সেদিন কিছুক্ষণ পরে পরেই শুনি এই যে আসতেছে হেফাজতে ইসলাম শাহবাগের দিকে। আমি কোনদিন মিটিং মিছিলে যাই নাই। মারামারি করার ছেলে আমি না। জীবনে দুই একবার মারামারির যে ঘটনা তা হচ্ছে আমিই মার খেয়ে বাড়ি ফিরেছি! সেই আমি বসে আছি রাস্তায়। রোড ডিভাইডারের মধ্যে গাছ লাগানো ছিল, কাছের সাথে বাঁশ দিয়ে খুঁটি দেওয়া ছিল। আমি দৌড়ে এগুলা একটা বাঁশ নিলাম, আমার সাথে আরেকজন, আমরা দুইজন একটা বাঁশ ভেঙে দুই টুকরা করে নিলাম। একবার হেঁটে মৎস্য ভবনের দিকে যাই, আবার হেঁটে শাহবাগ আসি। এসে বসে থাকি, উত্তেজনায় টগবগ করে রক্ত ফুটছে। আবার টিএসসির দিকে যাই। আবার শাহাবাগ। এই চলল সারাদিন। মঞ্চে কে কী বলছে তা ঠিকমত শুনিইও নাই। পুরো বিষয়টা ছিল অস্তিত্বের প্রশ্ন। বিকালের দিকে পাকা খবর আসল তারা আগানো শুরু করছে এদিকে।এক সাংবাদিক মোটর সাইকেলে করে এসে খবর দিল এইটা। তারা এদিকে আসতেছে। পুলিশ সামনে আমরা পিছনে। আমরাও আগানো শুরু করলাম। মৎস্য ভবনের দিক থেকে আসতেছে। আমরা আগাচ্ছি। পুলিশ সামনে থেকে কিছু টিয়ার শেল মারল। হুট করেই কী হল জানি না, সবাই দৌড় দিল, মানে আক্রমণ! পুলিশকে অতিক্রম করে আমরা রমনা পার্কে ঢুকে গেলাম। হেফাজতের কর্মীরা শেষ মুহূর্তে সাহস হারায়। তারা শাহবাগে না এসে কাকরাইলের দিকে চলে যেতে চাচ্ছিল সম্ভবত। আমাদের শুরু ধাওয়া দেওয়া। এখন অনেকেই বলে যে ওরা আসলে আক্রমণ করতে আসে নাই, এদিক দিয়ে চলে যেতে চাচ্ছিল! মানে যুক্তির কোন আগামাথা নাই আর কী! এখানে, এই শাহবাগকে ঘিরেই ওদের এই আন্দোলন, এর উপর দিয়ে ওরা চলে যাওয়ার জন্য আসতেছিল? সারাদিন তাণ্ডব চালিয়ে এখন এই পথে বাড়ি ফিরতে চাচ্ছিল ওরা? ... ...
আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য অ্যাডভান্সমেন্ট অব সায়েন্সের বৈজ্ঞানিক গবেষণা-ভিত্তিক ওয়েবসাইট সায়েন্সের বরাদ দিয়ে ডেইলি স্টার লিখেছে যে বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স সেই সময় অন্তর্বর্তী সরকারের স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নুরজাহান বেগমকে বলেছিলেন, "দয়া করে… ঈশ্বরের দোহাই, এটা করবেন না,” কিন্তু না, তার কথায় কাজ হয়নি। সরকার কোন পূর্ব প্রস্তুতি ছাড়াই টিকা কেনা বাতিল করে। এবং দরপত্র আহবানেও দেরি করে। যতদিনে দরপত্রসহ নানা আমলাতান্ত্রিক জটিলতা শেষ হতে যায় ততদিনে দেশ টিকা শূন্য হয়ে যায়। এই ঘাটতি আর পূরণ হয় না, এখন পর্যন্ত না! এবং এত বড় একটা নির্মম ঘটনা ঘটিয়ে নির্বিকার থেকে যায় সেই সময় সরকার। মানুষ এর কথা জানা শুরু করে যখন শিশু মৃত্যু শুরু হয়। মানুষ বিশ্বাসই করতে পারছে না হামের মত রোগে প্রাণ যাচ্ছে প্রাণের চেয়ে প্রিয় সন্তানের! ... ...
এদিকে নোবেলের ম্যানের আরেক কিচ্ছা বের হয়ে আসছে। তারা যেহেতু বিশ্বাস করত আগের সব খারাপ তাই লীগ সরকার যে টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা করে আসছিল তা তারা বাদ দিয়ে দিয়েছিল! ফলে টিকা নাই হয়ে যায় দেশ থেকে। যেখানে বাংলাদেশের এই টিকাদান কর্মসূচি দুনিয়া জুড়ে প্রশংসিত হয়ে আসছে সেখানে আমাদের শিশুরা টিকা পায় নাই। হামের টিকা পায় নাই! এখন এর ফল আসা শুরু হয়েছে। প্রায় দুইশ শিশু মারা গেছে এই কয়দিনে! প্রথমে বিএনপির স্বাস্থ্য মন্ত্রী লীগের ঘাড়ে দোষ দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। বহু বছর ধরে টিকা বন্ধ এমন একটা কথা বলে বসে। পরে দেখা গেল না, শুধু টিকা না, এর মধ্যে টিকা দানের জন্য লীগ সরকার পুরস্কারও পেয়েছে তখন সুর পরিবর্তন করা হল। এখন মোটামুটি তারাও বলা শুরু করছে যে ইনুস সরকার হামের টিকা নিয়ে সর্বনাশ করেছে যার ফল ভুগছে শিশুরা। আমরা জানি শুধু হাম না, আরও অনেক কিছুই সেই সময় ইনুস সরকার বাতিল করেছে। জন্ম নিয়ন্ত্রণের জন্য যে ক্যাম্পেইন চলত এখন আর তা চলে না। সব বন্ধ। এইডসের ওষুধ সরকারি ভাবে দেওয়া হত, যক্ষ্মার চিকিৎসা বিনামূল্যে দেওয়া হত। এইসবই এখন বন্ধ। ইনুস সরকার বন্ধ করে গেছে! হামের বিপদে আমরা এখন পড়েছে, বাকি গুলোর জন্য বিপদে পড়ব না? কিন্তু! কিন্তু আপনি এইসবের কিছুই সংসদের আলোচনায় পাবেন না! এতগুলো শিশু মারা গেল, সংসদে এই নিয়ে তেমন কোন কথাই নাই। উল্টো এনসিপির এক নেতা, সারজিস আলমের একটা ভিডিও দেখলাম সেখানে জুলাই সনদ বাতিল হয়ে যাচ্ছে, মানুষ ওইটা নিয়ে কথা না বলে কেন হামের টিকা নিয়ে কথা বলছে তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে! এনসিপির নেতারা যদিও তাদের জুলাই আন্দোলনের জন্য দায়মুক্তি পেয়ে গেছে। তবুও তারা এখন জুলাই সনদ নিয়ে পড়ে আছে। হামের কারণে শিশুর মৃত্যুও তাদের কাছে গৌণ হয়ে যাচ্ছে। হাসনাত বলেছে আবার জুলাই হবে! জুলাই সনদকে বাস্তবায়ন করার জন্য তারা আবার জুলাই আনবে! ... ...
"নারীর জন্ম হয় কলঙ্ক, কুলক্ষণ, অমঙ্গল, নারীর কোন আত্মা নেই, নারীর জন্ম হয়েছে সেবার জন্য, নারী স্ত্রীকে বিক্রি করতে পারে, স্ত্রী হচ্ছে বাড়ির সম্পদ, জিনিসপত্রের মত, নারী তার স্বামী থেকে অন্য কোথাও যেতে পারবে না, নির্যাতন চালালেও!" এমন কথা যে বিশিষ্ট ইসলামিক বক্তা বলেছেন তার নাম হচ্ছে আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ। তার আরও কুৎসিত কুৎসিত কথা আছে, জঘন্য রকমের মিথ্যাচার আছে। এমন একটা ব্যক্তিকে জনাব তারেক রহমান ইফতারের দাওয়াত দিয়েছেন। এই লোককের কাছে গিয়ে তিনি মাথা পেতে দিয়েছেন আমরা দেখেছি, মাথায় হাত বুলিয়ে দোয়া করে দেওয়ার ছবি, ভিডিও আমরা দেখছি।কত চমৎকার না? শুধু এই একজনকেই না, আরও আছে, - আল্লামা মুফতী আব্দুল মালেক সাহেব, আব্দুল হামিদ(পীর সাহেব মধুপুর), শাহ সালাহউদ্দিন (পীর সাহেব নানুপুর), মাওলানা মনজুরুল ইসলাম আফেন্দী, শায়খ আহমাদুল্লাহ সাহেব! সুন্দর এই সব মানুষগুলোই আসছিলেন প্রধানমন্ত্রীর দাওয়াতে। কবে? - ৭ মার্চ ২০২৬! দেশ কোন তরিকায় চলবে বুঝা যায়? ৭ মার্চ যে একটা বিশেষ দিন তা আর বলার উপায় নাই এই দেশে। আক্ষরিক অর্থেই নাই। একজন সাতই মার্চের ভাষণ বাজিয়েছে দেখে তাকে থানায় দিয়ে আসছে। থানা আবার তাকে আটক দেখিয়েছেও! কেন? বঙ্গবন্ধুর ভাষণ বাজানো নিষিদ্ধ না? কবে হল এই নিষিদ্ধ? কেউ জানে না। তারা এখনও জেলেই সম্ভবত। আরেকজন ফেসবুকে পোস্ট করেছে, এরপরে রাতে গেছে বুয়েটের হলে সেহেরি খাইতে, খাওয়া থেকে তুলে এনে তাকে পিটিয়ে আধমরা করে শাহবাগ থানার সামনে রেখে গেছে! ... ...
বাণিজ্য সমতা আনার জন্য ১৪টা বিমান কিনতে হবে আমাদেরকে। দরকার আছে কী না তা দেখার প্রয়োজন নাই। কেনার চুক্তি করা শেষ। এখানেই কেনাকাটার হিসাব শেষ না, আগামী ১৫ বছরে ১৫শ কোটি ডলারের জ্বালানি আমদানি করবে এবং প্রতিবছর সাড়ে তিনশো কোটি ডলারের কৃষিপণ্য কিনবে বাংলাদেশ! ঠিক আছে না? চুক্তিতে আরও আছে দুই পক্ষ শুল্ক মুক্তি পাবে পণ্যে আমদানিতে। এখন আমাদের কতগুলো পণ্য আর আমেরিকার কতগুলা পণ্য? বেশি না, আমেরিকার হচ্ছে মাত্র ৬ হাজার ৭১০টি পণ্য এবং বাংলাদেশের ১ হাজার ৬৩৮টি পণ্য! এইটা আরও ফাইন না? আমাদের কৃষি কই গিয়ে দাঁড়াবে বুঝা যাচ্ছে? আজকে ইফতারের আগে মার্কিন দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত একটা দোকানের ছবি দিয়ে পোস্ট করেছেন বাংলাদেশে আমেরিকার পণ্য রোজায় এসে গেছে, এতে বাংলাদেশের ভোক্তা আর আমেরিকার কৃষক সবাই লাভবান হবে! এখন আমাদের মত গরীবের যদি আমেরিকার কৃষকের চিন্তা করতে হয় তাহলে আমরা বাঁচব? ওদেরকে লাভবান করা আমাদের পক্ষে সম্ভব? পরনে কাপড় থাকব তো পরে? ... ...
যে কৌশলেই হোক তারা নিজেদের ন্যায়ের পক্ষের লোক, সৎ লোক হিসেবে উপস্থাপন করতে পারছে। অনেক মানুষের মনে ঢুকাতে পারছে এইটা ধর্মীয় দল, হারলে ধর্ম হেরে যাবে। এত এত আকাম কুকামের খবর সামনে আসে তবুও দেখবেন নিরেট মাথার লোকজনের মনে বিন্দুমাত্র দ্বিধা নেই এই সব নিয়ে। যুদ্ধে সব জায়েজ বলে সব আকামকে জায়েজ বলে দিচ্ছে! আমি একদম চাক্ষুষ দেখে বলছি, জামাতের অনেকেই এইটাকে জিহাদ মনে করে। মনে করে ইসলাম কায়েম করার জন্য তারা এখন জিহাদ করছে। তাই এতে অনেক কিছুই করা হবে যা অস্বাভাবিক লাগবে! এই যে জামাতে ভোট দিলে বেহেশত, জামাতে ভোট দিলে ধর্মের সেবা করা হবে এমন নানা উদ্ভট প্রলাপ যে তারা বকে, আপনার কী মনে হয় এইটা ওরা জানে না যে এইটা উদ্ভট প্রলাপ? জানে, তারপরেও কেন বলে? কারণ বলতে বলতেই বহু মানুষের মনের উপরে চাপ তৈরি করে ফেলতেছে ওরা এই ব্যাপারে। এইটাই কৌশল, ধর্ম আর দলকে এক করে ফেলা। এবং এরপরে দলের বিরুদ্ধে কিছু বললে তাকে ধর্মের বিরুদ্ধে বলা হিসেবে ঘোষণা দেওয়া। ... ...
টানাটানির মধ্যেই কারা হেফাজতে মারা গেছেন সাবেক পানিসম্পদ মন্ত্রী ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন। এই নিয়ে অন্তত একশজনের উপরে মারা গেলেন লীগের কর্মী কারা হেফাজতে! রমেশ চন্দ্র সেনের মৃত্যুতে মির্জা ফকরুল শোক বার্তা দিয়েছেন। তার বাড়িতে গিয়েছে। অথচ সত্য হচ্ছে এই লোকে ভুয়া মামলায় জেলেও পাঠিয়েছেন মির্জা সাহেবই! এইটাই হচ্ছে আইরনি! এই আইরনি সব জায়গায়ই হচ্ছে। আমার আসনে যে এখন পিপি, আইনজীবী সমিতির সভাপতিকে সাথে নিয়ে বলে বেড়াচ্ছেন যে লীগের কর্মীদের মামলা তুলে নেওয়া হবে, কাওকে ধরবে না পুলিশ, তিনি নিজেই এই সমস্ত মামলার ব্যবস্থা করেছেন, উচ্চ হারে চাঁদা খেয়েছেন! লীগের লোকজন এখন কী খেয়ে মাতাল হলে এদের কথায় নাচবে? সব জায়গায় একই অবস্থা। ... ...
জামাতের আমির সরাসরিই বলছে যে তাদের দলে নারীরা কোনদিন ক্ষমতার শীর্ষে যেতে পারবে না। তাদের নিয়মেই নাই। এইটা ভালো হল না? ভনিতা না করে বলেই দিছে যে এগুলা এখানে চলবে না। জামাতের নারী শাখার একজন, নাকমুখ কঠিন করে কাপড় দিয়ে প্যাচ মেরে আমাদেরকে জানাল যে তারাও এইটা মেনেই জামাতের রাজনীতিতে আসছে। আল্লা নারীদেরকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য তৈরি করে নাই। পুরুষ নারীকে চালায় নিয়ে যাবে এইটাই হচ্ছে নারীর নিয়তি! পরিচিত লাগে এগুলা? আমাদের অতি পরিচিত আফগান জিলাপির মত লাগে? এক সময় এগুলা বহুদূরর মনে হত। এখন আর তা মনে হয় না। কারণ দূরে আর নাই। এখন প্রতিনিয়ত শরিয়া আইনের আলাপ শুনি চায়ের দোকানে! মানুষের মুখে মুখে এই সব কথাবার্তা। এক সময় এই দেশের মানুষ মিছিল করছে আমরা সবাই তালিবান, দেশ বানাব আফগান! তখন হাসছি হা হা করে। এখন নিজেদের হাসি আমাদের দিকেই ব্যাঙ্গ করছে সকাল বিকাল! ... ...
ভারতে বাংলাদেশী সন্দেহে ভারতীদেরই ধরে ধরে মারা হচ্ছে। সত্যিকারের বাংলাদেশীদের পাইলে কিছুই করবে না? আমার পরিচিত একজন চিকিৎসা নিতে চেন্নাই গিয়েছিল। প্ল্যান ছিল ফেরার সময় কলকাতা হয়ে ফিরবে, শপিং করে টরে ফিরবে। রীতিমত দৌড়ানই খেয়ে জান হাতে নিয়ে চলে আসছে তারা! সেখান থেকেই বিমানে চলে আসছে দেশে। আমার বোন ভগ্নীপতি চিকিৎসার জন্য যাওয়ার সমস্ত পরিকল্পনা করেছিল, তাদের এই কাহিনী শুনে তারা এখন পিছাচ্ছে। হয়ত অন্য কোথাও যাবে। তো, এইটা একটা বাস্তব সমস্যা। এর সমাধান কী দেওয়া হয়েছে? আইসিসি তো শুধু খেলোয়াড় আর অফিসিয়ালদের দায়িত্ব নিত, সাংবাদিক, সমর্থকেরা নিরাপদ থাকত? এই বিষয়টা কি ভেবে দেখা হয়েছে? এর জবাব কী দিয়েছে তারা? এখন সাংবাদিকদেরও প্রবেশ অধিকার দিচ্ছে না আইসিসি! এইটা কেমন? যাই হোক, আমার মনে হয় ঠিকঠাক পদক্ষেপ নিলে এগুলারও নিশ্চয়ই সমাধান বের করা যেত। ... ...
আমাকে এখন বলা হচ্ছে আমার এই অনুভূতির কোন দাম নাই। আপনি এগুলা ভুলে গিয়ে নতুন করে সব শিখুন! অথচ মানুষ চাইলেও নিজের জাতিসত্তাকে বদলে দিতে পারে না। ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ বলেছেন "আমরা হিন্দু-মুসলমান যেমন সত্য, তার চেয়ে বেশি সত্য যে আমরা বাঙালি। এটি কোনো আদর্শের কথা নয়, এটি একটি বাস্তব কথা। মা-প্রকৃতি নিজের হাতে আমাদের চেহারা ও ভাষায় বাঙালির এমন ছাপ মেরে দিয়েছেন যে মালা-তিলক-টিকিতে এবং টুপি-লুঙ্গিতে দাড়িতে ঢাকবার জো-টি নেই।" এই পরিচয় মুছে ফেলতে হবে এখন? পাকিস্তানীরা বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিপরীতে ধর্মকে টেনে এনেছিল। কাজ হয় নাই। যে মোস্তাক মীরজাফরের মত ঘৃণিত সেই মোস্তাকও তার সেই স্বল্প রাষ্ট্র পরিচালনার সময় সংবিধানের চার মূল স্তম্ভে হাত দেওয়ার সাহস পায় নাই। এখন অবলীলায় ছুঁড়ে ফেলতে হবে সব কিছু? আপনরা যারা অবলীলায় ছুঁড়ে ফেলে দিতে চাচ্ছেন, স্বাগত জানাচ্ছেন সরকারের সিদ্ধান্তকে তারা আমিন বলতে পারেন, আমি বরং অপেক্ষা করি, দেখি আপনাদেরকে। ... ...