ধ করেছিল। বঙ্গবন্ধু তখন আলফা ইনস্যুরেন্সে চাকরি নিয়েছিলেন। চাকরি করছেন আর দলকে তলেতলে গুছিয়েছেন। এই নিষিদ্ধ সময়ে এখনও তাই করা উচিত লীগের। সময় দাও, মানুষের কাছে যাও।
২সারা দুনিয়া টালমাটাল হয়ে আছে। দুনিয়া ধ্বংসের কিনারা থেকে বেঁচে ফিরল। দেশ জুড়ে পেট্রোল, অকটেনের পাম্পে লম্বা লাইন। এক মুখে বলছে দেশে তেলের সমস্যা নাই অন্য দিকে সন্ধ্যা সাতটায় সমস্ত শপং মল বন্ধ ঘোষণা করছে। মানুষ প্রচণ্ড গরমের মধ্যে মোটরসাইকেল নিয়ে লাইন দিচ্ছে, কয়েক মাইল লম্বা লাইন হয়ে যাচ্ছে লাইন। ভোগান্তির চরমে সবাই। কিন্তু আপনি এইসবের কিছুই আমাদের মহান জাতীয় সংসদে দেখতে পাবেন না। না বৈশ্বিক টালমাটালের আলাপ না দেশে যে মানুষ প্রচণ্ড ভোগান্তির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে তার আলাপ! খুব বোরিং সংসদ হচ্ছে? না। খুব প্রাণবন্ত সংসদ হচ্ছে! তুমুল আলোচনা চলছে, ঝগড়া হচ্ছে, সরকারি দল বিরোধী দলের মধ্যে বাহাস হচ্ছে, ওয়াকআউট করে দুইবার বের হয়ে গেছে এর মধ্যেই বিরোধী দল! কিন্তু সবই তাদের অলৌকিক দুনিয়া নিয়ে, এর সাথে বর্তমান বাংলাদেশের সমস্যা, পৃথিবীতে যে এত কিছু হচ্ছে তার কোন সম্পর্ক নাই! তারা গণভোট বাদ করে দিচ্ছে, জুলাই সনদ বাদ দিয়ে দিচ্ছে! কেন বাদ দিল এইটা নিয়ে ক্যাচাল! এই নিয়া তুমুল ঝগড়া!
এদিকে নোবেলের ম্যানের আরেক কিচ্ছা বের হয়ে আসছে। তারা যেহেতু বিশ্বাস করত আগের সব খারাপ তাই লীগ সরকার যে টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা করে আসছিল তা তারা বাদ দিয়ে দিয়েছিল! ফলে টিকা নাই হয়ে যায় দেশ থেকে। যেখানে বাংলাদেশের এই টিকাদান কর্মসূচি দুনিয়া জুড়ে প্রশংসিত হয়ে আসছে সেখানে আমাদের শিশুরা টিকা পায় নাই। হামের টিকা পায় নাই! এখন এর ফল আসা শুরু হয়েছে। প্রায় দুইশ শিশু মারা গেছে এই কয়দিনে! প্রথমে বিএনপির স্বাস্থ্য মন্ত্রী লীগের ঘাড়ে দোষ দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। বহু বছর ধরে টিকা বন্ধ এমন একটা কথা বলে বসে। পরে দেখা গেল না, শুধু টিকা না, এর মধ্যে টিকা দানের জন্য লীগ সরকার পুরস্কারও পেয়েছে তখন সুর পরিবর্তন করা হল। এখন মোটামুটি তারাও বলা শুরু করছে যে ইনুস সরকার হামের টিকা নিয়ে সর্বনাশ করেছে যার ফল ভুগছে শিশুরা।
আমরা জানি শুধু হাম না, আরও অনেক কিছুই সেই সময় ইনুস সরকার বাতিল করেছে। জন্ম নিয়ন্ত্রণের জন্য যে ক্যাম্পেইন চলত এখন আর তা চলে না। সব বন্ধ। এইডসের ওষুধ সরকারি ভাবে দেওয়া হত, যক্ষ্মার চিকিৎসা বিনামূল্যে দেওয়া হত। এইসবই এখন বন্ধ। ইনুস সরকার বন্ধ করে গেছে! হামের বিপদে আমরা এখন পড়েছে, বাকি গুলোর জন্য বিপদে পড়ব না? কিন্তু! কিন্তু আপনি এইসবের কিছুই সংসদের আলোচনায় পাবেন না! এতগুলো শিশু মারা গেল, সংসদে এই নিয়ে তেমন কোন কথাই নাই। উল্টো এনসিপির এক নেতা, সারজিস আলমের একটা ভিডিও দেখলাম সেখানে জুলাই সনদ বাতিল হয়ে যাচ্ছে, মানুষ ওইটা নিয়ে কথা না বলে কেন হামের টিকা নিয়ে কথা বলছে তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে! এনসিপির নেতারা যদিও তাদের জুলাই আন্দোলনের জন্য দায়মুক্তি পেয়ে গেছে। তবুও তারা এখন জুলাই সনদ নিয়ে পড়ে আছে। হামের কারণে শিশুর মৃত্যুও তাদের কাছে গৌণ হয়ে যাচ্ছে। হাসনাত বলেছে আবার জুলাই হবে! জুলাই সনদকে বাস্তবায়ন করার জন্য তারা আবার জুলাই আনবে!
এগুলা সবই হুদা আলাপ। সংসদকে জমায় রাখার জন্য প্যাচাল। এর সাথে দেশ জাতির কোন সম্পর্ক নাই। লীগ সরকারের সংসদের স্পিকারকে এতদিন পরে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। তাকে জেলে পাঠানো হয়েছে। একদম নির্ভেজাল একজন ব্যক্তি ছিলেন শিরিন শারমিন। বয়স্ক এই মহিলাকে জেলে পাঠিয়ে এবং পরে লীগকে নিষিদ্ধ করে বিএনপি পরিষ্কার বার্তা দিয়ে দিল। লীগ এই বার্তাও বুঝতে পারছে কি না সন্দেহ আমার।
৩
মুশকিল হচ্ছে লীগ না থাকলে মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা, বাঙালি জাতীয়তাবাদ সবই মারা যায়। আর না হলে লীগ না থাকলেই কী! ইনুস সরকার এবং এখন বিএনপি সরকার এইটাকে আরও বেশ শক্ত করে প্রমাণ করে দিয়েছে। এই দেশ বসে, জাতীয় টেলিভিশন চ্যানেলে বসে এখন আলোচনা হয় কেমন করে আরাম আয়েস করে পাকিস্তানে বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধের সময় থেকেছেন। কেমন করে সাজানো গুছানো একটা দেশকে ধ্বংস করেছে লীগ মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে। ইন্দিরা মুজিব আঁতাত করে পাকিস্তানকে ধ্বংস করেছে, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা তো সত্য ছিল, সব ভারতের চাল! এগুলা শুনলে শরীরে কেমন জানি লাগে, বমি বমি লাগে, এই যা। না হলে দেশ তো ভালোই আছে! ভণ্ড শহিদুল আলম এখন শিবিরের প্রোগ্রামে গিয়ে বসে থাকে, এখন এগুলা অনেকের চোখেই পড়ে না। আমাদেরই কেমন জানি লাগে, এই যা। এই কেমন লাগাটা বন্ধ হয়ে গেলেই সব সমস্যা মিটে যাবে আশা করি!
এই যে ১০ এপ্রিল চলে আসল। বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে স্বাধীন বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার গঠন করা হয়। কিন্তু এর কোন গুরুত্ব এখন দেওয়া যাবে না, কারণ এই কাজ যারা করছে তারা সবাই আওয়ামীলীগের নেতা! লীগের তৎকালীন সভাপতিকে রাষ্ট্রপতি আর সহ সভাপতিকে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি করে, সাধারণ সম্পাদককে প্রধানমন্ত্রী করে যে সরকার গঠন করা হয় তা কীভাবে এখন আলোচিত হবে? লীগ তো নিষিদ্ধ! তাই বাংলাদেশের এই ইতিহাস চাপাই পড়ে যাবে, যাচ্ছে। আরে ভাই, ইতিহাস ঠিক আছে, তাই বলে এখন লীগের ইতিহাস পালন করতে হবে? স্বাধীনতা দিবসে তো তবু ঠেলেঠুলে স্বাধীনতার ঘোষক নামের প্যাচ দিয়ে জায়গা পাওয়া গেছে। কিন্তু এখন? এইখানে তো কোন মেজর সুবেদারের জায়গা নাই! ২৫ মার্চ কালরাতের পরে মাত্র কয়েকদিনের মধ্যে সরকার গঠন করে ফেলছে! এই ইতিহাস তো আবার লীগ প্রস্তুত ছিল না, লীগ স্বাধীনতাই চায় নাই, ( দ্বিমুখী অবস্থাটা দেখেন, একদিকে কয় লীগ, শেখ মুজিব দেশ স্বাধীন হোক চায় নাই, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হইতে চাইছে অন্যদিকে এরাই আবার কয় মুজিব ভারতের সাথে ষড়যন্ত্র করে পাকিস্তান ভাঙছে!) এইসব বলার উপায়ও তো থাকে না! তারচেয়ে এগুলা ইতিহাস পড়া, এগুলা দিবস পালন করা বন্ধ থাকুক। না হলে কী জবাব দিবে মানুষকে? এগুলা লীগের ইতিহাস, বাংলাদেশ, বাংলাদেশের ইতিহাসের সাথে কোন সম্পর্ক নাই। তাই ১০ এপ্রিল, ১৭ এপ্রিল এইসব এখন নিষিদ্ধ। এগুলা নিয়ে আলাপ করে লীগকে জায়গা দেওয়ার চেষ্টা? ৭ মার্চের ভাষণের সময়ও এই চেষ্টা করা হয়েছে। এগুলা বরদাস্ত করা হবে না।
এন্টি লীগ রাজনীতি করতে গিয়ে এন্টি মুক্তিযুদ্ধ, এন্টি স্বাধীনতা, এন্টি বাঙালি জাতীয়তাবাদ পক্ষ নিতেও সমস্যা নাই বর্তমান সরকারের এবং তাদেরই মিলেমিশে তৈরি করা বিরোধীদলের। সহজ সরল সমীকরণ। খুব কঠিন কিছু না।